বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৪:৩২ এম
শেরপুরে মসজিদের ভেতরে চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের সাবেক দুইবারের চেয়ারম্যান সাজু সাঈদ সিদ্দিককে (সাজু) কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। এটি ঘটে মঙ্গলবার (২২ জুলাই) রাত পৌনে ৯টার দিকে জেলার নকলা উপজেলার চন্দ্রকোনা চৌরাস্তা জামে মসজিদের ভেতরে। আহত সাজু সাঈদ সিদ্দিক চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের সাবেক দুইবারের চেয়ারম্যান।
স্থানীয়রা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়, পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। হামলার ঘটনাটি ঘটার পর সাজু সাঈদ সিদ্দিক তার ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্ট দিয়ে এ ঘটনাকে ‘কাপুরুষোচিত হামলা’ বলেই উল্লেখ করেন। তিনি দাবি করেন, এশার নামাজ আদায়ের সময়ে মসজিদের ভিতরে তার ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয়। একই সাথে মসজিদের মতো পবিত্র স্থানে হামলার ঘটনার জন্য ক্ষোভ প্রকাশ করে ঘটনার বিচার দাবি করেন। যদিও আহত সিদ্দিক এখন শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে তার স্বজনরা জানিয়েছেন। এই ঘটনার পর চন্দ্রকোনা ইউনিয়নে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে চন্দ্রকোনা পুলিশ ফাঁড়ির তদন্ত কর্মকর্তা জানান, প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মামলা বা লিখিত অভিযোগ করা হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বন্ধ করা হয়েছে রাঙামাটি কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১৬টি জলকপাট। বুধবার রাত ১১টায় কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জলকপাট বন্ধ করে কর্ণফুলী নদীতে পানি নিষ্কাশনও বন্ধ করা হয়।
টানা ৫ দিন ধরে রাঙামাটি কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ১৬টি জলকপাটের মাধ্যমে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এই তথ্য জানিয়েছেন কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রকৌশলী মো. মাহমুদুল হাসান।
কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে সূত্রে জানা যায়, অতিবৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলের কারণে রাঙামাটি কাপ্তাই হ্রদের পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি চলে গেছে। কাপ্তাই হ্রদের পানি নিয়ন্ত্রণ এবং জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বাধের ভারসাম্য রক্ষা করতে কর্ণফুলী নদীতে পানি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
গত শনিবার বেলা ১১টায় রাঙামাটি কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ১৬টি জলকপাট ৬ ইঞ্চি করে খুলে দেওয়া হয়। এরপর টানা ৫ দিন ৯০০০ কিউসেক পানি চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীতে ছেড়ে দেওয়া হয়। একই সাথে কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৫টি ইউনিটে পুরোদমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রকৌশলী মো. মাহমুদুল হাসান জানিয়েছেন, রাঙামাটি কাপ্তাই হ্রদে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের রুলকার্ভ অনুযায়ী বর্তমানে পানির স্তর ১০৩.৩১ ফুট বা এমএসএল। এটি স্বাভাবিক বলা চলে। তবে যদি ১০৯.০০ ফুট বা এমএসএল হয়, তাহলে বিপৎসীমা অতিক্রম করবে হ্রদের পানি। তাই হ্রদের পানির স্তর স্বাভাবিক রাখতে প্রতিবছর কিছু পানি কর্ণফুলী নদীতে ছেড়ে দেওয়া হয়। তিনি আরও বলেন, পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিট চালু থাকায় প্রতি সেকেন্ডে ৩২ হাজার কিউসেক পানি এমনিতে নিষ্কাশিত হচ্ছে। আর বিদ্যুৎ উৎপাদিত ২২২ মেগাওয়াট। এ বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরাসরি যুক্ত হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালে একটি মসজিদের ইমাম প্রবাসীর স্ত্রী এক সন্তানের জননীকে নিয়ে অজানার উদ্দেশ্যে পালিয়েছে বলেই অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি বরিশালের উজিরপুর উপজেলার শোলক ইউনিয়নের দামুদরকাঠি গ্রামে ঘটেছে। বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, ওই গ্রামের কাশেম ফকিরের ছেলে বেলাল ফকির অনেকদিন ধরে কচুয়া পল্লী বিদ্যুৎ সংলগ্ন একটি মসজিদে ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিল। ১৭ জুলাই, জুমার নামাজ শেষে তিনি মসজিদ কমিটির কাছ থেকে সাত দিনের জন্য ছুটি নিয়েছিলেন। কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও তিনি কর্মস্থলে ফিরে আসেননি। পরে স্থানীয়রা খোঁজ করে জানতে পারেন, একই দিন পাশের বাড়ির প্রবাসী মো. হাসানের স্ত্রী সাম্মি আক্তার (২২) তার পাঁচ বছর বয়সের কন্যা সন্তানকে নিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন যে, বেলাল ফকির ও সাম্মির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়ার সম্পর্ক চলে আসছিল। সেই সম্পর্কের সূত্র ধরে তারা একসাথে অজানার উদ্দেশ্যে পালিয়েছেন। মসজিদের অনেক মুসল্লী জানিয়েছেন, জুমার নামাজ শেষে ছুটির কথা বলে ইমাম চলে যায়। পরে তারা জেনে যায় যে, তিনি পাশের বাড়ির এক প্রবাসীর স্ত্রীকে সাথে নিয়ে চলে গেছেন। অপরদিকে, প্রবাসীর পরিবারের পক্ষ থেকে এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পানি উন্নয়ন বোর্ড কলাপাড়ার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহআলম জানান, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করেছেন। তিনি বলেন, আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে দেবে যাওয়া এবং স্থানচ্যুত হওয়ার ব্লক এলাকার অন্তত ৩৫০ মিটার অঞ্চলে জিও টিউব স্থাপন করা হবে। এর ফলে ঢেউয়ের ঝাপটা থেকে ব্লকগুলো রক্ষা করা সম্ভব হবে। জরুরিভাবে প্রটেকশনের এমন উদ্যোগের কথা উল্লিখিত করেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনের সংসদ সদস্য এস. এম. ফয়সল বলেন, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সচল রাখতে বর্তমান সরকার মাদক, চুরি, ছিনতাই ও অন্যান্য সব ধরনের অপরাধ দমনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। অপরাধমুক্ত, নিরাপদ এবং শান্তिमয় সমাজ গঠনে সরকার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার নির্দেশনা প্রদান করেছে।
মাদক একটি চরম ধ্বংসাত্মক ব্যাধি। তরুণ সমাজকে মাদকের ছোবল থেকে রক্ষা করতে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে, চুরি, ছিনতাই এবং অন্যান্য অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট বাহিনী নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, জনগণের জানমাল রক্ষা এবং নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিতকরণ সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় কোনো ধরনের অপরাধী বা সন্ত্রাসীকে ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি সমাজে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন এবং সন্দেহজনক কোনো কর্মকাণ্ড সম্পর্কে দ্রুত প্রশাসনকে অবহিত করার আহ্বান জানান।
তিনি মঙ্গলবার সকালে মাধবপুর আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে এসব কথা বলেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা মোঃ মেহেদি হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ মোঃ শাহজাহান, থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোহেল রানা, সহকারি কমিশনার ভূমি মোঃ আনিছুল ইসলাম, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকতা ডাঃ ইমরুল হাসান, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার ইদ্রিস আলী দুলা মিয়া, উপজেলা বিএনপির সভাপতি শামসুল ইসলাম কামাল, সাধারণ সম্পাদক হামিদুর রহমান হামদু, সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন আল রনি, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ, ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান সোহাগ, মিনহাজ উদ্দিন চৌধুরী কাসেদ, মীর খুরশেদ আলম, পারভেজ হোসেন, সৈয়দ আতাউল মোস্তফা সোহেল, ৫৫ বিজিবির পক্ষ থেকে নায়েক সুবেদার মকবুল, ২৫ বিজিবির পক্ষ থেকে নায়েক সুবেদার সিরাজ, আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সদস্য সাবেক চেয়ারম্যান সামসুল ইসলাম মামুন, দুর্নীতি দমন কমিটির সভাপতি সাইফুল হক মির্জা, সাবেক কাউন্সিলর ইশরাত জাহান, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ, প্রেসক্লাবের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমদ, সহকারি অধ্যাপক মঈনউদ্দিন, মাওলানা নূরুজ্জামান, স্বপন রায় প্রমুখ। সভায় বক্তারা বলেন, মাধবপুরে শান্তি এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখতে, প্রশাসন ও জনসাধারণের সমন্বিত উদ্যোগকে আরও জোরদার করতে হবে। মাদক, চুরি, ডাকাতি, কিশোর গ্যাং এবং অন্যান্য অপরাধ প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ