ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মধুপুরে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় এসআরবি-১৪-এর প্রেস ব্রিফিং


মধুপুরে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় এসআরবি-১৪-এর প্রেস ব্রিফিং

শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উদযাপন ও পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে টাঙ্গাইলের মধুপুরে প্রেস ব্রিফিং করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১৪। এ সময় ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিভিন্ন জেলা ও সংশ্লিষ্ট এলাকায় ৩ হাজার ৩৫০টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
রোববার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় মধুপুর উপজেলার অরণখোলা ইউনিয়নের জলছত্র হরিসভা মন্দিরের পূজামণ্ডপ প্রাঙ্গণে এ প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।
প্রেস ব্রিফিংয়ে বক্তব্য দেন এসআরবি-১৪-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মু. মাসুদুর রানা। তিনি জানান, ময়মনসিংহ অঞ্চলের টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, শেরপুর, জামালপুর, নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জ—এই ছয় জেলাসহ কুড়িগ্রাম, রৌমারী ও রাজিবপুর এলাকায় মোট ৩ হাজার ৩৫০টি পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।
এরই ধারাবাহিকতায় মধুপুর উপজেলার ৬০টি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে জলছত্র হরিসভা মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করা হয়। এ সময় পূজামণ্ডপের নিরাপত্তাব্যবস্থা ও নির্বিঘ্নে পূজা উদযাপনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন তিনি।
প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন এসআরবি টাঙ্গাইলের কমান্ডার ইফতেখার হোসেন, মধুপুর উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক বিকাশ চন্দ্র ঘোষ প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গ্রেড ফোরে হিফজ সম্পন্ন করলো রূহ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ৫ শিক্ষার্থী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৩৪ পি.এম


গ্রেড ফোরে হিফজ সম্পন্ন করলো রূহ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ৫ শিক্ষার্থী

গ্রেড ফোরের মধ্যেই পবিত্র কুরআন হিফজ সম্পন্ন করেছে রূহ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের পাঁচ শিক্ষার্থী। ইংলিশ-মিডিয়ামের নিয়মিত একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি তারা এই সাফল্য অর্জন করেছে। ২০২৬ সালে হিফজ সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীরা হলো হাফেজ সাইয়েদ মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ, হাফেজ এস কে তানজিম আলম জাকি, হাফেজ মাহদি হাসান, মো. রবিউল হাসান এবং হাফেজ ফাহমিদ শাহরিয়ার তাম্মাম।

শিক্ষার্থীদের প্রত্যেকেই স্কুলের মূলধারার ইংলিশ-মিডিয়াম একাডেমিক কার্যক্রম অব্যাহত রেখেই হিফজ সম্পন্ন করেছে। স্কুলটিতে ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান, বাংলা, আইসিটি ও ইসলামিক স্টাডিজসহ নিয়মিত বিষয়গুলোর পাশাপাশি ধাপে ধাপে কায়দা, নাজেরা ও হিফজুল কুরআনের শিক্ষা দেওয়া হয়। স্কুলের প্রকাশিত একাডেমিক কাঠামোতেও গ্রেড ১ থেকে ৫ পর্যন্ত সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি Nazera ও Hifzul Qur’an Programme অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

মো. রবিউল হাসান ইতোমধ্যে মিশরে গিয়েছে এবং বর্তমানে আল-আযহারের Pre-Azhar Programme-এ অধ্যয়ন করছে। এর আগে ভর্তি পরীক্ষা ও সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে রবিউল হাসানসহ রূহ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের তিন শিক্ষার্থী এ প্রোগ্রামে অধ্যয়নের সুযোগ পায়।

রূহ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শিক্ষা-পদ্ধতির মূল বৈশিষ্ট্য হলো, হিফজকে আলাদা কোনো আফটার-স্কুল কার্যক্রম হিসেবে পরিচালনা না করে নিয়মিত শিক্ষাজীবনের অংশ হিসেবে রাখা। শিক্ষার্থীদের বয়স ও সক্ষমতা অনুযায়ী নতুন সবক, নিয়মিত মুরাজাআহ এবং একাডেমিক পাঠের মধ্যে একটি নির্ধারিত ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করা হয়।

বাংলাদেশের প্রথম ফুল-টাইম হিফজভিত্তিক ইংলিশ-মিডিয়াম স্কুল হিসেবে পরিচিত রূহ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে ইংলিশ-মিডিয়াম শিক্ষার সঙ্গে পূর্ণকালীন হিফজুল কুরআন, আরবি ভাষা ও ইসলামি শিক্ষার সমন্বিত ব্যবস্থা রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিকে এ পরিচয়ে আগেও সংবাদমাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির হিফজ কার্যক্রমের ফলও গত কয়েক বছরে ধারাবাহিকভাবে দৃশ্যমান হয়েছে। ২০২৩ সালে প্রথম, ২০২৪ সালে দ্বিতীয় এবং ২০২৫ সালে তৃতীয় হিফজ কনভোকেশন আয়োজন করে রূহ। স্কুলের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের আগস্টে মাহদি হাসান হিফজ সম্পন্ন করার সময় তাকে প্রতিষ্ঠানটির ২১তম হাফেজ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

রূহ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা মুনাইম বিল্লাহ বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু কম বয়সে একটি শিশুর হিফজ সম্পন্ন করানো নয়। আমরা চাই, সে কুরআনকে হৃদয়ে ধারণ করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের একাডেমিক শিক্ষা, ভাষাগত দক্ষতা, উত্তম চরিত্র এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রয়োজনীয় সক্ষমতা অর্জন করুক। গ্রেড ফোরের মধ্যেই পাঁচজন শিক্ষার্থীর হিফজ সম্পন্ন করা এবং তাদের একজনের আল-আযহারের Pre-Azhar Programme-এ মিশরে অধ্যয়ন শুরু করা আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের। এর পেছনে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও উস্তাদদের দীর্ঘদিনের শ্রম রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে হিফজ সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীরা যেন দেশের প্রচলিত একাডেমিক ধারা এবং আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষা—দুই পথেই এগিয়ে যেতে পারে, সে লক্ষ্যেই স্কুলটির একাডেমিক কাঠামো আরও উন্নত করা হচ্ছে।

ঢাকার উত্তরায় অবস্থিত রূহ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল বিদেশি কারিকুলামে পরিচালিত প্রতিষ্ঠান হিসেবেও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের নিবন্ধন পেয়েছে। ২০২৫ সালে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড প্রতিষ্ঠানটিকে বিদেশি কারিকুলামের অধীনে সাময়িক নিবন্ধনের অনুমতি দেয়।

রূহ কর্তৃপক্ষ বলছে, তাদের লক্ষ্য হিফজ এবং সাধারণ শিক্ষাকে দুটি পৃথক শিক্ষাধারা হিসেবে না দেখে এমন একটি সমন্বিত শিক্ষাব্যবস্থা তৈরি করা, যেখানে একজন শিক্ষার্থী কুরআনের সঙ্গে দৃঢ় সম্পর্ক বজায় রেখেই পরবর্তী পর্যায়ের দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শিক্ষার জন্য প্রস্তুত হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২১ বছর ধরে সড়ক নেই, বাঁশের সাঁকোতে ঝুঁকি নিয়ে স্কুলে যায় শিশুরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৩৫ পি.এম


২১ বছর ধরে সড়ক নেই, বাঁশের সাঁকোতে ঝুঁকি নিয়ে স্কুলে যায় শিশুরা

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কুতুবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাতায়াতের জন্য কোনো সড়ক নেই। শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে পৌঁছাতে হয় ভাঙাচোরা বাঁশের সাঁকো পার হয়ে। সামান্য বৃষ্টিতে পাশের পুকুরের পানি বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ঢুকে যায়। এর ফলে বছরের প্রায় ছয় মাস জলাবদ্ধতার কারণে স্বাভাবিক চলাচল ও পাঠদান ব্যাহত হয়।

এই পরিস্থিতির কারণে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমে যাচ্ছে, এবং ঝরে পড়ার আশঙ্কা বাড়ছে। গত এক বছরে বিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী সংখ্যা ২৫০ থেকে কমে ১২০ জনে নেমে এসেছে। প্রতিষ্ঠার ২১ বছর পেরিয়ে গেলেও যাতায়াতের দুর্ভোগ ও জলাবদ্ধতা নিরসনে স্থায়ী কোনো সমাধান এখনো হয়নি।

জানা গেছে, কুতুবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বিদ্যালয়টি নানা সমস্যায় জর্জরিত। দীর্ঘ দুই দশক পেরিয়ে গেলেও শিক্ষার্থীদের নিরাপদ যাতায়াতের জন্য কোনো রাস্তা তৈরি হয়নি। কোমলমতি শিশুদের প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভাঙাচোরা বাঁশের সাঁকো পার হয়ে বিদ্যালয়ে আসতে হয়। ঝুঁকিপূর্ণ এই সাঁকো পারাপারের সময় মাঝে মাঝে নিচে পড়ে আহত হচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।

শুধু যাতায়াতের দুর্ভোগ নয়, বিদ্যালয়টির আরেকটি বড় সমস্যা জলাবদ্ধতা। সামান্য বৃষ্টি হলেই পাশের পুকুরের পানি ঢুকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ তলিয়ে যায়। বছরের প্রায় ছয় মাস বিদ্যালয়টি পানিতে ডুবে থাকে। এতে স্বাভাবিকভাবে চলাচল ও পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়ে।

অভিভাবকদের অভিযোগ, গত ২১ বছর ধরে তারা এই দুর্ভোগের শিকার। বিদ্যালয়ের যাতায়াতের রাস্তা নির্মাণ ও জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবি বারবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও এখনো স্থায়ী সমাধান মেলেনি।

দামুড়হুদা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু হাসান বলেন, "বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।" তিনি এ বিষয়ে সমস্যা নিরসনে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অন্তঃসত্ত্বাদের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাতায়াতের জন্য বরাদ্দে দুর্ভোগ, পাকা হলো নেতার বাড়ির সড়ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৩৫ পি.এম


অন্তঃসত্ত্বাদের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাতায়াতের জন্য বরাদ্দে দুর্ভোগ, পাকা হলো নেতার বাড়ির সড়ক

কাগজে-কলমে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল অন্তঃসত্তা নারী ও সাধারণ রোগীদের ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাতায়াতের সুবিধার্থে কর্দমাক্ত সড়ক সংস্কারের জন্য। কিন্তু বাস্তবে সেই সরকারি টাকায় পাকা করা হয়েছে স্থানীয় এক নেতার বাড়ির প্রবেশপথ। ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার চর মাদ্রাজ ইউনিয়নে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) কর্মসূচির টাকা এভাবে নয়ছয় করার অভিযোগ উঠেছে।

সরকারি নথি অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের টিআর কর্মসূচির প্রথম পর্যায়ে দুই ধাপে ৪০০ মিটার রাস্তার সলিংকরণ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ৬ লাখ ৩৫ হাজার ৮৬৮ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। নির্দেশনায় স্পষ্ট উল্লেখ ছিল, চর মাদ্রাজ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের কেরামতগঞ্জ বাজারের মূল সড়ক থেকে উত্তর দিকে ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র পর্যন্ত রাস্তাটি সংস্কার করতে হবে।

তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাওয়ার রাস্তাটি আগের মতোই অবহেলিত ও কর্দমাক্ত রয়ে গেছে। অন্যদিকে, বরাদ্দের টাকায় পাকা করা হয়েছে বিএনপির স্থানীয় নেতা ও সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ফখরুদ্দিন শাহিন মালতিয়ার বাড়ির প্রবেশপথ।

স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, বর্ষা মৌসুমে কেরামতগঞ্জ বাজারসংলগ্ন চর মাদ্রাজ ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাতায়াতের রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। বিশেষ করে গর্ভবতী নারী ও আশঙ্কাজনক অবস্থায় থাকা রোগীদের এই কর্দমাক্ত পথ দিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আনা-নেওয়া করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। জনকল্যাণমূলক কাজের বরাদ্দ ব্যক্তিবিশেষের স্বার্থে ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এলাকাবাসী।

প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নকারী ঠিকাদার সবুজের কাছে কাজের অনিয়ম নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, "আগে যা হয়েছে, তা নিয়ে আলোচনার দরকার নেই। আমি আমার পকেটের টাকা দিয়ে হাসপাতালের সামনের রাস্তা পাকা করে দেব।"

চরফ্যাশন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) ওয়ালিউল ইসলাম বলেন, "আমি ঠিকাদারকে বারবার বলেছি, অন্য কিছু যা হয়েছে, অন্তত হাসপাতালের সামনের রাস্তাটি যেন পাকা করা হয়। কিন্তু তিনি কথা দিয়ে কথা রাখেননি।"

তবে কাজ যথাযথভাবে না হওয়ার পরও বরাদ্দের অর্থ কেন আটকে দেওয়া হয়নি, এমন প্রশ্নের জবাবে ওয়ালিউল ইসলাম বলেন, "সরকারি কর্মকর্তারা চাইলেই অনেক কিছু করতে পারেন না, এটা আপনাকে বুঝতে হবে।"

প্রকল্পের সভাপতি ও চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আফরোজ বলেন, "পিআইও ওয়ালিউল ইসলামের সঙ্গে কথা বললে প্রকৃত ঘটনাটি জানা যাবে। তখন সমাধান করা যাবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাবর আজম তিন ফরম্যাটে ১৬ হাজার রানের মাইলফলক অর্জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৫৩ পি.এম


বাবর আজম তিন ফরম্যাটে ১৬ হাজার রানের মাইলফলক অর্জন

পাকিস্তানের বাবর আজম তিনটি ফরম্যাটে মিলিয়ে ১৬ হাজার রানের মাইলফলকে পৌঁছেছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর) রাওয়ালপিন্ডি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের উদ্বোধনী ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে এই মাইলফলক অর্জন করেন তিনি।

পাকিস্তানের পঞ্চম ব্যাটার হিসেবে বাবর এই মাইলফলকে পৌঁছালেন। পাকিস্তানের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকদের তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন কিংবদন্তি ব্যাটার ইনজামাম-উল-হক, যিনি ৪৯৫ ম্যাচে ২০ হাজার ৫৪১ রান সংগ্রহ করেছেন। দ্বিতীয় স্থানে আছেন সাবেক অধিনায়ক ইউনিস খান, যিনি ৪০৮টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে ১৭ হাজার ৭৯০ রান করেছেন।

তালিকার পরবর্তী দুই ব্যাটার হলেন মোহাম্মদ ইউসুফ ও জাভেদ মিয়াঁদাদ, যাদের রান যথাক্রমে ১৭ হাজার ১৩৪ ও ১৬ হাজার ২১৩। বাবর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলতে নেমেছিলেন ১৫ হাজার ৯৯৩ রান নিয়ে। তিনি লঙ্কানদের বিপক্ষে ৪৫ রান করেন, ফলে তিন ফরম্যাটে তার রান হলো ১৬ হাজার ৩৮।

বাবর ১৪৪টি ওয়ানডেতে ৬ হাজারের বেশি, ৬৬টি টেস্টে ৪ হাজার ৭৭১ ও ১৪৫টি টি-টোয়েন্টিতে ৪ হাজার ৫৯৬ রান করেছেন। সব ফরম্যাটে তার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সেঞ্চুরি ৩২টি এবং হাফসেঞ্চুরি ১১১টি।

পাকিস্তানের শীর্ষ পাঁচ রানসংগ্রাহক

নাম

রান

ইনজামাম-উল-হক

২০৫৪১

ইউনিস খান

১৭৭৯০

মোহাম্মদ ইউসুফ

১৭১৩৪

জাভেদ মিয়াঁদাদ

১৬২১৩

বাবর আজম

১৬০৩৮

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%