ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রপ্তানি বাণিজ্যে নতুন দিগন্ত, দক্ষিণ আমেরিকায় ৩ মাসে বিপুল আয়


রপ্তানি বাণিজ্যে নতুন দিগন্ত, দক্ষিণ আমেরিকায় ৩ মাসে বিপুল আয়

দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোতে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি বাড়ানোর উদ্যোগের অংশ হিসেবে প্রচলিত বাজারের বাইরে রপ্তানি সম্প্রসারণের চেষ্টা জোরদার করা হয়েছে।

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) দক্ষিণ আমেরিকার ১১টি দেশে ১৯ কোটি ৫১ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। এ অঞ্চলে ব্রাজিল, চিলি ও পেরু বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি গন্তব্য হিসেবে উঠে এসেছে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, আলোচ্য সময়ে ব্রাজিলে ৭ কোটি ৮ লাখ ২০ হাজার ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। চিলিতে রপ্তানি হয়েছে ৫ কোটি ১৮ লাখ ৭০ হাজার ডলারের পণ্য। আর পেরুতে রপ্তানির পরিমাণ ২ কোটি ৪২ লাখ ৪০ হাজার ডলার। এছাড়া কলম্বিয়ায় ১ কোটি ৮০ লাখ ৫০ হাজার, উরুগুয়েতে ১ কোটি ১৬ লাখ ৩০ হাজার এবং আর্জেন্টিনায় ১ কোটি ২ লাখ ৮০ হাজার ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে।

আরও পড়ুন: অক্টোবরের ২৬ দিনে দেশে এসেছে ২৪৫ কোটি ডলার রেমিট্যান্স

দক্ষিণ আমেরিকায় রপ্তানি সম্প্রসারণের উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনা রয়েছে, যা ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার প্রচলিত বাজারের বাইরে। তৈরি পোশাক এখনও এ অঞ্চলে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান উৎস হলেও পাটজাত পণ্য, চামড়াজাত পণ্য, গৃহসজ্জার সামগ্রী, হস্তশিল্প ও জীবনযাপন-সংশ্লিষ্ট পণ্যের বাজার সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

এ লক্ষ্যে গত ১১ থেকে ১৩ আগস্ট ব্রাজিলের সাও পাওলোতে অনুষ্ঠিত ‘হোম শো ব্রাজিল ২০২৬’ প্রদর্শনীতে বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করেছে। ইপিবির আর্থিক সহায়তায় এবং ব্রাসিলিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের ব্যবস্থাপনায় এ প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের চারটি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো— জিহান প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজ, মাদার ট্যানারি, রেইনবো জুট ও ক্ল্যাসিক্যাল হ্যান্ডমেড প্রোডাক্টস। প্রদর্শনীতে পাঁচটি বুথে প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের পণ্য তুলে ধরে।

প্রদর্শনীতে পাটজাত পণ্য, ব্যাগ, চামড়াজাত সামগ্রী, প্রাকৃতিক তন্তুর তৈরি ঝুড়ি, গৃহসজ্জার উপকরণ, বাঁশের পণ্য, টেরাকোটা, মাটির তৈরি সামগ্রী ও নকশিকাঁথা প্রদর্শন করা হয়।

বাংলাদেশের রপ্তানিযোগ্য পণ্য ও সম্ভাবনাময় খাত সম্পর্কে বিদেশি ক্রেতাদের জানাতে ইপিবি ও বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকেও একটি প্রচারমূলক বুথ স্থাপন করা হয়।

আরও পড়ুন: সার আমদানি কমাতে তিনটি বন্ধ কারখানা চালুর উদ্যোগ

প্রদর্শনী চলাকালে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও মতবিনিময়ের সুযোগ তৈরি হয়। সম্ভাব্য ক্রেতারা বাংলাদেশের স্টল পরিদর্শন করে প্রদর্শিত পণ্যের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের গৃহসজ্জা ও জীবনযাপন-সংশ্লিষ্ট পণ্যের উৎপাদন ও রপ্তানি নিয়ে একটি সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এর মাধ্যমে ব্রাজিলের ব্যবসায়ী সংগঠন ও আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছে বাংলাদেশের পণ্যের সম্ভাবনা তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়।

ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাসান আরিফ বলেন, "বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যে বৈচিত্র্য আনা এবং উদীয়মান আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের অবস্থান শক্তিশালী করতে ইপিবি কাজ করছে। এজন্য আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় আরও পরিকল্পিত ও পেশাদারভাবে অংশ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।"

তিনি আরও বলেন, "তৈরি পোশাকের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা এবং অল্প কয়েকটি রপ্তানি বাজারের মধ্যে সীমাবদ্ধতা বাংলাদেশের রপ্তানি আয়কে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতার ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। এ কারণে নতুন পণ্য ও নতুন বাজার খুঁজে বের করা ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।"

মোহাম্মদ হাসান আরিফ আরও বলেন, "আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট বাজারের চাহিদা, ভোক্তার পছন্দ, পণ্যের দাম, প্রতিযোগিতা ও ব্যবসায়িক রীতিনীতি সম্পর্কে আগাম গবেষণা করা প্রয়োজন।"

আরও পড়ুন: জ্বালানি আমদানির দায় মেটানোর চাপে বাড়ল ডলারের দাম

এতে প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণের সুফল বাড়বে। একইসঙ্গে জাতীয় প্যাভিলিয়নের ব্র্যান্ডিং জোরদার, রপ্তানিকারকদের প্রস্তুতি উন্নত করা এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে। এর মাধ্যমে প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকে দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক সুযোগে রূপ দেওয়া সম্ভব হবে।

ইপিবির পণ্যভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ আমেরিকার ১১টি দেশে বাংলাদেশের রপ্তানি এখনও মূলত তৈরি পোশাকনির্ভর। চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে ওভেন কাপড়ের পোশাক ও পোশাকের আনুষঙ্গিক পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে প্রায় ৮ কোটি ৪৫ লাখ ৩০ হাজার ডলার। একই সময়ে নিট পোশাক রপ্তানি হয়েছে প্রায় ৭ কোটি ১০ লাখ ডলারের।

এ দুই শ্রেণির পণ্য মিলিয়ে রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৫ কোটি ৪৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার, যা ওই ১১টি দেশে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৭৯ দশমিক ২ শতাংশ।

এ সময়ে ওষুধ রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে প্রায় ৬৫ লাখ ৮০ হাজার ডলার। জুতা ও সংশ্লিষ্ট পণ্য রপ্তানি থেকে এসেছে প্রায় ৫৭ লাখ ১০ হাজার ডলার। এ ছাড়া অন্যান্য বস্ত্রপণ্য, চামড়াজাত সামগ্রী ও ভ্রমণসামগ্রীও রপ্তানি তালিকায় রয়েছে। এসব পণ্যের বাজার সম্প্রসারণের মাধ্যমে দক্ষিণ আমেরিকায় বাংলাদেশের রপ্তানি ঝুড়িতে বৈচিত্র্য আনার সুযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুন: এনএসইজেডের সমস্যা ৩ মাসে সমাধান হবে : প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব

রপ্তানির হিসাবে ব্রাজিল ও চিলি একত্রে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৬২ দশমিক ৯ শতাংশ জোগান দিয়েছে। দেশ দুটিতে রপ্তানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ২৬ লাখ ৯০ হাজার ডলার। ফলে বাজার সম্প্রসারণের পরিকল্পনায় ব্রাজিল ও চিলি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। পাশাপাশি পেরু ও কলম্বিয়ায় ব্যবসায়িক যোগাযোগ বাড়িয়েও বাংলাদেশের রপ্তানি সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। সূত্র: বাসস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইয়েমেনে ২৪ ঘণ্টায় ৭৪৪ হামলায় নিহত ২০০ হুথি যোদ্ধা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:০৯ পি.এম


ইয়েমেনে ২৪ ঘণ্টায় ৭৪৪ হামলায় নিহত ২০০ হুথি যোদ্ধা

ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী দাবি করেছে যে, গত ২৪ ঘণ্টায় ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে ৭৪৪টি হামলা পরিচালনা করা হয়েছে। এসব হামলায় প্রায় ২০০ হুথি যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। আরও জানানো হয়েছে যে, গোষ্ঠীটির ৯০টি সামরিক যান এবং সরঞ্জাম ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বুধবার (২১ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক বার্তায় ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল মাজেদ আল-নুজাইলি এসব তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি জানান, ‘অপারেশন ডন অব ইয়েমেন’-এর আওতায় এই অভিযানগুলো পরিচালিত হয়েছে।

আল-নুজাইলি বলেন, অভিযানে যুদ্ধবিমান, ড্রোন, কামান, রকেট উৎক্ষেপণব্যবস্থা এবং স্নাইপার ইউনিট অংশগ্রহণ করেছে। হামলাগুলো হুথিদের কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র, সুরক্ষিত সামরিক অবস্থান, গোলাবর্ষণের স্থান, যোদ্ধাদের সমাবেশস্থল এবং রসদ সরবরাহের পথগুলোকে লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়।

তিনি দাবি করেন যে, তাইজ প্রদেশে সরকারি বাহিনীর অভিযান জোরদার হওয়ায় হুথি যোদ্ধারা কয়েকটি অবস্থান থেকে পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে। এছাড়া পূর্ব, দক্ষিণ এবং পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন রণাঙ্গনে সমন্বিত অভিযান চালানো হচ্ছে।

আল-নুজাইলি আরও বলেন, এসব অভিযানের ফলে হুথিদের রিজার্ভ বাহিনী স্থানান্তর ও নতুন করে শক্তি সঞ্চয়ের সক্ষমতা সীমিত হয়ে পড়েছে। পশ্চিম উপকূল এবং কৌশলগত বাব আল-মানদেব প্রণালীর কাছাকাছি এলাকাতেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ইয়েমেনের সামরিক মুখপাত্রের দাবি, হামলাগুলো নির্ধারিত সামরিক লক্ষ্যবস্তুর মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। বেসামরিক নাগরিক এবং অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে। তবে হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির এসব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।

এর আগে সোমবার, আগের ২৪ ঘণ্টায় ১,১৬৪টি হামলা চালানোর দাবি করেছিল ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী। ওই অভিযানে ৫৫৮ জন হুথি যোদ্ধা নিহত বা নিষ্ক্রিয় হয়েছেন এবং ১৩৫টি সামরিক যান ও সরঞ্জাম ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন আল-নুজাইলি।

২০১৪ সালে হুথিরা রাজধানী সানা দখলের পর থেকে ইয়েমেনে সংঘাত চলছে। দীর্ঘস্থায়ী এই যুদ্ধে দেশটির অবকাঠামো ও অর্থনীতি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সংঘাতের কারণে লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এবং খাদ্য, ওষুধ ও জরুরি সেবার সংকট আরও তীব্র হয়েছে।

সূত্র: আল আরাবিয়া, আরব নিউজ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মহেশপুর সীমান্তে ১২ বাংলাদেশি আটক, ৪৬৬ প্যাকেট কীটনাশক উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:০৯ পি.এম


মহেশপুর সীমান্তে ১২ বাংলাদেশি আটক, ৪৬৬ প্যাকেট কীটনাশক উদ্ধার

ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে পৃথক অভিযান পরিচালনা করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপারের সময় ১২ জন বাংলাদেশিকে আটক করেছে। আটককৃতদের মধ্যে ৭ জন পুরুষ এবং ৫ জন নারী রয়েছেন। একই সময়ে, চোরাচালানের মাধ্যমে আনা ৪৬৬ প্যাকেট ভারতীয় কীটনাশক উদ্ধার করা হয়েছে।

মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি) সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে গয়েশপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার-৬৮-এমপি থেকে প্রায় ১০০ গজ ভেতরে অভিযান চালানো হয়। বিজিবির টহল দল গয়েশপুর গ্রামের একটি আম বাগান থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৪৬৬ প্যাকেট ভারতীয় কীটনাশক উদ্ধার করে।

এর আগে, মঙ্গলবার রাত পৌনে ১২টার দিকে খোসালপুর বিওপির অন্তর্গত মাইলবাড়িয়া গ্রামের একটি কলাবাগান থেকে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করার সময় ১২ বাংলাদেশিকে আটক করা হয়। আটককৃত পুরুষদের মধ্যে যশোরের মো. নাইম মোল্যা (২২), সাতক্ষীরার মো. শহিদুল মুফতি (৩৫), যশোরের মো. নুর নবী (২৪), মাদারীপুরের শুভ বিশ্বাস (২৪), নড়াইলের আকাশ রায় (২৩), ঢাকার মো. সজিব (২০) এবং যশোরের মো. ইমামুল হোসেন (২৬) রয়েছেন।

মহেশপুর ব্যাটালিয়নের (৫৮ বিজিবি) সহকারী পরিচালক মুন্সী ইমদাদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মহেশপুর থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শীতের আগেই ইউরোপে গ্যাসের দাম রেকর্ড, তীব্র হচ্ছে জ্বালানি সংকট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:০৯ পি.এম


শীতের আগেই ইউরোপে গ্যাসের দাম রেকর্ড, তীব্র হচ্ছে জ্বালানি সংকট

২০২২ সালের ডিসেম্বরের পর ইউরোপীয় স্পট গ্যাস বা প্রাকৃতিক গ্যাসের পাইকারি দাম ১ হাজার ৫০ ডলার অতিক্রম করেছে। মঙ্গলবার (স্থানীয় সময়) ইউরোপের প্রধান গ্যাস হাবগুলোতে এই রেকর্ড দাম বৃদ্ধি ঘটে। এই তথ্য টিএএসএস (TASS) এজেন্সির একটি বিশ্লেষণে প্রকাশিত হয়েছে।

ডাচ টিটিএফ (TTF) হাবের তথ্য অনুযায়ী, পরদিনের সরবরাহের জন্য স্পট গ্যাসের দাম প্রতি ১ হাজার ঘনমিটারের জন্য ১ হাজার ৫২ ডলারে (প্রতি মেগাওয়াট-ঘণ্টায় ৯০.৭৫ ইউরো) পৌঁছে গেছে। একই সময়ে, লন্ডনের আইসিই (ICE) এক্সচেঞ্জের তথ্য অনুযায়ী, নভেম্বর মাসের ফিউচার চুক্তিগুলোতে গ্যাসের দাম প্রতি ১ হাজার ঘনমিটার প্রায় ১ হাজার ৪২ ডলারে (প্রতি মেগাওয়াট-ঘণ্টায় ৮৯.৮৩ ইউরো) লেনদেন হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতামত অনুযায়ী, শীত মৌসুমের পূর্বে গ্যাস মজুতের পরিমাণ রেকর্ড পরিমাণে কমে যাওয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে ইউরোপের গ্যাস বাজারে এই চরম অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে।

এর আগে গাজপ্রমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আলেক্সি মিলার সতর্ক করে বলেছিলেন যে ইউরোপীয় গ্যাসের দাম ইতিমধ্যেই ১ হাজার থেকে ১ হাজার ১০০ ডলারে পৌঁছেছে, যা প্রাথমিক পূর্বাভাসকে অনেকাংশে অতিক্রম করেছে। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও মন্তব্য করেছেন যে আন্তর্জাতিক বাজারে ইউরোপীয় গ্যাসের দাম ভবিষ্যতে প্রতি ১ হাজার ঘনমিটারে ১ হাজার ৫০০ ডলারে পৌঁছাতে পারে। সূত্র: তাস।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামায়াত মানুষকে যে পথ দেখাতে চায়, সেটা দাজ্জালের জান্নাত: রাশেদ খাঁন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:১০ পি.এম


জামায়াত মানুষকে যে পথ দেখাতে চায়, সেটা দাজ্জালের জান্নাত: রাশেদ খাঁন

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের ‘জান্নাতে যাওয়ার পথ দেখিয়ে দেওয়া’ সংক্রান্ত বক্তব্যের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী রাশেদ খাঁন দলটির উদ্দেশে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি মন্তব্য করেন, "মিথ্যা ও ধোঁকাবাজির মাধ্যমে জামায়াত মানুষকে যে জান্নাতের পথ দেখাতে চায়, সেটি দাজ্জালের জান্নাত।"

বুধবার (২১ অক্টোবর) তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই মন্তব্য করেন।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জামায়াত মানুষকে জান্নাতে যাওয়ার পথ দেখিয়ে দেয়। কিন্তু হাদিসে উল্লেখ আছে, কিয়ামতের আগে দাজ্জালও মানুষকে জান্নাত দেখিয়ে তাকে অনুসরণ করতে বলবে।

তিনি জামায়াতের উদ্দেশে প্রশ্ন করেন, "জামায়াত মানুষকে কোন জান্নাতের পথ দেখাতে চায়?" তিনি আরও বলেন, "এই পথ কি ভোটের আগে বিদেশিদের সাথে বৈঠক করে বলার পথ যে, আমরা কোথায় বলেছি ক্ষমতায় গেলে শরিয়া আইন কায়েম করবো? না কি এই পথ গাজী নজরুল ইসলামের পথ?"

এছাড়া তিনি শহীদ আবরার ফাহাদের খুনিদের আইনজীবী হওয়া, রোজা ও পূজাকে মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ বলা এবং ‘আগে ছিল হিন্দু মানে নৌকা, এবার হবে হিন্দু মানে দাঁড়িপাল্লা’—এমন বক্তব্যের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন।

পোস্টে তিনি আরও প্রশ্ন তোলে বলেন, "একদিকে কৃষ্ণ নন্দীকে মনোনয়ন দেওয়া, অন্যদিকে জান্নাতের টিকিট বিতরণ করা— এ কেমন পথ?" তিনি গণঅভ্যুত্থানের এক মাসের মাথায় আওয়ামী লীগের বিচার দাবি না করে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার মাধ্যমে জুলাইয়ের সঙ্গে গাদ্দারি করার অভিযোগও তোলেন।

পোস্টের শেষাংশে তিনি বলেন, "মিথ্যা ও ধোঁকাবাজির মাধ্যমে জামায়াত মানুষকে যে জান্নাতের পথ দেখাতে চায়, সেটা তো দাজ্জালের জান্নাত!"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%