ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সংসদকে কার্যকর করতে স্পিকারের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত


সংসদকে কার্যকর করতে স্পিকারের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত

সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেংলি বলেছেন, জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, এমপি’র ভূমিকার প্রশংসা করে। তিনি উল্লেখ করেন যে, গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত বর্তমান নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার ও শক্তিশালী বিরোধী দলের আস্থা অর্জনের মাধ্যমে তিনি সংসদকে একটি কার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

আজ সোমবার জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এই কথা বলেন।

সাক্ষাৎকালে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী এই সংসদ গণঅভ্যুত্থানের আকাক্সক্ষা ধারণ করে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই সংসদ গণমানুষের আস্থা অর্জনের মাধ্যমে তার মেয়াদ পূর্ণ করবে।

আরও পড়ুন: এবার বিআরটি ভাঙতে ব্যয় হবে ৪৫ কোটি টাকা

সংসদ সদস্যদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইউরোপীয় দেশ হিসেবে সুইজারল্যান্ডের সহযোগিতার জন্য তিনি ধন্যবাদ জানান। স্পিকার আশা করেন যে, এটি বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে। তিনি বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ডের মধ্যে আন্তঃসংসদীয় টিম গঠন করে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের প্রস্তাবও দিয়েছেন।

স্পিকার বলেন, বাংলাদেশে উন্নয়ন সহযোগিতা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি আইপিইউ’র (ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন) মাধ্যমে দুই দেশের সংসদীয় কার্যক্রম আরও জোরদার করা সম্ভব। তিনি উল্লেখ করেন যে, সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মাধ্যমে জনগণের পারস্পরিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করা যেতে পারে। এই লক্ষ্যে তিনি সুইজারল্যান্ড সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।

রাষ্ট্রদূত রেটো রেংলি বলেন, বাংলাদেশে মানবিক সহায়তা, শিক্ষা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, জলবায়ু সহনশীলতা এবং বেসরকারি উন্নয়ন কার্যক্রমে সুইজারল্যান্ডের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সংসদীয় অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ড উভয় দেশই উপকৃত হতে পারে।

সাক্ষাৎকালে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

আরও পড়ুন: স্পিকার: আওয়ামী লীগের নেতারা মদ খায়, কর্মীরাও খায়, সব বাটপারের কারখানা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এক গ্রামে ৪ শতাধিক ‘ঘরজামাই’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৪৪ পি.এম


এক গ্রামে ৪ শতাধিক ‘ঘরজামাই’

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের গড়মাটি গ্রামে ৪ শতাধিক জামাই স্ত্রী-সন্তানের সঙ্গে বাস করছেন। অনেকেই এই গ্রামকে মজা করে ‘জামাইদের গ্রাম’ বলে সম্বোধন করেন। গত প্রায় ৫০ বছর ধরে এখানে জামাইদের বসবাসের এই রীতি প্রচলিত হয়ে আছে।

স্থানীয়দের মতে, ওই গ্রামে নারীর সংখ্যা পুরুষের চেয়ে বেশি। এছাড়া জামাই আদোর ও অন্যান্য কারণের জন্য এখানে ব্যতিক্রমী রীতির প্রচলন ঘটে।

তথ্য অনুসারে, গোপালপুর ইউনিয়নে মোট ১৩টি গ্রাম  বিদ্যমান। এর মধ্যে ৫টি গ্রামে পুরুষের সংখ্যা বেশি, কিন্তু বাকি ৮টি গ্রামে নারীর সংখ্যা বেশি, যার মধ্যে গড়মাটি গ্রাম অন্যতম। গড়মাটি গ্রামের মোট জনসংখ্যা ৬ হাজার ৭৫৬, যার মধ্যে পুরুষ ৩ হাজার ১২০ এবং নারী ৩ হাজার ৬৩৬ জন।

গড়মাটি গ্রামের অনেক পরিবারে প্রথম সন্তান মেয়ে। বাবামায়ের সঙ্গে মেয়েদের সম্পর্ক স্বাভাবিকভাবেই বেশি উন্নত। এর ফলে মেয়েরাই বাবা-মায়ের প্রতি বেশি মনোযোগ পায়। অনেক পরিবারের ছেলেরা বিয়ের পর আলাদা সংসার গড়ে বাবা-মায়ের প্রতি তেমন দায়িত্ব নেন না, তাই মেয়েদেরকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।

স্থানীয় ইউপি সদস্য নূরজাহান খাতুন জানান, অনেক মেয়ের স্বামী বিদেশে থাকেন, ফলে তারা শ্বশুরবাড়ির জায়গায় বাবার বাড়িতে থাকতে পছন্দ করেন। স্বামীরা দেশে ফিরে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে মেয়ের বাবা-মায়ের জমিতে ঘরবাড়ি নির্মাণ করেন এবং সেখানে বসবাস করেন। আবার কিছু মেয়ে শাশুড়ির নির্যাতন সইতে না পেরে স্বামীসহ বাবার দেওয়া জমিতে ঘর বানিয়ে সংসার করছেন। পাশাপাশি ওই গ্রামে পেঁয়াজ-রসুনসহ বিভিন্ন লাভজনক কৃষিপণ্য উৎপাদন হওয়ায় কৃষিজীবী পরিবারগুলো সেখানে বসবাসে আগ্রহী।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জামাই জানালেন, গড়মাটিতে তার মতো ৪ শতাধিক জামাই বসবাস করছেন, কিন্তু ঘরজামাই সংখ্যা খুবই কম। অধিকাংশেই নিজস্ব বাড়িতে বসবাস করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কে পাবেন বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুট, জানালেন কাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৪৫ পি.এম


কে পাবেন বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুট, জানালেন কাকা

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। এই অবস্থায় গোল প্রতিযোগিতার লড়াই এখন জমে উঠেছে। একটির পর একটি ম্যাচে গোল, হ্যাটট্রিক এবং জোড়া গোলে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসছেন বিভিন্ন তারকারা। ৪৮ দলের এই আসরে শেষ পর্যন্ত সর্বোচ্চ গোলদাতা কার হাতে উঠবে ‘গোল্ডেন বুট’, তা নিয়ে চলছে নানা বিশ্লেষণ এবং জল্পনা।

এখন ওই আলোচনায় নিজের মতামত জানিয়েছেন ব্রাজিলের কিংবদন্তি কাকা। তার মতে, চলতি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতার দৌড়ে সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা রয়েছে ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং ব্রাজিলের ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের।

ইএসপিএন ইউকে-কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে কাকা বলেন, গোল্ডেন বুট জয়ের সম্ভাব্য দুই প্রধান দাবিদার হিসেবে তিনি এমবাপ্পে ও ভিনিসিয়ুসকে দেখতে পাচ্ছেন। তিনি সংক্ষেপে বলেন, ‘অবশ্যই এমবাপ্পে, আর তারপর ভিনিসিয়ুস।’

বিশ্ব ফুটবলে এই দুই ফরোয়ার্ডই বর্তমানে আক্রমণভাগের মধ্যে ভয়ংকর অস্ত্রদের অন্যতম। তাদের গতি, ড্রিবলিং এবং গোল করার সক্ষমতা প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে বারবার বিপদে ফেলছে।

এদিকে, চলতি আসরে ইতোমধ্যে গোলের ঝলক দেখা গেছে আরও কয়েক তারকার পারফরম্যান্সে। আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি দারুণ এক হ্যাটট্রিক করেছেন, ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইন এবং ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে করেছেন জোড়া গোল। অন্যদিকে, নিয়মিত গোল করে নজর কাড়ছেন নরওয়ের আর্লিং হালান্ড।

তবে কাকার দৃষ্টিতে এগিয়ে থাকা এমবাপ্পে বিশ্বকাপ মঞ্চে বরাবরই তার আলাদা ছাপ ফেলার সক্ষমতা রাখেন। বড় টুর্নামেন্টে তার ধারাবাহিক গোল করার ক্ষমতা এবং গতিময় আক্রমণ তাকে প্রতিপক্ষের জন্য ভয়ের কারণ বানিয়েছে।

অন্যদিকে, ভিনিসিয়ুসও এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি পরিণত। তার গতি ও ড্রিবলিংয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সিদ্ধান্ত নেয়ার দক্ষতা এবং ফিনিশিংয়ের ধার। ফলে, ব্রাজিলের আক্রমণভাগে তিনি হয়ে উঠেছেন গুরুত্বপূর্ণ ভরসা।

বিশ্বকাপ যত সামনে এগোবে, গোল্ডেন বুটের লড়াইও ততই তীব্র হবে, এমনটাই ধারণা ফুটবল বিশ্লেষকদের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০২৭ সালে হজ নিবন্ধন করতে পারবে না যেসব এজেন্সি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৪৬ পি.এম


২০২৭ সালে হজ নিবন্ধন করতে পারবে না যেসব এজেন্সি

সুষ্ঠু হজ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে টানা তিন বছর ৪০ জনের কম হজযাত্রী নিবন্ধনকারী হজ এজেন্সিগুলোকে ২০২৭ সালের হজ কার্যক্রম থেকে এক বছরের জন্য বিরত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে, ২০২৬ সালে যদি কোনো এজেন্সি একজনও হজযাত্রী নিবন্ধন করতে না পারে, তাহলে সেগুলো আগামী বছরের হজ কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবে না।

সম্প্রতি ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় দুটি পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, হজ ২০২৬ মৌসুমে হজ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য মোট ৭৫৮টি হজ এজেন্সিকে যোগ্য তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল। ওই তালিকার শর্ত অনুযায়ী, কোনো এজেন্সি যদি যৌক্তিক কারণে হজযাত্রী নিবন্ধন না করে, তবে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা উল্লেখ ছিল।

এছাড়া, প্রত্যেকটি এজেন্সিকে অন্তত একজন হজ গাইডের সমসংখ্যক, অর্থাৎ ন্যূনতম ৪৬ জন হজযাত্রী নিবন্ধনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। হজ প্যাকেজ ও গাইডলাইন-২০২৬ অনুযায়ী, একটি এজেন্সিকে কমপক্ষে ৪৬ জন হজযাত্রী নিবন্ধন করতে হবে। যদি এই সংখ্যা পূরণ হয়, তাহলে অন্য এজেন্সির সঙ্গে সমন্বয় করা যাবে। অন্যথায়, নিবন্ধিত হজযাত্রীদের অন্য কোনো এজেন্সিতে স্থানান্তরের মাধ্যমে তাদের হজ পালন নিশ্চিত করতে হবে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৪ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে তিন বছর ৪০ জনের কম হজযাত্রী নিবন্ধনকারী এজেন্সিগুলোকে ২০২৭ সালের হজ কার্যক্রম থেকে এক বছরের জন্য বিরত রাখা হবে। পাশাপাশি, ২০২৬ সালের যোগ্য তালিকাভুক্ত ৭৫৮টি এজেন্সির মধ্যে যেগুলো একজনও হজযাত্রী নিবন্ধন করতে পারেনি, সেগুলোকেও আগামী বছরের হজ কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া হবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আবাসিকে নতুন গ্যাস সংযোগ নিয়ে সংসদে মন্ত্রী যে তথ্য দিলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৪৭ পি.এম


আবাসিকে নতুন গ্যাস সংযোগ নিয়ে সংসদে মন্ত্রী যে তথ্য দিলেন

এলপিজি ‘সহজলভ্য’ হওয়ায় আবাসিক খাতে নতুন গ্যাস সংযোগ চালুর বিষয়ে সরকারের আপাতত কোনো পরিকল্পনা নেই জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।

সোমবার (২২ জুন) সংসদে নরসিংদী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. আশরাফ উদ্দিনের প্রশ্নের জবাবে জ্বালানিমন্ত্রী এ কথা জানান।

এদিকে মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. তাজউদ্দীন খানের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, আটটি গ্রাহক শ্রেণিতে অনুমোদিত গ্যাস লোড অনুযায়ী দেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের বর্তমান চাহিদা দৈনিক প্রায় ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট।

এর বিপরীতে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এপ্রিল পর্যন্ত গড় গ্যাস সরবরাহ ছিল দৈনিক প্রায় ২ হাজার ৬৫৪ মিলিয়ন ঘনফুট। অর্থাৎ চাহিদার তুলনায় ঘাটতি দৈনিক প্রায় ১ হাজার ১৪৬ মিলিয়ন ঘনফুট।

ভবিষ্যৎ জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আমদানিনির্ভরতা কমানো এবং দেশীয় সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলেও তিনি সংসদকে জানান।

দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধির কর্মসূচির আওতায় ২০৩১ সালের মধ্যে ১৫০টি কূপ খনন ও ওয়ার্কওভারের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এর মধ্যে ইতোমধ্যে ২৮টি কূপে খনন ও ওয়ার্কওভার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি জানান, অবশিষ্ট কূপ খনন ও ওয়ার্কওভার কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য মন্ত্রণালয়, পেট্রোবাংলা এবং সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

নতুন সম্ভাব্য গ্যাসক্ষেত্র চিহ্নিত করতে চলমান সিসমিক জরিপ কার্যক্রমের বিষয়েও তিনি আলোকপাত করেন।

মন্ত্রী বলেন, ব্লক-৭ ও ব্লক-৯ এলাকার প্রায় ৪ হাজার ৫০০ লাইন কিলোমিটার দ্বিমাত্রিক (২ডি) সিসমিক তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে এবং বর্তমানে এসব তথ্য প্রক্রিয়াকরণের কাজ চলছে।

এছাড়া হবিগঞ্জ, বাখরাবাদ ও মেঘনা গ্যাসক্ষেত্রের আশপাশে ১ হাজার ৪৫০ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে ত্রিমাত্রিক (৩ডি) সিসমিক জরিপ শিগগিরই শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ইকবাল হাসান মাহমুদ আরও জানান, ভোলার চরফ্যাশন এলাকায় ৬৬০ বর্গকিলোমিটার, জামালপুরে ৬৫০ বর্গকিলোমিটার, তিতাস, হবিগঞ্জ ও নরসিংদী গ্যাসক্ষেত্র সংলগ্ন এলাকায় ৬৩২ বর্গকিলোমিটার এবং লামিগাঁও, লালাবাজার, গোয়াইনঘাট, কৈলাশটিলা দক্ষিণ ও ফেঞ্চুগঞ্জ পশ্চিম গ্যাসক্ষেত্র সংলগ্ন কাঠামোতে ৮৮২ বর্গকিলোমিটার এলাকায় আরো ৩ডি সিসমিক জরিপের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন অনুসন্ধান প্রতিষ্ঠান বাপেক্সকে শক্তিশালী করার অংশ হিসেবে ২ হাজার এবং ১ হাজার ৫০০ হর্স পাওয়ার ক্ষমতাসম্পন্ন দু’টি নতুন ড্রিলিং রিগ ক্রয়ের কার্যক্রমও এগিয়ে নেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

মন্ত্রী আরও বলেন, ভোলায় আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রগুলোকে জাতীয় গ্যাস গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যে ভোলা-বরিশাল-জাজিরা-মাওয়া-আমিন বাজার গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণের নীতিগত সিদ্ধান্ত সরকার গ্রহণ করেছে এবং এ লক্ষ্যে বাস্তবায়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%