ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

গায়ানা উপকূলে ১৩৩ আরোহী নিয়ে ফেরির ডুবির ঘটনা


গায়ানা উপকূলে ১৩৩ আরোহী নিয়ে ফেরির ডুবির ঘটনা

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ গায়ানার উপকূলে ১৩৩ জন যাত্রী ও নাবিক বহনকারী ফেরির ডুবির ঘটনা ঘটেছে। এখন পর্যন্ত ৬৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ১৫ জন শিশু রয়েছেন। যাত্রীদের মধ্যে অনেকেই নিখোঁজ আছেন, তাই উদ্ধার অভিযান এখনও চলমান রয়েছে।

শনিবার, স্থানীয় সময় রাজধানী জর্জটাউন থেকে ছাড়ার পর এমভি বারিমা নামক ফেরিটি দুর্ঘটনার শিকার হয়। ফেরিতে ১১৬ জন যাত্রী এবং ১৭ জন ক্রু ছিলেন।

স্থানীয় সময় রাত ১১টা ১ মিনিটে (রবিবার ০৩:০১ জিএমটি) জরুরি সংকেত পাওয়ার পর সরকারি উদ্ধারকারী দল ও বেসরকারি নৌযান নিয়ে উদ্ধার কাজ শুরু হয়েছে। গায়ানার জনপথমন্ত্রী হুয়ান এডগিল জানান, ফেরিতে থাকা প্রত্যেকের খোঁজ পাওয়ার ব্যাপারে তারা আশাবাদী, এবং উদ্ধারকর্মীরা রবিবারও নিখোঁজদের সন্ধানে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

আরও পড়ুন: ঢাকায় জরুরি অবতরণে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের দরজা খুলে গেল, রোগীর মৃত্যু

প্রধানমন্ত্রী মার্ক ফিলিপস জানান, উদ্ধার হওয়াদের মধ্যে ৪১ জন পুরুষ, ১১ জন নারী এবং ফেরিটির ক্যাপ্টেনও সেখানেই রয়েছেন। তিনি জানান, ক্যাপ্টেন উদ্ধার অভিযানে সহায়তা করতে আবার ঘটনাস্থলে ফিরে গেছেন এবং অনুসন্ধান কার্যক্রমের পরিধি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে।

মার্ক ফিলিপস আরও জানান, দুর্ঘটনার সময় ফেরিটি নির্ধারিত ওজনসীমার মধ্যেই ছিল। ফেরিটির ধারণক্ষমতার ৩০০ জনেরও বেশি যাত্রী বহনের অনুমোদন ছিল। উদ্ধার অভিযান ও চিকিৎসা পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর ফেরিতে থাকা যাত্রীদের নাম প্রকাশ করা হবে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এ ছাড়া, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তি এবং নিখোঁজ যাত্রীদের স্বজনদের সহায়তার জন্য বিশেষ সহায়তাকেন্দ্রও চালু করা হয়েছে।

ফেরিটি জর্জটাউন থেকে পোর্ট কাইতুমার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল এবং আয়রন পন্ট এলাকার কাছে উল্টে যায়। দেশটির কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এমভি বারিমা ফেরিটিতে ২৫০টি লাইফ জ্যাকেট, দুটি শক্ত কাঠামোর লাইফক্রাফট এবং ছয়টি ফোলানো যায় এমন লাইফক্রাফট ছিল। ১৯৩৯ সালে নির্মিত ৪০ মিটার (১৩১ ফুট) দৈর্ঘ্যের এই ফেরিটি বহু বছর ধরে যাত্রী পরিবহনে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল।

সূত্র: বিবিসি

আরও পড়ুন: রাহুল গান্ধীর পদযাত্রা: ভারতের গণবিক্ষোভে যুবদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সেবার বিশ্বকাপ জিতে কেঁদেছিলেন মেসি, এবার হেরে কাঁদলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০৩ এম


সেবার বিশ্বকাপ জিতে কেঁদেছিলেন মেসি, এবার হেরে কাঁদলেন

শেষবার আর রূপকথার মতো সম্পন্ন হলো না। আর্জেন্টিনাকে আরেকটি ট্রফি উপহার দেওয়ার স্বপ্ন অসম্পূর্ণই রয়ে গেল লিওনেল মেসির।

চার বছর আগে বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দে কেঁদেছিলেন তিনি। এবার ফাইনালে হারের পর দীর্ঘ সময় ধরে নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর নিজেকে সামলাতে পারলেন না। তার চোখের জলই বলে দিল তার মনের সব কথা।

ফাইনালে প্রত্যাশামতো পারফর্ম করতে পারেননি মেসি। গোটা ম্যাচে তাকে কার্যত নিয়ন্ত্রণে রেখেছিলো স্পেনের রক্ষণভাগ। শেষ মুহূর্তে একটি শট এবং কয়েকটি কর্নার থেকে সুযোগ তৈরি করা ছাড়া স্মরণীয় কিছুই করতে পারেননি আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। এর ফলে তাকে শেষ মুহূর্তে পরাজয়ের হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়।

চার বছর আগে কাতারে বিশ্বকাপ জয়ের সময় আনন্দাশ্রু ঝরেছিল মেসির চোখে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার সেই অনুভূতি তিনি লুকাতে পারেননি। কিন্তু এবার পরিস্থিতি ভিন্ন ছিল। বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ তিনি আগেই পেয়েছেন, তাই ম্যাচ শেষে শুরুর দিকে তাকে শান্ত ও নির্লিপ্ত মনে হচ্ছিল।

কিন্তু সেই দৃঢ়তা বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেননি তিনি।

রেফারির শেষ বাঁশি বাজতেই কিছুক্ষণ মাঠের মাঝখানে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন মেসি। দুই হাত কোমরে রেখে চারপাশে তাকাচ্ছিলেন গ্যালারি। স্টেডিয়ামে উপস্থিত অসংখ্য আর্জেন্টিনা সমর্থকের দিকে যেন তিনি শেষবারের মতো তাকাচ্ছিলেন। কিছু সতীর্থ এসে তাকে জড়িয়ে ধরেন এবং এরপর ক্লান্ত শরীর নিয়ে মাঠেই বসে পড়েন লিও।

এ সময় এগিয়ে আসেন লামিন ইয়ামাল। ফাইনালের আগে যাদের লড়াই নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হয়েছিল, সেই ইয়ামালই ম্যাচ শেষে মেসিকে জড়িয়ে ধরে সান্ত্বনা দেন। ধীরে ধীরে আর্জেন্টাইন মহাতারকা উঠে দাঁড়ান। পরবর্তীতে সতীর্থদের সঙ্গে মাঠ প্রদক্ষিণ করে সমর্থকদের অভিনন্দন ও ভালোবাসার জবাব দেন। পরে পুরস্কার বিতরণী মঞ্চের দিকে এগিয়ে যান তিনি।

মেসিকে দেখে মনে হচ্ছিল ক্রমশ মাঠ ছেড়ে ড্রেসিংরুমে ফিরতে চাইছেন। কিন্তু ঠিক তখনই গ্যালারিজুড়ে ধ্বনিত হয়—‘মেসি, মেসি’। হাজারো সমর্থক করতালি এবং স্লোগানে বিদায় জানান তাদের প্রিয় ফুটবলারকে। সেই ভালোবাসার জবাব দিতে গিয়েই আর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি মেসি। অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন তিনি।

এটাই যে মেসির শেষ বিশ্বকাপ, তা অনেকের কাছে স্পষ্ট হয়ে গেছে। তবে আর্জেন্টিনার জার্সিতে তাকে আবার দেখা যাবে কি না সেটিও এখন বড় প্রশ্ন। হয়তো এই বিশ্বকাপ খেলতেই তিনি তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার আরও কিছুদিন বাড়িয়ে ছিলেন। শেষবারের মতো দেশকে ট্রফি জেতানোর চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু সেই স্বপ্ন পূরণ হলো না।

শেষ পর্যন্ত চোখের জল নিয়ে টানেলের পথে হাঁটলেন লিওনেল মেসি। যদি এটি তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায় হয়, তবে তা শেষ হলো একটি অসমাপ্ত স্বপ্ন এবং কোটি ভক্তের হৃদয়ভাঙার গল্প হয়ে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিএমপির জরুরি নির্দেশনা সড়কে যান চলাচল নিয়ে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২১ এম


ডিএমপির জরুরি নির্দেশনা সড়কে যান চলাচল নিয়ে

ঢাকা মহানগরে শব্দদূষণ কমানোর লক্ষ্যে নীরব (সাইলেন্ট) এলাকায় অপ্রয়োজনীয় হর্ণ বাজানো নিরুৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক কর্মকর্তাদের জন্য নতুন নির্দেশনা প্রদান করেছেন।

এ লক্ষ্য নিয়ে, তিনি নীরব এলাকায় স্পষ্ট সাইনবোর্ডs স্থাপন, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সমন্বিত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার ওপর জোর দিয়েছেন।

রোববার (১৯ জুলাই) ঢাকায় ট্রাফিকের ব্যবস্থাপনাকে আরো কার্যকর, আধুনিক এবং নাগরিকবান্ধব করে তোলার উদ্দেশ্যে ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সে ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার সভাপতিত্বে ছিলেন তিনি।

সভায় ডিএমপি কমিশনার তার নির্দেশনাগুলি প্রদান করেন।

সাম্প্রতিক সভায় ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, যানজট নিরসন, সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, ট্রাফিক আইন বাস্তবায়ন, প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং জনসেবার মানোন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন সমস্যা, চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাব্য সমাধান তুলে ধরেন ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তারা।

তাদের বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনার পর, ডিএমপি কমিশনার কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার জন্য সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একইসঙ্গে, তিনি নগরবাসীকে আরো উন্নত, মানসম্মত ও জনবান্ধব ট্রাফিকসেবা প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ বলেন, “শব্দদূষণ শুধু পরিবেশের জন্য নয়, জনস্বাস্থ্যের জন্যও একটি গুরুতর হুমকি। তাই নীরব এলাকায় সুস্পষ্ট সাইনবোর্ড স্থাপন এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে অপ্রয়োজনীয় হর্ণ বাজানো নিরুৎসাহিত করতে হবে।”

সভায় ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমানসহ ট্রাফিক বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আর্জেন্টিনার পরাজয়ের শোকে দুজনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২৬ এম


আর্জেন্টিনার পরাজয়ের শোকে দুজনের মৃত্যু

২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে আর্জেন্টিনারের পরাজয়ের পর দেশজুড়ে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।

শিরোপা হাতছাড়া হওয়ার ধাক্কা সহ্য করতে না পেরে রাজধানী বুয়েনস আইরেসে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে দুই প্রবীণ সমর্থকের মৃত্যু ঘটেছে।

এছাড়া, আরও একজন গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আর্জেন্টিনার জরুরি চিকিৎসা সেবা সংস্থা (সামে) ও স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে মনসেরাত এলাকার একটি বাসা থেকে জরুরি সেবায় ফোন করা হয়েছে।

সেখানে ৬৭ বছর বয়সী এক সমর্থক হৃদরোগে আক্রান্ত হন।

চিকিৎসকরা ঘটনাস্থলেই সিপিআর (কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন) দিলেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

এর আগে বিকেল ৫টা ৩৯ মিনিটে ৮৮ বছর বয়সী আরেক সমর্থকের শ্বাসকষ্ট শুরু হলে তার মেয়ে জরুরি সেবায় যোগাযোগ করেন।

প্রাথমিকভাবে সিপিআর দেওয়ার পর তাকে ডুরান্ড হাসপাতালে নেওয়া হয়।

প্রায় পাঁচ ঘণ্টা চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি মারা যান।

এদিকে, স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ২২ মিনিটে ৭২ বছর বয়সী আরেক ব্যক্তি হঠাৎ বুকে তীব্র ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন।

বর্তমানে তিনি আলভারেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ)-তে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে বুয়েনস আইরেসের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

ফাইনাল শেষে রাজধানীর ওবেলিস্ক চত্বরে জড়ো হওয়া সমর্থকদের মধ্যে হতাশা থেকে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়।

এ সময় ৪৭ বছর বয়সী এক ব্যক্তি প্রায় ১৩ ফুট উঁচু থেকে পড়ে গিয়ে বাঁ পায়ের হাড় ভেঙে গুরুতর আহত হন।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ইনফোবে জানিয়েছে, পরাজয়ের হতাশায় অনেক সমর্থক অতিরিক্ত মদ্যপান করে অসুস্থ হয়ে পড়েন।

এছাড়া সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতি, ধাক্কাধাক্কি এবং পড়ে গিয়ে আহত হওয়ার একাধিক ঘটনাও রেকর্ড করা হয়েছে।

বিশ্বকাপ ফাইনালের পর এমন মর্মান্তিক পরিস্থিতিতে বুয়েনস আইরেসজুড়ে শোকের আবহ বিরাজ করছে।

অবস্থান শান্ত রাখতে এবং সংযম বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও জরুরি চিকিৎসা সেবা সংস্থাগুলো তৎপর রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাভি-পারেদেসের ধাক্কাধাক্কির বিপরীতে সৌহার্দপূর্ণ আলিঙ্গন মেসি-ইয়ামালের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৩৩ এম


গাভি-পারেদেসের ধাক্কাধাক্কির বিপরীতে সৌহার্দপূর্ণ আলিঙ্গন মেসি-ইয়ামালের

মেসি ও ইয়ামাল হাসিমুখে ভাব বিনিময় করছেন। ছবিটি এক্স থেকে নেওয়া।

ম্যাচ হারের পর স্বাভাবিকভাবেই পরাজিত দলের মন খারাপ থাকে। বিশেষ করে, বিশ্বকাপের ফাইনাল হারলে তো আর কথাই নেই।

দুঃখজনক মুহূর্তে কেউ উসকানিমূলক কিছু বললে রাগ হওয়া স্বাভাবিক।

তবে মন্তব্য শুনে মাত্রাতিরিক্ত বাড়াবাড়িও কাম্য নয়। তাই গতকাল রাতে মেটলাইফ স্টেডিয়ামে এই কাজটি করেছেন লিয়ান্দ্রো পারেদেস। স্পেনের কাছে ১-০ গোলে পরাজয়ের পর পারেদেস এরিক গার্সিয়ার গলা চেপে ধরেন।

পরমুহূর্তেই তিনি গাভিকে ধাক্কা দিয়ে মাঠে ফেলে দেন। আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার তখন তাকে মারতে উদ্যত হন।

পারেদেসের এমন কর্মকাণ্ডের আগে গাভি হালকা ধাক্কা দেওয়ার মাধ্যমে উসকানিমূলক কিছু বলেছিলেন। তবে বার্সেলোনার মিডফিল্ডার কী মন্তব্য করেছিলেন, তা এখনো জানা যায়নি।

পরে কোচ এবং অন্য খেলোয়াড়রা এসে দ্বন্দ্বের মিটমাট করেন। তবে এই ঘটনার জন্য পারেদেসের লাল কার্ড দেখতে হয়েছে।

গাভি ও পারেদেসের এমন অসৌজন্যমূলক ঘটনার মধ্যে ম্যাচেই সৌহার্দপূর্ণ ভাব বিনিময় করেন লিওনেল মেসি এবং লামিনে ইয়ামাল। ফাইনাল হারানোর পরে হতাশায় মেসি মাঠের এক স্থানে একাকী বসেছিলেন। উদযাপনের এক ফাঁকে ইয়ামাল দৌড়ে এসে আর্জেন্টিনার অধিনায়কের সঙ্গে বুক মেলান।

তারা একে অপরের সঙ্গে কিছু বাক্য বিনিময়ও করেন।

ইয়ামালের আলিঙ্গনের বিষয়ে পরে মেসি বলেছেন, ‘সে আমাকে জড়িয়ে ধরে সান্ত্বনা দিচ্ছিল আর বারবার বলছিল আমি যেন না কাঁদি। সে সত্যিই খুব দয়ালু ও নরম মনের একজন ছেলে।’ ম্যাচ শুরুর আগেও দুজনকে হাসিমুখে দেখা যায়।

মাঠে প্রথম দেখা হলেও মেসি ও ইয়ামালের প্রথম সাক্ষাৎটি ২০০৭ সালের ডিসেম্বর মাসে হয়েছিল। সে সময় ইয়ামালের বয়স মাত্র ৫ মাস ছিল। বার্সেলোনার একটি স্টুডিওতে ওইদিন মেসি, যে সময়ের ২০ বছর বয়সী ছিলেন, ছোট্ট ইয়ামালকে গোসল করিয়ে দিয়েছিলেন। সেই দিন বার্সেলোনা ফাউন্ডেশন এবং কাতালান দৈনিক দিয়ারিও স্পোর্তের একটি দাতব্য ক্যালেন্ডারের অংশ হিসেবে দুজনের দেখা হয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%