০৩:২৬ এম
নেয়ামতিতে ৫০টি ও কবাইয়ে ৩০টি রাস্তা নির্মাণ ও সংস্কার, মসজিদ-মাদ্রাসায় বালু ভরাট, অসহায় পরিবারের ঘর নির্মাণ-১৪ ইউনিয়নেই এমন জনপ্রতিনিধি চান এলাকাবাসী।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অপেক্ষায় না থেকে নিজ অর্থায়নে বিভিন্ন উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আলোচনায় এসেছেন দুই বিএনপি নেতা। তাঁরা হলেন নেয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সোহেল ফরাজী এবং কবাই ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কামরুল হাসান রুবেল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়ার আগেই তাঁরা নিজ নিজ এলাকায় বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হয়েছেন। তাঁদের এমন উদ্যোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আলোচনা সৃষ্টি করেছে।
আরও পড়ুন: জামায়াতের বাসের ধাক্কায় পথচারী নিহত, খাদে পড়ে আহত ৩০ নেতাকর্মী
স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নেয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সোহেল ফরাজী নিজ অর্থায়নে প্রায় ৫০টি বাড়ির চলাচলের রাস্তা ও কাঁচা রাস্তা নির্মাণ এবং সংস্কার করেছেন। এ ছাড়া প্রায় ২০ থেকে ২৫টি বাড়ির রাস্তা বালু দিয়ে ভরাট ও ইট বিছিয়ে চলাচলের উপযোগী করেছেন। বিভিন্ন মসজিদ-মাদ্রাসায় বালু ভরাটের পাশাপাশি কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের খেলার মাঠও বালু দিয়ে ভরাট করে দিয়েছেন, যাতে শিশুরা খেলাধুলার সুযোগ পায়।
অন্যদিকে, কবাই ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কামরুল হাসান রুবেল নিজ অর্থায়নে প্রায় ৩০টি রাস্তা নির্মাণ ও সংস্কার করেছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। পাশাপাশি পাঁচ থেকে সাতটি দরিদ্র, অসহায় ও দুস্থ পরিবারকে নিজ খরচে ঘর নির্মাণ করে দিয়েছেন। দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকার পাশাপাশি ব্যক্তিগত উদ্যোগে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন বলেও জানান স্থানীয়রা।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, অনেক নেতা নির্বাচনের আগে রাস্তা, ঘাট ও কালভার্ট নির্মাণসহ নানা উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিলেও নির্বাচনের পর তাঁদের আর খুঁজে পাওয়া যায় না। তবে সোহেল ফরাজী ও কামরুল হাসান রুবেলের জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডকে তাঁরা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রত্যাশা, বাকেরগঞ্জের ১৪টি ইউনিয়নেই যদি এ ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ গ্রহণকারী নেতৃত্ব গড়ে ওঠে, তাহলে এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান আরও উন্নত হবে।
আরও পড়ুন: দেবিদ্বারে বাগমারা ইসলামী আলিম মাদ্রাসার ২১ পরীক্ষার্থী ফেল
তাঁদের মতে, জনপ্রতিনিধি হওয়ার আগে থেকেই মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং এলাকার উন্নয়নে ব্যক্তিগত উদ্যোগ নেওয়া প্রশংসনীয়। তবে এসব উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের সমন্বয়ও জরুরি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন