০২:৫৪ পি.এম
মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিচ্ছে ইরান।গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করার পর এবার টুর্নামেন্টের অন্যতম শক্তিশালী দল বেলজিয়ামের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করেছে টিম মেল্লি।
তবে মাঠের সাফল্যের পাশাপাশি আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিধিনিষেধ ও যাতায়াতসংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইরানের খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফ।নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচশেষে যেমন দলটিকে দ্রুত যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হয়েছিল, তেমনিই বেলজিয়ামের বিপক্ষে একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হয় তারা।
লস অ্যাঞ্জেলেস ত্যাগ করার আগে ড্রেসিংরুমে একটি হাতে লেখা চিঠি রেখে যায় ইরান দল। এর মধ্যে তারা ভেন্যু কর্তৃপক্ষ ও সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।
আরও পড়ুন: প্রত্যাশিত ফল না পেয়ে ভেঙে পড়ো না, নতুন উদ্যমে শুরু করো: চরমোনাই পীর
চিঠিতে লেখা ছিল, ধন্যবাদ লস অ্যাঞ্জেলেস, আপনাদের আতিথেয়তার জন্য। আমরা লস অ্যাঞ্জেলেসে এসেছিলাম গর্ব নিয়ে, সম্মানের সঙ্গে লড়েছি এবং এখন মর্যাদা নিয়ে ছেড়ে যাচ্ছি।
এছাড়া ইরানি সমর্থকদের উদ্দেশে তারা লিখেছে, প্রত্যেক ইরানিয়ানকে ধন্যবাদ, যারা তাদের হৃদয়, আওয়াজ এবং প্রাণ দিয়ে ১৮০ মিনিট আমাদের সমর্থন দিয়েছে। প্রত্যেক দেশের মাঝে শান্তি, সম্মান এবং বন্ধুত্ব বজায় থাকুক।
চিঠিটি শুধুমাত্র কৃতজ্ঞতার বার্তাই বহন করেনি, বরং এর মধ্যে একটি প্রতীকী প্রতিবাদও ছিল।নীল কালিতে লেখা চিঠির নিচে লাল কালিতে ‘৭৬৮’ এবং ‘মিনাব’ শব্দ দুটি উল্লেখ করা হয়।ইরানের দাবি অনুযায়ী, চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি মিনাবের একটি স্কুলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ১৬৮ শিশু নিহত হয়েছিল। সেই ঘটনার স্মরণ করেই চিঠিতে শব্দ দুটি লেখা হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নেইমারের পারিবারিক ভিডিও ঘিরে নেট দুনিয়ায় ঝড়।
আরও পড়ুন: ইনফান্তিনোর কড়া সমালোচনা উয়েফা-এএফসি ও কনকাকাফের
ড্রেসিংরুমে রেখে যাওয়া এই বার্তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই এটিকে ক্রীড়াঙ্গনের মাধ্যমে শান্তি, মানবতা ও আন্তর্জাতিক সংহতির আহ্বান হিসেবে দেখছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন