বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৩:৪১ পি.এম
ভিন্ন মত ও ভিন্ন আদর্শ থাকা সত্ত্বেও দেশের স্বার্থের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মুখপাত্র এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি এ প্রসঙ্গে বলেছেন, সরকারের কাজ হবে নির্বাচনী ইশতেহারে উল্লেখিত প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির ফল উৎসবে যোগ দিয়ে মাহদী আমিন এই আহ্বান জানান।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, গণঅভ্যুত্থানের পর গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশকে উন্নত করার লক্ষ্যে বিএনপি সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
মাহদী আমিন যোগ করেন, নির্বাচনী ইশতেহারে যে প্রস্তাবনা প্রদান করা হয়েছে, তা বাস্তবায়নে প্রতিটি মন্ত্রণালয়কে সঙ্গে নিয়ে কাজ করবে সরকার।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত রাজউক চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলাম ঘোষণা করেন, ডিআরইউ কমপ্লেক্স নির্মানের ক্ষেত্রে তার সংস্থা সব ধরনের সহায়তা প্রদান করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার কাঠালিয়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক পুলিশ সদস্য শাহাদাৎ হোসেন (৭৭) বুধবার (১৫ জুলাই) রাত ১০টায় নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি অনেক দিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। তাঁর মৃত্যুকালে স্ত্রী, এক ছেলে, চার মেয়ে, আত্মীয়-স্বজন ও অসংখ্য গুণগ্রাহী পিছনে রয়ে গেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় নিজ এলাকায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এই সময় রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ আসাদুজ্জামান এবং কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আনোয়ার হোসেন। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন করা হয়।
বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাদাৎ হোসেনের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন কাউখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম আহসান কবির, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচ এম দ্বীন মোহাম্মদ এবং উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মাস্টার শাহ আলম।
তাঁদের শোকবার্তায় মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়েছে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি কামনা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মো: আখতারুজ্জামান শিশির, যিনি নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সহ-সভাপতি, তিনি বলেছেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি চলা কোটা সংস্কার আন্দোলন ও পরবর্তীতে সরকার পতনের একদফা দাবির আন্দোলনকে প্রতীকী রূপ দিতেই আগস্টের ৫ তারিখকে '৩৬ জুলাই' হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। আন্দোলনকারীদের দাবি ছিল যে, স্বৈরাচার সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত জুলাই মাস শেষ হয়নি।
দিনটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগকে স্মরণীয় করে রাখতে সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ৫ আগস্টকে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। '৩৬ জুলাই' বলতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টকে নির্দেশ করা হয়, যেদিন তীব্র ছাত্র-জনতার গণ-আন্দোলনের মুখে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশত্যাগ করেন।
এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক, জনাব মোঃ সাখাওয়াত ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, নারায়ণগঞ্জ কৃষক দলের মহানগরের মহিলা বিষয় সম্পাদিকা, খোরশেদ আলম লিপি খন্দকার এবং আরো অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজাগামী মানবিক সহায়তাবাহী নৌবহরের (ফ্লোটিলা)- সদস্য ও ফিলিস্তিনপন্থি অধিকারকর্মী অ্যানা লিডকে ইসরায়েলি বন্দিশালায় থাকাকালীন যৌন নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন ভয়াবহ তথ্য, যা একটি প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে।
লিডকে বলেছেন, বেআইনিভাবে তৃতীয় দফায় দেহ তল্লাশির সময় কারারক্ষীরা তাকে জোরপূর্বক হাঁটু গেড়ে বসতে বাধ্য করে। এর পর তার মুখ চেপে ধরলে তিনি চিৎকার করতে থাকেন এবং পরে ধর্ষণের শিকার হন।
মঙ্গলবার দ্য গার্ডিয়ান-এর প্রতিবেদনে এসব তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। লিডকের বক্তব্য, নির্যাতনের সময় তিনি পুরুষ কারারক্ষীদের হাসির শব্দ শুনেছেন, যা তার ধারণা অনুযায়ী, তারা ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এবং সেটি সম্ভবত ভিডিও রেকর্ড করছেন। তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থল পার্টিশনিংয়ের মাধ্যমে আলাদা করা থাকলেও তা সম্পূর্ণ শুরুর অবস্থায় রাখা হয়েছিল।
২৫ বছর বয়সী লিডকে গত শরতে ইউরোপ থেকে গাজাগামী নৌবহরে যোগদান করেন। ৮ অক্টোবর আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে ইসরায়েলি বাহিনী তাদের নৌযান আটক করে এবং তাকে পাঁচ দিন ধরে আটক রাখা হয়।
লিডকের ভাষ্যমতে, ফ্লোটিলার কর্মীদের বিরুদ্ধে ধর্ষণসহ বিভিন্ন সহিংসতার উদ্দেশ্য ছিল তাদের মধ্যে ভয় সৃষ্টি করা। গার্ডিয়ানের কাছে তিনি বলেছেন, ‘এটি স্পষ্ট যে তারা আমাদের মনোবল ভেঙে দিতে চায় এবং আমাদের চুপ করাতে চায়। তারা আমাদের এমন এক ট্রমার মধ্যে ফেলতে চায়, যাতে আমরা আর কখনো ফিলিস্তিন নিয়ে কথা না বলি।’
নির্যাতনের ঘটনাটি ঘটার পর কয়েক দিনের মধ্যে তিনি বিষয়টি বন্ধু ও চিকিৎসকদের জানান। লিডকে গত ডিসেম্বরে ইসরায়েলি হেফাজতে ধর্ষণের অভিযোগ আনেন, যা ছিল প্রথম ফ্লোটিলা কর্মীর অভিযোগ। পরে আরও এক ডজনের বেশি কর্মী যৌন নিপীড়নের অভিযোগ তুলে, তবে অধিকাংশই তাদের পরিচয় প্রকাশ করেননি।
লিডকের আইনজীবীরা অভিযোগের তদন্তের আবেদন জানিয়ে একটি আনুষ্ঠানিক মামলা দায়ের করেছেন। ইসরায়েলি আইন অনুযায়ী, সম্মতি ছাড়া যেকোনো ধরনের যৌন নিপীড়নকে ধর্ষণ হিসেবে গণ্য করা হয়।
আইনি প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর লিডকে বলেছেন, ‘আমার লজ্জা পাওয়ার কোনো কারণ নেই। আমরা যদি চুপ থাকি, তাহলে তারা অন্য কারোর সঙ্গেও একই কাজ করবে।’
অভিযোগপত্রটি ইসরায়েলের অ্যাটর্নি জেনারেল, দেশের কারা কর্তৃপক্ষের আইনি উপদেষ্টার কাছে পাঠানো হয়েছে। আইনজীবী মুনা হাদ্দাদ জানান, এ উদ্যোগের লক্ষ্য ইসরায়েলে বন্দি নির্যাতনের বিরুদ্ধে বিদ্যমান ‘বিচারহীনতার সংস্কৃতি’কে চ্যালেঞ্জ করা।
ইসরায়েলে কর্মরত ফিলিস্তিনি মানবাধিকার সংস্থা আদালাহ-এর আইনজীবী হাদ্দাদ বলেন, অ্যানা লিডকে ন্যায়বিচার চান এবং দায়ীদের জবাবদিহি করার সব ধরনের আইনি পথ ব্যবহার করতে প্রস্তুত। তারা তদন্তের দাবিতে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করবেন।
হাদ্দাদ দাবি করেন, গত প্রায় তিন বছর ধরে ফিলিস্তিনি বন্দিদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে যৌন সহিংসতা ও ধর্ষণের মতো অপরাধের অভিযোগ উঠছে এবং এখন এর বিস্তার আরও বেড়েছে। তিনি বলেন, ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি প্রকাশকারী বিদেশি নাগরিকদের সঙ্গেও একই আচরণ করা হচ্ছে।
লিডকে বলেন, ‘আমি মনে করি না, শুধু মুখ খুললেই কারাগারে ধর্ষণ বন্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু একজন রাজনৈতিকভাবে সচেতন নারী হিসেবে এ বিষয়ে কথা বলা আমার দায়িত্ব। আমি এর বিরুদ্ধে লড়াই করতে চাই। আমি জোর দিয়ে বলতে পারি, ফিলিস্তিনি বন্দিরা যে ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হন, আমার ওপর হওয়া নির্যাতন তার চেয়ে অনেক কম।’
তিনি জানান, গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ ইতালি থেকে প্রায় ১০০ কর্মীর সঙ্গে বড় একটি ফেরিতে যাত্রা শুরুর আগে আগের ফ্লোটিলা সদস্যদের কাছ থেকে তিনিও ইসরায়েলি হেফাজতে সম্ভাব্য সহিংসতা ও যৌন নিপীড়নের আশঙ্কা সম্পর্কে সতর্কবার্তা পেয়েছিলেন। মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিতে চাইলেও তিনি জানেন, এমন অভিজ্ঞতার জন্য আগে থেকে প্রস্তুত হওয়া প্রায় অসম্ভব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শোবিজ জগতে একাধিকবার প্রেমের গুঞ্জনে অভিনেত্রী প্রার্থনা ফারদিন দীঘির নাম এসেছে। যদিও আগে পর্যন্ত নিজের ব্যক্তিগত জীবন, ভালোবাসা এবং সম্পর্ক নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি তিনি, এবার সেই বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন।
একটি পডকাস্ট অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে এসে দীঘি ব্যক্তিজীবনকে কেন্দ্র করে খোলামেলা আলোচনা করেন। নায়িকার কাছে তার প্রেমজীবন সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, "আমি কখনো প্রেমের সম্পর্কে জড়াইনি। এমনকি, সুযোগ থাকা সত্ত্বেও সচেতনভাবেই কোনো সম্পর্কে যাইনি।"
এরপরেই দীঘি এর কারণ ব্যাখ্যা করে বলেন, "স্কুলজীবন থেকেই পরিবারের কড়া নজরদারিতে বড় হয়েছি। ক্লাস সিক্সে ওঠার পর থেকেই আমার চলাফেরায় বিভিন্ন ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। পরিবারের সদস্যরা নিয়মিত স্কুল কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে আমার খোঁজখবর নিতেন। এসএসসি পরীক্ষার পূর্ব পর্যন্ত মোবাইল ফোনও ব্যবহার করতাম না।"
যেহেতু দীর্ঘ সময় এমন নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে বেড়ে ওঠা, তাই প্রেম করার সুযোগ কিংবা মানসিক পরিসর—কোনোটিই তৈরি হয়নি।
ক্যারিয়ারে একসময় কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি এবং পরে মুহাইমিন রাশিদ নামে এক তরুণের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছিল দীঘির। কিন্তু এ ধরনের গুঞ্জনকে তিনি শুধু গুঞ্জন বলেই উড়িয়ে দিয়েছেন। দীঘি জানান, "তৌহিদ আফ্রিদি ও মুহাইমিন রাশিদের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জনের কোনো ভিত্তিই নেই। কারণ তাদের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল শুধুই বন্ধুত্বের।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ