০৭:১০ পি.এম
রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) এয়ারপোর্ট, দামকুড়া ও শাহমখদুম থানা এবং মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের পৃথক অভিযানে মাদক কারবারি ও মাদকসেবীসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এসব অভিযানে ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, মাদক বিক্রির নগদ টাকা, মাদক সেবনের সরঞ্জাম এবং বিদেশি পিস্তলসদৃশ একটি ফায়ার লাইটার জব্দ করা হয়।
এদিকে, মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি, মাদক মামলার আসামি ও অন্যান্য মামলার আসামিসহ মোট ২৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর) মোঃ গাজিউর রহমান।
তিনি জানান, মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাত পৌনে ৯টার দিকে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ মাঝিগ্রাম উত্তরপাড়া এলাকা থেকে মোঃ সিদ্দীক (৪৫) ও মোঃ সোহাগ আহম্মেদকে (২৮) গ্রেপ্তার করে। সিদ্দীক মাঝিগ্রাম মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত আসোব আলীর ছেলে এবং সোহাগ উত্তরপাড়া গ্রামের মোঃ নছিম উদ্দীনের ছেলে। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ২০ পিস ইয়াবা ও পাঁচটি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ও মাদক বিক্রির ১ হাজার ৬৭০ টাকা জব্দ করা হয়।
আরও পড়ুন: বালিয়াকান্দিতে ট্রেনের ধাক্কায় যুবকের মৃত্যু
এর আগে, গত ২৬ অক্টোবর বিকাল সোয়া ৪টার দিকে দামকুড়া থানার জোতরাবন গ্রামে মাদক সেবনের অভিযোগে স্থানীয় লোকজন মোঃ মানিক (৩২) ও মোঃ নাহিদুল ইসলামকে (৪২) গ্রেপ্তার করেন। পরে দামকুড়া থানা পুলিশ তার কাছ থেকে মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। পরবর্তী সময়ে রাজশাহী বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর চিকিৎসকের মতামতের ভিত্তিতে তাঁদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়।
অন্যদিকে, একই রাত ১১টার দিকে মহানগর ডিবি পুলিশ চন্দ্রিমা থানার মেহেরচন্ডি উত্তরপাড়া এলাকায় মোঃ শামীম আহমেদ ওরফে শামীমের (৩৭) বসতবাড়িতে অভিযান চালিয়ে ১১০টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, মাদক বিক্রির ৩৩ হাজার ৭৫০ টাকা এবং বিদেশি পিস্তলসদৃশ একটি ফায়ার লাইটার সহ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। তিনি ওই গ্রামের মোঃ মামুন আলীর ছেলে। শামীমের বিরুদ্ধে আরএমপির বিভিন্ন থানায় মাদকদ্রব্য-সংক্রান্ত তিনটি, জুয়ার একটি এবং পেনাল কোডে একটি মামলা রয়েছে।
এছাড়াও শাহমখদুম থানা এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পরিচালিত মাদকবিরোধী অভিযানে মোঃ মশিউর ইসলামকে (২২) গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি চন্দ্রিমা থানার ছোট বনগ্রাম দক্ষিণপাড়া গ্রামের মোঃ মমিনের ছেলে। তাঁর কাছ থেকে ছয়টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। সেবন ও সংরক্ষণের অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাঁকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন।
একই রাতে নগরীর বিভিন্ন স্থানে পৃথক অভিযান চালিয়ে মোট ২৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ওয়ারেন্টভুক্ত ১০ জন, মাদক মামলার সাতজন এবং অন্যান্য মামলার ১১ জন রয়েছেন।
আরও পড়ুন: নেছারাবাদে শীতলা মন্দিরের জমি নিয়ে পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বুধবার সকালে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।#
আরও পড়ুন: ২৮ অক্টোবরের শহীদদের স্মরণে সন্দ্বীপে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন