ঢাকা সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

জঙ্গল সলিমপুরে বিএনপির ৭১ সদস্যের কমিটি গঠন


জঙ্গল সলিমপুরে বিএনপির ৭১ সদস্যের কমিটি গঠন

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বহুল আলোচিত পাহাড়ি জনপদ জঙ্গল সলিমপুরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৭১ সদস্যবিশিষ্ট সাংগঠনিক ওয়ার্ড কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এই কমিটিতে সভাপতি হিসেবে বোরহান উদ্দিন জিয়াকে এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মিজানুর রহমান রাজুকে মনোনীত করা হয়েছে।

সলিমপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মো. জাহাঙ্গীর আলম এবং সদস্যসচিব খ ম নাজিম উদ্দিন এ পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন প্রদান করেন।

কমিটিতে সিনিয়র সহসভাপতি পদে আবদুর সাত্তার, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক পদে মো. হেলাল উদ্দিন মিয়া, যুগ্ম সম্পাদক পদে আহমদ উল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে শাহজাহান বাদশা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মো. হাসান, অর্থ সম্পাদক পদে শরীফ হোসেন এবং কার্যকরী সদস্য পদে সাইদুল হক ছাদু নির্বাচিত হয়েছেন।

আরও পড়ুন: নতুন পে স্কেলে তিন মাসের বর্ধিত বেতন কবে পাবেন সরকারি কর্মচারীরা?

নবগঠিত কমিটির নেতারা জানান, সংগঠনকে সুসংগঠিত, গতিশীল ও শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে জঙ্গল সলিমপুরে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারকে সহযোগিতা করার পাশাপাশি জঙ্গল সলিমপুরে দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করতে এই কমিটি কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

উল্লেখ্য, সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর চারদিকে পাহাড়বেষ্টিত একটি বহুল আলোচিত এলাকা। বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে পুরো এলাকা, যেখানে পুলিশ ও র‍্যাবের দুটি ক্যাম্প রয়েছে এবং নিয়মিত যৌথ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁদপুরায় মৎস্যজীবী দলের নেতা আলিম সরদারকে মারধরের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মো: ফারুক মুন্সি

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:২২ এম


চাঁদপুরায় মৎস্যজীবী দলের নেতা আলিম সরদারকে মারধরের অভিযোগ

বরিশালের ৮ নম্বর চাঁদপুরা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে মৎস্যজীবী দলের নেতা মো. আলিম সরদারকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে মো. আলিম সরদার নিজ বাড়ি থেকে বাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হন। এ সময় সাখাওয়াত শিকদারের সমীরের সামনে তাঁর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, এ সময় কয়েকজন ব্যক্তি লাঠিসোঁটা, লোহার রড, রামদা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁর ওপর হামলা চালান এবং এলোপাতাড়ি মারধর করেন।

এ ঘটনায় যাঁদের নাম অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, তাঁরা হলেন-মো. কবির শিকদার (৬৫), মো. হেলাল শিকদার (৫০), মো. রাব্বি শিকদার (২৫), মো. রাহাত শিকদার (৩০) ও মো. সিরাজ শিকদার (২৮)। তাঁদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগও করা হয়েছে।

তবে হামলার কারণ, ঘটনার প্রকৃত বিবরণ এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে তাঁদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা সংবাদে যুক্ত করা হবে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ও তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঘোষণার আট বছরেও সুন্দরবনে দস্যুতা অব্যাহত, আতঙ্কে বনজীবীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:২২ এম


ঘোষণার আট বছরেও সুন্দরবনে দস্যুতা অব্যাহত, আতঙ্কে বনজীবীরা

আজ সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত ঘোষণার আট বছর পূর্ণ হয়েছে। তবে এই ঘোষণার পরও বন ও জলদস্যুদের কার্যক্রম থেমে থাকেনি। এখনো বনের নদী-খালে মাছ ও কাঁকড়া ধরতে যাওয়া জেলেরা এবং বনজীবীদের অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করছে বিভিন্ন দস্যু বাহিনী। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, সুন্দরবনে বর্তমানে অন্তত ১১টি দস্যু বাহিনী সক্রিয় রয়েছে। এসব বাহিনীতে শতাধিক সদস্য সক্রিয় রয়েছে।

সম্প্রতি কোস্ট গার্ড ও এসআরবি-৬-এর ধারাবাহিক অভিযানে জিম্মি জেলেদের উদ্ধার, বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ এবং দস্যুদের আস্তানার সন্ধান পাওয়ার ফলে সুন্দরবনের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। একদিকে যেমন দস্যু দমনের অভিযান চলছে, অন্যদিকে জেলে অপহরণ, মুক্তিপণ আদায় এবং বনের সম্পদ লুটের ঘটনার মতো ঘটনা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।

এক সময় জলদস্যু ও বনদস্যুদের আতঙ্কে সুন্দরবনে মাছ ধরা, মধু সংগ্রহ কিংবা গোলপাতা কাটতে যাওয়া ছিল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। অপহরণ, নির্যাতন ও মুক্তিপণের দাবিতে বনজীবীরা অতিষ্ঠ ছিলেন। ২০১৬ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে ৩২টি দস্যু বাহিনীর ৩২৮ জন সদস্য আত্মসমর্পণ করেন। তাঁদের কাছ থেকে ৪৬২টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ২২ হাজার ৫০৪টি গোলাবারুদ জমা নেওয়া হয়। ২০১৮ সালের ১ নভেম্বর আরো ছয়টি দস্যু বাহিনীর ৫৪ সদস্য আত্মসমর্পণ করেন। ওই দিনই সুন্দরবনকে আনুষ্ঠানিকভাবে দস্যুমুক্ত ঘোষণা করা হয়। কিন্তু এখনও সুন্দরবন কিংবা বনের ওপর নির্ভরশীল মানুষের জীবন-জীবিকা নিরাপদ হয়নি।

এখনো জেলে অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি, হরিণ শিকার, বিষ প্রয়োগে মাছ ধরা এবং বনজসম্পদ লুটের মতো ঘটনা ঘটছে। তবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর অভিযান, দস্যুদের আত্মসমর্পণ এবং নিরাপত্তায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বেড়েছে। ফলে দস্যুমুক্ত ঘোষণার আট বছরে সুন্দরবনের সামনে অর্জন ও সংকট—দুই বাস্তবতাই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সুন্দরবনের নিরাপত্তায় কোস্ট গার্ড, এসআরবি-৬, নৌ পুলিশ ও বন বিভাগের সদস্যরা কাজ করছেন।

১১ দস্যু বাহিনীর শতাধিক সদস্য সক্রিয়

বর্তমানে সুন্দরবনে ১১টি দস্যু বাহিনীর তত্পরতা রয়েছে। বাহিনীগুলো হলো করিম শরীফ বাহিনী, কাজল মুন্না বাহিনী, দয়াল বাহিনী, ছাত্তার বাহিনী, মামা-ভাগ্নে বা সুলতান বাহিনী, মিঠু বাহিনী, বাম্বা বাহিনী, মজিদ বাহিনী, মঞ্জু বাহিনী, ভাই ভাই বাহিনী ও দাদা ভাই বাহিনী। এসব বাহিনীতে শতাধিক সক্রিয় সদস্য রয়েছেন বলে জানা গেছে।

লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানিয়েছেন, সুন্দরবনে সক্রিয় দস্যু বাহিনীগুলোর কার্যক্রমের ওপর নিয়মিত গোয়েন্দা নজরদারি রাখা হচ্ছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে বিশেষ অভিযানও পরিচালিত হচ্ছে।

দুই বিশেষ অভিযানে ৪১ দস্যু আটক

সুন্দরবনের সব বনদস্যুর বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানিয়েছেন, সুন্দরবনের সক্রিয় বনদস্যু বাহিনী নির্মূল এবং উপকূলীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সমন্বয়ে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ ও ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামের দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এসব অভিযানের মূল লক্ষ্য সক্রিয় দস্যু বাহিনী নির্মূল করা এবং সাধারণ জেলে, বাওয়ালি, মৌয়াল ও বনজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

কোস্ট গার্ডের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এ পর্যন্ত ৪১ জন বনদস্যুকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ৫৯টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, ১৫ রাউন্ড তাজা গোলা, ৩৫৯ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ১১৫ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ, ১৯৪ রাউন্ড এয়ারগানের গোলা ও দুটি ওয়াকিটকি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া দস্যুদের হাতে জিম্মি থাকা ৫২ জন জেলে, দুই পর্যটক ও একজন রিসোর্ট মালিককে জীবিত উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

৫১ দস্যুর আত্মসমর্পণ, এসআরবি-৬-এর অভিযানে ৭৪ আত্মসমর্পণ

কোস্ট গার্ডের ধারাবাহিক অভিযানে কোণঠাসা হয়ে ছোট সুমন বাহিনী, বড় জাহাঙ্গীর বাহিনী, ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনী, নানা ভাই বাহিনী ও মজনু বাহিনীর মোট ৫১ জন সদস্য আত্মসমর্পণ করেছেন। এ সময় তাঁরা ৪৮টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, ৫৮১ রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও ৮৭ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ জমা দেন। অন্যদিকে এসআরবি-৬-এর তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত অভিযানের মুখে গত সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর—এই দুই মাসে ছয়টি জলদস্যু বাহিনীর ৭৪ জন সদস্য দুই ধাপে আত্মসমর্পণ করেছেন। একই সময়ে চলা অভিযানে বিভিন্ন ধরনের ৭৩টি অস্ত্র, ৮৫২ রাউন্ড গোলাবারুদ এবং দস্যুতার কাজে ব্যবহূত অন্যান্য সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

ঘোষণার পরও কেন ফিরছে দস্যুতা?

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু অভিযান চালিয়ে দস্যুতা নির্মূল করা সম্ভব নয়। দস্যুদের আত্মসমর্পণের পর পুনর্বাসন, তাঁদের অপরাধে ফিরে যাওয়ার প্রবণতা পর্যবেক্ষণ, স্থানীয় পর্যায়ে গোয়েন্দা নজরদারি, দস্যুদের অর্থনৈতিক নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়ার উদ্যোগ, নতুন দস্যু বাহিনীর উত্থান ঠেকানো এবং অস্ত্র ও অর্থের উত্স শনাক্ত করার বিষয়গুলোও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন অপরাধ বিশ্লেষকরা।

আত্মসমর্পণ করলে সহায়তা, না হলে কঠোর ব্যবস্থা

এসআরবি-৬ (খুলনা)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নিস্তার আহমেদ কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন, দস্যু দমনে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দস্যুরা আত্মসমর্পণ করলে তাঁদের সহায়তা দেওয়ার জন্য বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। অন্যথায় অন্ধকারের পথ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে না এলে এবং দস্যুতায় জড়িত থাকলে তাঁদের আরো কঠোর আইনের মুখোমুখি হতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক এবং সমাজ ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হক বলেছেন, বনজীবী, স্থানীয় জনগণ, বন বিভাগ, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বিভিন্ন সংস্থা ও প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগই পারে বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনকে স্থায়ীভাবে দস্যুমুক্ত ও নিরাপদ রাখতে।

তিনি বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চলমান অভিযান, নজরদারি ও পেশাদার তৎপরতা এ লক্ষ্য অর্জনের একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করেছে। এ ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে সুন্দরবন আরো নিরাপদ হবে। একই সঙ্গে নিরাপদ থাকবে বনের ওপর নির্ভরশীল হাজারো মানুষের জীবন-জীবিকা এবং দেশের অমূল্য প্রাকৃতিক সম্পদ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পিলখানা হত্যাকাণ্ডে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে অবসরপ্রাপ্ত মেজর খন্দকার আব্দুল হাফিজ গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:২৩ এম


পিলখানা হত্যাকাণ্ডে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে অবসরপ্রাপ্ত মেজর খন্দকার আব্দুল হাফিজ গ্রেপ্তার

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) অবসরপ্রাপ্ত মেজর খন্দকার আব্দুল হাফিজকে গ্রেপ্তার করেছে রাষ্ট্রের নিরাপত্তাবিরোধী কার্যক্রম ও পিলখানা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে।

রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে শনিবার দিবাগত রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আইন শৃঙ্খলাবাহিনী সূত্রে জানা যায়, রাষ্ট্রের নিরাপত্তাবিরোধী বিভিন্ন কার্যক্রমে তার সংশ্লিষ্টতা, বিডিআর হত্যাকাণ্ডে ষড়যন্ত্র এবং খুনিদের সঙ্গে যোগসাজসের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারের পর তাকে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে তার জিজ্ঞাসাবাদ চলছে বলে জানা গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
আব্দুল কাদেরের পোস্ট

লংমার্চ থেকে ফিরে আমিরে জামায়াত সংসদে সরকারের পক্ষে সাফাই গাইবেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:২৩ এম


লংমার্চ থেকে ফিরে আমিরে জামায়াত সংসদে সরকারের পক্ষে সাফাই গাইবেন

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক আব্দুল কাদের জানিয়েছেন, আজ জামায়াতের লংমার্চের সময় একটি বাস দুর্ঘটনায় একজন পথচারী নিহত হয়েছেন। এছাড়াও, দলের অনেক নেতাকর্মী মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন। লংমার্চের কারণে যান চলাচল বন্ধ হওয়ায় জনসাধারণের ভোগান্তির চিত্রও মিডিয়ায় ফুটে উঠেছে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) দিবাগত রাতে তিনি নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্টে এসব তথ্য তুলে ধরেন।

পোস্টে আব্দুল কাদের উল্লেখ করেছেন, তিনি লক্ষ্য করেছেন যে, অনেকেই পদযাত্রার সময় কৌশল হিসেবে বারবার পাঞ্জাবী পরিবর্তন করেছেন এবং হেলমেটের আশ্রয়ও নিয়েছেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, "এতো এতো কসরত, ভোগান্তি আর প্রাণহানির প্রয়োজন আছে কী?" তিনি মন্তব্য করেছেন যে, লংমার্চ থেকে ফিরে আমিরে জামায়াত সংসদে দাঁড়িয়ে সরকারের পক্ষে সাফাই গাইবেন।

তিনি আরও বলেন, যদি জামায়াত নির্বাচন পরবর্তীতে বা আগামী স্থানীয় নির্বাচন উপলক্ষে তাদের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদেরকে চাঙ্গা করতে চায়, তাহলে তারা দলীয় ব্যানারে ভিন্ন নামে ভিন্ন কর্মসূচি দিতে পারে। এর ফলে লংমার্চ নামক সর্বোচ্চ রাজনৈতিক কর্মসূচিটিও ব্যাহত হবে না, জনমানুষের ভোগান্তি হবে না এবং প্রাণহানীও ঘটবে না।

তিনি আরো যোগ করেন, তবে সরকারের সঙ্গে বিভিন্ন দেনদরবারে কিছুটা সমস্যায় পড়তে পারে, কিন্তু সেটা ছুটির দিনে ঢাকায় একটি বিক্ষোভ কর্মসূচি দিয়ে পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব।

আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, আমিরে জামায়াত বিষয়টি বিবেচনায় নেবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%