মোঃ জিয়াউর রহমান ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
০৫:৫৪ পি.এম
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১১৫টিকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ
হিসেবে চিহ্নিত করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১৩। বাকি ৭০টি কেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ছয়টি মোবাইল টহল দল ও দুটি স্ট্রাইকিং রিজার্ভ দল মোতায়েন থাকবে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয় মাঠে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান এসআরবি-১৩-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মনজুর করিম।
তিনি জানান, নিরাপত্তা কার্যক্রমে ডগ স্কোয়াড, বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট, ড্রোন ও বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। পাশাপাশি পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে অপারেশনস কন্ট্রোল রুম ও নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপের সহায়তা নেওয়া হবে।
এ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৫ হাজার ৮৫৩ জন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ চলবে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য ভোটারদের নির্ভয়ে কেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে এসআরবি-১৩।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬ : দেশের বিভিন্ন সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে (টিএসসি) ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির হার অত্যন্ত কম থাকার কারণে ২৫টি প্রতিষ্ঠানে আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে দ্বিতীয় শিফটের শিক্ষা কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে গতকাল একটি আদেশ জারি করা হয়েছে, যেখানে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, বিগত ৩ বছরে সংযুক্ত তালিকাভুক্ত ২৫টি সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে দ্বিতীয় শিফটে শিক্ষার্থী ভর্তির হার সন্তোষজনক নয়, এমনকি কিছু প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সংখ্যা একেবারেই শূন্য। প্রথম শিফটেও ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির হার যথেষ্ট কম রয়েছে। এই সার্বিক বিষয়গুলো বিবেচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, আদেশে বলা হয়েছে, তালিকাভুক্ত ২৫টি প্রতিষ্ঠানে আগামী শিক্ষাবর্ষ বা সেশন থেকে দ্বিতীয় শিফটের শিক্ষা কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে। তবে ভবিষ্যতে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি বৃদ্ধি সাপেক্ষে এই শিফটগুলো পুনরায় চালুর বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
স্থগিতকৃত ২৫টি প্রতিষ্ঠানের দ্বিতীয় শিফটে কর্মরত জনবলকে যে সমস্ত প্রতিষ্ঠানে দ্বিতীয় শিফট চালু রয়েছে, সেখানে বদলি বা পদায়ন করা হবে, যাতে মানসম্মত পাঠদান নিশ্চিত করা যায়।
দ্বিতীয় শিফট স্থগিত করা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে— জয়পাড়া, টাঙ্গাইল, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, শরীয়তপুর, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, ভৈরব, বান্দরবান, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, নড়াইল, হোসেনাবাদ, ঝিনাইদহ, শেরপুর, মৌলভীবাজার, নওগাঁ, নাটোর, জয়পুরহাট এবং সিরাজগঞ্জ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আশা প্রকাশ করেছেন যে, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার অতিক্রম করবে। তিনি উল্লেখ করেছেন, সরকার বাংলাদেশকে বৈশ্বিক উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে চায়। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য তিনি জাপানি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) টোকিওর জেট্রো হলে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক ফোরাম ডায়ালগ’-এ প্রধান বক্তা হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, “আমি জাপানি কম্পানিগুলোকে পারস্পরিক সুবিধার স্বার্থে পাঁচটি মূল খাতে ভবিষ্যৎ সহযোগিতা ও ব্যবসার সুযোগ অন্বেষণ করার জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।” খাতগুলো হলো—অটোমোটিভ (যানবাহন) উৎপাদন, জ্বালানি, প্রযুক্তি ও মহাকাশ গবেষণা সহযোগিতা, রেল ও লজিস্টিকস এবং কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ ও ম্যানুফ্যাকচারিং।
তিনি জানান, বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ৩৫০টি জাপানি কম্পানি কাজ করছে। তবে, দেশে জাপানের সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ এখনো ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের নিচে রয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, গত অর্থবছরে জাপানে বাংলাদেশের রপ্তানি ছিল ১.৩৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং জাপান থেকে আমদানি হয়েছিল ২.১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তিনি জোর দেন যে, এই সম্পর্ককে কেবল উন্নয়ন সহায়তার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে এগিয়ে নেওয়া উচিত।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৮ কোটির বেশি এবং জনসংখ্যার মধ্যম বয়স ২৭ বছর। তরুণ ও প্রশিক্ষণযোগ্য কর্মশক্তি বাংলাদেশের বড় সম্পদ। প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার শিক্ষার্থী প্রকৌশলে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বের নবম বৃহত্তম ভোক্তা অর্থনীতিতে পরিণত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ক্রমবর্ধমান মধ্যবিত্ত ও সচ্ছল জনগোষ্ঠীর চাহিদা দেশের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধিকে আরো ত্বরান্বিত করবে।
তিনি আরো জানান, এ বছর বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এটি অন্য কোনো দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের এ ধরনের প্রথম চুক্তি। সম্প্রতি স্বাক্ষরিত অর্থনৈতিক সহযোগিতা কাঠামোর আওতায় বাংলাদেশের ৭ হাজার ৩৭৯টি পণ্য শুল্কমুক্ত সুবিধায় জাপানের বাজারে প্রবেশ করতে পারবে। একইভাবে, ইস্পাত, গাড়ির যন্ত্রাংশ ও ইলেকট্রনিক উপাদানসহ জাপানি পণ্য বাংলাদেশে অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা পাবে। বিনিয়োগ, সেবা ও শুল্কসংক্রান্ত প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
জাপানি কোম্পানিগুলোর উত্থাপিত কিছু উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, “নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি, দক্ষ অবকাঠামো, সহজ কাস্টমস ও কর ব্যবস্থার বিষয়ে বিনিয়োগকারীদের চাহিদার কথা সরকার গুরুত্বের সঙ্গে শুনেছে এবং এসব সমাধানে কাজ করছে।”
তিনি আশ্বাস দেন, ব্যবসায়ীদের নিশ্চিন্ততা এবং বিনিয়োগকারীদের আত্মবিশ্বাস প্রয়োজন—“আমরা সেটি পুরোপুরি বুঝি। আমাদের কাজ হলো এই দুটির উপযোগী সঠিক পরিবেশ তৈরি করে দেওয়া।”
জনগণের মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ক ও দক্ষতা উন্নয়নের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতি বছর বহু বাংলাদেশি শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার জন্য জাপানে যান। সরকার বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জাপানি ভাষা শেখানোকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে, যাতে লাখ লাখ তরুণ কারিগরি দক্ষতার পাশাপাশি জাপানি ভাষায় পারদর্শী হতে পারে। এই দক্ষ পেশাদাররা জাপান ও বাংলাদেশ উভয় দেশের কর্মসংস্থানের চাহিদা মেটাতে ভূমিকা রাখতে পারবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সুইজারল্যান্ডের প্রতি বাংলাদেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণের আহ্বান জানিয়েছেন।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো জিগফ্রিড রেঙ্গলি বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে রাষ্ট্রপতি এই আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি সুইজারল্যান্ডের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তাদের অবদানের প্রশংসা করেন। তিনি সুইস বিনিয়োগ বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন, বিশেষ করে সম্ভাবনাময় বিভিন্ন খাতে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, "বাংলাদেশ এখন আর সাহায্য নয়, বরং ব্যাপক বিনিয়োগ চায়।" তিনি বাংলাদেশের বিপুল সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে বলেন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি হলে দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং বাংলাদেশ দ্রুত উন্নতির পথে এগিয়ে যাবে।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি সুইজারল্যান্ডের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার প্রশংসা করেন। তিনি বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী করার জন্য সুইজারল্যান্ডের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন। এ ক্ষেত্রে দেশের সহযোগিতাও কামনা করেন। রাষ্ট্রদূত এ বিষয়ে তার দেশের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সংসদীয় কার্যক্রম শক্তিশালী করতে সুইজারল্যান্ডের সহযোগিতার প্রশংসা করেন।
তিনি বলেন, দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে বিনিয়োগ, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।
সাক্ষাৎকালে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, দক্ষতা উন্নয়ন, সাংস্কৃতিক বিনিময়, কারিগরি শিক্ষা এবং শিক্ষা ও গবেষণায় সহযোগিতার বিষয়েও আলোচনা হয়।
এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব, প্রেস সচিব, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক এবং সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের উপ-মিশন প্রধান দিপাক এলমার উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার দাবিতে সেনাবাহিনী মোতায়েন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রত্যাহারসহ চার দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১-দলীয় জোট। একই সঙ্গে নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য না হলে সারাদেশে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে জোটটি।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১-দলীয় জোটের সমন্বয়ক এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ।
তিনি বলেন, বর্তমানে ১১-দলীয় জোট দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কাজ করছে। এর মধ্যে রয়েছে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন এবং আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন। ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে কি না, তার ওপর নির্ভর করবে ভবিষ্যতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জোটের অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত।
হামিদুর রহমান আযাদ জানান, নির্বাচনী এলাকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে জোটের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনে সুনির্দিষ্ট অভিযোগসহ লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছিল। তবে কমিশন কিছু বিষয়ে পদক্ষেপ নিলেও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগের বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছিল জোট। কিন্তু কমিশন তাঁকে প্রত্যাহার না করে শুধু নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব থেকে বিরত রেখেছে। জোটের দাবি অনুযায়ী ব্যবস্থা না নেওয়ায় কমিশনের পদক্ষেপ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।
১১-দলীয় জোটের সমন্বয়ক আরও বলেন, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য না হলে এর দায় নির্বাচন কমিশনকে নিতে হবে। নির্বাচনের পরিবেশ ও ভোটগ্রহণের নিরপেক্ষতা পর্যবেক্ষণ করেই আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু না হলে সারাদেশে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ