ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

হুতিদের নতুন ক্ষেপণাস্ত্রের ফলে সউদী আরবের নিরাপত্তা হুমকির মুখে


হুতিদের নতুন ক্ষেপণাস্ত্রের ফলে সউদী আরবের নিরাপত্তা হুমকির মুখে

ইরানের নকশা অনুসরণ করে চীনা যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে উন্নত মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা। এই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে পারলে গোষ্ঠীটি সউদী আরবের গভীরে এবং ইসরাইলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার সক্ষমতা অর্জন করতে পারে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উল্লিখিত হয়েছে।

প্রতিবেদনটি অস্ত্রের উৎস ও সরবরাহব্যবস্থা নিয়ে কাজ করা সংস্থা কনফ্লিক্ট আর্মামেন্ট রিসার্চের (সিএআর) অনুসন্ধানের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, হুতিরা এতদিন ইরান ও আঞ্চলিক মিত্রদের কাছ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র সংগ্রহের ওপর নির্ভরশীল ছিল, তবে বর্তমানে তারা নিজেদের উন্নত অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে। তৈরির চেষ্টা চলা ক্ষেপণাস্ত্রটি ইরানের ‘খাইবার শেকান’ নামের নির্ভুল নিশানায় আঘাত হানতে সক্ষম ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের আদলে তৈরি বলে ধারণা করা হচ্ছে। ২০২২ সালে তেহরানে প্রথম এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করা হয়েছিল।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্রটি সফলভাবে তৈরি হলে এর পাল্লা প্রায় ১২০০ মাইল বা ১৯৩০ কিলোমিটার হতে পারে। এ ক্ষেত্রে সৌদি আরব ও ইসরাইলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তু এই পাল্লার আওতায় আসবে।

আরও পড়ুন: তিন বছর পর বাবার কাছে দুই বোন, ইউক্রেনে আবেগঘন পুনর্মিলন

সিএআরের অনুসন্ধানে গত বছর ইয়েমেনি কর্তৃপক্ষের আটক করা দুটি চালানের তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে। এসব চালানে অন্যান্য পণ্যের আড়ালে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম পরিবহন করা হচ্ছিল বলে জানানো হয়েছে।

জব্দ করা সামগ্রীর মধ্যে ছিল ক্ষেপণাস্ত্রের ইঞ্জিন ও মূল কাঠামো তৈরির জন্য বিশেষভাবে প্রস্তুত ধাতব যন্ত্রাংশ, স্থিতিশীলতা বজায় রাখার পাখনা এবং কঠিন জ্বালানিচালিত রকেট মোটরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু উপাদান। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, খাইবার শেকান সিরিজের ক্ষেপণাস্ত্রের সঙ্গে এসব উপাদানের সম্পর্ক রয়েছে।

এ ছাড়া বিভিন্ন সরঞ্জাম, পরীক্ষার যন্ত্রপাতি ও কাঁচামালও পাওয়া গেছে। এর মধ্যে এমন তাপসহনশীল উপাদানও ছিল, যা উড্ডয়নের সময় প্রচণ্ড তাপ থেকে ক্ষেপণাস্ত্রের কিছু অংশকে সুরক্ষা দিতে ব্যবহৃত হয়।

তদন্তকারীরা চালানের নথিপত্র পরীক্ষা করে চীনের একটি নির্ভুল ধাতব যন্ত্রাংশ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের পরিচয় পেয়েছেন। প্রতিষ্ঠানটি মহাকাশ প্রযুক্তিতে ব্যবহারের উপযোগী বিশেষায়িত যন্ত্রাংশ তৈরির দক্ষতার কথা প্রচার করে। তবে প্রতিবেদনে প্রতিষ্ঠানটির নাম প্রকাশ করা হয়নি।

আরও পড়ুন: চীনের বাজার হারানোর ভয়ে নতজানু লা লিগা ও রিয়াল মাদ্রিদ

সিএআরের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক ফ্যাবিয়ান হিনজ ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে বলেছেন, "এসব যন্ত্রাংশ আমদানি থেকে ইঙ্গিত পাওয়া যায়, হুতিরা হয় ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন শুরু করেছে, নয়তো সেই চেষ্টা করছে।"

ইরানের খাইবার শেকানকে দেশটির কিছু অন্য ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় বেশি সক্ষম বলে মনে করা হয়। এর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, এটি আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে ফাঁকি দিতে উড্ডয়নের সময় গতিপথ পরিবর্তন করতে পারে। এর কিছু সংস্করণে উড্ডয়নের শেষ পর্যায়ে ওয়ারহেড বহনকারী অংশটি মূল ক্ষেপণাস্ত্র থেকে আলাদা হয়ে যেতে পারে। এরপর লক্ষ্যবস্তুর দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময় ওই অংশ নিজের গতিপথ সমন্বয় করতে পারে।

প্রতিবেদনে উদ্ধৃত বিশ্লেষক ও কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ক্ষেপণাস্ত্রটির গতি ঘণ্টায় প্রায় ৬০০০ মাইল বা ৯৬৫৬ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে।

প্রায় ১২০০ মাইল পাল্লার একটি মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হুতিদের জন্য সৌদি আরবের গভীরে আঘাত হানার পাশাপাশি ইসরাইলকে লক্ষ্যবস্তু করার সুযোগ তৈরি করতে পারে। এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র কিছু ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের তুলনায় বেশি ওজনের বিস্ফোরক বহন করতেও সক্ষম হতে পারে।

আরও পড়ুন: সাত দিনের সফরে ফ্রান্স যাচ্ছেন আইজিপি

অস্ত্র বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ইরান ও লেবাননের হিজবুল্লাহর কাছ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের ওপর নির্ভর করার পর হুতিরা ধীরে ধীরে নিজেদের অস্ত্র উৎপাদনব্যবস্থা সম্প্রসারণ করছে।

জাতিসংঘের বিভিন্ন প্রতিবেদন এবং অস্ত্র বিশেষজ্ঞদের সংকলিত তথ্য অনুযায়ী, হুতিদের কাছে পাঠানোর সময় জব্দ করা পণ্যের একটি উল্লেখযোগ্য উৎস হিসেবে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম উঠে এসেছে। এসব উপাদানের কিছু বেসামরিক কাজে ব্যবহার করা যায়। তবে অন্য কিছু উপাদান বিশেষভাবে ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থায় ব্যবহারের উপযোগী করে তৈরি।

চীন বলেছে, ইয়েমেনের হুতিদের ওপর জাতিসংঘের আরোপ করা অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা তারা মেনে চলে। তবে চীনা উৎসের যন্ত্রাংশের ক্রমবর্ধমান ব্যবহার এমন প্রশ্ন সামনে এনেছে যে, দ্বৈত ব্যবহারযোগ্য প্রযুক্তি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর হাতে পৌঁছানো ঠেকাতে বিদ্যমান নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা কতটা কার্যকর।

আরও পড়ুন: জাপানি গণমাধ্যমে তারেক রহমানের সফর : ব্যাপক আগ্রহ ও কৌশলগত গুরুত্ব

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তরুণ প্রজন্মের কাছে সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তুলে ধরতে হবে: প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৯ পি.এম


তরুণ প্রজন্মের কাছে সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তুলে ধরতে হবে: প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুন প্রজন্মের কাছে নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য আরও ব্যাপকভাবে তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিল্পকলা একাডেমিগুলোকে সক্রিয় করার জন্য সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছেন।

সচিবালয়ে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক সভায় এসব নির্দেশনা প্রদান করেন।

সভায় লালন উৎসব ও নজরুলবর্ষকে কেন্দ্র করে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কর্মসূচি ও পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা হয়। বিশেষ করে ডিসেম্বর থেকে মে মাস পর্যন্ত অনুষ্ঠেয় শীতকালীন সাংস্কৃতিক উৎসব উপলক্ষে মন্ত্রণালয়ের গৃহীত ও প্রস্তাবিত কর্মসূচি সম্পর্কে তাঁকে অবহিত করা হয়।

সভায় জানানো হয় যে, শীতকালীন সাংস্কৃতিক উৎসবে সার্কাস, গ্রামীণ সংস্কৃতি, নৌকাবাইচ, ঘুড়ি উৎসব, ঘোড়দৌড়, পাপেট শো এবং বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়াও, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের অংশগ্রহণে উৎসব আয়োজনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

এ ছাড়া, জুলাই জাদুঘর, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, বাংলা একাডেমি, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধিরা তাঁদের চলমান কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

সভায় প্রধানমন্ত্রী শিল্পকলা একাডেমিগুলোকে আরও সক্রিয় করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশনা দেন। নতুন প্রজন্মের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণের ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, "ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির মাধ্যমে শিশুদের কাছে বই পৌঁছে দেওয়া যায় কি না, তা ভেবে দেখতে হবে।" তিনি পাঠচক্র, বই পড়ার প্রতিযোগিতা এবং এ ধরনের অন্যান্য উদ্যোগের মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার ওপর জোর দেন।

নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "আমাদের সংস্কৃতি হাজার বছরের। কিন্তু আমাদের তরুণ প্রজন্মের কাছে আমরা তা হয়তো যথাযথভাবে তুলে ধরতে পারছি না। প্রযুক্তির কল্যাণে আমরা বিদেশি সংস্কৃতির প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছি, নতুন নতুন বিষয়ের সঙ্গে পরিচিত হচ্ছি। কিন্তু তার মানে এই নয় যে নিজেদের সংস্কৃতি ভুলে যাব। আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য কীভাবে আরও বেশি করে তরুণ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা যায়, তা নিয়ে ভাবতে হবে।"

কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "উপস্থিত সবারই কোনো না কোনো যোগ্যতা রয়েছে। তাই প্রত্যেককে নিজেদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা দিয়ে কাজ করতে হবে।" তিনি আরও বলেন, "আমরা যদি আমাদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা দিই, তাহলে আমরা সবাই মিলে যে ধরনের দেশ দেখতে চাই, অন্তত তার কিছুটা হলেও বাস্তবায়ন করতে পারব। দেশের জন্য কিছু করার সুযোগ আমাদের রয়েছে। আমরা যেন সেই সুযোগ কাজে লাগাই।"

সভায় সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাণিজ্য মেলার মাঠে নতুন সচিবালয় নির্মাণে শেকৃবি ও পরিবেশবিদদের উদ্বেগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৯ পি.এম


বাণিজ্য মেলার মাঠে নতুন সচিবালয় নির্মাণে শেকৃবি ও পরিবেশবিদদের উদ্বেগ

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে নতুন সচিবালয় কমপ্লেক্স নির্মাণের সরকারি উদ্যোগের কারণে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও পরিবেশবিদরা। শেকৃবির শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা জমিটি কৃষি গবেষণার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে, আগারগাঁও এলাকায় নতুন সচিবালয় নির্মাণ হলে যানজট এবং পরিবেশের ওপর চাপ বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন পরিবেশবিদরা।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, প্রশাসনিক জটিলতায় দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা জমিটি কৃষি গবেষণার কাজে ব্যবহারের দাবি জানিয়ে আসছেন শেকৃবির শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। নতুন সচিবালয় নির্মাণের উদ্যোগ শুরু হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

গবেষণার অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং এরশাদ আমলে জোরপূর্বক দখল করা জমি পুনরুদ্ধারের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা মানববন্ধনের ডাক দিয়েছেন। পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে যাত্রা ও স্মারকলিপি দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। একই দিন সকাল সাড়ে ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরবেন তারা।

এদিকে, জাতীয় সংসদ ভবনসংলগ্ন আগারগাঁওয়ের উন্মুক্ত ও পরিবেশগতভাবে সংবেদনশীল এলাকায় বড় প্রশাসনিক অবকাঠামো নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)। সংগঠনটির সভাপতি অধ্যাপক ড. নুর মোহাম্মদ তালুকদার এবং সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর কবির এক যৌথ বিবৃতিতে সরকারের উদ্যোগটি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, সংসদ ভবন এলাকার স্থাপত্য ঐতিহ্য, উন্মুক্ত স্থানের সুরক্ষা এবং দীর্ঘমেয়াদি নগর ব্যবস্থাপনার বিষয়গুলো বিবেচনা না করে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া সমীচীন নয়। আগারগাঁও ও রোকেয়া সরণি এলাকায় ইতিমধ্যেই বাণিজ্যিক ও প্রাতিষ্ঠানিক চাপ রয়েছে। প্রধান প্রশাসনিক কার্যালয় স্থানান্তরিত হলে যানবাহন ও মানুষের চলাচল বৃদ্ধি পাবে। এতে সড়ক যোগাযোগ ও নগরজীবনে আরও চাপ সৃষ্টি হতে পারে।

সচিবালয় নির্মাণের উদ্যোগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন পরিবেশবিদ অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীকে ধাপে ধাপে স্থানান্তরের সুপারিশ করে আসছেন তারা। আগারগাঁওয়ের মতো ব্যস্ত এলাকায় নতুন সচিবালয় নির্মাণের সুনির্দিষ্ট বা যৌক্তিক সুফল তিনি দেখছেন না।

তিনি আরো বলেন, এলাকাটিকে ‘নীরব এলাকা’ ঘোষণা করা হলেও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি। সেখানে সচিবালয়ের মতো প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা হলে পরিবেশের ওপর আরও চাপ তৈরি হতে পারে।

অধ্যাপক আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার বলেন, বড় অবকাঠামো নির্মাণের আগে যথাযথ পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন (ইআইএ) করা জরুরি। এ প্রকল্পের ক্ষেত্রে এমন সমীক্ষা করা হয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। সমীক্ষা করা হয়ে থাকলে তা সাধারণ মানুষের জানার জন্য প্রকাশের আহ্বান জানান এই পরিবেশবিদ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কবে অবসর নেবেন, জানিয়ে দিলেন সিকান্দার রাজা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪০ পি.এম


কবে অবসর নেবেন, জানিয়ে দিলেন সিকান্দার রাজা

জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ক্যারিয়ারের শেষ অংশকে স্মরণীয় করে রাখতে চান। ৪০ বছর বয়সি এই অলরাউন্ডার ২০২৭ সালে নিজেদের মাটিতে ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলার সুযোগকে জীবনের বিশেষ প্রাপ্তি হিসেবে দেখছেন। তিনি জানিয়েছেন, ক্যারিয়ারের শেষ পর্যায়ে এসে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পাওয়া তার জন্য আশীর্বাদের মতো।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ‘সিক্সআর’ নামের একটি মোবাইল ক্রিকেট গেমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাজা তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি উল্লেখ করেন, অনেক ক্রিকেটারই বিশ্বকাপ খেলে ক্যারিয়ার শেষ করার স্বপ্ন দেখেন। তার ক্যারিয়ারও বর্তমানে শেষের দিকে। এই সময়ে দেশের মাটিতে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাওয়াটা তার কাছে বিশেষ সম্মানের বিষয়।

রাজার বক্তব্যে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে, ২০২৭ বিশ্বকাপের পর তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানাতে পারেন। তিনি বিশ্ববাসীর সামনে আফ্রিকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ক্রিকেটপ্রেমীদের উচ্ছ্বাস এবং স্থানীয় সংস্কৃতি তুলে ধরার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেছেন। বিশেষ করে জিম্বাবুয়ের আতিথেয়তা ও পরিবেশের অভিজ্ঞতা পর্যটক ও ক্রিকেটপ্রেমীদের দীর্ঘদিন মনে থাকবে বলে তার বিশ্বাস।

২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে। জিম্বাবুয়ের লিগ পর্বের ম্যাচগুলো হারারে, বুলাওয়ে এবং ভিক্টোরিয়া ফলসের নতুন ভেন্যুতে আয়োজন করা হবে। মোসি-ওয়া-তুনিয়া আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম নামের এই মাঠে ভারত ও জিম্বাবুয়ের ম্যাচ দিয়ে উদ্বোধন করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি সেখানে সুপার সেভেন পর্বের তিনটি ম্যাচ আয়োজনের কথাও রয়েছে।

ঘরের মাঠের সুবিধা কাজে লাগানোর বিষয়ে আশাবাদী হলেও রাজা মনে করেন বিষয়টি সহজ হবে না। তার মতে, আইসিসির টুর্নামেন্টে পিচ প্রস্তুতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক সংস্থার ভূমিকা থাকায় স্বাগতিকদের পছন্দমতো সবকিছু করা সম্ভব হয় না। তবে নিয়মের মধ্যে থেকে যতটা সম্ভব সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করবে জিম্বাবুয়ে।

নতুন স্টেডিয়ামটি নিয়ে রাজা বেশ উচ্ছ্বসিত। তিনি মনে করেন, ভিক্টোরিয়া ফলসের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বিশ্বকাপে আগত দর্শকদের বাড়তি আকর্ষণ হয়ে উঠবে। জলপ্রপাতের শব্দ, মনোমুগ্ধকর সূর্যাস্ত এবং স্থানীয় মানুষের আন্তরিক আতিথেয়তা পর্যটকদের জন্য আলাদা অভিজ্ঞতা তৈরি করবে বলেও তার আশা।

এদিকে, রাজা বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে জিম্বাবুয়েকে অন্তর্ভুক্ত করার পক্ষেও মত দিয়েছেন। আগামী চক্রে টুর্নামেন্টে দলের সংখ্যা ১২-তে উন্নীত হলে আফগানিস্তান, আয়ারল্যান্ড ও জিম্বাবুয়ের খেলার সুযোগ তৈরি হতে পারে। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাহী টড গ্রিনবার্গও সম্প্রতি এ ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন।

বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে খেলার সুযোগ পেলে জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটের উন্নতি ত্বরান্বিত হবে বলে বিশ্বাস রাজার। তার মতে, শুরুতে দল ভালো ফল না পেলেও শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে নিয়মিত খেলার সুযোগ সব সংস্করণেই পারফরম্যান্স বাড়াতে সহায়তা করবে। তাই এমন সিদ্ধান্ত হলে তিনি প্রথম সারিতেই এর সমর্থনে থাকবেন।

তবে রাজা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, অবসরের পর আর ক্রিকেটে ফেরার কোনো পরিকল্পনা নেই। তার ভাষ্য, সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর তা থেকে সরে আসার মানুষ তিনি নন। অবসর ঘোষণার পর আবার সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করার চিন্তাও তার নেই।

এদিকে, সিক্সআর গেমটির ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে যুক্ত হয়েছেন ২০ জনের বেশি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। তাদের মধ্যে রয়েছেন লোকেশ রাহুল, ক্রিস গেইল, শহীদ আফ্রিদি ও এউইন মরগানের মতো তারকারা। গেমটির মাধ্যমে ভক্তরা তাদের প্রিয় ক্রিকেটারদের বিপক্ষে সরাসরি খেলার সুযোগ পাবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্রান্সে ছোট নৌকা ঠেকাতে ৫০ জন দাঙ্গা পুলিশ মোতায়েন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪০ পি.এম


ফ্রান্সে ছোট নৌকা ঠেকাতে ৫০ জন দাঙ্গা পুলিশ মোতায়েন

ইংলিশ চ্যানেল সংলগ্ন ফ্রান্সের উত্তরাঞ্চলীয় উপকূলে সমুদ্র পারাপারের ব্যস্ততম দিনগুলোতে মানব পাচারকারী ও অবৈধ অভিবাসীদের দমনে অতিরিক্ত দাঙ্গা পুলিশ মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফ্রান্স।

এই উদ্দেশ্যে ‘কম্পানি রিপাবলিকেন ডি সেকিউরিট’ (সিআরএস)-এর ৫০ জন বিশেষজ্ঞ পুলিশ সদস্য নিয়ে একটি দল গঠন করা হয়েছে। এই দলটি পাচারকারীদের নতুন কৌশল মোকাবেলা করতে প্রস্তুত। বর্তমানে মানব পাচারকারীরা অপেক্ষাকৃত বড় আকারের ডিঙ্গি নৌকা ব্যবহার করছে এবং সেগুলো ফ্রান্সের উত্তর উপকূলের আরও পশ্চিম দিক থেকে সাগরে নামাচ্ছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যদের বিশেষ জনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। তারা প্রয়োজনবোধে টিয়ার গ্যাস, ডিসপারসাল গ্রেনেড, ওয়াটার ক্যানন এবং রাবার বুলেটের মতো দাঙ্গা দমন সরঞ্জাম ব্যবহার করতে পারবেন। উচ্চপর্যায়ের কোনো সহিংস পরিস্থিতির সম্মুখীন হলে আগাম সতর্কতা ছাড়াই তাৎক্ষণিক বলপ্রয়োগ করার আইনি এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে তাদের কমান্ডারদের।

দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, পাচারকারী চক্রের ক্রমবর্ধমান সহিংসতা, সমুদ্র সৈকত দিয়ে বিপুল সংখ্যক মানুষের অনুপ্রবেশের চেষ্টা এবং অস্ত্র বা পাথর ব্যবহারের মতো আক্রমণাত্মক কৌশল বানচাল করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

নতুন এই ৫০ জন কর্মকর্তা ২০২৭ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন, যার মাধ্যমে এই অঞ্চলের বিশেষ দাঙ্গা পুলিশ বাহিনীর সদস্যসংখ্যা বেড়ে ১০০ জনে দাঁড়াবে। তারা বর্তমানে সেখানে নিয়োজিত ১,০৫০ জন ফরাসি জেন্ডারমে ও সাধারণ পুলিশের বাইরে কাজ করবেন। উল্লেখ্য, যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদের সঙ্গে চলতি বছরের শুরুর দিকে স্বাক্ষরিত ৬৬ কোটি ২০ লাখ পাউন্ডের চুক্তির আওতায় উক্ত ১,০৫০ জন সদস্যের অর্থায়ন করছে যুক্তরাজ্য।

বর্তমানে দায়িত্বরত ১,০৫০ জন সদস্যের মধ্যে রয়েছে ৫০ সদস্যের স্থায়ী সিআরএস দাঙ্গা ইউনিট, ৭৫ সদস্যের একটি বিশেষ মাইগ্রেশন ইউনিট এবং একটি এলিট মেরিন টিম। এই মেরিন টিমটি গত বসন্ত থেকে এখন পর্যন্ত সমুদ্রে পাচারকারীদের অন্তত ১৫টি 'ট্যাক্সি বোট' পথরোধ করেছে, যার অনেকগুলোই সৈকতে অভিবাসীদের তোলার আগেই আটকে দেওয়া সম্ভব হয়েছিল।

অতিরিক্ত ৫০ জন দাঙ্গা পুলিশ সদস্য মূলত সেই সব 'লাল চিহ্নিত' দিনে মোতায়েন থাকবেন, যেসব দিনে আবহাওয়া ও সমুদ্রের পরিস্থিতি নৌকা পারাপারের জন্য সবচেয়ে সুবিধাজনক থাকে। সাধারণত বছরে এ ধরনের আবহাওয়া বছরের মোট দিনগুলোর প্রায় এক-তৃতীয়াংশ হয়ে থাকে।

যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ বলেন, "নির্বাচনের পর থেকে এখন পর্যন্ত ৫০,০০০-এরও বেশি অবৈধ পারাপারের চেষ্টা প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়েছে এবং অভিবাসীদের আগমনের সংখ্যাও উল্লেখজনকভাবে কমেছে। চ্যানেলের উভয় পাড়ের যৌথ প্রচেষ্টা ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।"

তিনি আরও যোগ করেন, "পুলিশের প্রতিটি প্রতিরোধই এই অবৈধ ব্যবসার পেছনে থাকা পাচারকারীদের জন্য একেকটি বড় ধাক্কা। তবে আমরা এতেই আত্মতুষ্ট হয়ে বসে থাকছি না। আমরা এসব অপরাধী চক্রের পেছনে লাগাতার তাড়া চালিয়ে যাব এবং ছোট নৌকার অবৈধ অনুপ্রবেশ বন্ধ করব।"

চলতি বছরে এখন পর্যন্ত প্রায় ২১,০০০ অভিবাসী সমুদ্রপথে যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছে, যা গত বছরের একই সময়ের (৩৫,২৫৮ জন) তুলনায় প্রায় ৪০ শতাংশ কম। যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত সময়কে ২০২০ সালের পর থেকে সবচেয়ে কম গ্রীষ্মকালীন অনুপ্রবেশের সময় হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

সম্প্রতি ২৮ সেপ্টেম্বর বেলজিয়াম থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্যাক্সি বোট মাঝসাগরে ফরাসি পুলিশ আটক করে এবং দুই নৌচালককে গ্রেপ্তার করে। এছাড়া পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে নৌকার আরও তিন যাত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এর আগে ২২ সেপ্টেম্বর, ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করে একটি ভ্যান গাড়ি চিহ্নিত করে ফরাসি পুলিশ। গাড়িটি ছোট নৌকার সরঞ্জাম নিয়ে উপকূলের দিকে যাচ্ছিল। নিরাপত্তা বাহিনী গাড়িটি আটকে চালককে গ্রেপ্তার করে এবং ভেতরের সব সরঞ্জাম বাজেয়াপ্ত করে।

একই দিনে ফরাসি নিরাপত্তা বাহিনী সৈকতের দিকে রওনা হওয়া প্রায় ১০০ জন অভিবাসীর একটি দলকে নজরদারিতে রাখে। দলটি যে নৌকায় ওঠার প্রস্তুতি নিচ্ছিল, পুলিশ সদস্যরা তা অকেজো করে দেয়। ফলে ঝুঁকিপূর্ণ একটি গণ-যাত্রার চেষ্টা ভেস্তে যায় এবং অনেক মানুষের জীবন রক্ষা পায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%