১১:৩৩ এম
মেসি ও ইয়ামাল হাসিমুখে ভাব বিনিময় করছেন। ছবিটি এক্স থেকে নেওয়া।
ম্যাচ হারের পর স্বাভাবিকভাবেই পরাজিত দলের মন খারাপ থাকে। বিশেষ করে, বিশ্বকাপের ফাইনাল হারলে তো আর কথাই নেই।
দুঃখজনক মুহূর্তে কেউ উসকানিমূলক কিছু বললে রাগ হওয়া স্বাভাবিক।
আরও পড়ুন: টিভিতে আজকের খেলা: নিউজিল্যান্ড-ভারত টি–টোয়েন্টি সিরিজ শুরু
তবে মন্তব্য শুনে মাত্রাতিরিক্ত বাড়াবাড়িও কাম্য নয়। তাই গতকাল রাতে মেটলাইফ স্টেডিয়ামে এই কাজটি করেছেন লিয়ান্দ্রো পারেদেস। স্পেনের কাছে ১-০ গোলে পরাজয়ের পর পারেদেস এরিক গার্সিয়ার গলা চেপে ধরেন।
পরমুহূর্তেই তিনি গাভিকে ধাক্কা দিয়ে মাঠে ফেলে দেন। আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার তখন তাকে মারতে উদ্যত হন।
পারেদেসের এমন কর্মকাণ্ডের আগে গাভি হালকা ধাক্কা দেওয়ার মাধ্যমে উসকানিমূলক কিছু বলেছিলেন। তবে বার্সেলোনার মিডফিল্ডার কী মন্তব্য করেছিলেন, তা এখনো জানা যায়নি।
পরে কোচ এবং অন্য খেলোয়াড়রা এসে দ্বন্দ্বের মিটমাট করেন। তবে এই ঘটনার জন্য পারেদেসের লাল কার্ড দেখতে হয়েছে।
আরও পড়ুন: ভারতের পথে যুব মহিলা লীগ নেত্রী সুলতানা বেগম আটক
গাভি ও পারেদেসের এমন অসৌজন্যমূলক ঘটনার মধ্যে ম্যাচেই সৌহার্দপূর্ণ ভাব বিনিময় করেন লিওনেল মেসি এবং লামিনে ইয়ামাল। ফাইনাল হারানোর পরে হতাশায় মেসি মাঠের এক স্থানে একাকী বসেছিলেন। উদযাপনের এক ফাঁকে ইয়ামাল দৌড়ে এসে আর্জেন্টিনার অধিনায়কের সঙ্গে বুক মেলান।
তারা একে অপরের সঙ্গে কিছু বাক্য বিনিময়ও করেন।
ইয়ামালের আলিঙ্গনের বিষয়ে পরে মেসি বলেছেন, ‘সে আমাকে জড়িয়ে ধরে সান্ত্বনা দিচ্ছিল আর বারবার বলছিল আমি যেন না কাঁদি। সে সত্যিই খুব দয়ালু ও নরম মনের একজন ছেলে।’ ম্যাচ শুরুর আগেও দুজনকে হাসিমুখে দেখা যায়।
মাঠে প্রথম দেখা হলেও মেসি ও ইয়ামালের প্রথম সাক্ষাৎটি ২০০৭ সালের ডিসেম্বর মাসে হয়েছিল। সে সময় ইয়ামালের বয়স মাত্র ৫ মাস ছিল। বার্সেলোনার একটি স্টুডিওতে ওইদিন মেসি, যে সময়ের ২০ বছর বয়সী ছিলেন, ছোট্ট ইয়ামালকে গোসল করিয়ে দিয়েছিলেন। সেই দিন বার্সেলোনা ফাউন্ডেশন এবং কাতালান দৈনিক দিয়ারিও স্পোর্তের একটি দাতব্য ক্যালেন্ডারের অংশ হিসেবে দুজনের দেখা হয়েছিল।
আরও পড়ুন: সৌদি আরবে তেলক্ষেত্রে ড্রোন হামলা প্রতিহত, দুই বিদেশির মৃত্যু
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন