রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৪৫ পি.এম
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) হত্যার ঘটনায় তদন্ত সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শুধুমাত্র আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা নয়, আরও কিছু কারণ রয়েছে।
তদন্তকারীর দাবি, অপ্রতিম ও আটক তুহিন পূর্বে একসঙ্গে চলাফেরা করতেন এবং তাদের মধ্যে কিছুটা বিরোধ ছিল। এই বিরোধের কারণে তুহিন অপ্রতিমকে ডেকে নিয়ে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয় বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।
অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের পর কুমিল্লার কোটবাড়ী-সালমানপুর এলাকায় বিভিন্ন আলোচনা শুরু হয়েছে। মাদক সিন্ডিকেট এবং কিশোর গ্যাংয়ের সংশ্লিষ্টতা নিয়েও তদন্ত চলছে। পাশাপাশি, আইফোন ছিনতাইয়ের সঙ্গে অপ্রতিমের মায়ের ওপর ক্ষুব্ধ কোনো চক্র জড়িত কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এসব বিষয়ে তদন্ত এখনও শেষ হয়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশের তদন্ত সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা বলেন, “নিখোঁজের ঘটনার পর আমরা ওই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই করি। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, অপ্রতিম বাসা থেকে বের হওয়ার পর তুহিনের সঙ্গে দেখা করে। অপ্রতিমের মোবাইল ফোনেও তুহিনের সঙ্গে যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে। তবে হত্যাকাণ্ডে তুহিনের সংশ্লিষ্টতা এখনো তদন্তাধীন।”
তিনি আরও বলেন, “তদন্তে আমরা জানতে পেরেছি, শুধুমাত্র আইফোনের জন্যই অপ্রতিমকে হত্যা করা হয়নি। তারা একসঙ্গে চলাফেরা করত। তাদের মধ্যে পূর্বের কিছুটা বিরোধ ছিল। ওইসব বিষয় নিয়ে সেদিন অপ্রতিমকে তুহিন ডাকে। এরপরই হত্যার ঘটনা ঘটে।”
প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য ও আলামতের ভিত্তিতে মনে হচ্ছে, অপ্রতিমকে ওই আইফোনের জন্য হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার উদ্দেশ্য সম্পর্কে পুলিশ পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
অপ্রতিম নিখোঁজ হওয়ার পর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করছিল। একটি ফুটেজে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের কাছে অপ্রতিমের সঙ্গে এক কিশোরকে দেখা যায়। ওই কিশোরের বয়স অপ্রতিমের চেয়ে বেশি ছিল এবং তার মাথায় ক্যাপ ছিল। ফুটেজে অপ্রতিমের সঙ্গে তার গতিবিধি দেখে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সন্দেহ হয়।
ঘটনাস্থলের কাছাকাছি একটি বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজেও অপ্রতিমকে নিয়ে যেতে দেখা গেছে ওই কিশোরকে।
পরে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে ওই কিশোরের পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যরা ওই কিশোরের বাড়িতেও যান লাশ উদ্ধারের আগে। এরপর বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো হলে শনিবার দুপুরে অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধারের পর কোটবাড়ি এলাকা থেকে ওই কিশোরকে আটক করে ডিবি পুলিশ।
তাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার রাত ৮টার দিকে সালমানপুর এলাকায় তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে অপ্রতিমের মায়ের আইফোনটি উদ্ধার করা হয়। অনুসন্ধানে তুহিনের বিরুদ্ধে একাধিক অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ ও তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে তার বিরুদ্ধে থানায় মোটরসাইকেল আত্মসাতের অভিযোগও করা হয়েছিল।
জানা গেছে, মো. তুহিনের বাড়ি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের সানন্দা এলাকায়। তার বাবার নাম নুরুল আলম। অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকালে তাকে আটক করে পুলিশ।
অনুসন্ধানে জানা যায়, টাকা ও মোটরসাইকেল আত্মসাৎ, মাদক এবং কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে মো. তুহিন হোসেনের বিরুদ্ধে। একটি অভিযোগপত্রে দেখা যায়, গত বছরের ২৬ এপ্রিল সদর দক্ষিণ মডেল থানায় তার বিরুদ্ধে মোটরসাইকেল আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী সোহাগের পূর্ব পরিচিত ছিলেন তুহিন। গত ২৭ মার্চ সোহাগ কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকার সিটি বাইক থেকে দুই লাখ ৫ হাজার টাকা দিয়ে একটি সুজুকি মোটরসাইকেল কেনেন। পরে তুহিন মোটরসাইকেলটি নিয়ে যান বলে অভিযোগ করেন সোহাগ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রবিবার সকাল। নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (নেবি) টিএসসি ও ক্যাফেটেরিয়া প্রাঙ্গণে তখন পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চলছে। তবে সবার দৃষ্টি আটকে যায় একটি দৃশ্যে। হাতে ঝাড়ু, পরনে গ্লাভস ও মাথায় সার্জিক্যাল ক্যাপ—ক্যাম্পাসের আগাছা ও ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খালেদ উজ্জামান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক পদে থাকা একজন ব্যক্তিকে এভাবে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে সরাসরি অংশ নিতে দেখে সেখানে থাকা শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে তৈরি হয় আগ্রহ। উপাচার্য নিজেই ঝাড়ু হাতে নিয়ে ক্যাম্পাস পরিষ্কারে অংশ নেন এবং অন্যদেরও পরিচ্ছন্নতার কাজে উদ্বুদ্ধ করেন।
দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপের মধ্যে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতায় বিশ্ববিদ্যালয়েও শুরু হয়েছে তিন মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬।
কার্যক্রমে অংশ নিয়ে উপাচার্য বলেন, শিক্ষার্থীদের কাছে তিনি একটি বার্তা দিতে চান। তাঁর ভাষায়, ‘আমি শিক্ষার্থীদের বার্তা দিচ্ছি, আমি একজন শিক্ষার্থীবান্ধব শিক্ষক। আমি এখানে ভিসি হিসেবে নিজেকে প্রশাসক মনে করি না।’
উপাচার্যের মতে, নেতৃত্ব শুধু নির্দেশ দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; নিজের কাজের মাধ্যমে অন্যদের উৎসাহিত করাও নেতৃত্বের অংশ। তিনি নিজে পরিচ্ছন্নতার কাজে অংশ নিলে শিক্ষার্থীরাও এতে উৎসাহিত হবে বলে মনে করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান পরীক্ষার কারণে অনেক শিক্ষার্থী ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নিতে পারেননি। পরীক্ষা শেষ হলে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে বড় পরিসরে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আয়োজনের কথা জানিয়েছেন উপাচার্য।
তবে তাঁর পরিকল্পনা শুধু তিন মাসের এই অভিযানে সীমাবদ্ধ নয়। ক্যাম্পাসের পাশাপাশি বাড়ির আঙিনা, ফুলের টবসহ আশপাশের পরিবেশ সারা বছর পরিষ্কার রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে ব্যক্তিগত ও সামাজিক পর্যায়ে পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথাও।
উপাচার্য বলেন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ শুধু সৌন্দর্য বাড়ায় না, বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধেও ভূমিকা রাখে। ডেঙ্গুর মতো রোগ থেকে বাঁচতে নিজেদেরও সচেতন ও সতর্ক হতে হবে।
রবিবারের সেই সকাল তাই শুধু একটি পরিচ্ছন্নতা অভিযানের কর্মসূচি ছিল না। উপাচার্যের ঝাড়ু হাতে নেওয়ার মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীদের সামনে উঠে এসেছে একটি সরল বার্তা—পরিচ্ছন্নতার দায়িত্ব অন্যের ওপর ছেড়ে না দিয়ে শুরু করতে হবে নিজেকেই দিয়ে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে সারের দাবিতে কৃষকরা আবারও সড়ক অবরোধ করেছেন। রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে তারা কুড়িগ্রাম–নাগেশ্বরী মহাসড়ক অবরোধ করে। এই কারণে স্থানীয় সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে যায়।
কৃষকরা জানিয়েছেন, তারা সঠিক পরিমাণে সার পাচ্ছেন না। সারের দাবিতে তারা এই সড়ক অবরোধের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এর আগে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে সারের জন্য কৃষকরা গাছের গুঁড়ি ফেলে সড়ক অবরোধ করেছিলেন। এর ফলে স্থানীয় মাদারগঞ্জ-কচাকাটা সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এই সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত এক কৃষি কর্মকর্তাকে কৃষকরা প্রায় চার ঘণ্টা ধরে ডিলারের গুদামে অবরুদ্ধ করে রাখেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান জানিয়েছেন, স্কুল শিক্ষার্থী ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমকে হত্যা করা হয়েছে আইফোনের লোভে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, অপ্রতিম নিখোঁজ হওয়ার দিন বিকেল ৫-৬টার মধ্যে তাকে হত্যা করা হয়। আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে এ তথ্য উঠে এসেছে।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টায় কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন পুলিশ সুপার।
তিনি বলেন, অপ্রতিমকে লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার একটি নির্জন জঙ্গলে নিয়ে আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। বাধা দিলে তার সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এসময় তুহিন, ফাহাদ ও কামরুল বাঁশের শক্ত লাঠি দিয়ে অপ্রতিমের মাথায় একাধিক আঘাত করেন। এক পর্যায়ে তার মৃত্যু নিশ্চিত হলে তারা আইফোন নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
এই ঘটনার পর তুহিন, ফাহাদ, কামরুল এবং সিয়ামসহ মোট চারজনকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, তারা সবাই হত্যার দায় স্বীকার করেছে।
এদিকে, আজ দুপুরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, ‘সব আলামত পাওয়া গেছে। তারা ঘটনা স্বীকার করেছেন। এখন পুলিশ অন্যান্য আইনানুগ কার্যক্রম বা ১৬৪ করানো যায় কি না, এগুলো নিয়ে কাজ করছে।’
রামিসা হত্যার মতো অপ্রতিম হত্যার দ্রুত বিচারের জন্য পুলিশ সহযোগিতা করবে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘বিচার করবেন আদালত, আমরা সব সহযোগিতা করব।’
শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন কোটবাড়ী এলাকার বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় অপ্রতিম। গতকাল শনিবার দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশেই লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার জঙ্গল থেকে পুলিশ অপ্রতিমের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নড়াইল আদালতে মামলার হাজিরা দিতে এসে পুলিশ ১১ জনকে আটক করেছে, যাদের কাছে দেশীয় অস্ত্র ছিল। রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে আদালত চত্বরের একটি আইনজীবীর চেম্বার থেকে তাদের আটক করা হয়।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আটককৃতদের কাছ থেকে রামদা, চাপাতি ও দা উদ্ধার করা হয়েছে।
আটক ব্যক্তিরা নড়াইলের কালিয়া উপজেলার কলাবাড়িয়া ইউনিয়নের চরকান্দিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তাদের মধ্যে রয়েছেন, এস্কেন্দার শেখ (৪৫), আমিনুর শিকদার (৫৬), হাফেজ শেখ (২৫), তৈয়েবুর রহমান (৫৫), সেকেন্দার আলী (৫৮), হাসানুর রহমান (৫৫), রিয়াজুল শিকদার (২৭), আরিফুল শেখ (২২), তারেক শেখ (৩২), জুলফিকার রহমান (৪০) এবং শরিফুল মোল্যা (৪০)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, তারা একটি মামলায় হাজিরা দিতে নড়াইল আদালতে এসেছিলেন। পরে আদালত চত্বরের আইনজীবীর চেম্বারে অবস্থান করার সময় সদর থানা-পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় তাদের আটক করা হয় এবং পরে তল্লাশি চালিয়ে দেশীয় অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হয়।
নড়াইল সদর থানার ওসি মো. রাসেল সারোয়ার জানিয়েছেন, "নড়াইল আদালতের এক আইনজীবীর চেম্বার থেকে ১২টি দেশীয় অস্ত্রসহ ১১ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ