ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চট্টগ্রাম বন্দরের আরটিজি ক্রেনে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে


চট্টগ্রাম বন্দরের আরটিজি ক্রেনে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালে (এনসিটি) পণ্য খালাসের কাজে ব্যবহৃত একটি আরটিজি (রাবার টায়ার্ড গ্যান্ট্রি) ক্রেনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা সৃষ্টি হয়েছে। পরে বন্দর কর্তৃপক্ষ, ফায়ার সার্ভিস এবং নৌবাহিনীর যৌথ ও তাৎক্ষণিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে আগুন সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।

আজ সোমবার (২২ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে এনসিটির ৪ নম্বর বার্থ এলাকায় ‘আরটিজি-৪০১৪’ নম্বর ক্রেনটিতে হঠাৎ করে আগুনের সূত্রপাত ঘটে।

ফায়ার সার্ভিসের চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়ের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জানানো হয়, দুপুর ২টা ৫৫ মিনিটে টার্মিনালের ভেতরে আগুন লেগেছে বলে খবর পান তারা। সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের একটি চটজলদি ইউনিট ঘটনাস্থলে দ্রুত ছুটে যায় এবং আগুন নেভানোর কাজে হাত দেয়।

আরও পড়ুন: নড়াইলে ঊষার আলো সূর্যসংঘের সম্মেলন ও কমিটি গঠন অনুষ্ঠিত

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. নাসির উদ্দিন জানান, দুপুরের দিকে এনসিটির দক্ষিণ প্রান্তের ৪ নম্বর বার্থে অবস্থানরত একটি আরটিজি ক্রেনে আকস্মিকভাবে আগুন জ্বলে ওঠে। ঘটনাটি জানার সঙ্গে সঙ্গে বন্দরের নিজস্ব ফায়ার ফাইটিং দল দ্রুত সেখানে গিয়ে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে।

তিনি জানান, আগুনের তীব্রতা বিবেচনায় পরবর্তীতে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস এবং সিভিল ডিফেন্স, পাশাপাশি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ফায়ার সার্ভিসের বিশেষ দলও উদ্ধারকাজে অংশ নেয়। এই তিন বাহিনীর সমন্বিত ও অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে অল্প সময়ের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।

বন্দর সচিব আশ্বস্ত করে জানান, আগুনের কারণে কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অগ্নিকাণ্ডের ধাক্কা সামলে বর্তমানে বন্দরের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে এবং কনটেইনার হ্যান্ডলিং কার্যক্রম যথাসাধ্যভাবে চলছে।

আরও পড়ুন: রাঙামাটিতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে যানবাহন মেরামতের প্রশিক্ষণ, সনদ পেলেন ১৭ যুবক

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্মার্টফোন থেকে বিমানে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ২১১ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৪৩ পি.এম


স্মার্টফোন থেকে বিমানে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ২১১ জন

ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে উড্ডয়নের প্রস্তুতির সময় এক যাত্রীর স্মার্টফোনে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। এটি ঘটে যখন ফ্লাইটটি জাপানের রাজধানী টোকিও থেকে লন্ডনের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। এই ঘটনার পর যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মূলত, উড্ডয়নের মুহূর্তে কেবিনে ধোঁয়া দেখা গেলে বিমানটি রানওয়ের দিকে যাত্রা থামিয়ে আবার পার্কিং স্ট্যান্ডে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। পরে ক্রুরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি সূত্রে জানা যায়, ঘটনা ঘটে ১৮ জুন হানেদা বিমানবন্দরের উড্ডয়নের প্রস্তুতির সময়ে। পিপল ম্যাগাজিনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিমানটি স্থানীয় সময় দুপুর ১টার কিছু পরে রানওয়ের দিকে এগিয়ে যেতে শুরু করলে কেবিনের ভেতর থেকে ধোঁয়া দেখা যায়। জাপানের পরিবহন মন্ত্রণালয় ও টোকিও ফায়ার ডিপার্টমেন্টের তথ্য অনুযায়ী, ধোঁয়ার উৎস ছিল এক যাত্রীর লাগেজে থাকা একটি স্মার্টফোন। ফোনটিতে আগুন ধরে গেলে কেবিনটি ধোঁয়ায় পূর্ণ হয়ে যায়। জাপান টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কেবিনে ধোঁয়া দেখতে পেয়ে এক ক্রু সদস্য কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানান। এরপর কেবিন ক্রুরা দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছে এবং বিমানে থাকা অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ব্যবহার করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ফলে পরিস্থিতি বড় ধরনের বিপর্যয়ে রূপ নেয়নি। ঘটনার পর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে বিমানটিকে পার্কিং স্ট্যান্ডে ফিরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেয় বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ। পরে দমকলকর্মী ও জরুরি সেবা বিভাগের সদস্যরা বিমানে গিয়ে কেবিন পরীক্ষা করেন। এরপর পরিস্থিতিকে নিরাপদ ঘোষণা করা হয়। জাপানি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়, ওই ফ্লাইটে যাত্রী ও ক্রুসহ মোট ২১১ জন ছিলেন এবং এই ঘটনায় কেউ আহত হননি। নিরাপত্তা পরীক্ষা শেষে বিমানটিকে উড্ডয়নের অনুমতি দেয়া হয় এবং প্রায় এক ঘণ্টা বিলম্বে ফ্লাইটটি লন্ডনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। এদিকে, পিপল ম্যাগাজিনকে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ একটি বিবৃতিতে জানায়, ‘আমাদের যাত্রী ও ক্রুদের নিরাপত্তা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। ফ্লাইটটি নিরাপদভাবে পরিচালিত হয়েছে এবং যাত্রীরা স্বাভাবিকভাবে বিমানে ত্যাগ করেছেন।’ প্রতিবেদনে বলা হয়, একই সপ্তাহে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের আরেক ফ্লাইটে মোবাইল ফোনে আগুন লাগার এটি দ্বিতীয় ঘটনা। এর কিছুকাল আগে লন্ডন থেকে লাস ভেগাসগামী ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে আকাশে উড্ডয়নের সময় একটি মোবাইল ফোনে আগুন লেগে যায়। এতে কেবিনের ভেতরের অংশ পুড়ে যায় এবং অবতরণের পূর্বে ক্রুরা সহায়তা চাইতে বাধ্য হন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সংসদকে কার্যকর করতে স্পিকারের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৪৩ পি.এম


সংসদকে কার্যকর করতে স্পিকারের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত

সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেংলি বলেছেন, জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, এমপি’র ভূমিকার প্রশংসা করে। তিনি উল্লেখ করেন যে, গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত বর্তমান নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার ও শক্তিশালী বিরোধী দলের আস্থা অর্জনের মাধ্যমে তিনি সংসদকে একটি কার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

আজ সোমবার জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এই কথা বলেন।

সাক্ষাৎকালে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী এই সংসদ গণঅভ্যুত্থানের আকাক্সক্ষা ধারণ করে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই সংসদ গণমানুষের আস্থা অর্জনের মাধ্যমে তার মেয়াদ পূর্ণ করবে।

সংসদ সদস্যদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইউরোপীয় দেশ হিসেবে সুইজারল্যান্ডের সহযোগিতার জন্য তিনি ধন্যবাদ জানান। স্পিকার আশা করেন যে, এটি বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে। তিনি বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ডের মধ্যে আন্তঃসংসদীয় টিম গঠন করে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের প্রস্তাবও দিয়েছেন।

স্পিকার বলেন, বাংলাদেশে উন্নয়ন সহযোগিতা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি আইপিইউ’র (ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন) মাধ্যমে দুই দেশের সংসদীয় কার্যক্রম আরও জোরদার করা সম্ভব। তিনি উল্লেখ করেন যে, সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মাধ্যমে জনগণের পারস্পরিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করা যেতে পারে। এই লক্ষ্যে তিনি সুইজারল্যান্ড সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।

রাষ্ট্রদূত রেটো রেংলি বলেন, বাংলাদেশে মানবিক সহায়তা, শিক্ষা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, জলবায়ু সহনশীলতা এবং বেসরকারি উন্নয়ন কার্যক্রমে সুইজারল্যান্ডের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সংসদীয় অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ড উভয় দেশই উপকৃত হতে পারে।

সাক্ষাৎকালে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এক গ্রামে ৪ শতাধিক ‘ঘরজামাই’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৪৪ পি.এম


এক গ্রামে ৪ শতাধিক ‘ঘরজামাই’

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের গড়মাটি গ্রামে ৪ শতাধিক জামাই স্ত্রী-সন্তানের সঙ্গে বাস করছেন। অনেকেই এই গ্রামকে মজা করে ‘জামাইদের গ্রাম’ বলে সম্বোধন করেন। গত প্রায় ৫০ বছর ধরে এখানে জামাইদের বসবাসের এই রীতি প্রচলিত হয়ে আছে।

স্থানীয়দের মতে, ওই গ্রামে নারীর সংখ্যা পুরুষের চেয়ে বেশি। এছাড়া জামাই আদোর ও অন্যান্য কারণের জন্য এখানে ব্যতিক্রমী রীতির প্রচলন ঘটে।

তথ্য অনুসারে, গোপালপুর ইউনিয়নে মোট ১৩টি গ্রাম  বিদ্যমান। এর মধ্যে ৫টি গ্রামে পুরুষের সংখ্যা বেশি, কিন্তু বাকি ৮টি গ্রামে নারীর সংখ্যা বেশি, যার মধ্যে গড়মাটি গ্রাম অন্যতম। গড়মাটি গ্রামের মোট জনসংখ্যা ৬ হাজার ৭৫৬, যার মধ্যে পুরুষ ৩ হাজার ১২০ এবং নারী ৩ হাজার ৬৩৬ জন।

গড়মাটি গ্রামের অনেক পরিবারে প্রথম সন্তান মেয়ে। বাবামায়ের সঙ্গে মেয়েদের সম্পর্ক স্বাভাবিকভাবেই বেশি উন্নত। এর ফলে মেয়েরাই বাবা-মায়ের প্রতি বেশি মনোযোগ পায়। অনেক পরিবারের ছেলেরা বিয়ের পর আলাদা সংসার গড়ে বাবা-মায়ের প্রতি তেমন দায়িত্ব নেন না, তাই মেয়েদেরকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।

স্থানীয় ইউপি সদস্য নূরজাহান খাতুন জানান, অনেক মেয়ের স্বামী বিদেশে থাকেন, ফলে তারা শ্বশুরবাড়ির জায়গায় বাবার বাড়িতে থাকতে পছন্দ করেন। স্বামীরা দেশে ফিরে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে মেয়ের বাবা-মায়ের জমিতে ঘরবাড়ি নির্মাণ করেন এবং সেখানে বসবাস করেন। আবার কিছু মেয়ে শাশুড়ির নির্যাতন সইতে না পেরে স্বামীসহ বাবার দেওয়া জমিতে ঘর বানিয়ে সংসার করছেন। পাশাপাশি ওই গ্রামে পেঁয়াজ-রসুনসহ বিভিন্ন লাভজনক কৃষিপণ্য উৎপাদন হওয়ায় কৃষিজীবী পরিবারগুলো সেখানে বসবাসে আগ্রহী।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জামাই জানালেন, গড়মাটিতে তার মতো ৪ শতাধিক জামাই বসবাস করছেন, কিন্তু ঘরজামাই সংখ্যা খুবই কম। অধিকাংশেই নিজস্ব বাড়িতে বসবাস করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কে পাবেন বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুট, জানালেন কাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৪৫ পি.এম


কে পাবেন বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুট, জানালেন কাকা

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। এই অবস্থায় গোল প্রতিযোগিতার লড়াই এখন জমে উঠেছে। একটির পর একটি ম্যাচে গোল, হ্যাটট্রিক এবং জোড়া গোলে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসছেন বিভিন্ন তারকারা। ৪৮ দলের এই আসরে শেষ পর্যন্ত সর্বোচ্চ গোলদাতা কার হাতে উঠবে ‘গোল্ডেন বুট’, তা নিয়ে চলছে নানা বিশ্লেষণ এবং জল্পনা।

এখন ওই আলোচনায় নিজের মতামত জানিয়েছেন ব্রাজিলের কিংবদন্তি কাকা। তার মতে, চলতি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতার দৌড়ে সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা রয়েছে ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং ব্রাজিলের ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের।

ইএসপিএন ইউকে-কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে কাকা বলেন, গোল্ডেন বুট জয়ের সম্ভাব্য দুই প্রধান দাবিদার হিসেবে তিনি এমবাপ্পে ও ভিনিসিয়ুসকে দেখতে পাচ্ছেন। তিনি সংক্ষেপে বলেন, ‘অবশ্যই এমবাপ্পে, আর তারপর ভিনিসিয়ুস।’

বিশ্ব ফুটবলে এই দুই ফরোয়ার্ডই বর্তমানে আক্রমণভাগের মধ্যে ভয়ংকর অস্ত্রদের অন্যতম। তাদের গতি, ড্রিবলিং এবং গোল করার সক্ষমতা প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে বারবার বিপদে ফেলছে।

এদিকে, চলতি আসরে ইতোমধ্যে গোলের ঝলক দেখা গেছে আরও কয়েক তারকার পারফরম্যান্সে। আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি দারুণ এক হ্যাটট্রিক করেছেন, ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইন এবং ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে করেছেন জোড়া গোল। অন্যদিকে, নিয়মিত গোল করে নজর কাড়ছেন নরওয়ের আর্লিং হালান্ড।

তবে কাকার দৃষ্টিতে এগিয়ে থাকা এমবাপ্পে বিশ্বকাপ মঞ্চে বরাবরই তার আলাদা ছাপ ফেলার সক্ষমতা রাখেন। বড় টুর্নামেন্টে তার ধারাবাহিক গোল করার ক্ষমতা এবং গতিময় আক্রমণ তাকে প্রতিপক্ষের জন্য ভয়ের কারণ বানিয়েছে।

অন্যদিকে, ভিনিসিয়ুসও এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি পরিণত। তার গতি ও ড্রিবলিংয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সিদ্ধান্ত নেয়ার দক্ষতা এবং ফিনিশিংয়ের ধার। ফলে, ব্রাজিলের আক্রমণভাগে তিনি হয়ে উঠেছেন গুরুত্বপূর্ণ ভরসা।

বিশ্বকাপ যত সামনে এগোবে, গোল্ডেন বুটের লড়াইও ততই তীব্র হবে, এমনটাই ধারণা ফুটবল বিশ্লেষকদের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%