প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাশিয়া দাবি করেছে যে, ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে সামরিক ও প্রতিরক্ষা শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে। রাশিয়া একই সঙ্গে কৃষ্ণসাগর উপকূলের ওডেসা ও পিভদেননি বন্দরের অবকাঠামো এবং ইউক্রেনের একটি সমুদ্রগামী জাহাজেও হামলা চালিয়েছে। বৃহস্পতিবার রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ তথ্য প্রকাশ করে।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, কিয়েভে হামলা চালানো স্থাপনাগুলোতে ইউক্রেনের মাঝারি ও দীর্ঘপাল্লার ড্রোন তৈরি ও সংরক্ষণ করা হতো। এই অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল এসব লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করা। রাশিয়া আরো জানিয়েছে, ওডেসা ও পিভদেননি বন্দরের হামলার লক্ষ্যবস্তুসমূহ সামরিক সরঞ্জাম ও জ্বালানি গ্রহণ, সংরক্ষণ এবং বিভিন্ন এলাকায় পাঠানোর কাজে ব্যবহৃত হতো। পাশাপাশি, ওডেসা অঞ্চলের বন্দরের দিকে যাত্রা করা ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর একটি সমুদ্রগামী জাহাজ এবং একটি উচ্চগতির নৌযানেও হামলার দাবি তুলেছে মস্কো।
অন্যদিকে, ইউক্রেনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার ভোরে রাশিয়ার ছোড়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কিয়েভের অন্তত দুটি জেলায় আঘাত হানে। এই হামলায় কয়েকটি স্থানে অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এতে অন্তত দুইজন নিহত হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
রাশিয়া এবং ইউক্রেন—দুই দেশই সাম্প্রতিক সময়ে একে অপরের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অবস্থানে হামলার পরিমাণ বৃদ্ধির জন্য পরিচিত। ইউক্রেন প্রায়ই রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে, যেখানে হামলার লক্ষ্যবস্তুতে তেল সংরক্ষণাগার, জ্বালানি স্থাপনা এবং তেলবাহী জাহাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। অন্যদিকে, রাশিয়া গত কয়েক সপ্তাহ ধরে কৃষ্ণসাগর উপকূলের ইউক্রেনীয় বন্দরের ওপর হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে, বিশেষ করে ওডেসা এবং আশপাশের বন্দরগুলোতে একের পর এক হামলা চলা হচ্ছে।
বিশ্লেষকরা জানান, যুদ্ধের পাশাপাশি দুই পক্ষ এখন একে অপরের অর্থনীতি, জ্বালানি সরবরাহ এবং সামরিক রসদ ব্যবস্থাকে দুর্বল করতে বেশি মনোযোগ দিচ্ছে, ফলে বন্দর, জ্বালানি স্থাপনা এবং পরিবহন অবকাঠামো এখন এই যুদ্ধে অন্যতম প্রধান লক্ষ্যবস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন