বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৪:২৭ এম
কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন খুলনা রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেছেন, "মাদকের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় নেই।" বুধবার (২২ জুলাই) বিকালে যশোর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এই হুঁশিয়ারি প্রদান করেন। তিনি জানান, মাদকাসক্তির বিরুদ্ধে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। শুধুমাত্র মাদক কারবারি বা ক্যারিয়ার নয়, মাদকের গডফাদারদেরও আইনের আওতায় আনা হবে এবং প্রয়োজনে তাদের আয়ের উৎস অনুসন্ধান করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কোনো পুলিশ সদস্য মাদক সংশ্লিষ্টতায় জড়িত থাকলে তাকেও ছাড় দেওয়া হবে না।
ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, "কিশোর গ্যাং সমাজের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠছে।" এই চক্রকে দ্রুত শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি আরও বলেছেন, অনলাইন জুয়ার বিস্তার রোধে প্রযুক্তিনির্ভর বিশেষ টিম গঠন করা হবে। এই দল সার্বক্ষণিক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম পর্যবেক্ষণ করবে এবং জুয়ার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেবে।
এর আগে খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি যশোর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে পৌঁছে কার্যালয় প্রাঙ্গণে একটি জলপাই গাছের চারা রোপণ করেন। যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজিবুল ইসলাম, মিরাজুল ইসলাম, সাখাওয়াত হোসেন, আহসান হাবিবসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুরে মসজিদের ভেতরে চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের সাবেক দুইবারের চেয়ারম্যান সাজু সাঈদ সিদ্দিককে (সাজু) কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। এটি ঘটে মঙ্গলবার (২২ জুলাই) রাত পৌনে ৯টার দিকে জেলার নকলা উপজেলার চন্দ্রকোনা চৌরাস্তা জামে মসজিদের ভেতরে। আহত সাজু সাঈদ সিদ্দিক চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের সাবেক দুইবারের চেয়ারম্যান।
স্থানীয়রা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়, পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। হামলার ঘটনাটি ঘটার পর সাজু সাঈদ সিদ্দিক তার ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্ট দিয়ে এ ঘটনাকে ‘কাপুরুষোচিত হামলা’ বলেই উল্লেখ করেন। তিনি দাবি করেন, এশার নামাজ আদায়ের সময়ে মসজিদের ভিতরে তার ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয়। একই সাথে মসজিদের মতো পবিত্র স্থানে হামলার ঘটনার জন্য ক্ষোভ প্রকাশ করে ঘটনার বিচার দাবি করেন। যদিও আহত সিদ্দিক এখন শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে তার স্বজনরা জানিয়েছেন। এই ঘটনার পর চন্দ্রকোনা ইউনিয়নে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে চন্দ্রকোনা পুলিশ ফাঁড়ির তদন্ত কর্মকর্তা জানান, প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মামলা বা লিখিত অভিযোগ করা হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বন্ধ করা হয়েছে রাঙামাটি কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১৬টি জলকপাট। বুধবার রাত ১১টায় কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জলকপাট বন্ধ করে কর্ণফুলী নদীতে পানি নিষ্কাশনও বন্ধ করা হয়।
টানা ৫ দিন ধরে রাঙামাটি কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ১৬টি জলকপাটের মাধ্যমে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এই তথ্য জানিয়েছেন কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রকৌশলী মো. মাহমুদুল হাসান।
কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে সূত্রে জানা যায়, অতিবৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলের কারণে রাঙামাটি কাপ্তাই হ্রদের পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি চলে গেছে। কাপ্তাই হ্রদের পানি নিয়ন্ত্রণ এবং জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বাধের ভারসাম্য রক্ষা করতে কর্ণফুলী নদীতে পানি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
গত শনিবার বেলা ১১টায় রাঙামাটি কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ১৬টি জলকপাট ৬ ইঞ্চি করে খুলে দেওয়া হয়। এরপর টানা ৫ দিন ৯০০০ কিউসেক পানি চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীতে ছেড়ে দেওয়া হয়। একই সাথে কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৫টি ইউনিটে পুরোদমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রকৌশলী মো. মাহমুদুল হাসান জানিয়েছেন, রাঙামাটি কাপ্তাই হ্রদে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের রুলকার্ভ অনুযায়ী বর্তমানে পানির স্তর ১০৩.৩১ ফুট বা এমএসএল। এটি স্বাভাবিক বলা চলে। তবে যদি ১০৯.০০ ফুট বা এমএসএল হয়, তাহলে বিপৎসীমা অতিক্রম করবে হ্রদের পানি। তাই হ্রদের পানির স্তর স্বাভাবিক রাখতে প্রতিবছর কিছু পানি কর্ণফুলী নদীতে ছেড়ে দেওয়া হয়। তিনি আরও বলেন, পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিট চালু থাকায় প্রতি সেকেন্ডে ৩২ হাজার কিউসেক পানি এমনিতে নিষ্কাশিত হচ্ছে। আর বিদ্যুৎ উৎপাদিত ২২২ মেগাওয়াট। এ বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরাসরি যুক্ত হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালে একটি মসজিদের ইমাম প্রবাসীর স্ত্রী এক সন্তানের জননীকে নিয়ে অজানার উদ্দেশ্যে পালিয়েছে বলেই অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি বরিশালের উজিরপুর উপজেলার শোলক ইউনিয়নের দামুদরকাঠি গ্রামে ঘটেছে। বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, ওই গ্রামের কাশেম ফকিরের ছেলে বেলাল ফকির অনেকদিন ধরে কচুয়া পল্লী বিদ্যুৎ সংলগ্ন একটি মসজিদে ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিল। ১৭ জুলাই, জুমার নামাজ শেষে তিনি মসজিদ কমিটির কাছ থেকে সাত দিনের জন্য ছুটি নিয়েছিলেন। কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও তিনি কর্মস্থলে ফিরে আসেননি। পরে স্থানীয়রা খোঁজ করে জানতে পারেন, একই দিন পাশের বাড়ির প্রবাসী মো. হাসানের স্ত্রী সাম্মি আক্তার (২২) তার পাঁচ বছর বয়সের কন্যা সন্তানকে নিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন যে, বেলাল ফকির ও সাম্মির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়ার সম্পর্ক চলে আসছিল। সেই সম্পর্কের সূত্র ধরে তারা একসাথে অজানার উদ্দেশ্যে পালিয়েছেন। মসজিদের অনেক মুসল্লী জানিয়েছেন, জুমার নামাজ শেষে ছুটির কথা বলে ইমাম চলে যায়। পরে তারা জেনে যায় যে, তিনি পাশের বাড়ির এক প্রবাসীর স্ত্রীকে সাথে নিয়ে চলে গেছেন। অপরদিকে, প্রবাসীর পরিবারের পক্ষ থেকে এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পানি উন্নয়ন বোর্ড কলাপাড়ার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহআলম জানান, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করেছেন। তিনি বলেন, আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে দেবে যাওয়া এবং স্থানচ্যুত হওয়ার ব্লক এলাকার অন্তত ৩৫০ মিটার অঞ্চলে জিও টিউব স্থাপন করা হবে। এর ফলে ঢেউয়ের ঝাপটা থেকে ব্লকগুলো রক্ষা করা সম্ভব হবে। জরুরিভাবে প্রটেকশনের এমন উদ্যোগের কথা উল্লিখিত করেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ