প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভোলার শহরের উকিলপাড়া এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে সুমাইয়া আক্তার মিতু (২২) নামে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে, সাড়ে ১০টা নাগাদ উকিলপাড়া গোরস্থান মাদ্রাসার সামনে অবস্থিত একটি পাঁচতলা ভবনের ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার হয়। ঘটনার পর, স্বামী সোহাগ পলাতক রয়েছেন।
নিহতের বাবা-মায়ের ভাষ্যমতে, মিতুকে হত্যা করা হয়েছে।
মিতুর মা আয়শা বেগম জানিয়েছেন, সকালে তার মেয়ের জামাই সোহাগ ফোন করে তাকে দ্রুত বাসায় যেতে বলেন। এরপর তারা বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে এবং এরপর লাইন কেটে দেয়। পরে খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাসার বিছানার ওপর মিতুর মরদেহ দেখতে পান।
নিহতের বাবা মো. বশির অভিযোগ করেছেন, জামাই সোহাগের সঙ্গে মিতুর দীর্ঘদিন ধরে দাম্পত্য জীবনে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে একাধিক বিচার-সালিশ হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সোহাগ আগেও একটি বিয়ে করেছেন এবং সেই স্ত্রীও রহস্যজনকভাবে মৃত্যুবরণ করেছেন।
নিহত গৃহবধূ সুমাইয়া আক্তার মিতুর তিন বছরের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে, যার নাম ওয়াকিয়া। স্বামী সোহাগ ভোলা শহরের একটি গ্লাসের দোকান পরিচালনা করতেন।
সোহাগের বাড়ি দৌলতখান উপজেলার চরপাতা ইউনিয়নের ঘুইংগারহাট এলাকার মাস্টার বাড়ি। নিহত মিতুর বাড়ি একই উপজেলার দক্ষিণ জয়নগর ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মিয়ারহাট এলাকার কবিরাজ বাড়িতে। পাঁচ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়েছিল। ঘটনার খবর পেলেই ভোলা সদর মডেল থানা পুলিশ এবং র্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ করেন।
ভোলা সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জিয়া উদ্দিন জানিয়েছেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। মৃতের শরীরে বিভিন্ন আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে পুলিশ জানায়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন