বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:৩৯ এম
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার মার্কেট ও দোকানপাট সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিনগুলোতে বন্ধ থাকে। তবে অনেক সময় গন্তব্যে পৌঁছানোর পর দেখা যায়, সেদিন ওই এলাকার দোকান ও মার্কেট বন্ধ রয়েছে। তাই বৃহস্পতিবার রাজধানীর কোন কোন এলাকার দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ রয়েছে, তা জানা প্রয়োজন।
বন্ধ থাকবে যেসব এলাকার দোকানপাট
মগবাজার, বেইলি রোড, সিদ্ধেশ্বরী, মালিবাগের একাংশ, শাজাহানপুর, মোহাম্মদপুর, আদাবর, শ্যামলী, গাবতলী, মিরপুর-১, মিরপুর স্টেডিয়াম, চিড়িয়াখানা এলাকার দোকানপাট, টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, আসাদগেট, ইস্কাটন, শান্তিনগর, শহীদবাগ, শান্তিবাগ, ফকিরারপুল, পল্টন, মতিঝিল, টিকাটুলী, আরামবাগ, কাকরাইল, বিজয়নগর, সেগুনবাগিচা, হাইকোর্ট ভবন এলাকা, রমনা শিশু পার্ক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা।
বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট
শাহ্ আলী সুপার মার্কেট, মিরপুর স্টেডিয়াম মার্কেট, মৌচাক মার্কেট, আনারকলি মার্কেট, আয়েশা শপিং কমপ্লেক্স, কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি, কনকর্ড টুইন টাওয়ার, ইস্টার্ন প্লাস, সিটি হার্ট, মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেট, কৃষি মার্কেট, আড়ং, বিআরটিসি মার্কেট, শ্যামলী হল মার্কেট, মিরপুর মুক্তিযোদ্ধা সুপার মার্কেট, মাজার কো-অপরারেটিভ মার্কেট, মুক্ত বাংলা শপিং কমপ্লেক্স, জোনাকি সুপার মার্কেট, গাজী ভবন, পল্টন সুপার মার্কেট, স্টেডিয়াম মার্কেট-১ ও ২, গুলিস্তান কমপ্লেক্স, রমনা ভবন, খদ্দর মার্কেট, পীর ইয়ামেনি মার্কেট, বায়তুল মোকাররম মার্কেট, আজিজ কো-অপারেটিভ মার্কেট, সাকুরা মার্কেট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জয়ের সম্ভাবনা তখন ঝুলছিল। কখনো জয়ের আশায়, কখনো হতাশার ছায়ায়। আনফিল্ডে টাইব্রেকারের যুদ্ধ যেন শেষ হতে চাইছিল না। অবশেষে ওয়েসলি ফোফানার শট গ্যালারিতে উড়ে গেল। আর তাতেই উল্লাসে মাতল লিভারপুল। বিপরীত দৃশ্য তখন চেলসির ডাগআউটে ছিল।
গতকাল ইংলিশ লিগ কাপের চতুর্থ রাউন্ডের ম্যাচটি নির্ধারিত সময়ে ১-১ গোলে শেষ হয়। ফলে টাইব্রেকারে গড়ায় ম্যাচটি। রুদ্ধশ্বাস টাইব্রেকারে ৬-৫ ব্যবধানে জয়লাভ করে লিভারপুল। এই জয়ের মাধ্যমে কোয়ার্টার ফাইনালে নিজেদের স্থান নিশ্চিত করেছে অলরেডরা।
অ্যানফিল্ডে শুরু থেকেই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে খেলা চলছিল। তবে গোলের দেখা পেতে দুই দলকেই অপেক্ষা করতে হয় প্রথমার্ধের শেষ পর্যন্ত। শুরুতে এগিয়ে যায় চেলসি। ৩৮ মিনিটে মোইজেস কাইসেদোকে পেছন থেকে ফাউল করেন রায়ান গ্রাভেনবার্খ। এর ফলে পেনাল্টি পায় চেলসি। ৪০ মিনিটে সফল স্পটকিক নেন মরগান রজার্স।
কিন্তু চেলসি লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি। লিভারপুলের নেওয়া কর্নারে ফোফানার হাতে বল লাগলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। ৪৩ মিনিটে স্পটকিক থেকে সমতা ফেরান কোডি গাকপো। এরপর আর কোনো গোল না হলে টাইব্রেকারে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হয়।
টাইব্রেকারে প্রথম তিন শটে গোলের দেখা পায় লিভারপুল ও চেলসির খেলোয়াড়রা। তবে অলরেডদের চতুর্থ শটের বিপরীতে গোল করতে ব্যর্থ হন চেলসির ভ্যালেন্টিন বার্কো। তার বাঁ পায়ের শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। লিভারপুলের এগিয়ে থাকার আনন্দ অবশ্য ফিরতি শটেই মিইয়ে যায়।
পঞ্চম শটে কনস্টান্টিনোস সিমিকাস গোল দিতে পারলে জয় নিশ্চিত হয়ে যেত লিভারপুলের। কিন্তু বাঁ পায়ের শটটি বারের ওপর দিয়ে চলে যায়। এতে ম্যাচে ফেরার সুযোগ পায় চেলসি। জর্ডান রবার্টসন গোল করে ব্লুজদের সমতায় ফেরান।
ষষ্ঠ শটে দুই দলের খেলোয়াড়ই গোলের দেখা পান। তবে সপ্তম শটে লিভারপুলের রায়ান গ্র্যাভেনবার্খের শট চেলসির গোলরক্ষক ঠেকালে দলকে জয় এনে দেওয়ার দারুণ সুযোগ পেয়েছিলেন এমানুয়েল এমেঘা। কিন্তু তার শট ঠেকিয়ে লিভারপুলকে ম্যাচে রাখেন দলের গোলরক্ষক। অষ্টম শটে জোসেফ গোমেজ গোল করলে এগিয়ে যায় লিভারপুল। সমতা করতে হলে গোল দিতে হতো ফোফানাকে। কিন্তু বারের ওপর দিয়ে বলকে পাঠিয়ে গ্যালারিতে পাঠান। ফলে পরাজয়ও লেখা হয় স্কোরশিটে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার বাতাস চলতি মাসের অধিকাংশ সময় অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় রয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বায়ুমান সূচকে ১৫১ স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত বায়ুর শহরের তালিকায় এই মেগাসিটি ১৩তম স্থানে অবস্থান করছে, যা ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। গতকাল বায়ুমানের স্কোর ছিল ১২৩।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ৮টায় সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান বিষয়ক ওয়েবসাইট আইকিউ এয়ারে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। ওই দিন বায়ুদূষণে বিশ্বের দূষিত শহরগুলোর মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে ইরাকের রাজধানী বাগদাদ, যার স্কোর ৩৯৯। পাকিস্তানের লাহোর ও ভারতের রাজধানী দিল্লি যথাক্রমে ২৭৭ ও ২১৬ স্কোর নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে।
আইকিউএয়ার নামক সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি একটি শহরের বাতাসের মান কতটা নির্মল বা দূষিত, তা লাইভ বা তাৎক্ষণিক সূচক হিসেবে জানিয়ে থাকে।
প্রতিষ্ঠানটির নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘অনেক ভালো’ বলে গণ্য করা হয়। ৫১ থেকে ১০০ স্কোর হলে তা ‘মাঝারি বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচিত হয়। ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত হয়। ১৫১ থেকে ২০০ স্কোর ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে ধরা হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে তা ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। ৩০১-এর বেশি স্কোর ‘দুর্যোগপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
যখন বায়ুমান অস্বাস্থ্যকর হয়ে যায়, তখন শিশু, বৃদ্ধ এবং শ্বাসকষ্ট বা হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের দীর্ঘ সময় বাইরে থাকার বিষয়ে সতর্কতা প্রদান করা হয়। বাইরে গেলে মাস্ক ব্যবহার করা আবশ্যক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়নকাজের জন্য আগামী বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ঢাকার ধামরাইয়ের বেশ কিছু এলাকায় টানা সাড়ে ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩-এর ধামরাই জোনাল অফিস থেকে বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বাড়াড়িয়া (একমি) ৩৩ কেভি লাইন ও ধামরাই উপকেন্দ্রের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হবে।
বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকা এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে- ছোট চন্দ্রাইল, বড়চন্দ্রাইল, খাত্রা, ছয়বাড়ীয়া, বাড়ীগাঁও, বাশাইল, কুল্লা, জলসীন, তালতলা, ইসলামপুর, কুমড়াইল, হাসপাতাল রোড, নতুন দক্ষিণপাড়া, থানা কমপ্লেক্স, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, আমিন মডেল টাউন, বরাতনগর, বরাত সেন্টার, ধানসিঁড়ি আবাসিক এলাকা ও ঢুলিভিটা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হিলি রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রাবিরতির অনুমোদন লাভ করেছে নীলসাগর এক্সপ্রেস ও চিলাহাটি এক্সপ্রেস। স্থানীয় ব্যবসায়ী, বাসিন্দা এবং যাত্রীরা রেলপথ মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্তে আনন্দিত হয়েছেন, যা দীর্ঘদিনের দাবি পূরণের ফলস্বরূপ। ট্রেন দুটি হিলি স্টেশনে যাত্রাবিরতি করলে, রাজধানী ঢাকা এবং দেশের অন্যান্য স্থানে যাতায়াত আরও সহজ হয়ে উঠবে। এর পাশাপাশি, হিলি স্থলবন্দর ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যবসা-বাণিজ্যে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
২৮ অক্টোবর তারিখে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের একটি চিঠিতে জানানো হয়েছে যে, যাত্রীদের চাহিদা এবং রেলের রাজস্ব আদায়ের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ট্রেন দুটি যাত্রাবিরতির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষের যাতায়াতের ভোগান্তি কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
বাংলাহিলি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফেরদৌস রহমান মন্তব্য করেন, "হিলি স্থলবন্দর ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের জন্য ট্রেন দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।" তিনি আরও বলেন, "ব্যবসায়ীদের যাতায়াত সহজ হলে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য আরও গতিশীল হবে।" বিশেষ করে ব্যবসায়িক প্রয়োজনে ঢাকায় যাতায়াতের ক্ষেত্রে সময় এবং ভোগান্তি কমবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন বলেন, "হিলি স্টেশনে দুটি ট্রেনের যাত্রাবিরতির অনুমোদনের খবরটি সত্যিই আনন্দের।" তিনি উল্লেখ করেন, "এর আগে ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভসহ নানা কর্মসূচি পালন করেছি। তবে তাতে কোনো সুফল পাইনি।" দীর্ঘদিন পর হলেও এমন খবর পেয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং বর্তমান সরকারের সমাজকল্যাণমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।
হিলি স্থলবন্দর ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে রেল যোগাযোগের ক্ষেত্রে নানা ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে এ এলাকার মানুষকে। বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর হিলি স্থলবন্দরের সড়ক সম্প্রসারণের কাজও এগিয়ে চলছে। এর মধ্যে দুটি ট্রেনের যাত্রাবিরতির অনুমোদন স্থানীয়দের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, ট্রেন দুটি নিয়মিত যাত্রাবিরতি শুরু করলে হিলি ও আশপাশের এলাকার মানুষের যাতায়াত আরও সহজ হবে। একই সঙ্গে চাকরিপ্রত্যাশী এবং চিকিৎসাসেবা নিতে ঢাকায় যাতায়াতকারী মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তিও অনেকটা কমবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ