ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় নেত্রকোনায় কমেছে সবজির দাম


সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় নেত্রকোনায় কমেছে সবজির দাম

নেত্রকোনার পাইকারি বাজারে সবজির সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় দেখা যাচ্ছে, কমেছে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম। এর ফলে ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। কিন্তু দাম কমে যাওয়ার কারণে ব্যবসায়ীরা ক্ষতির আশঙ্কায় রয়েছেন।

রোববার (৭ জুন) নেত্রকোনার মেছুয়া পাইকারি সবজির বাজার পরিদর্শন করে দেখা যায়, গত এক সপ্তাহ ধরে প্রকারভেদ অনুযায়ী বিভিন্ন সবজি পাইকারি পর্যায়ে ২০ থেকে ৪০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে মিষ্টি কুমড়া প্রতি কেজি ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা খুচরা বাজারে ৪৫ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া লতিকচু ২৫ টাকা, পটল ২০ থেকে ৩০ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা, শষা ২৫ টাকা, বেগুন ২৫ থেকে ৫০ টাকা, চিচিঙ্গা ২০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ২০ টাকা, কাঁকরোল ৪০ টাকা এবং ফুলকপি ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বাজারে এসব সবজির দাম সাধারণত ১০ থেকে ২০ টাকা বেশি থাকে।

আরও পড়ুন: নড়াইলে ঊষার আলো সূর্যসংঘের সম্মেলন ও কমিটি গঠন অনুষ্ঠিত

সবজির মধ্যে সর্বাধিক দরপতন হয়েছে কাঁচা মরিচে। এখন পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ১২ থেকে ২০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ঈদের আগে সবজির দাম কমে গেলেও এখনো তা বাড়েনি। ফলে, পচনশীল পণ্য হওয়ায় অনেক পাইকারি ব্যবসায়ী ক্ষতির মুখোমুখি হচ্ছেন।

অন্যদিকে খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, দাম কম থাকায় তাদের বিক্রি বাড়ছে এবং তারা স্থানীয় বাজারে কিছুটা লাভে পণ্য বিক্রি করতে পারছেন।

তবে বাজারে মূল্য নির্ধারণ নিয়ে কিছু অভিযোগও রয়েছে। ক্রেতাদের দাবি, ট্রাক থেকে সবজি নামানোর সময় পাইকাররা একটি দাম বললেও কেনাবেচার সময় অনেক ক্ষেত্রে বেশি দাম দাবি করেন। এতে ক্রেতারা বিভ্রান্তির মধ্যে পড়েন।

আরও পড়ুন: রাঙামাটিতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে যানবাহন মেরামতের প্রশিক্ষণ, সনদ পেলেন ১৭ যুবক

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৫২ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২১ এম


রাজধানীতে ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৫২ জন

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের চলমান অভিযানে বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত ৫২ জন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিভাগের বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

ডিএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শনিবার (৬ জুন) এই তথ্য জানানো হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতদের তালিকায় রয়েছে সোনিয়া খাতুন (২৭), আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু, মো. সাগর মিয়া ওরফে সুমন (২৫), মোছা. কল্পনা আক্তার (২৫), পারভীন বেগম (৪১), সৈয়দ ইমাম হোসেন সামি (২১), মো. আমিরুল ইসলাম (২৮), মো. কামরুল হাসান রনি (৪৭), পুন্নি আক্তার (২১), মো. রোহন আলী (২০), মো. জাফরান (২০), মো. যোবায়ের রহমান (২১), মো. সিয়াম আহম্মেদ (১৮), মো. ইয়াসিন সিকদার (২০), মো. মাহমুদুল হাসান (২৬), জুম্মন আলী ওরফে সুমন ওরফে সোহেল (৫১), মো. বাল্লি, ওয়াহিদ মুরাদ (৩৭), মো. জাহিদ হাসান মুন্না (১৯), মো. জালাল (২০), মো. আবিদ হোসেন রিপন (৩৫), মো. আলাউদ্দিন আমিন (২৬), মো. সোয়েব হোসেন (২৬), মো. রুবেল (৩৫), মো. শাহাদাৎ (২২), মো. দিলদার (২৫), মো. বিপ্লব (৩২), মো. আলম সৌকত (৪৫), মো. মাসুম (২৫), মো. আক্কাস আলী (৩৫), মো. রাসেল (৩২), মো. রাজিব (২৭), মো. রায়হান (৩০), মো. রনি আহমদ (২৮), মো. রাজু (১৮), মোস্তফা কামাল শাওন (২৯), শুভ হোসেন শাওন (২২), ইমন পারভেজ (২৩), আলমগীর আলী (৪০), জাবেদ হোসেন (২৮), মো. তারেক (২৫), মো. মহরম আলী (৪০), মো. রাজা মিয়া (৩৫), মো. সজিব মোল্লা ওরফে ইদ্রিস মোল্লা (২২), ইমন পারভেজ (২৩), মো. সুজন (১৮), মো. আলমগীর হোসেন (৩০), মো. শরিফুল ইসলাম (৩৫), মো. মজিবুর রহমান আকাশ (২৭), তানিম রহমান (২৭), সৈকত (২৪) এবং মো. মেহেদী হাসান সজীব (২৩)।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে তেজগাঁও থানায় ৭ জন, শেরেবাংলা নগর থানায় ৫ জন, মোহাম্মদপুর থানায় ২০ জন, আদাবর থানায় ৫ জন, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় ৮ জন এবং হাতিরঝিল থানায় ৭ জন রয়েছে।

গ্রেফতারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং পুলিশ জানিয়েছে যে অপরাধ দমন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ থেকে কার্যকর মেট্রোরেল চলাচল সংক্রান্ত নতুন সিদ্ধান্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২৭ এম


আজ থেকে কার্যকর মেট্রোরেল চলাচল সংক্রান্ত নতুন সিদ্ধান্ত

যাত্রীদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য রাতে উভয় দিকে মেট্রোরেল চলাচলের সময় আরও ২০ মিনিট বাড়ানোর এই নতুন সিদ্ধান্ত আজ রোববার (৭ জুন) থেকে কার্যকর হচ্ছে।

কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্ত অনুসারে, রাতে মতিঝিল থেকে উত্তরা উদ্দেশে সবশেষ ট্রেনটি এখন থেকে রাত সাড়ে ১০টায় ছেড়ে যাবে। পূর্বে এটি ছিল রাত ১০টা ১০ মিনিটে। অন্যদিকে, উত্তরা উত্তর স্টেশন থেকে মতিঝিলের উদ্দেশে শেষ ট্রেন ছাড়বে রাত ৯টা ৫০ মিনিটে, যা আগে ছিল রাত সাড়ে ৯টা।

ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) সূত্র জানায়, বর্ধিত এই সময়ে প্রাথমিকভাবে উভয় দিক থেকে একটি করে বাড়তি ট্রিপ দেয়া হবে। এই সময়সূচি চূড়ান্ত করার আগে গত এক মাস ধরে মাঠপর্যায়ে নিবিড় পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়েছে মেট্রো কর্তৃপক্ষ।

ডিএমটিসিএল-এর একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, শুরুতে মতিঝিল থেকে রাত ১১টা এবং উত্তরা থেকে রাত ১০টার পর পর্যন্ত ট্রেন চালানোর একটি বড় পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু এক লাফে অনেক বেশি সময় বাড়ালে পর্যাপ্ত যাত্রী পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে কিছুটা সংশয় ছিল। তাই আপাতত ২০ মিনিট করে সময় বাড়িয়ে যাত্রীদের সাড়া দেখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পরবর্তীতে প্রয়োজন অনুযায়ী সময় আরও বাড়ানো হতে পারে।

এর আগে গত বছরের অক্টোবরেও মেট্রোরেল চলাচলের সময়সীমা এক ঘণ্টা বাড়ানো হয়েছিল। তখন সকালে আধা ঘণ্টা আগে ট্রেন চলাচল শুরু হয় এবং রাতেও আধা ঘণ্টা সময় বাড়ানো হয়েছিল।

প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত অংশ চালুর মাধ্যমে ঢাকায় প্রথম মেট্রোরেলের যাত্রা শুরু হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে ২০২৩ সালের শেষ দিনে মতিঝিল পর্যন্ত সব কটি স্টেশনে পুরোদমে যাত্রী ওঠানামা শুরু হয়। বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে সাড়ে চার লাখ যাত্রী যানজটহীন পরিবেশ ও স্বাচ্ছন্দ্যে মেট্রোরেলে যাতায়াত করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাউখালীতে ৪ বছরেও শেষ হয়নি সড়ক-কালভার্ট নির্মাণ, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কাউখালী প্রতিনিধি

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২৯ এম


কাউখালীতে ৪ বছরেও শেষ হয়নি সড়ক-কালভার্ট নির্মাণ, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

কাউখালী উপজেলার চিরাপাড়া-পারসাতুরিয়া ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় ফাজিল মাদ্রাসার সামনে নির্মাণাধীন বক্স কালভার্ট ও ৯০০ মিটার সড়কের নির্মাণ কাজ দীর্ঘ সময় ধরে সম্পন্ন হয়নি। ফলে স্থানীয় বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। প্রায় চার বছর আগে কাজটি শুরু হয় এবং এখনো শেষ হয়নি। এতে এলাকার মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা যায়, জিয়ানগর উপজেলার মেসার্স ফয়সাল এন্টারপ্রাইজ নামের একটি প্রতিষ্ঠান ১ কোটি ৩১ লাখ ৪২ হাজার টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটির কাজ বাস্তবায়নের জন্য দায়িত্ব পায়। ২০২২ সালের ১৯ অক্টোবর কাজ শুরু হওয়ার কথা ছিল এবং ২০২৩ সালের ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হতে বলা হয়েছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত সড়কের পিচ ঢালাই ও বক্স কালভার্ট নির্মাণকাজ শুরু হয়নি। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

সরেজমিনে দেখা গেল, কালভার্টটি জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে যায়। ফলে প্রতিদিন হাজারো মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৫ হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। সড়কের পাশে কেন্দ্রীয় ফাজিল মাদ্রাসা, ভূমি অফিস, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নূরানী মাদ্রাসা ও হাফিজি মাদ্রাসা রয়েছে, কিন্তু দীর্ঘকাল ধরে সড়ক ও কালভার্টটির উন্নয়নকাজ বন্ধ রয়েছে।

এলাকার বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম দুলাল হোসেন জানান, অনেক দিন ধরে সড়ক ও কালভার্টটির কোনো সংস্কার হয়নি। মূলত বৃষ্টির সময় পানি জমে চলাচল খুবই কষ্টকর হয়ে যায়। ঠিকাদার কাজ শুরু করার আগেই পুরনো ইট তুলে নেওয়ায় মানুষের দুর্ভোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। কেন্দ্রীয় ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা হোসাইন আহমেদ বললেন, "আমাদের মাদ্রাসাটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাকেন্দ্র। কালভার্টটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় শিক্ষার্থী ও পরীক্ষার্থীদের যাতায়াতে মারাত্মক সমস্যা হচ্ছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এর দায়ভার কে নেবে?"

চিরাপাড়া-পারসাতুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লাইকুজ্জামান মিন্টু জানালেন, ঝুঁকিপূর্ণ এই সড়ক ও কালভার্টের বিষয়ে একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। কিন্তু এখনো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে কাউখালী উপজেলা প্রকৌশলী ইমতিয়াজ হোসাইন রাসেল জানান, বারবার নোটিস প্রদান করেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো জবাব পাওয়া যায়নি। তাই পিরোজপুর জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে চুক্তি বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে।

কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ আসাদুজ্জামান জানান, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। স্থানীয় জনগণের ভোগান্তির বিষয়টি আমরা অবগত আছি। সংশ্লিষ্ট প্রকৌশল বিভাগকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতে মন্দিরের মেলায় পাকিস্তানি পণ্য বিক্রির ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক মাধ্যমে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩৪ এম


ভারতে মন্দিরের মেলায় পাকিস্তানি পণ্য বিক্রির ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক মাধ্যমে

ভারতের বাজারে ‘মেড ইন পাকিস্তান’ (পাকিস্তানে তৈরি) লেখা পোশাক ও পণ্য বিক্রির ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক এবং উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। গেল বছরের কাশ্মীরের পেহেলগামে হামলার পরই দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার পাকিস্তানি পণ্যের ওপর কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। তবে এক বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও চোরাপথে পাকিস্তানের তৈরি সরঞ্জাম দেশে আমদানি হওয়ার প্রমাণ ফের মিলেছে মহারাষ্ট্রে। এবারের ঘটনাস্থল পুনেতে অনুষ্ঠিত একটি ঐতিহ্যবাহী মেলা। পুনের বাসিন্দা পূজা সরাফ সেখানে না দেখেই একটি ‘মেড ইন পাকিস্তান’ লেখা চাদর কিনে এনেছিলেন। কিন্তু সেই চাদর বাড়িতে এনে ধোয়ার সময় তার টনক নড়ে। তিনি স্পষ্টভাবে দেখতে পান যে চাদরে লাগানো রয়েছে একটি ‘পাকিস্তানি’ ট্যাগ।

শনিবার(৬ জুন) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে তাদের একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য জানায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার(৩ জুন) মহারাষ্ট্রের পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড় এলাকার মোরায়া গোসাভি মন্দিরে একটি মেলা বসেছিল। সেখান থেকেই পূজা চাদরটি কিনেছিলেন। চাদরটি কেনার সময় তাতে কোনও অস্বাভাবিকতা না থাকলেও বাড়িতে এনে ধোয়ার পরেই কাপড়ের ভিতর থেকে একটি ট্যাগ দৃশ্যমান হয়, যেখানে স্পষ্ট অক্ষরে লেখা ছিল ‘মেড ইন পাকিস্তান’।

এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ ও উদ্বিগ্ন ওই নারী চাদরটির ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেন। পাকিস্তানের তৈরি পণ্য কীভাবে ভারতের স্থানীয় ধর্মীয় মেলায় এসে পৌঁছাল, তা নিয়ে তিনি তীব্র ক্ষোভ এবং প্রশ্ন তোলেন।

ভিডিও বার্তায় পূজা বলেন, ‘আমরা কোথায় থাকি? আমরা তো সীমান্ত এলাকার মানুষ নই। অথচ আমাদের বাড়িতেই এসেছে পাকিস্তানে তৈরি জিনিস। আমি এই ঘটনায় অত্যন্ত দুঃখিত। আমার মতো আরও যারা এই চাদর কিনেছেন, তাদের কাছেও পাকিস্তানের এই পণ্য পৌঁছেছে। এটি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।’

কেন্দ্রীয় সরকারের নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের উদ্দেশে আগে জানানো হয়েছিল, ‘যখনই জিনিস কিনবেন, চোখ খোলা রাখবেন।’ সেই বিষয়টি উল্লেখ করে পূজা ভিডিও বার্তায় আরও বলেন, ‘এখন আমার চোখ খোলা।’ এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার এই ভিডিওটি ভাইরাল হতেই নড়েচড়ে বসেছে স্থানীয় প্রশাসন। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করতে পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড় পুলিশের তরফে ইতিমধ্যেই একটি তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

পাশাপাশি স্থানীয় পুরনিগমের তরফেও কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, মোরায়া গোসাভি মন্দিরের মেলায় যারা পাকিস্তানি চাদর বিক্রি করছিলেন, তাদের চিহ্নিত করে দ্রুত উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে। এই নিষিদ্ধ পণ্য কোথা থেকে এবং কীভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকল, তা নিয়েও বিশদ তদন্ত চালানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ভারতে এভাবে পাকিস্তানি পণ্য গোপনে বিক্রির ঘটনা এবারই প্রথম নয়। গত মাসেই মহারাষ্ট্রের ধুলে এলাকায় বিভিন্ন পাকিস্তানি সরঞ্জাম অবৈধভাবে বিক্রির অভিযোগে দুই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। সেই অভিযানে প্রশাসন বিভিন্ন পাকিস্তানি ক্রিম, সাবান, সিরামসহ প্রায় ৬১ হাজার টাকার প্রসাধনী দ্রব্য বাজেয়াপ্ত করে। তারও আগে ছত্রপতি শম্ভাজিনগরে পাকিস্তানের তৈরি নিষিদ্ধ সামগ্রী মজুত করা ও বিক্রির সুনির্দিষ্ট অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%