ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মাদারীপুরে জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানি অনুষ্ঠিত


মাদারীপুরে জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানি অনুষ্ঠিত

মাদারীপুরে জনসাধারণের সমস্যা ও অভিযোগ সরাসরি শোনার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সাপ্তাহিক গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৩ জুন ২০২৬) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এ গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

গণশুনানিতে সভাপতিত্ব করেন মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজ্ মর্জিনা আক্তার।

গণশুনানিতে জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও এলাকার নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। এ সময় তারা ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা, সামাজিক সমস্যা, সরকারি সেবা প্রাপ্তিতে প্রতিবন্ধকতা, আর্থিক ও পারিবারিক সংকটসহ বিভিন্ন বিষয় জেলা প্রশাসকের কাছে তুলে ধরেন।

আরও পড়ুন: ত্যাগীদের মধ্য থেকে একজনকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি মোঃ ফারুক আলীর

জেলা প্রশাসক উপস্থিত সেবাপ্রত্যাশীদের বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং উত্থাপিত সমস্যাগুলোর দ্রুত ও কার্যকর সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন। একই সঙ্গে তিনি জনগণের ভোগান্তি কমাতে সরকারি সেবাকে আরও জনবান্ধব ও সহজলভ্য করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

গণশুনানিতে অংশ নেওয়া সাধারণ মানুষ তাদের সমস্যার কথা সরাসরি তুলে ধরার সুযোগ পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা জানান, এ ধরনের উদ্যোগ জনগণ ও প্রশাসনের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি বিভিন্ন সমস্যার দ্রুত সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনগণের অভিযোগ, পরামর্শ ও দাবি-দাওয়া শুনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের লক্ষ্যে নিয়মিতভাবে এ সাপ্তাহিক গণশুনানি কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে।

আরও পড়ুন: সুনামগঞ্জে টাঙ্গুয়ার হাওরে বৃক্ষরোপণ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শহীদ জিয়ার সার্কের নীতি ও বহুপক্ষীয় কূটনীতিই সরকারের প্রধান পথ: তথ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:১০ পি.এম


শহীদ জিয়ার সার্কের নীতি ও বহুপক্ষীয় কূটনীতিই সরকারের প্রধান পথ: তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশীয় ও বৈশ্বিক বাস্তবতায় কোনো শত্রু তৈরি না করে সর্বত্র মিত্র তৈরি করেছিলেন।বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত সরকারের কাছে শহীদ জিয়ার সার্কের নীতি এবং বহুপক্ষীয় স্বার্থের ভিত্তিতে এগিয়ে চলার নির্জোট রাজনীতিই প্রধান পররাষ্ট্রনীতি।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাজধানীর প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম-এর ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে ‘বর্তমান প্রেক্ষাপটে জিয়াউর রহমানের স্বাধীন নির্জোট কূটনীতি’ শীর্ষক এই আলোচনা সভার আয়োজন করে পিআইবি এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৈশ্বিক অর্থনীতি ও বাণিজ্যে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্লেষণ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারকে রাষ্ট্র ও অর্থনীতি পরিচালনা করতে কিছু অনিবার্য উপাদানের ওপর দাঁড়াতে হচ্ছে। আমাদের আমদানির প্রধান উৎস চীন ও ভারত। তৈরি পোশাক রপ্তানির প্রধান গন্তব্য আমেরিকা ও ইউরোপ, রেমিট্যান্সের মূল উৎস মধ্যপ্রাচ্য এবং জ্বালানি ও বিদ্যুৎ নিরাপত্তার জন্য আমরা কাতার এবং রাশিয়ার নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট প্রজেক্টের ওপর নির্ভরশীল। এই বাস্তবতায় আমাদের এমন একটি স্বাধীন নীতি অবলম্বন করতে হবে, যা এই বিপরীতমুখী সবকটি উপাদানকে একসাথে অ্যাসেম্বল বা সমন্বয় করতে পারে।

তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৫ সালের আগের একদলীয় শাসন ও কূটনৈতিক স্থবিরতা থেকে বেরিয়ে বহুদলীয় ব্যবস্থা, পশ্চিমামুখী অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা ও মুসলিম বিশ্বের কাছে গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করেছিলেন। এমনকি বৃহৎ প্রতিবেশী ভারতকে সাথে নিয়ে সার্ক গঠনের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সমস্যাগুলোকে একটি আঞ্চলিক ও বহুপাক্ষিক কাঠামোতে রূপান্তর করেছিলেন।

স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি বজায় রাখার জন্য জাতীয় স্বকীয়তা চেনার ওপর গুরুত্বারোপ করে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বাংলাদেশি হিসেবে আমাদের স্বকীয়তা সম্পূর্ণ নিজস্ব। বাঙালি হিসেবে আমাদের কোনো সার্টিফিকেটের জন্য কলকাতার বুদ্ধিজীবীদের কাছে যেতে হয় না, কিংবা আমাদের মুসলমানিত্বের সনদের জন্য পিন্ডি বা করাচির মসজিদের ইমামের শরণাপন্ন হতে হয় না। এই যে স্বকীয়তার চেতনা, তা শহীদ জিয়াই আমাদের চিন্তার মধ্যে সুপ্রতিষ্ঠিত করে গেছেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ভারতের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি সঞ্জীব রেড্ডি শহীদ জিয়াকে দেওয়া সংবর্ধনায় লিখিতভাবে তাকে বাংলাদেশের ‘মুক্তিযুদ্ধের ঘোষক’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন। আয়ুধিগন্ধন শহীদ জিয়া নিজেকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এমন এক মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে গিয়েছিলেন যে, ভারতের রাষ্ট্রপতিও তাকে এই সম্মান দিতে বাধ্য হয়েছিলেন; অথচ আওয়ামী লীগ ও তাদের বলয়ের বুদ্ধিজীবীরা এখনো তা স্বীকার করতে চায় না। কারণ আওয়ামী লীগ নিজেদের ভারতের পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়া রাজনৈতিক দল হিসেবে দাবি করতেই বেশি পছন্দ করে।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের দেশের রেমিট্যান্স বাড়াতে হবে, মাটির নিচের নিজস্ব জ্বালানি উত্তোলন করতে হবে এবং প্রয়োজনে আমাদের নিজস্ব শর্ত ও স্বার্থ বজায় রেখে ভারত, নেপাল বা ভুটান থেকে হাইড্রো পাওয়ার আনতে হবে। বৈচিত্র্যময় ও বিপরীতমুখী বৈশ্বিক শক্তিগুলোকে ধরে রাখার জন্য যে নীতিগত শক্তির প্রয়োজন, তা সর্বশেষ আমরা জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান থেকে গ্রহণ করেছি।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজের (বিআইপিএসএস) সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) এ এন এম মুনিরুজ্জামান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাখেন লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ওরিয়েন্টাল অ্যান্ড আফ্রিকান স্টাডিজের অর্থনীতিবিদ ড. মুশতাক খান। আলোচনায় বাংলাদেশ ডিফেন্স জার্নালের সম্পাদক আবু রুশদ এবং ব্রেইনের নির্বাহী পরিচালক ড. সফিকুর রহমান আলোচনা করেন।

মূল প্রবন্ধে মেজর জেনারেল (অব.) এ এন এম মুনিরুজ্জামান বলেন, কোনো দেশের নেতৃত্ব শুধু অভ্যন্তরীণ উন্নয়নের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশ ও দেশের স্বার্থকে কোথায় নিয়ে যেতে পেরেছেন, সেটিই নেতৃত্বের আসল মাপকাঠি। সেই মাপকাঠিতে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পররাষ্ট্রনীতি ছিল অত্যন্ত সফল এবং তার সময়কাল ছিল বাংলাদেশের কূটনীতির এক স্বর্ণযুগ।

আলোচনায় অংশ নিয়ে আবু রুশদ বলেন, ১৯৭১ সালের মার্চে দেশের স্বাধীনতার জন্য প্রথম সম্মুখ বিদ্রোহটি করেছিলেন তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান। পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ-এর প্রবক্তা হিসেবে দেশের সকল জাতিসত্তাকে এক সুতোয় বেঁধেছিলেন। সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।

পিআইবি’র মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক কামাল উদ্দিন সবুজ, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাছির জামাল, ডেইলি ফাইনান্সিয়াল এক্সপ্রেসের সম্পাদক শামসুল হক জাহিদ, বিআইপিএসএসে’র সিনিয়র ফেলো শাফাকাত মনির, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. ওয়ারেস করিমসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভোলায় ভাড়া বাসা থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:১২ পি.এম


ভোলায় ভাড়া বাসা থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক

ভোলার শহরের উকিলপাড়া এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে সুমাইয়া আক্তার মিতু (২২) নামে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে, সাড়ে ১০টা নাগাদ উকিলপাড়া গোরস্থান মাদ্রাসার সামনে অবস্থিত একটি পাঁচতলা ভবনের ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার হয়। ঘটনার পর, স্বামী সোহাগ পলাতক রয়েছেন।

নিহতের বাবা-মায়ের ভাষ্যমতে, মিতুকে হত্যা করা হয়েছে।

মিতুর মা আয়শা বেগম জানিয়েছেন, সকালে তার মেয়ের জামাই সোহাগ ফোন করে তাকে দ্রুত বাসায় যেতে বলেন। এরপর তারা বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে এবং এরপর লাইন কেটে দেয়। পরে খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাসার বিছানার ওপর মিতুর মরদেহ দেখতে পান।

নিহতের বাবা মো. বশির অভিযোগ করেছেন, জামাই সোহাগের সঙ্গে মিতুর দীর্ঘদিন ধরে দাম্পত্য জীবনে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে একাধিক বিচার-সালিশ হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সোহাগ আগেও একটি বিয়ে করেছেন এবং সেই স্ত্রীও রহস্যজনকভাবে মৃত্যুবরণ করেছেন।

নিহত গৃহবধূ সুমাইয়া আক্তার মিতুর তিন বছরের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে, যার নাম ওয়াকিয়া। স্বামী সোহাগ ভোলা শহরের একটি গ্লাসের দোকান পরিচালনা করতেন।

সোহাগের বাড়ি দৌলতখান উপজেলার চরপাতা ইউনিয়নের ঘুইংগারহাট এলাকার মাস্টার বাড়ি। নিহত মিতুর বাড়ি একই উপজেলার দক্ষিণ জয়নগর ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মিয়ারহাট এলাকার কবিরাজ বাড়িতে। পাঁচ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়েছিল। ঘটনার খবর পেলেই ভোলা সদর মডেল থানা পুলিশ এবং র‌্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ করেন।

ভোলা সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জিয়া উদ্দিন জানিয়েছেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। মৃতের শরীরে বিভিন্ন আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে পুলিশ জানায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আসন্ন বাজেটে শিক্ষায় থাকছে বিশাল বরাদ্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:১৩ পি.এম


আসন্ন বাজেটে শিক্ষায় থাকছে বিশাল বরাদ্দ

ক্ষমতা গ্রহণের পর নিজেদের প্রথম বাজেট প্রণয়ন করতে যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার। নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়ে এই বাজেট তৈরি করছে বিএনপি সরকার। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের সম্ভাব্য আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। এটি দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বাজেট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ঐতিহাসিক এ বাজেটে শিক্ষা খাতে বিশাল বরাদ্দ থাকছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের মুখোমুখি হয়ে এ কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি বলেছেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হবে— টাকার অঙ্কে যা প্রায় ১ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু এবারের বাজেটে মন্ত্রণালয় জিডিপির সাড়ে ৩ শতাংশ বরাদ্দ চেয়েছিল। সেই চাওয়ার কথা বিবেচনা করে ২ শতাংশ বরাদ্দ রাখার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার খোঁজ-খবর নিয়েছেন জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ২০২২ সালের পর থেকে শিক্ষকদের কল্যাণ ট্রাস্ট ও অবসরের টাকা দেওয়া বন্ধ রয়েছে। এখানে কয়েক হাজার কোটি টাকা তসরুপ (আত্মসাৎ) করা হয়েছে। তবে এ ভাতা চালু করতে ২ হাজার কোটি টাকার একটি ‘থোক বরাদ্দ’ পাওয়া গেছে। মাস খানেকের মধ্যেই এর কার্যক্রম শুরু হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ফুটবলার পাঠাচ্ছে ম্যানচেস্টার সিটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:১৩ পি.এম


বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ফুটবলার পাঠাচ্ছে ম্যানচেস্টার সিটি

আসন্ন বিশ্বকাপের জন্য অংশগ্রহণকারী ৪৮টি দল ইতিমধ্যেই তাদের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। এখন প্রত্যেকটি দলের নিয়ে গভীর বিশ্লেষণ চলছে। সম্প্রতি বিবিসির একটি প্রতিবেদনে কিছু চমকপ্রদ তথ্য উন্মোচন করা হয়েছে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্পেন দলের সকল ফুটবলার ইউরোপের শীর্ষ পাঁচটি লিগে খেলেন। ইংল্যান্ড এবং জার্মানির দলের ২৬ জনের মধ্যে ২৫ জন খেলেন এই লিগগুলোতে। ইংল্যান্ড থেকে আসা একমাত্র ব্যতিক্রম ইভান টনি, যিনি সৌদি আরবের আল আহলিতে খেলার সুযোগ পাচ্ছেন।

এদিকে জানা গেছে, ক্লাবগুলোর মধ্যে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি খেলোয়াড় পাঠিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। প্রিমিয়ার লিগের এই ক্লাবটি ১৯ জন ফুটবলারকে বিভিন্ন দলের হয়ে বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতায় পাঠাচ্ছে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বায়ার্ন মিউনিখ, যারা ১৮ জন খেলোয়াড় পাঠিয়েছে। তৃতীয় অবস্থানে আছে আর্সেনাল, যাদের বিশ্বকাপের জন্য ১৬ জন খেলোয়াড় রয়েছে।

বয়সের দিক দিয়ে সবচেয়ে অভিজ্ঞ দল হলো পানামা, যার গড় বয়স ৩০ বছর ১৫৫ দিন। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইরান, যার গড় বয়স ৩০ বছর ১২১ দিন।

ব্যক্তিগতভাবে সবচেয়ে বয়সী ফুটবলার হলেন স্কটল্যান্ডের গোলরক্ষক ক্রেগ গর্ডন। বিশ্বকাপের প্রথম দিন তার বয়স হবে ৪৩ বছর ১৬২ দিন। অন্যদিকে, পর্তুগালের সুপারস্টার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর বয়স হবে ৪১ বছর ১২৬ দিন।

সবচেয়ে কম বয়সী ফুটবলার হলেন মেক্সিকোর গিলবার্তো মোরা, যিনি মাত্র ১৭ বছর ২৪০ দিন বয়সে মাঠে নামবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%