ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কেপ ভার্দের বিপক্ষে স্পেনের একাদশে নেই ইয়ামাল ও উইলিয়ামস


কেপ ভার্দের বিপক্ষে স্পেনের একাদশে নেই ইয়ামাল ও উইলিয়ামস

সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন আজ (১৫ জুন) তাদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে। কাতার বিশ্বকাপে মরক্কোর কাছে টাইব্রেকারে হারানোর পর এবারের আসরে স্পেন অন্যতম ফেবারিট হতে যাচ্ছে। দলে লামিনে ইয়ামাল, পেদ্রি, রদ্রির মতো তারকা থাকায় লা রোহারা ২০১০ সালের পর আবারও শিরোপা জেতার স্বপ্ন দেখছে। গ্রুপ 'এইচ'–এ স্পেন তাদের প্রথম ম্যাচে সহজ প্রতিপক্ষ কেপ ভার্ডেকে পেতে চলেছে।

সোমবার (১৫ জুন) আটলান্টা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত স্পেন এবং কেপ ভার্ডের প্রথম ম্যাচে স্পেনের একাদশে লামিনে ইয়ামাল সুযোগ পাচ্ছে না। যদিও সে চোট থেকে সেরে উঠেছে, তবুও অপেক্ষাকৃত সহজ প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ইয়ামালকে বেঞ্চে রেখেই কৌশল সাজিয়েছেন স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে।

৪-৩-৩ ফর্মেশন অনুযায়ী কোচ দে লা ফুয়েন্তে গোলপোস্টের নিচে আবারও অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের উনাই সিমনের ওপর বিশ্বাস রেখেছেন। দুই সেন্টারব্যাক হিসেবে বার্সেলোনার পাও কুবার্সি এবং বিলবাওয়ের আয়েমারিক লাপোর্টেকে নির্বাচিত করা হয়েছে। তাদের দুই পাশের ফুলব্যাক হিসেবে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের মার্কোস ইয়োরেন্তে এবং সদ্য রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেয়া মার্ক কুকুরেয়া খেলবেন।

আরও পড়ুন: বাগদাদে বায়ুদূষণ শীর্ষে, ঢাকার অবস্থান ১৩তম

মধ্যমাঠে তিনজন খেলোয়াড়ের মধ্যে অবধারিতভাবে ম্যানচেস্টার সিটির তারকা রদ্রি রয়েছেন। তার সঙ্গী হিসেবে থাকবেন বার্সার পেদ্রি এবং পিএসজির ফাবিয়ান রুইজ।

ফরোয়ার্ড লাইনে চমক তুলে দিয়েছেন দে লা ফুয়েন্তে। বার্সার মিডফিল্ডার গাভি পেয়েছেন ৯ নম্বর জার্সি। তার সঙ্গী হিসেবে ক্লাব সতীর্থ ফেরান তরেস এবং রিয়াল সোসিয়েদাদের মিকেল ওয়ারসাবাল হিসেবে থাকবেন।

ইয়ামালের মতো নিকো উইলিয়ামসও আজ একাদশে নেই। তবে বদলি হিসেবে তাদের দুজনেরই আজ বিশ্বকাপ অভিষেক হতে পারে।

স্পেনের একাদশ:

আরও পড়ুন: টাইব্রেকার রোমাঞ্চে চেলসিকে কাঁদিয়ে শেষ আটে লিভারপুল

গোলরক্ষক: উনাই সিমন (২৩);

ডিফেন্ডার: মার্কোস ইয়োরেন্তে (৫), পাউ কুবার্সি (২২), আয়েমারিক লাপোর্তে (১৪), মার্ক কুকুরেয়া (২৪);

মিডফিল্ডার: রদ্রিগো হার্নান্দেজ (১৬/অধিনায়ক), ফাবিয়ান রুইজ (৮), পেদ্রি (২০);

ফরোয়ার্ড: ফেরান তরেস (৭), গাভি (৯) এবং মিকেল ওয়ারসাবাল।

আরও পড়ুন: বৃহস্পতিবার ঢাকার মগবাজার, বেইলি রোড, সিদ্ধেশ্বরীসহ বিভিন্ন এলাকায় দোকানপাট বন্ধ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাজেটে অপ্রর্দশিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ না দিলে আরও বেগমপাড়া তৈরি হতো: রিহ্যাব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:১৮ পি.এম


বাজেটে অপ্রর্দশিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ না দিলে আরও বেগমপাড়া তৈরি হতো: রিহ্যাব

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে জমি এবং ফ্ল্যাট বেচাকেনায় বিনা প্রশ্নে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ দেয়াকে স্বাগত জানিয়ে আবাসন নির্মাতাদের সংগঠন (রিহ্যাব) জানিয়েছে, এটি যদি না দেয়া হতো, তাহলে বিদেশে আরও অনেক বেগমপাড়া তৈরি হতো।

সোমবার (১৫ জুন) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে বাজেট প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা রিহ্যাবের সভাপতি ড. আলী আফজাল বলেন।

তিনি আরও বলেন, নির্ধারিত কর পরিশোধের মাধ্যমে অপ্রদর্শিত অর্থকে বৈধ বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়ার ফলে অর্থনীতির মূলধারায় নতুন অর্থ প্রবাহিত হবে, এবং আবাসন খাতসহ পুরো অর্থনীতি উপকৃত হবে।

তবে, দীর্ঘমেয়াদে একটি সহজ, স্বচ্ছ ও বিনিয়োগবান্ধব কর কাঠামো গড়ে তোলার তাগিদ দিয়ে রিহ্যাব জানিয়েছে, এতে মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে কর প্রদান করবে। অপ্রদর্শিত অর্থ তৈরির প্রবণতা ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাবে।

তা সত্ত্বেও, রডসহ নির্মাণ সামগ্রীর ওপর নতুন কর ও জমির মালিকের প্রাপ্ত ফ্ল্যাটের উপর নতুন গেইন ট্যাক্স আরোপের প্রস্তাবের বিরোধিতাও করেছে সংগঠনটি।

রিহ্যাবের সভাপতি বলেন, বর্তমানে জমির মালিক সাইনিং মানির উপর ১৫ শতাংশ কর দিতে বাধ্য রয়েছেন। নতুন করে সাইনিং মানির বাইরে ডেভেলপারের তৈরি ফ্ল্যাটের উপরও ১৫ শতাংশ কর দিতে হবে জমির মালিকদের। যা ভয়াবহ সংকট সৃষ্টি করবে ফ্ল্যাটের বাজারে।

উদাহরণ হিসেবে ড. আলী আফজাল বলেন, ২৪টা ফ্ল্যাটের একটি প্রকল্পে যদি ১২টা ফ্ল্যাট জমির মালিক পান, এবং সেই ১২ ফ্ল্যাটের মূল্য যদি ১২ কোটি টাকা হয়, তবে তাকে ট্যাক্স বাবদ দিতে হবে ১ কোটি ৮০ লাখ। অর্থাৎ তাকে প্রায় ২টি ফ্ল্যাটের টাকার সমান ট্যাক্স দিতে হবে। এ সিদ্ধান্ত ফ্ল্যাটের দামকে আকাশ চুম্বী করে তুলবে। কারণ জমির মালিক সেই টাকা ডেভেলপারের কাছ থেকে আদায় করবে। শেষ পণ্যে এই ব্যয় ভোক্তার উপরই পড়বে, যার অর্থ হল ফ্ল্যাটের দাম আরও বাড়বে।

এছাড়াও, নির্মাণসামগ্রীর ওপর নতুন কর এবং শুল্ক আরোপের ফলে নির্মাণ ব্যয় আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে রডের ওপর কর বৃদ্ধি করার ফলে নির্মাণ ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। বিদ্যুৎয়ের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে প্রতি টনের মূল্য ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা বৃদ্ধি পেতে পারে।

পিভিসি রেজিন এবং পেট রেজিন এর কর দ্বিগুণ করা হয়েছে। কোল্ড-রোল্ড কয়েল এর উপর ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। আর কপার তার ও কপার টিউবের উপর ২৫ শতাংশ কর আরোপ করা হয়েছে। অর্থাৎ, বিভিন্ন নির্মাণ সামগ্রীর ওপর অতিরিক্ত কর বসানো হয়েছে। আমরা মনে করি, এর সরাসরি প্রভাব পড়বে ফ্ল্যাটের মূল্যের উপর। বিদ্যুৎ এর মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে এরই মধ্যে অনেক নির্মাণ উপকরণের মূল্য বেড়ে গেছে। প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে জড়িত ২ কোটি মানুষের আয়ের এ খাতটি যে অবস্থায় রয়েছে, সেখান থেকে আরো খারাপের দিকে যাবে। এ অবস্থায় আবাসন খাতে প্রস্তাবিত করহার কমানোর দাবি জানিয়েছেন রিহ্যাব নেতারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্যানসারসহ নানা জটিল রোগ প্রতিরোধে নেত্রকোনায় পুষ্টিবিষয়ক প্রশিক্ষণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:১৯ পি.এম


ক্যানসারসহ নানা জটিল রোগ প্রতিরোধে নেত্রকোনায় পুষ্টিবিষয়ক প্রশিক্ষণ

'রোগ প্রতিরোধের চেয়ে প্রতিকারই উত্তম' এই স্লোগানে মানবদেহের সুস্থতা এবং ক্যানসারসহ নানা ধরনের রোগ থেকে দেহকে মুক্ত রাখতে খাদ্যাভ্যাসে সচেতনতা বাড়াতে নেত্রকোনায় পুষ্টি বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৫ জুন) নেত্রকোনা-মোহনগঞ্জ সড়কের রাজুরবাজার এলাকায় আঞ্চলিক কার্যালয়ের হলরুমে এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট (বারটান) তিনদিন ব্যাপি এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করে।

বারটানের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আলতাফ উন নাহারের তত্ত্বাবধানে নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা হাবিবুর রহমানসহ বিভিন্ন দফতরের প্রধানগণ প্রশিক্ষণ প্রদান করেন।

প্রশিক্ষণে খাদ্য, পুষ্টি, ফলিত পুষ্টি, সুষম খাবার, খাদ্যের উপাদান, শর্করা, আমিষ, ভিটামিন, আঁশ জাতীয় খাদ্য, রোগ প্রতিরোধকারী খাদ্য, স্নেহ জাতীয় খাদ্য, খাদ্য সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণ, নিরাপদ খাদ্যসহ সুস্বাস্থ্য ফলিত পুষ্টির গুরুত্ব বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

এতে শিক্ষক, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের উপসহকারী কর্মকর্তা, মহিলা বিষয়ক, সমাজসেবা, যুব উন্নয়ন, সাংবাদিক, ইমাম, পুরোহিত, এনজিও কর্মীসহ দুই ভাগে ৩০ জন করে মোট ৬০ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশ নিয়েছেন।

প্রশিক্ষণে শরীরের প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী খাদ্যাভ্যাস করার আহ্বান জানান প্রশিক্ষকগণ।

প্রশিক্ষকরা বলেন, সুস্থভাবে বেঁচে থাকলে হলে নিরাপদ খাদ্য গ্রহণ করতে হবে। তবে টানা তিনদিন অনিরাপদ খাদ্য গ্রহণে কিডনি জটিলতাসহ নানা ধরনের রোগের সূত্রপাত হতে পারে বলেও হুঁশিয়ার করেন তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভৈরবে কালিকাপ্রসাদে ৪২ লাখ টাকার সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ, কাজ বন্ধের নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শাহিন আলম, ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২৩ পি.এম


ভৈরবে কালিকাপ্রসাদে ৪২ লাখ টাকার সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ, কাজ বন্ধের নির্দেশ

কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের আতকাপাড়া গ্রামের ৫ নং ওয়ার্ডে ৪২ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন ৫০০ মিটার সড়কের ইটের সোলিং কাজে নিম্নমানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দা, জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতাদের অভিযোগ, সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের ইট ব্যবহারসহ বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে কাজ পরিচালনা করা হচ্ছে।
অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নির্মাণকাজে ব্যবহৃত ইটের মান নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ রয়েছে। এ সময় স্থানীয় ইউপি সদস্য (মেম্বার) ফুল মিয়া এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) উপস্থিত ছিলেন।
তবে ঠিকাদারদের পক্ষ হয়ে কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি, স্বপন আহমেদ দূর্জয় সাংবাদিকদের বাধা প্রদান করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ফজলুল মিয়া অভিযোগ করে বলেন, “রাস্তার কাজে অত্যন্ত নিম্নমানের ইট ব্যবহার করা হয়েছে। এসব ইট দিয়ে টেকসই সড়ক নির্মাণ সম্ভব নয়।”
আরেক বাসিন্দা জামাল মিয়া বলেন, “তিন নম্বার ইট দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। এছাড়া রাস্তার মাটি ভালো ভাবে চাপানোর জন্য পানিও ব্যবহার করা হয়নি।”
স্থানীয় বিএনপি নেতা আসাদ মিয়া বলেন, “কাজে ব্যাপক অনিয়ম চলছে। নিম্নমানের ইট ব্যবহার এবং মাটি ভেজানো ছাড়াই কাজ করা হচ্ছে। উপজেলা প্রশাসনের উচিত দ্রুত হস্তক্ষেপ করে মানসম্মতভাবে কাজ নিশ্চিত করা।”
ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের সদস্য ফুল মিয়া বলেন, “কাজে অনিয়ম হচ্ছে। আমি চাই সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।”
কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লিটন মিয়া বলেন, “আমি ঠিকাদারকে শুরু থেকেই নিম্নমানের কাজ না করার নির্দেশ দিয়েছি। অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।”
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোমেনুর রহমান বলেন, “অভিযোগ পাওয়ার পর সরেজমিনে পরিদর্শনে গিয়ে দেখি ব্যবহৃত ইটের মান সন্তোষজনক নয়। তাই কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”
এ বিষয়ে ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে এম মামুনুর রশিদ বলেন, “কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ইটের সোলিং কাজে নিম্নমানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পিআইও ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধ করে এসেছেন। তবে পুনরায় কাজ শুরুর অভিযোগও পেয়েছি। আমি স্পষ্ট ভাবে বলতে চাই যদি কোনো কাজে নিম্নমানের কাজের সত্যতা পাওয়া যায়, তাহলে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের বিল স্থগিতসহ প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
স্থানীয়দের দাবি, প্রকল্পের অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে দ্রুত তদন্ত করে মানসম্মত নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করা হোক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অর্থনীতি পুনরুজ্জীবনে বাজেটে ‘থ্রি-আর’ কৌশল, কী বলছেন অর্থনীতিবিদরা?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২৭ পি.এম


অর্থনীতি পুনরুজ্জীবনে বাজেটে ‘থ্রি-আর’ কৌশল, কী বলছেন অর্থনীতিবিদরা?

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সরকার অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে ‘থ্রি-আর’ কৌশল উন্মোচন করেছে। এর লক্ষ্য ২০৩০-৩১ সালের মধ্যে ৮ দশমিক ৫ শতাংশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করা এবং মোট বিনিয়োগকে জিডিপির ৪০ শতাংশে উন্নীত করা। যদিও এই উদ্যোগকে ব্যবসায়ীরা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন, অর্থনীতিবিদদের মতে, প্রথম ধাপে সংস্কারের উপর বেশি গুরুত্ব দেয়া কিছুটা উচ্চাভিলাষী হতে পারে।

নতুন বাজেটে সরকারের ‘থ্রি-আর’ কৌশল ভঙ্গুর অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করা, পুনর্গঠন করা এবং বিনিয়োগনির্ভর প্রবৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে পরিকল্পিত হয়েছে। এর আওতায় রয়েছে রিকভারি অ্যান্ড স্ট্যাবিলাইজেশন, রিস্টোরেশন এবং রিকনস্ট্রাকশন ফর অ্যাক্সিলারেশন।

সরকার তিন ধাপে এই কৌশল বাস্তবায়নের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। প্রথম ধাপে এক বছরের মধ্যে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। দ্বিতীয় ধাপে এক থেকে তিন বছরের মধ্যে অর্থনীতির উত্তরণ ঘটানো হবে। তৃতীয় ধাপে পাঁচ বছর মেয়াদে সমৃদ্ধ অর্থনীতি গড়ে তোলার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।

এই কৌশল বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২০৩০-৩১ সালের মধ্যে ৮ দশমিক ৫ শতাংশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের আশাবাদ ব্যক্ত করেছে সরকার। এই সময়ে মূল্যস্ফীতি ৫ শতাংশে নামতে হবে, প্রত্যেক বিদেশি বিনিয়োগকে জিডিপির ২ দশমিক ৭ শতাংশে উন্নীত করা হবে এবং মোট বিনিয়োগকে জিডিপির ৪০ শতাংশে নিয়ে আসার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণে পাঁচ বছরকে তুলনামূলকভাবে কম সময় হিসেবে দেখলেও সরকারের এই কৌশলকে স্বাগত জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। আইবিএফবির সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট এম এস সিদ্দিকী বলেন, পাঁচ বছর খুব কম সময় হলেও গত ১৫-২০ বছরে অর্থনীতির যে ক্ষতি হয়েছে, তা পুনর্গঠন করার জন্য একটি পরিকল্পনা প্রয়োজন ছিল। সরকারের পাঁচ বছরের পরিকল্পনাকে তিনি সাধুবাদ জানিয়েছেন। তবে তিনি উল্লেখ করেন, পাঁচ বছরের মধ্যে সব লক্ষ্য বাস্তবায়ন করা সহজ হবে না।

অন্য দিকে, অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, প্রথম ধাপের মূল গুরুত্ব হওয়া উচিত সংস্কারের ওপর। অর্থনীতিবিদ ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, রিকভারি পর্যায়ে প্রবৃদ্ধি এর বড় বিষয় নয়। এ সময় অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করার জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রমে গুরুত্ব দেয়াটা জরুরি। এরপর রিস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন ফর অ্যাক্সিলারেশন পর্যায়ে প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে।

সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান মনে করেন, তিন ধাপের ‘থ্রি-আর’ কৌশল একটি ভালো পরিকল্পনা। তবে এর সফলতা মূলত বাস্তবায়ন সক্ষমতার ওপর নির্ভরশীল।

অর্থনীতিবিদদের মতে, প্রথম বছরে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, ব্যাংক খাতের সংস্কার এবং পুঁজিবাজারের উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%