বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৩:২৯ পি.এম
যৌন নিপীড়নের অভিযোগে, দুই বছরের জন্য অব্যাহতি পাওয়া খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) বাংলা ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. রুবেল আনছার উপাচার্যের সঙ্গে অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষকদের মতবিনিময় সভায় আমন্ত্রণ পেয়েছেন। তবে উল্লেখ্য, শাস্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তিনি এ সভায় আমন্ত্রণ পান।
এ নিয়ে সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে যে, ১৫ জুলাই বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের চতুর্থ তলার সম্মেলন কক্ষে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর'স অ্যাওয়ার্ড, ইউজিসি অ্যাওয়ার্ড, বিইউএস-ইউএসডিএ অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষক ও চলমান বিইউএস-ইউএসডিএ প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম, উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. হারুনর রশীদ খান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. নূরুন্নবী সহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
আমন্ত্রণের বিষয়ে অধ্যাপক ড. রুবেল আনছার বলেন, ‘হ্যাঁ, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমাকে ইনভাইটেশন দিয়েছে তাই আমি গিয়েছিলাম। এটা অনেক আগের অ্যাওয়ার্ড, সেই সূত্র ধরে হয়তো ডেকেছে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. এস এম মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘আমরা তো ওই বিষয়টি দেখিনি, অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত হিসেবে আমন্ত্রণ করেছি। উনি মিটিংয়ে আলোচনায় আসছে, উনার দক্ষতা আমরা নেওয়ার চেষ্টা করেছি।
কোনো কর্মকাণ্ড উনি অংশগ্রহণ করবে না ২ বছর, কিন্তু উনাকে আমন্ত্রণ করা হয়েছে, যেহেতু উনি অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত। এজন্য উনার মতামত নেওয়ার জন্য, উনার মতামত যদি আমাদের কাজে লাগে তাহলে কেন আসবে না উনি।’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিমের বক্তব্য জানতে একাধিকবার মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি পাওয়া যাননি।
প্রসঙ্গত, অধ্যাপক ড. রুবেল আনছারের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের দুটি অভিযোগের মধ্যে একটি তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে দুই বছরের জন্য পাঠদান, পরীক্ষা গ্রহণসহ সব ধরনের একাডেমিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। অন্য অভিযোগটি প্রমাণিত না হওয়ায় সে অভিযোগ থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের ২৩৪তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এদিকে, সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ নিয়ে আলোচনা তীব্র হয়ে উঠেছে। ১৬ জুন এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক মো. রেজাউল ইসলামের বিরুদ্ধে একই ডিসিপ্লিনের প্রথম বর্ষের এক ছাত্রীর অভিযোগের পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। অভিযোগে বলা হয়, তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব ও অশালীন বার্তা পাঠিয়েছেন। এরপর থেকেই বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় ইয়াবাসহ হাসিনা বেগম (৩৭) নামের এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। গতকাল বুধবার, উত্তর সাগরনাল গ্রামে অভিযান চালিয়ে এই নারীকে আটক করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার হাসিনা বেগম ওই গ্রামের এনামুল হক জিলিমের স্ত্রী।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে হাসিনা বেগমের কাছে থাকা একটি লেডিস পার্স থেকে ১০০ পিস ইয়াবা ও বিক্রির ২ হাজার ৯০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। পরে বাড়ির ঘরের একটি প্যাকেট থেকে আরো ৩০০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। অভিযানের সময় হাসিনা বেগমকে গ্রেপ্তার করার মধ্যে পড়লেও তার স্বামী এনামুল হক জিলিম (৩৮) পালিয়ে যান।
এ ঘটনার প্রেক্ষিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে জুড়ী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং হাসিনা বেগমের স্বামীকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানানো হয়েছে অধিদপ্তর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। তিনি বলেন, রায় কার্যকর করার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, বন্দি বিনিময় চুক্তির মাধ্যমে সরকার শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে চায়।
একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে বন্দি চুক্তি অনুসারে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ভারত সরকারকে পত্র দেওয়া হয়েছে। এরপর আমরা ওই বিষয়ে তাগাদা দিয়েছি।
মন্ত্রী বলেন, 'আমরা তো তাকে ফেরত চাই এবং চাই বিচারের মুখোমুখি হোক।'
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইতিমধ্যে যেহেতু তিনি (শেখ হাসিনা) সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন, আদালতে তার আত্মসমর্পণের সুযোগ আছে কিনা সেটা আইনজ্ঞরা বলবেন। তবে তিনি দেশের বাইরে থাকাকালীন সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে দেশে ফিরলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে এবং রায় কার্যকর করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলাদেশের ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের বিদেশ থেকে ফেরত আনতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও পাঠানো হয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
শিক্ষার্থীদের সাম্প্রতিক আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, 'সরকারকে বিব্রত করতেই কিছু শিক্ষার্থীকে ব্যবহার করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে একটি মহল।'
চলতি বছরের সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের দিকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের পরিকল্পনার সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাশিয়া দাবি করেছে যে, ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে সামরিক ও প্রতিরক্ষা শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে। রাশিয়া একই সঙ্গে কৃষ্ণসাগর উপকূলের ওডেসা ও পিভদেননি বন্দরের অবকাঠামো এবং ইউক্রেনের একটি সমুদ্রগামী জাহাজেও হামলা চালিয়েছে। বৃহস্পতিবার রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ তথ্য প্রকাশ করে।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, কিয়েভে হামলা চালানো স্থাপনাগুলোতে ইউক্রেনের মাঝারি ও দীর্ঘপাল্লার ড্রোন তৈরি ও সংরক্ষণ করা হতো। এই অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল এসব লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করা। রাশিয়া আরো জানিয়েছে, ওডেসা ও পিভদেননি বন্দরের হামলার লক্ষ্যবস্তুসমূহ সামরিক সরঞ্জাম ও জ্বালানি গ্রহণ, সংরক্ষণ এবং বিভিন্ন এলাকায় পাঠানোর কাজে ব্যবহৃত হতো। পাশাপাশি, ওডেসা অঞ্চলের বন্দরের দিকে যাত্রা করা ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর একটি সমুদ্রগামী জাহাজ এবং একটি উচ্চগতির নৌযানেও হামলার দাবি তুলেছে মস্কো।
অন্যদিকে, ইউক্রেনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার ভোরে রাশিয়ার ছোড়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কিয়েভের অন্তত দুটি জেলায় আঘাত হানে। এই হামলায় কয়েকটি স্থানে অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এতে অন্তত দুইজন নিহত হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
রাশিয়া এবং ইউক্রেন—দুই দেশই সাম্প্রতিক সময়ে একে অপরের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অবস্থানে হামলার পরিমাণ বৃদ্ধির জন্য পরিচিত। ইউক্রেন প্রায়ই রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে, যেখানে হামলার লক্ষ্যবস্তুতে তেল সংরক্ষণাগার, জ্বালানি স্থাপনা এবং তেলবাহী জাহাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। অন্যদিকে, রাশিয়া গত কয়েক সপ্তাহ ধরে কৃষ্ণসাগর উপকূলের ইউক্রেনীয় বন্দরের ওপর হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে, বিশেষ করে ওডেসা এবং আশপাশের বন্দরগুলোতে একের পর এক হামলা চলা হচ্ছে।
বিশ্লেষকরা জানান, যুদ্ধের পাশাপাশি দুই পক্ষ এখন একে অপরের অর্থনীতি, জ্বালানি সরবরাহ এবং সামরিক রসদ ব্যবস্থাকে দুর্বল করতে বেশি মনোযোগ দিচ্ছে, ফলে বন্দর, জ্বালানি স্থাপনা এবং পরিবহন অবকাঠামো এখন এই যুদ্ধে অন্যতম প্রধান লক্ষ্যবস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভিন্ন মত ও ভিন্ন আদর্শ থাকা সত্ত্বেও দেশের স্বার্থের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মুখপাত্র এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি এ প্রসঙ্গে বলেছেন, সরকারের কাজ হবে নির্বাচনী ইশতেহারে উল্লেখিত প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির ফল উৎসবে যোগ দিয়ে মাহদী আমিন এই আহ্বান জানান।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, গণঅভ্যুত্থানের পর গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশকে উন্নত করার লক্ষ্যে বিএনপি সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
মাহদী আমিন যোগ করেন, নির্বাচনী ইশতেহারে যে প্রস্তাবনা প্রদান করা হয়েছে, তা বাস্তবায়নে প্রতিটি মন্ত্রণালয়কে সঙ্গে নিয়ে কাজ করবে সরকার।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত রাজউক চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলাম ঘোষণা করেন, ডিআরইউ কমপ্লেক্স নির্মানের ক্ষেত্রে তার সংস্থা সব ধরনের সহায়তা প্রদান করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ