ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ডিএমপির জরুরি নির্দেশনা সড়কে যান চলাচল নিয়ে


ডিএমপির জরুরি নির্দেশনা সড়কে যান চলাচল নিয়ে

ঢাকা মহানগরে শব্দদূষণ কমানোর লক্ষ্যে নীরব (সাইলেন্ট) এলাকায় অপ্রয়োজনীয় হর্ণ বাজানো নিরুৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক কর্মকর্তাদের জন্য নতুন নির্দেশনা প্রদান করেছেন।

এ লক্ষ্য নিয়ে, তিনি নীরব এলাকায় স্পষ্ট সাইনবোর্ডs স্থাপন, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সমন্বিত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার ওপর জোর দিয়েছেন।

রোববার (১৯ জুলাই) ঢাকায় ট্রাফিকের ব্যবস্থাপনাকে আরো কার্যকর, আধুনিক এবং নাগরিকবান্ধব করে তোলার উদ্দেশ্যে ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সে ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার সভাপতিত্বে ছিলেন তিনি।

আরও পড়ুন: ভারতের পথে যুব মহিলা লীগ নেত্রী সুলতানা বেগম আটক

সভায় ডিএমপি কমিশনার তার নির্দেশনাগুলি প্রদান করেন।

সাম্প্রতিক সভায় ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, যানজট নিরসন, সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, ট্রাফিক আইন বাস্তবায়ন, প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং জনসেবার মানোন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন সমস্যা, চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাব্য সমাধান তুলে ধরেন ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তারা।

তাদের বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনার পর, ডিএমপি কমিশনার কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার জন্য সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একইসঙ্গে, তিনি নগরবাসীকে আরো উন্নত, মানসম্মত ও জনবান্ধব ট্রাফিকসেবা প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ বলেন, “শব্দদূষণ শুধু পরিবেশের জন্য নয়, জনস্বাস্থ্যের জন্যও একটি গুরুতর হুমকি। তাই নীরব এলাকায় সুস্পষ্ট সাইনবোর্ড স্থাপন এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে অপ্রয়োজনীয় হর্ণ বাজানো নিরুৎসাহিত করতে হবে।”

আরও পড়ুন: সৌদি আরবে তেলক্ষেত্রে ড্রোন হামলা প্রতিহত, দুই বিদেশির মৃত্যু

সভায় ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমানসহ ট্রাফিক বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আর্জেন্টিনার পরাজয়ের শোকে দুজনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২৬ এম


আর্জেন্টিনার পরাজয়ের শোকে দুজনের মৃত্যু

২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে আর্জেন্টিনারের পরাজয়ের পর দেশজুড়ে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।

শিরোপা হাতছাড়া হওয়ার ধাক্কা সহ্য করতে না পেরে রাজধানী বুয়েনস আইরেসে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে দুই প্রবীণ সমর্থকের মৃত্যু ঘটেছে।

এছাড়া, আরও একজন গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আর্জেন্টিনার জরুরি চিকিৎসা সেবা সংস্থা (সামে) ও স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে মনসেরাত এলাকার একটি বাসা থেকে জরুরি সেবায় ফোন করা হয়েছে।

সেখানে ৬৭ বছর বয়সী এক সমর্থক হৃদরোগে আক্রান্ত হন।

চিকিৎসকরা ঘটনাস্থলেই সিপিআর (কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন) দিলেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

এর আগে বিকেল ৫টা ৩৯ মিনিটে ৮৮ বছর বয়সী আরেক সমর্থকের শ্বাসকষ্ট শুরু হলে তার মেয়ে জরুরি সেবায় যোগাযোগ করেন।

প্রাথমিকভাবে সিপিআর দেওয়ার পর তাকে ডুরান্ড হাসপাতালে নেওয়া হয়।

প্রায় পাঁচ ঘণ্টা চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি মারা যান।

এদিকে, স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ২২ মিনিটে ৭২ বছর বয়সী আরেক ব্যক্তি হঠাৎ বুকে তীব্র ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন।

বর্তমানে তিনি আলভারেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ)-তে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে বুয়েনস আইরেসের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

ফাইনাল শেষে রাজধানীর ওবেলিস্ক চত্বরে জড়ো হওয়া সমর্থকদের মধ্যে হতাশা থেকে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়।

এ সময় ৪৭ বছর বয়সী এক ব্যক্তি প্রায় ১৩ ফুট উঁচু থেকে পড়ে গিয়ে বাঁ পায়ের হাড় ভেঙে গুরুতর আহত হন।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ইনফোবে জানিয়েছে, পরাজয়ের হতাশায় অনেক সমর্থক অতিরিক্ত মদ্যপান করে অসুস্থ হয়ে পড়েন।

এছাড়া সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতি, ধাক্কাধাক্কি এবং পড়ে গিয়ে আহত হওয়ার একাধিক ঘটনাও রেকর্ড করা হয়েছে।

বিশ্বকাপ ফাইনালের পর এমন মর্মান্তিক পরিস্থিতিতে বুয়েনস আইরেসজুড়ে শোকের আবহ বিরাজ করছে।

অবস্থান শান্ত রাখতে এবং সংযম বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও জরুরি চিকিৎসা সেবা সংস্থাগুলো তৎপর রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাভি-পারেদেসের ধাক্কাধাক্কির বিপরীতে সৌহার্দপূর্ণ আলিঙ্গন মেসি-ইয়ামালের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৩৩ এম


গাভি-পারেদেসের ধাক্কাধাক্কির বিপরীতে সৌহার্দপূর্ণ আলিঙ্গন মেসি-ইয়ামালের

মেসি ও ইয়ামাল হাসিমুখে ভাব বিনিময় করছেন। ছবিটি এক্স থেকে নেওয়া।

ম্যাচ হারের পর স্বাভাবিকভাবেই পরাজিত দলের মন খারাপ থাকে। বিশেষ করে, বিশ্বকাপের ফাইনাল হারলে তো আর কথাই নেই।

দুঃখজনক মুহূর্তে কেউ উসকানিমূলক কিছু বললে রাগ হওয়া স্বাভাবিক।

তবে মন্তব্য শুনে মাত্রাতিরিক্ত বাড়াবাড়িও কাম্য নয়। তাই গতকাল রাতে মেটলাইফ স্টেডিয়ামে এই কাজটি করেছেন লিয়ান্দ্রো পারেদেস। স্পেনের কাছে ১-০ গোলে পরাজয়ের পর পারেদেস এরিক গার্সিয়ার গলা চেপে ধরেন।

পরমুহূর্তেই তিনি গাভিকে ধাক্কা দিয়ে মাঠে ফেলে দেন। আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার তখন তাকে মারতে উদ্যত হন।

পারেদেসের এমন কর্মকাণ্ডের আগে গাভি হালকা ধাক্কা দেওয়ার মাধ্যমে উসকানিমূলক কিছু বলেছিলেন। তবে বার্সেলোনার মিডফিল্ডার কী মন্তব্য করেছিলেন, তা এখনো জানা যায়নি।

পরে কোচ এবং অন্য খেলোয়াড়রা এসে দ্বন্দ্বের মিটমাট করেন। তবে এই ঘটনার জন্য পারেদেসের লাল কার্ড দেখতে হয়েছে।

গাভি ও পারেদেসের এমন অসৌজন্যমূলক ঘটনার মধ্যে ম্যাচেই সৌহার্দপূর্ণ ভাব বিনিময় করেন লিওনেল মেসি এবং লামিনে ইয়ামাল। ফাইনাল হারানোর পরে হতাশায় মেসি মাঠের এক স্থানে একাকী বসেছিলেন। উদযাপনের এক ফাঁকে ইয়ামাল দৌড়ে এসে আর্জেন্টিনার অধিনায়কের সঙ্গে বুক মেলান।

তারা একে অপরের সঙ্গে কিছু বাক্য বিনিময়ও করেন।

ইয়ামালের আলিঙ্গনের বিষয়ে পরে মেসি বলেছেন, ‘সে আমাকে জড়িয়ে ধরে সান্ত্বনা দিচ্ছিল আর বারবার বলছিল আমি যেন না কাঁদি। সে সত্যিই খুব দয়ালু ও নরম মনের একজন ছেলে।’ ম্যাচ শুরুর আগেও দুজনকে হাসিমুখে দেখা যায়।

মাঠে প্রথম দেখা হলেও মেসি ও ইয়ামালের প্রথম সাক্ষাৎটি ২০০৭ সালের ডিসেম্বর মাসে হয়েছিল। সে সময় ইয়ামালের বয়স মাত্র ৫ মাস ছিল। বার্সেলোনার একটি স্টুডিওতে ওইদিন মেসি, যে সময়ের ২০ বছর বয়সী ছিলেন, ছোট্ট ইয়ামালকে গোসল করিয়ে দিয়েছিলেন। সেই দিন বার্সেলোনা ফাউন্ডেশন এবং কাতালান দৈনিক দিয়ারিও স্পোর্তের একটি দাতব্য ক্যালেন্ডারের অংশ হিসেবে দুজনের দেখা হয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাবা আকাশ মোটরসাইকেলে নিয়ে শহরে ঘোরেন বস্তাবন্দি মেয়ের লাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৩৬ এম


বাবা আকাশ মোটরসাইকেলে নিয়ে শহরে ঘোরেন বস্তাবন্দি মেয়ের লাশ

খুলনার কিশোরী নির্জনা হত্যা মামলায় আদালতে জবানবন্দি দিয়ে বাবা আকাশ নিজের মেয়েকে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। রবিবার (১৯ জুলাই) খুলনা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১ এর বিচারক মো. আসাদুর জামানের আদালতে তিনি স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দেন। এরপর আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও খুলনা সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলাম জানান, শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার একটি দোকান থেকে র‍্যাব আকাশকে গ্রেপ্তার করে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেন এবং পরে আদালতে স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দেন।

পুলিশ ও আদালতে দেওয়া জবানবন্দি সূত্রে জানা যায়, গত ৮ জুলাই সকালে নির্জনা স্বামীর সঙ্গে চলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে ফিরিয়ে আনেন। বিকেলে মা আরিফা ইয়াসমিন সীমার সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে নির্জনা মায়ের ওপর শারীরিকভাবে আক্রমণ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বাবা আকাশ কাঠের একটি চলা দিয়ে আঘাত করেন। তার দাবি, আঘাতটি দুর্ঘটনাবশত নির্জনার মাথায় লাগে এবং পরে তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।

এরপর মরদেহ গোপন করতে নির্জনাকে কালো লুঙ্গি দিয়ে বেঁধে প্লাস্টিকের বস্তায় ঢুকিয়ে বাড়ির নিচে নামানো হয়। পরে মোটরসাইকেলে করে মরদেহ নিয়ে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাঘুরির পর প্রান্তিকা আবাসিক এলাকার একটি নির্জন সড়কে ফেলে দেওয়া হয়। এরপর বাসায় ফিরে রক্তের দাগ মুছে ফেলেন আকাশ ও তার স্ত্রী। রাতে তারা কান্নাকাটি করেন এবং পরদিন সকালে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান।

খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, বস্তাবন্দি রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধারের পর প্রথমদিকে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। এমনকি পিবিআই ও সিআইডির মতো বিশেষায়িত সংস্থাও শুরুতে পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিহতের ছবি প্রকাশের পর দিন বিকেলে তার পরিচয় নিশ্চিত হয়।

ওসি আরও জানান, তদন্তের সময় নিহতের মা-বাবার সঙ্গে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে প্রযুক্তির সহায়তায় প্রথমে মা আরিফা ইয়াসমিন সীমাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। শুরুতে তিনি নীরব থাকলেও পরে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেন।

পুলিশ জানায়, ঘটনার ছয় দিন পর হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয় এবং ১০ দিন পর ডুমুরিয়া থেকে আকাশকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এর আগে গত ১০ জুলাই নির্জনার মা আরিফা ইয়াসমিন সীমাও আদালতে জবানবন্দি দিয়ে মেয়ে হত্যার দায় স্বীকার করেন। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী হলেন রাশেদ খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৪০ এম


প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী হলেন রাশেদ খান

বিএনপি নেতা রাশেদ খান প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী হিসেবে সচিব পদমর্যাদায় নিয়োগ পেয়েছেন, যা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় হয়েছে।

এরই মধ্যে রবিবার (১৯ জুলাই) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. গোলাম রব্বানী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মো. রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী (রাজনৈতিক) পদে সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে এ নিয়োগ পাওয়ার জন্য তাকে অন্য যে কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগ করতে হবে। এই নিয়োগ প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদকাল অথবা তার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে (যেটি আগে ঘটে) কার্যকর হবে।

এছাড়া, এই নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে এবং জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হয়েছে। মো. রাশেদ খাঁন ব্যক্তিগতভাবে আজ সোমবার (২০ জুলাই) ফেসবুকে এক পোস্টে বিজ্ঞপ্তিটি শেয়ার করেছেন।

তিনি সেখানে লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, প্রধানমন্ত্রী আমাকে তার সহকারী (রাজনৈতিক) পদে সচিব পদমর্যাদায় নিয়োগ দিয়েছেন।’

এছাড়া তিনি জানান, ‘অশেষ কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই বাংলাদেশের জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতিমূর্তি, বিএনপির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে। আমি যাতে আস্থা ও বিশ্বাসের সহিত আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে পারি, এজন্য সবার দোয়া ও ভালবাসা চাই। নতুন জীবনের এই পথচলায় সবার সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%