বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৩:৫৯ এম
বরগুনার তালতলীতে বিশ্ব পানিতে ডোবা প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে সাঁতার ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এফএনএস (মোঃ আব্দুল মোতালিব; তালতলী, বরগুনা) দ্বারা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, যা ২২ জুলাই, ২০২৬, ০৬:০৯ পিএম-এ তুলে ধরা হয়েছে।
বিশ্ব পানিতে ডোবা প্রতিরোধ দিবসের অনুষ্ঠানে "যে কেউ পানিতে ডুবে যেতে পারি, সবাই মিলে প্রতিরোধ করি" এই স্লোগানকে সামনে রেখে বুধবার (২২ জুলাই) সকাল ১১ টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই সাঁতার প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী ৭টি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সাঁতার প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছিল। আলোচনা সভা শেষে, পানিতে ডোবা প্রতিরোধ ও সাঁতার শেখার গুরুত্ব তুলে ধরে শিক্ষার্থীদের আঁকা চিত্রপ্রদর্শনী এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে যুক্তরাজ্যের রয়্যাল ন্যাশনাল লাইফবোট ইনস্টিটিউশন (জঘখও) এবং প্রিন্সেস শার্লিন অব মোনাকো ফাউন্ডেশন-এর আর্থিক সহযোগিতায়, 'নিরাপদে ভাসা' প্রকল্পের আওতায় এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চ, বাংলাদেশ (সিআইপিআরবি)।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধানে রাখা এবং বয়স ৬ বছর হলেই দক্ষ প্রশিক্ষকের মাধ্যমে সাঁতার শেখানোর বার্তা দিতেই এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। সিআইপিআরবি-র এ ধরনের উদ্যোগ ও প্রশিক্ষণের ফলে এলাকায় পানিতে পড়ে শিশু মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাচ্ছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আল-মাসুম, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা সজিব চন্দ্র বিশ্বাস, ইন্টারন্যাশনাল ড্রাউনিং প্রিভেনশন এন্ড রিসার্চ ডিভিশন এর উপ-পরিচালক আবুল বারাকাত, তালতলী নিরাপদ ভাষা প্রকল্পের এরিয়া কো-অডিনেটর রজত জ্যোতি সেন প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হারতা বাজারে মৎস্য বিভাগের বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে প্রায় অর্ধকোটি টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ জাল জব্দ করা হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে চায়না দুয়ারি জাল, কারেন্ট জাল এবং বোডা জাল জব্দ করা হয়।
মৎস্য সংরক্ষণ ও সুরক্ষা আইন, ১৯৫০ (সংশোধিত-২০২৫) এর ধারা ৫(১) অনুযায়ী পরিচালিত অভিযানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আলী সুজার সহযোগিতা ও পরামর্শে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রসেন মজুমদার। অভিযানে অংশগ্রহণ করেন ক্ষেত্র সহকারী বিকাশ কুমার নাগ, অফিস সহকারী শৈলেন ঘরামী এবং উজিরপুর মডেল থানার এসআই মো. ফাহাদসহ পুলিশের সদস্যরা।
উপজেলা মৎস্য দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, অভিযানে মোট ১৯২টি চায়না দুয়ারি জাল, ১ লাখ ১০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল এবং ৮৯টি বোডা জাল জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত এসব নিষিদ্ধ জালের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫০ লাখ টাকা। পরবর্তীতে জব্দকৃত অবৈধ জাল পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে হারতা বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রকাশ্যে নিষিদ্ধ জালের বেচাকেনা চলছিল। এসব জাল ব্যবহার করে নদ-নদী, খাল-বিল এবং উন্মুক্ত জলাশয়ে নির্বিচারে মাছ ও মাছের পোনা আহরণ করা হচ্ছিল। ফলে দেশীয় প্রজাতির মাছের প্রজনন, জলজ জীববৈচিত্র্য এবং প্রাকৃতিক মৎস্য সম্পদ মারাত্মক হুমকির মুখে রয়েছে। অভিযান চলাকালে বাজারে মজুদ ও বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রাখা বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ জাল জব্দ করা হয়। এ সময় সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়। ভবিষ্যতে নিষিদ্ধ জাল বিক্রি, মজুদ বা ব্যবহারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রসেন মজুমদার মন্তব্য করেন, “মৎস্য সম্পদ রক্ষা এবং দেশীয় মাছের প্রজনন নিশ্চিত করতে নিষিদ্ধ জালের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অবৈধ জাল বিক্রি, মজুদ কিংবা ব্যবহারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অপরাধী যতই প্রভাবশালী বা ক্ষমতাধর হোক না কেন, কাউকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।”
উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আলী সুজা বলেন, “মৎস্য সম্পদ দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ। নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। অবৈধ জালের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের যৌথ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” উল্লেখ্য, উপজেলার বিভিন্ন নদ-নদী ও খালে নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করে মাছ শিকারের বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সাংবাদিক ও সচেতন মহল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একাধিক পোস্ট করে মৎস্য বিভাগের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তারা অবৈধ জালের বিক্রি ও ব্যবহার বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান। বিষয়টি নিয়ে জনমত সৃষ্টি হলে মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে হারতা বাজারে এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল সাংবাদিক ফোরামের দুইজন পেশাদার সাংবাদিক পদোন্নতি পাওয়ায় তাদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বরিশালের অন্যান্য সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
জানা গেছে, বরিশাল প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও বরিশাল সাংবাদিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক শাহীন হাসান বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন নাগরিক টিভিতে বরিশাল ব্যুরো প্রধান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। তিনি বরিশালের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, জনদুর্ভোগ, উন্নয়ন, রাজনীতি, সামাজিক ও মানবিক বিষয় নিয়ে নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সাথে সাংবাদিকতা করে আসছেন। দায়িত্বশীল সংবাদ সংগ্রহ এবং বস্তুনিষ্ঠ প্রতিবেদনের মাধ্যমে শাহীন হাসান বরিশালের সাংবাদিক অঙ্গনে একজন পরিচিত মুখ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
সূত্রমতে, শাহীন হাসান স্থানীয় দৈনিক পত্রিকা বরিশাল বার্তায় ২০০৬ সালে ওয়ার্ড প্রতিনিধি হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন। এরপর তিনি পর্যায়ক্রমে দৈনিক বাংলার বনে যুগ্ম বার্তা সম্পাদক, দৈনিক সত্য সংবাদে বার্তা সম্পাদক ও দৈনিক ভোরের অঙ্গীকার পত্রিকায় দীর্ঘকাল দায়িত্ব পালন করেন। তিনি জাতীয় দৈনিক আমাদের সময় এবং মানবকণ্ঠেও বরিশাল প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছেন। পরবর্তীকালে স্যাটেলাইট টেলিভিশন মাই টিভি এবং বাংলাভিশনে বরিশাল প্রতিনিধি হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি নাগরিক টেলিভিশনের বরিশাল ব্যুরো প্রধান হিসেবে দায়িত্ব লাভ করেছেন।
অন্যদিকে, সাংবাদিক সাইদুর রহমান পান্থ (সাঈদ পান্থ) আঞ্চলিক বার্তা সংস্থা বাংলাদেশ বেতার বরিশালের বরিশাল জেলা সংবাদদাতা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। তিনি দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে বরিশালে সুনামের সাথে সাংবাদিকতা করে আসছেন।
সাংবাদিক সাঈদ পান্থ বর্তমানে ‘চ্যানেল আই’র বরিশাল জেলা প্রতিনিধি, ইংরেজি দৈনিক দি ডেইলি ম্যাসেঞ্জারের ব্যুরো প্রধান এবং বরিশালের জনপ্রিয় দৈনিক আজকের বার্তা পত্রিকার সহকারী সম্পাদক হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করছেন। সাঈদ পান্থ বরিশাল সাংবাদিক ফোরামের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক হিসেবে কাজ করছেন। তিনি ২০০৮ সালের শুরুর দিকে বরিশালের স্থানীয় দৈনিক শাহনামা পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে সাংবাদিকতা শুরু করেন।
তার কর্মজীবনে তিনি দৈনিক আজকের বার্তায় স্টাফ রিপোর্টার, দৈনিক দক্ষিণাঞ্চলে সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার, দৈনিক আজকের পরিবর্তনের সিনিয়র রিপোর্টার, আঞ্চলিক অনলাইন পোর্টাল আমাদের বরিশাল ডটকম, নিউজ এজেন্সি ডিফারেন্স নিউজের জেলা প্রতিনিধি, দৈনিক সকাল বেলার ব্যুরো প্রধান, বাংলা পোস্টের ব্যুরো প্রধান এবং ২০১৩ সালে দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশের বরিশাল ব্যুরো অফিসের স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কাজ করেছেন।
এছাড়াও তিনি ২০১৭ সাল থেকে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার বরিশাল ব্যুরো অফিসের সিনিয়র রিপোর্টারের দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১১ সালে প্রাথমিক শিক্ষা প্রসারে রিপোর্টিংয়ের জন্য শিক্ষণ জার্নালিস্ট অ্যাওয়ার্ড, ২০১৫ সালে তামাক ও ধূমপান বিরোধী রিপোর্টিংয়ের জন্য ‘আবিষ্কার’ সম্মাননা পেয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে ২০১৫ সাল থেকে রিপোর্ট ৭১ ডটকম নামে একটি সরকার অনুমোদিত জাতীয় অনলাইন পোর্টালের প্রকাশকের দায়িত্ব তিনি পালন করছেন। এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও সাংবাদিক সংগঠনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন সাঈদ পান্থ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন খুলনা রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেছেন, "মাদকের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় নেই।" বুধবার (২২ জুলাই) বিকালে যশোর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এই হুঁশিয়ারি প্রদান করেন। তিনি জানান, মাদকাসক্তির বিরুদ্ধে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। শুধুমাত্র মাদক কারবারি বা ক্যারিয়ার নয়, মাদকের গডফাদারদেরও আইনের আওতায় আনা হবে এবং প্রয়োজনে তাদের আয়ের উৎস অনুসন্ধান করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কোনো পুলিশ সদস্য মাদক সংশ্লিষ্টতায় জড়িত থাকলে তাকেও ছাড় দেওয়া হবে না।
ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, "কিশোর গ্যাং সমাজের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠছে।" এই চক্রকে দ্রুত শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি আরও বলেছেন, অনলাইন জুয়ার বিস্তার রোধে প্রযুক্তিনির্ভর বিশেষ টিম গঠন করা হবে। এই দল সার্বক্ষণিক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম পর্যবেক্ষণ করবে এবং জুয়ার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেবে।
এর আগে খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি যশোর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে পৌঁছে কার্যালয় প্রাঙ্গণে একটি জলপাই গাছের চারা রোপণ করেন। যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজিবুল ইসলাম, মিরাজুল ইসলাম, সাখাওয়াত হোসেন, আহসান হাবিবসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুরে মসজিদের ভেতরে চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের সাবেক দুইবারের চেয়ারম্যান সাজু সাঈদ সিদ্দিককে (সাজু) কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। এটি ঘটে মঙ্গলবার (২২ জুলাই) রাত পৌনে ৯টার দিকে জেলার নকলা উপজেলার চন্দ্রকোনা চৌরাস্তা জামে মসজিদের ভেতরে। আহত সাজু সাঈদ সিদ্দিক চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের সাবেক দুইবারের চেয়ারম্যান।
স্থানীয়রা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়, পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। হামলার ঘটনাটি ঘটার পর সাজু সাঈদ সিদ্দিক তার ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্ট দিয়ে এ ঘটনাকে ‘কাপুরুষোচিত হামলা’ বলেই উল্লেখ করেন। তিনি দাবি করেন, এশার নামাজ আদায়ের সময়ে মসজিদের ভিতরে তার ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয়। একই সাথে মসজিদের মতো পবিত্র স্থানে হামলার ঘটনার জন্য ক্ষোভ প্রকাশ করে ঘটনার বিচার দাবি করেন। যদিও আহত সিদ্দিক এখন শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে তার স্বজনরা জানিয়েছেন। এই ঘটনার পর চন্দ্রকোনা ইউনিয়নে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে চন্দ্রকোনা পুলিশ ফাঁড়ির তদন্ত কর্মকর্তা জানান, প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মামলা বা লিখিত অভিযোগ করা হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ