মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৪৫ পি.এম
সরকার ১১ বছর পর জাতীয় বেতন স্কেল বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে সরকারি চাকুরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধি পাচ্ছে। যদিও প্রশাসনিক আমলারা মূল সুবিধাভোগী, তবে ক্রীড়াঙ্গনের অনেক কোচ, সাবেক ও বর্তমান ক্রীড়াবিদরাও এই বেতন বৃদ্ধির আওতায় আসছেন।
ক্রীড়াঙ্গনের প্রধান অভিভাবক সংস্থা হচ্ছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। এই মন্ত্রণালয়ের অধীনে রয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ, বিকেএসপি, ক্রীড়া পরিদপ্তর এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ, বিকেএসপি ও ক্রীড়া পরিদপ্তরে সাবেক ক্রীড়াবিদরা বিভিন্ন পদে যেমন কোচ ও অফিসার হিসেবে কর্মরত আছেন। তারা সবাই পে-স্কেলের আওতায় থাকার কারণে বেতন বৃদ্ধির সুবিধা পাবেন।
বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের প্রথম পা রাখা জায়গা হলো বিকেএসপি। সেখানে খেলোয়াড় তৈরির কারিগর কোচদের বেতন ছিল তুলনামূলকভাবে কম। যেখানে বিসিবি কিংবা বাফুফের কোচরা উচ্চ বেতনে কাজ করতেন, সেখানে সরকারি নিয়মে বিকেএসপির কোচদের মাসের শেষ পর্যন্ত চলতে কষ্ট হতো।
১১ বছর পর পে-স্কেল বৃদ্ধি পাওয়ায় বিকেএসপির উপ পরিচালক ও বিশিষ্ট ক্রিকেট কোচ মন্টু দত্ত কিছুটা তৃপ্তি প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, "এটা অনেক দিনের দাবি ছিল পেশাজীবী সমাজের। অবশেষে সেটা বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে।" বিকেএসপির কোচ ও অন্যান্যরা এই সুবিধা পাবেন, বিশেষ করে কোচদের জন্য কিছুটা চাপ কমবে।
সাবেক শুটার আল আমিন সবুজ বর্তমানে ক্রীড়া পরিদপ্তরের অধীনে জেলা ক্রীড়া অফিসার হিসেবে কাজ করছেন। তিনি জানান, "একটি জেলার সামগ্রিক দিক দেখার পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে ক্রীড়া অফিসারদের কাজ।" তিনি মনে করেন, পে স্কেলের এই সিদ্ধান্ত ক্রীড়াবিদদের পরবর্তী জীবনে ক্রীড়াঙ্গনের সঙ্গে থাকার সুযোগ তৈরি করবে।
তিনি আরও বলেন, "যখন একজন ক্রীড়াবিদ খেলাধূলা শেষে দেখবে ক্রীড়া অফিসার কিংবা কোচ হলে ভালো বেতন পাওয়া যায়, তখন অবশ্যই তারা এই পেশায় আসবে।" এতে ক্রীড়াঙ্গনের মান অনেক বৃদ্ধি পাবে।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অধীনে দেশের সকল ফেডারেশন ও ক্রীড়া স্থাপনা রয়েছে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অধীনে বিভিন্ন খেলায় দশের অধিক কোচ কর্মরত আছেন।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক প্রশাসন টিটন ক্ষীসা জানিয়েছেন, "জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অধীনে কোচরাও পে স্কেলের অধীনে বেতন ভাতাদি সুবিধা পাবেন।" তিনি বলেন, "এটা আমাদের কোচদের জন্য খানিকটা স্বস্তির খবর। কোচরা ভালো থাকলে আরো ভালো মানের ক্রীড়াবিদ উঠে আসবে।"
ফুটবল, ক্রিকেটের বাইরে অন্যান্য খেলাধুলার অধিকাংশ খেলোয়াড়রা পুলিশ, আনসার, নৌবাহিনী, সেনাবাহিনীসহ বিভিন্ন সার্ভিস সংস্থায় যুক্ত রয়েছেন। সার্ভিসেস সংস্থায় কর্মরত স্থায়ী ক্রীড়াবিদরাও এই সুবিধার আওতায় থাকবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ ১ সেপ্টেম্বর, রাজশাহী রেঞ্জের মান্যবর উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আশিক সাঈদ-এর শুভ জন্মদিন। এই মহান কর্মবীরের জন্ম হয়েছিল মেহেরপুর জেলার এক প্রগতিশীল ও সম্ভ্রান্ত পরিবারে, যেখানে মা-বাবার কোল আলো করে তার আগমন ঘটে।
শৈশবকাল থেকেই তিনি ছিলেন অনন্য সৃজনশীল প্রতিভা ও উদার মানবিক গুণের অধিকারী। তার স্বকীয় মেধা, কঠোর পরিশ্রম এবং কর্মনিষ্ঠা তাকে বাংলাদেশ পুলিশ বিভাগের এক উদীয়মান নক্ষত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে আঞ্চলিক পুলিশিংয়ের চিত্রে আমূল পরিবর্তন এসেছে। "পুলিশ শাসক নয়, শোষক নয়—পুলিশ জনগণের পরম বন্ধু ও সেবক"—এই মূলমন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে রাজশাহী রেঞ্জের পুলিশ সদস্যরা কাজ করছেন। বলপ্রয়োগ বা ভীতি প্রদর্শনের পরিবর্তে, তিনি ভালোবাসা ও সেবার বার্তা দিয়ে সমাজ থেকে অপরাধ দূর করার অনন্য উদাহরণ স্থাপন করেছেন।
তার সুদূরপ্রসারী নেতৃত্ব ও বলিষ্ঠ পদক্ষেপের ফলে রাজশাহী রেঞ্জ আজ মাদক নিয়ন্ত্রণ, জঙ্গিবাদ দমন এবং জনবান্ধব সেবা প্রদানে একটি মডেল হিসেবে গড়ে উঠেছে। সাধারণ মানুষের কাছে পুলিশের ভাবমূর্তি আজ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।
যখন সমাজ থেকে মানবিক মূল্যবোধ হারিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়, তখন আশিক সাঈদ স্যারের মতো হৃদয়বান ও মহানুভব ব্যক্তিরা প্রমাণ করেন যে পৃথিবীতে মানবিকতা এখনও বেঁচে আছে। যে কেউ তার দরবারে সাহায্যের আশায় আসলে খালি হাতে ফেরেন না। জনসেবায় তার এই নিবেদিতপ্রাণ ভূমিকা যেন খলিফা হারুনুর রশীদের মতো প্রজাবৎসল মানবিকতার এক আধুনিক রূপ।
আজকের এই শুভ দিনে আমাদের কামনা—পৃথিবীর সমস্ত ফুলের সৌরভে সুবাসিত হোক তার আগামী দিনগুলো। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাকে ও তার পরিবারকে সদা সুস্থ রাখুন এবং তাকে দীর্ঘায়ু দান করুন।
শুভ জন্মদিন স্যার!
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুর জেলা বিএনপির কমিটি দীর্ঘ সাত মাস ধরে নেই। এই অবস্থার মধ্যেই বিএনপির দুটি গ্রুপ আলাদা আলাদা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করেছে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল ৭টায় শহরের রঘুনাথ বাজারস্থ জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়, যা জেলা পরিষদের প্রশাসক মামুনুর রশিদ পলাশের নেতৃত্বে বিএনপির একটি অংশ পরিচালনা করে।
অন্যদিকে, সকাল সাড়ে ৭টায় একই কার্যালয়ে জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল আউয়াল চৌধুরীর নেতৃত্বে বিএনপির অপর অংশ জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করে।
এরপর বেলা ১২টায় শহরের থানা মোড়স্থ সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক হযরত আলী নেতৃত্বে আনন্দ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়, যা শেষে সমাবেশে রূপ নেয়। এই সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা। সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ও জেলা পরিষদের প্রশাসক মামুনুর রশিদ পলাশ, এডভোকেট আব্দুল মান্নান পিপি, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম স্বপন প্রমুখ।
অন্যদিকে, বিকাল ৪টার দিকে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের এমপি মাহমুদুল হক রুবেলের নেতৃত্বে একটি শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের বিভিন্ন স্থান প্রদক্ষিণ করে বিএনপির অফিসে এসে বৃষ্টির কারণে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন এমপি রুবেল।
বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক ছাত্রদল সভাপতি আওয়াল চৌধুরীর সভাপতিত্বে এই সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ফজলুর রহমান তারা, আবু রায়হান রুপন, কামরুল ইসলাম এবং যুবনেতা শওকত হোসনে প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : তৃতীয় ও শেষ টেস্টের আগে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) দলে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন করেছে। প্রথম দুই টেস্টের স্কোয়াড থেকে সাতজন ক্রিকেটারকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তাদের পরিবর্তে পাঁচ নতুন মুখসহ মোট সাতজনকে দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে পাকিস্তানের।
পাকিস্তান ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম দুই টেস্টে হতাশাজনকভাবে পরাজিত হয়েছে। লিডসে অনুষ্ঠিত প্রথম টেস্টে তারা ইনিংস ও ১০৩ রানে এবং লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্টে ১৯৪ রানে পরাজিত হয়। এই পরাজয়ের পর তৃতীয় টেস্টের আগে দলে বড় পরিবর্তন আনতে বাধ্য হয়েছে পাকিস্তান।
প্রথম দুই টেস্টের স্কোয়াড থেকে বাদ পড়া সাত ক্রিকেটার হলেন- মোহাম্মাদ রিজওয়ান, ইমাম-উল-হাক, সালমান আগা, আলি উসমান, আমের জামাল, আওয়াইস জাফার এবং খুররাম শাহজাদ।
এই সাতজনের পরিবর্তে তৃতীয় ও শেষ টেস্টের জন্য দলে যুক্ত হচ্ছেন- সাইম আইয়ুব, আবদুল্লাহ ফাজাল, আরাফাত মিনহাস, মোহাম্মদ ইমরান জুনিয়র, সাদ বেগ, মোহাম্মদ ইমরান এবং রাজাউল্লাহ।
এদের মধ্যে ইমরান, রাজাউল্লাহ, সাদ বেগ এবং ইমরান জুনিয়রের এখনও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলার অভিজ্ঞতা নেই। তবে মিনহাস দেশের হয়ে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন।
এছাড়া, সরফরাজ আহমেদকে সরিয়ে টেস্ট দলের কোচ হিসেবে মাইক হেসনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বোলিং কোচ উমার গুলের জায়গায় অ্যাশলি নফকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। হেসন ও নফ সাদা বলের ফরম্যাটে প্রধান কোচ ও বোলিং কোচ হিসেবে কাজ করেছেন।
বার্মিংহামে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর থেকে ইংল্যান্ড ও পাকিস্তানের মধ্যে তৃতীয় ও শেষ টেস্ট অনুষ্ঠিত হবে।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় ও শেষ টেস্টের জন্য পাকিস্তান দল : বাবর আজম (অধিনায়ক), সাইম আইয়ুব, সাজিদ খান, সৌদ শাকিল, শান মাসুদ, আবদুল্লাহ ফাজাল, আরাফাত মিনহাস, আজান আওয়াইস, মোহাম্মাদ আব্বাস, মোহাম্মদ আলি, মুহাম্মাদ ইমরান, মোহাম্মদ ইমরান জুনিয়র, মুহাম্মাদ গাজী ঘোরি (উইকেটরক্ষক), রাজাউল্লাহ, সাদ বেগ (উইকেটরক্ষক), উবাইদ শাহ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চীন প্রতিরক্ষা আইনে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে। এখন থেকে যুদ্ধ বা বড় সংকটের সময় শুধুমাত্র সেনাবাহিনীর ওপর নির্ভরশীল থাকবে না চীন প্রশাসন।সরকার প্রয়োজন হলে সাধারণ নাগরিক, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা অন্যান্য জাতীয় সম্পদেরও ব্যবহার করতে পারবে। ২৮ আগস্ট চীনের সংসদ প্রতিরক্ষা আইনে সংশোধনী অনুমোদন করেছে। এই সংশোধনী ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়েছে।
নতুন আইনে নাগরিকদের সম্পদ ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনে বাজেয়াপ্ত করার অধিকারও দেওয়া হয়েছে।
যদি কোনো নাগরিক বাধা সৃষ্টি করে বা ইচ্ছাকৃত বিলম্ব করে, তাহলে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম
এর তথ্য অনুযায়ী, ২০১০ সালের পর এই প্রথম প্রতিরক্ষা আইনে এত বড় পরিবর্তন ঘটানো হয়েছে। নতুন আইনে ১৪টি অধ্যায় ও ৮২টি ধারা যুক্ত করা হয়েছে।
চীন জানিয়েছে, এই আইনের উদ্দেশ্য হলো যে কোনো হুমকি এলে, দ্রুত যুদ্ধের প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব হবে।
অর্থনৈতিক ও সামাজিক শক্তিকে প্রতিরক্ষার দিকে পরিচালিত করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। নতুন আইনে উন্নয়ন স্বার্থের পাশাপাশি দেশের সার্বভৌমত্ব, ঐক্য, ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা ও নিরাপত্তার সুরক্ষাও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
নতুন আইনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, যদি পরিস্থিতি তৈরি হয়, তাহলে দেশের পরিবহণ, ডাক, টেলিযোগাযোগ, সাইবার নিরাপত্তা, চিকিৎসা ও ওষুধ সরবরাহ, খাদ্য ও শস্য সরবরাহ এবং প্রকৌশলের মতো ক্ষেত্রগুলোকে প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত থাকতে হবে।
সংশ্লিষ্ট এলাকার ইউনিটগুলোকে বিশেষ দল গঠন করে তাদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে, যাতে তারা দ্রুত পদক্ষেপ নিতে পারে। সাইবার নিরাপত্তাকে বিশেষভাবে অন্তর্ভুক্ত করেছে সরকার।
এছাড়া, নতুন ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধির আহ্বান জানানো হয়েছে।
এ ছাড়া জানা যাচ্ছে, চীনের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে কিছু আইন বিদেশে বসবাসকারী ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হতে পারে। এর মানে হলো, বিদেশে গৃহীত পদক্ষেপও চীনা আইনের আওতায় আসতে পারে।
চীনের এই নতুন আইন নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, এই আইন আসলে চীনের যুদ্ধের প্রস্তুতির লক্ষ্যে।
ব্রাসেলস-ভিত্তিক ‘সেন্টার ফর রাশিয়া ইউরোপ এশিয়া স্টাডিজ’-এর পরিচালক থেরেসা ফ্যালন নতুন এই আইন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তার মতে, বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটি উপেক্ষা করা সত্যিই কঠিন। রুশ-ইউক্রেন, ইরান-ইসরায়েল-আমেরিকা থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রস্তুতি শুরু করেছেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ