প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দক্ষিণ আমেরিকার দেশ গায়ানার উপকূলে ১৩৩ জন যাত্রী ও নাবিক বহনকারী ফেরির ডুবির ঘটনা ঘটেছে। এখন পর্যন্ত ৬৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ১৫ জন শিশু রয়েছেন। যাত্রীদের মধ্যে অনেকেই নিখোঁজ আছেন, তাই উদ্ধার অভিযান এখনও চলমান রয়েছে।
শনিবার, স্থানীয় সময় রাজধানী জর্জটাউন থেকে ছাড়ার পর এমভি বারিমা নামক ফেরিটি দুর্ঘটনার শিকার হয়। ফেরিতে ১১৬ জন যাত্রী এবং ১৭ জন ক্রু ছিলেন।
স্থানীয় সময় রাত ১১টা ১ মিনিটে (রবিবার ০৩:০১ জিএমটি) জরুরি সংকেত পাওয়ার পর সরকারি উদ্ধারকারী দল ও বেসরকারি নৌযান নিয়ে উদ্ধার কাজ শুরু হয়েছে। গায়ানার জনপথমন্ত্রী হুয়ান এডগিল জানান, ফেরিতে থাকা প্রত্যেকের খোঁজ পাওয়ার ব্যাপারে তারা আশাবাদী, এবং উদ্ধারকর্মীরা রবিবারও নিখোঁজদের সন্ধানে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
প্রধানমন্ত্রী মার্ক ফিলিপস জানান, উদ্ধার হওয়াদের মধ্যে ৪১ জন পুরুষ, ১১ জন নারী এবং ফেরিটির ক্যাপ্টেনও সেখানেই রয়েছেন। তিনি জানান, ক্যাপ্টেন উদ্ধার অভিযানে সহায়তা করতে আবার ঘটনাস্থলে ফিরে গেছেন এবং অনুসন্ধান কার্যক্রমের পরিধি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে।
মার্ক ফিলিপস আরও জানান, দুর্ঘটনার সময় ফেরিটি নির্ধারিত ওজনসীমার মধ্যেই ছিল। ফেরিটির ধারণক্ষমতার ৩০০ জনেরও বেশি যাত্রী বহনের অনুমোদন ছিল। উদ্ধার অভিযান ও চিকিৎসা পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর ফেরিতে থাকা যাত্রীদের নাম প্রকাশ করা হবে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এ ছাড়া, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তি এবং নিখোঁজ যাত্রীদের স্বজনদের সহায়তার জন্য বিশেষ সহায়তাকেন্দ্রও চালু করা হয়েছে।
ফেরিটি জর্জটাউন থেকে পোর্ট কাইতুমার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল এবং আয়রন পন্ট এলাকার কাছে উল্টে যায়। দেশটির কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এমভি বারিমা ফেরিটিতে ২৫০টি লাইফ জ্যাকেট, দুটি শক্ত কাঠামোর লাইফক্রাফট এবং ছয়টি ফোলানো যায় এমন লাইফক্রাফট ছিল। ১৯৩৯ সালে নির্মিত ৪০ মিটার (১৩১ ফুট) দৈর্ঘ্যের এই ফেরিটি বহু বছর ধরে যাত্রী পরিবহনে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল।
সূত্র: বিবিসি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন