বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:৪৩ এম
হিলি রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রাবিরতির অনুমোদন লাভ করেছে নীলসাগর এক্সপ্রেস ও চিলাহাটি এক্সপ্রেস। স্থানীয় ব্যবসায়ী, বাসিন্দা এবং যাত্রীরা রেলপথ মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্তে আনন্দিত হয়েছেন, যা দীর্ঘদিনের দাবি পূরণের ফলস্বরূপ। ট্রেন দুটি হিলি স্টেশনে যাত্রাবিরতি করলে, রাজধানী ঢাকা এবং দেশের অন্যান্য স্থানে যাতায়াত আরও সহজ হয়ে উঠবে। এর পাশাপাশি, হিলি স্থলবন্দর ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যবসা-বাণিজ্যে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
২৮ অক্টোবর তারিখে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের একটি চিঠিতে জানানো হয়েছে যে, যাত্রীদের চাহিদা এবং রেলের রাজস্ব আদায়ের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ট্রেন দুটি যাত্রাবিরতির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষের যাতায়াতের ভোগান্তি কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
বাংলাহিলি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফেরদৌস রহমান মন্তব্য করেন, "হিলি স্থলবন্দর ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের জন্য ট্রেন দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।" তিনি আরও বলেন, "ব্যবসায়ীদের যাতায়াত সহজ হলে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য আরও গতিশীল হবে।" বিশেষ করে ব্যবসায়িক প্রয়োজনে ঢাকায় যাতায়াতের ক্ষেত্রে সময় এবং ভোগান্তি কমবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন বলেন, "হিলি স্টেশনে দুটি ট্রেনের যাত্রাবিরতির অনুমোদনের খবরটি সত্যিই আনন্দের।" তিনি উল্লেখ করেন, "এর আগে ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভসহ নানা কর্মসূচি পালন করেছি। তবে তাতে কোনো সুফল পাইনি।" দীর্ঘদিন পর হলেও এমন খবর পেয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং বর্তমান সরকারের সমাজকল্যাণমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।
হিলি স্থলবন্দর ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে রেল যোগাযোগের ক্ষেত্রে নানা ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে এ এলাকার মানুষকে। বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর হিলি স্থলবন্দরের সড়ক সম্প্রসারণের কাজও এগিয়ে চলছে। এর মধ্যে দুটি ট্রেনের যাত্রাবিরতির অনুমোদন স্থানীয়দের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, ট্রেন দুটি নিয়মিত যাত্রাবিরতি শুরু করলে হিলি ও আশপাশের এলাকার মানুষের যাতায়াত আরও সহজ হবে। একই সঙ্গে চাকরিপ্রত্যাশী এবং চিকিৎসাসেবা নিতে ঢাকায় যাতায়াতকারী মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তিও অনেকটা কমবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় ৩১তম হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় নিজস্ব অর্থায়নে ৭৫ জন বিজয়ীর মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেছেন পৌরসভার মেয়র প্রার্থী মুন্সী বিল্লাল হুসাইন। প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রায় এক হাজার মানুষের অংশগ্রহণে আয়োজনটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আলফাডাঙ্গা মডেল মসজিদের সভাকক্ষে হুফ্ফাজুল কুরআন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের আলফাডাঙ্গা উপজেলা শাখার উদ্যোগে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিযোগিতায় পাঁচটি বিভাগে অংশ নেন প্রতিযোগীরা। বিভাগগুলো হলো—৫ পারা, ১০ পারা, ২০ পারা, ৩০ পারা এবং ১০ বছর বয়সী হাফেজ। প্রতিযোগিতা শেষে পাঁচটি বিভাগের ৭৫ জন বিজয়ীর মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। বিজয়ীদের জন্য এসব পুরস্কারের ব্যবস্থা করেন মেয়র প্রার্থী মুন্সী বিল্লাল হুসাইন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন হুফ্ফাজুল কুরআন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলা শাখার সভাপতি হাফেজ মাওলানা মাহমুদুল হাসান ফায়েক। প্রধান বক্তা ছিলেন তরুণ সমাজসেবক ও যুবসমাজের আইকন হিসেবে পরিচিত পৌরসভার মেয়র প্রার্থী মুন্সী বিল্লাল হুসাইন। বিশেষ অতিথি ছিলেন আলফাডাঙ্গা উপজেলা কওমি মাদ্রাসার উপদেষ্টা মাওলানা তামিম আহমেদ মিলন। সভাপতিত্ব করেন ফাউন্ডেশনের আলফাডাঙ্গা উপজেলা শাখার সভাপতি হাফেজ ক্বারী ওমর ফারুক। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মুফতি আশিকুর রহমান।
প্রধান বক্তা মুন্সী বিল্লাল হুসাইন শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি নৈতিকতা ও আদর্শের প্রতি অবিচল থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে সমাজের কল্যাণে কাজ করতে হবে। দুর্নীতি সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে এবং দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ অর্জনের লক্ষ্যে ভালো কাজ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, কারও একটি ভুলের কারণে তাঁর সব ভালো দিক উপেক্ষা করা উচিত নয়। একটি সাদা কাপড়ে সামান্য দাগ লাগলে অনেক সময় মানুষ পুরো কাপড়টিকেই দোষারোপ করে। অথচ কাপড়ের বাকি অংশ পরিষ্কার থাকে। তাই মানুষের ভুলের পাশাপাশি তার ভালো দিকগুলোও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।
আয়োজকেরা জানান, পবিত্র কোরআনের শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়া, হাফেজদের উৎসাহিত করা এবং নতুন প্রজন্মকে কোরআন শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করাই এ প্রতিযোগিতার মূল উদ্দেশ্য। এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে কোরআন শিক্ষার প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ আরও বাড়বে বলে তাঁরা আশা প্রকাশ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হবিগঞ্জের মাধবপুরে গেজেটেড বীরাঙ্গনা মাজেদা বেগম ও তাঁর যুদ্ধশিশু মেয়ে শামসুন্নাহারের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও হামলার অভিযোগে আদালতে মামলা হয়েছে। মামলার পর থেকে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং বাড়িতে ফিরতে সাহস পাচ্ছেন না বলে দাবি করেছেন মা-মেয়ে। বর্তমানে তাঁরা উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের একটি গ্রামে আশ্রয় নিয়েছেন বলে জানা গেছে। তাঁদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে একটি পক্ষের নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন তাঁরা। এ নিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়েও প্রতিকার পাননি বলে দাবি তাঁদের।
মাজেদা বেগম ও তাঁর মেয়ে শামসুন্নাহারের বাড়ি উপজেলার আদাঐর ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামে। মামলার বাদী আনোয়ার হোসেন আমির। মামলা নম্বর সিআর ৭৯৩/২৬। গত ১৪ অক্টোবর হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। এতে মাজেদা বেগমের ছেলে কামরুল মিয়াকে ১ নম্বর, মাজেদা বেগমকে ২ নম্বর এবং শামসুন্নাহারকে ৩ নম্বর আসামি করা হয়েছে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৫ সেপ্টেম্বর আসামিরা বাদীর বাড়িতে ভাঙচুর ও হুমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় প্রথম আসামি দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন এবং টাকা না দিলে তাঁদের বসবাস করতে দেওয়া হবে না বলে হুমকি দেন বলে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগ এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি।
মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছেন মাধবপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ফারুক মিয়া। গত ২৮ অক্টোবর তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ আসামিদের খোঁজখবর নিতে গেলে বিষয়টি জানতে পারেন মাজেদা বেগম ও শামসুন্নাহার। এরপর থেকে তাঁরা আরও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন বলে জানান।
মা-মেয়ের দাবি, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। এর আগে বিরোধ দেখা দিলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের নেতাদের উদ্যোগে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে মামলা ও পুলিশি তদন্তের খবর পেয়ে তাঁরা বাড়িতে ফিরতে সাহস পাচ্ছেন না।
মামলার বাদী আনোয়ার হোসেন বলেন, “আমরা ন্যায়বিচারের জন্য আদালতে মামলা করেছি। তারা কিছু হলেই পুলিশ ও সাংবাদিকদের দিয়ে মানুষকে হয়রানি করে। আমরা চাই, মামলাটি সঠিকভাবে তদন্ত করে বিচার করা হোক।”
অন্যদিকে, মামলার আসামি বীরাঙ্গনা মাজেদা বেগম ও তাঁর মেয়ে শামসুন্নাহার বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসা জমি থেকে আমাদের বাড়িছাড়া করা হয়েছে। এ নিয়ে আমরাও আদালতে মামলা করেছি। এখন শুনেছি, আমাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে পুলিশ বাড়িতে গেছে। আমরা ভয়ে বাড়িতে ফিরতে পারছি না।”
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফারুক মিয়া বলেন, “আমরা তদন্ত শুরু করেছি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে। মামলাটি থানায় দায়ের করা হয়নি, আদালত থেকে তদন্তের জন্য এসেছে।”
মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা বলেন, “মামলাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দেওয়া হবে। একজন অভিজ্ঞ কর্মকর্তাকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।”
মাধবপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিস আলী বলেন, “বিষয়টি দুঃখজনক। এটি তাঁদের পারিবারিক বিরোধ কি না, তা খোঁজখবর নিয়ে দেখব। তাঁদের সহযোগিতায় আমাদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে।”
মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সভাপতি ও বিএনপি নেতা মাহবুবুর রহমান সোহাগ বলেন, “এভাবে চলতে পারে না। স্বাধীন দেশে তাঁরা যেন নির্ভয়ে চলাফেরা করতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করব।”
এদিকে, দীর্ঘদিন ধরে চরম অর্থকষ্টে দিন কাটছে বীরাঙ্গনা মাজেদা বেগম ও তাঁর মেয়ের। যুদ্ধশিশু হিসেবে শামসুন্নাহারকে নানা সামাজিক প্রতিকূলতা ও অবহেলার মুখোমুখি হতে হচ্ছে বলে তাঁদের দাবি। কখনো বিভিন্ন বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে দিন কাটাতে হয়েছে তাঁদের। শামসুন্নাহার গলার দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত। চিকিৎসার সহায়তা চেয়ে বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেও প্রত্যাশিত সহযোগিতা পাননি বলে জানান তাঁরা। তাঁদের ভাষ্য, সম্প্রতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে এক বস্তা চাল ছাড়া উল্লেখযোগ্য কোনো সরকারি সহায়তা পাননি।
মামলাটির সুষ্ঠু তদন্ত, জমি নিয়ে বিরোধের প্রকৃত অবস্থা নিরূপণ এবং মা-মেয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার ধামরাইয়ের বেশ কয়েকটি এলাকায় আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়নকাজের জন্য সাড়ে ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩।
এ তথ্য বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে ধামরাই জোনাল অফিসের একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বাড়াড়িয়া (একমি) ৩৩ কেভি লাইন ও ধামরাই উপকেন্দ্রের আওতাধীন ছোট চন্দ্রাইল, বড় চন্দ্রাইল, খাত্রা, ছয়বাড়ীয়া, বাড়ীগাঁও, বাশাইল, কুল্লা, জলসীন, তালতলা, ইসলামপুর, কুমড়াইল, হাসপাতাল রোড, নতুন দক্ষিণপাড়া, থানা কমপ্লেক্স, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, আমিন মডেল টাউন, বরাতনগর, বরাত সেন্টার, ধানসিঁড়ি আবাসিক এলাকা ও ঢুলিভিটায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকতে পারে।
ধামরাই জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার লিপিয়া খাতুন জানান, ৩৩ কেভি লাইনের তার উন্নীতকরণ ও জরুরি রক্ষণাবেক্ষণকাজের জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কর্তৃপক্ষ সাময়িক অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
একটি উত্তাপহীন ম্যাচে শেষ মুহূর্তে প্রাণ ফিরে এসেছে। মুহূর্তগুলো ছিল একেবারেই পাগলাটে। এক সময় ইন্টার মায়ামি ম্যাচ জয়ের পথে ছিল, কিন্তু পরে পিছিয়ে পড়ে হারার পরিস্থিতিতে চলে যায়। অবিশ্বাস্য এক লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত স্বাগতিকরা সমতা ফিরিয়ে ম্যাচটি শেষ করে।
সিনেমার মতো নাটকীয় সমাপ্তিতে ইন্টার মায়ামি সিএফ এবং এফসি সিনসিনাটির ম্যাচটি ২-২ গোলে ড্র হয়েছে।
ফ্লোরিডার ন্যু স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার সকালে অনুষ্ঠিত মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) এই ম্যাচে লিওনেল মেসি তার পরিচিত ছন্দে ছিলেন না। ম্যাচের ৫৮তম মিনিটে তিনি একটি দারুণ আক্রমণে নেতৃত্ব দেন এবং শটও নেন, কিন্তু গোলরক্ষকের দ্রুততায় তিনি গোল করতে পারেননি।
বিস্তারিত আসছে …
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ