ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যমজ ভাইদের সঙ্গে যমজ বোনদের বিয়ে, একটি ব্যতিক্রমী প্রেমের কাহিনী


যমজ ভাইদের সঙ্গে যমজ বোনদের বিয়ে, একটি ব্যতিক্রমী প্রেমের কাহিনী

ভালোবাসার গল্প অনেক রকম হয়ে থাকে। তবে এরকম বিশেষ একটি গল্প খুব কমই শোনা যায়, যেখানে যমজ দুটি ভাই বিয়ে করেন যমজ দুটি বোনকে, এবং কাকতালীয়ভাবে দুই জোড়া নবদম্পতির নামও এক!

নাইজেরিয়ার ইবাদান শহরে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে এমন একটি ব্যতিক্রমী বিয়ের আয়োজন। যমজ ভাই তাইও ওগুনতোয়ে এবং কেহিন্দে ওগুনতোয়ে বিয়ে করেছেন যমজ বোন তাইও আদেদিরান ও কেহিন্দে আদেদিরানকে। এর আরও মজার বিষয় হলো, ভাই তাইওর জীবনসঙ্গী হয়েছেন বোন তাইও, আর ভাই কেহিন্দে বিয়ে করেছেন বোন কেহিন্দেকে।

গত শনিবার (২০ জুন) রঙিন আয়োজনের এই দ্বৈত বিয়েতে চারজনই পরেছিলেন একইভাবে তৈরি পোশাক। পরিবারের সদস্য, বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের উপস্থিতিতে ইবাদানের বিশপ আকিনইয়েলে মেমোরিয়াল অ্যাংলিকান চার্চে সম্পন্ন হয় বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা।

আরও পড়ুন: আরাকান আর্মির হাতে রোহিঙ্গাদের দাস বানিয়ে শোষণ, জমি দখল ও জাতিগত নিধন

কিন্তু এই প্রেমের গল্পের শুরুটা এতটা সহজ ছিল না। বর তাইও জানান, ‘আমরা সবসময়ই একসঙ্গে বিয়ে করতে চেয়েছিলাম, আর আমাদের ইচ্ছা ছিল যমজ মেয়েদেরই বিয়ে করার।’

কিন্তু শুরুতে, দুই বোন মোটেও এই প্রস্তাবে রাজি ছিলেন না। হাসতে হাসতে কনে কেহিন্দে বলেন, ‘আমরা প্রথমে বলেছিলাম, না, আমরা যমজদের সঙ্গে প্রেম করতে চাই না।’

সময়ের সঙ্গে বদলে যায় তাদের সিদ্ধান্ত। বন্ধুত্ব থেকে শুরু হয় সম্পর্ক, আর সেই সম্পর্কই শেষে গড়ায় বিয়েতে। বহুদিনের স্বপ্ন পূরণ করে চারজনই একসাথে নতুন জীবনে পা রাখেন।

বিয়ের আগে ঐতিহ্যবাহী বাগদান অনুষ্ঠান এবং পরে জমকালো ‘হোয়াইট ওয়েডিং’ অনুষ্ঠিত হয়। গত রোববার (২১ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে যমজ ভাইরা যৌথ পোস্টে লেখেন, ‘যমজরা বিয়ে করল যমজদের! গতকালের ঐতিহ্যবাহী বিয়ের অনুষ্ঠান ছিল অসাধারণ। আমাদের আনন্দের দিনে যারা পাশে ছিলেন, সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা।’ আরেকটি পোস্টে তারা লেখেন, ‘চিরদিনের জন্য একসঙ্গে।’

আরও পড়ুন: ইনজেকশনের ভয় দূর করতে অভিনব 'স্টিকি প্যাচ' উদ্ভাবন, ২৫ হাজার ডলার জয় ক্ষুদে ছাত্রীর

ইয়োরুবা সংস্কৃতিতে ‘তাইও’ নামের অর্থ হচ্ছে ‘যমজদের মধ্যে যে প্রথম পৃথিবীর স্বাদ নেয়’। অন্যদিকে ‘কেহিন্দে’ অর্থ হলো ‘যমজদের মধ্যে পরে জন্ম নেওয়া সন্তান’।

এই অনন্য বিয়ের গল্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। অনেকেই একে ‘দ্বিগুণ ভালোবাসা’ এবং ‘নিখুঁত কাকতালীয়তা’ বলে অভিহিত করেছেন। একই শহরে, একই সময়ে, একই রকম নামের দুই জোড়া যমজের এই মিলন যেন বাস্তবের চেয়েও বেশি অবিশ্বাস্য রূপকথার গল্প।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শরীয়তপুরে কবরস্থানে মিলল ককটেল মজুতের গোপন আস্তানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:১৩ এম


শরীয়তপুরে কবরস্থানে মিলল ককটেল মজুতের গোপন আস্তানা

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ একটি পারিবারিক কবরস্থান থেকে এক বালতি ভর্তি ককটেল উদ্ধার করেছে। এই ঘটনার ফলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) বিকেলে জাজিরা পৌরসভার কবিরাজকান্দি এলাকায় বিকট শব্দে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের ভয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পোঁছে তদন্ত শুরু করে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আলামত সংগ্রহের সময় জাজিরা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হেমায়েত বিভিন্ন সূত্র ধরে অনুসন্ধান চালাতে থাকেন। এক পর্যায়ে তিনি বিস্ফোরণস্থল থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে স্থানীয় শাহজাহান বেপারীর পারিবারিক কবরস্থানের একটি সন্দেহজনক স্থানে নজর দেন।

পরে কবরস্থানের এক কোণে ঘন ঝোপঝাড়ের মধ্যে পরিচালিত তল্লাশি চালিয়ে একটি প্লাস্টিকের বালতি উদ্ধার করা হয়। যখন বালতিটি খুলে দেখা হয়, তখন সেখানে বিপুল পরিমাণ ককটেল পাওয়া যায়। পুলিশ জানায়, খবর জানার সঙ্গে সঙ্গে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে ককটেলগুলো জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়।

স্থানীয়দের মতামত হলো, নির্জন এবং লোকচক্ষুর আড়ালে থাকায় কবরস্থানটিকে ককটেল মজুদের নিরাপদ স্থান হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে। তবে, কাদের দ্বারা এই ককটেল সেখানে রাখা হয়েছিল এবং কী উদ্দেশ্যে মজুত করা হয়েছিল, তা সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।

পুলিশ এ বিষয়ে জানিয়েছেন, বিকেলে ঘটিত ককটেল বিস্ফোরণের সঙ্গে উদ্ধার হওয়া ককটেলগুলোর সম্পর্ক রয়েছে কি না সে বিষয়ে গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ককটেলের উৎস, মজুদের উদ্দেশ্য এবং এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে কাজ চলছে।

জাজিরা থানার ওসি মো. সালেহ্ আহাম্মদ বলেছেন, "ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনার সূত্র ধরে অভিযান চালিয়ে একটি কবরস্থান থেকে এক বালতি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত হচ্ছে। কারা এসব ককটেল সেখানে মজুত করেছিল এবং কী উদ্দেশ্যে রেখেছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর: বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:১৫ এম


প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর: বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা

চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগিতা বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে আরও সম্প্রসারণের প্রত্যাশা নিয়ে। এই সফরটি সরকারের পাশাপাশি ব্যবসায়ী মহলে নতুন আশাবাদের সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে বাণিজ্য, অবকাঠামো, শিল্পায়ন, জ্বালানি, ডিজিটাল অর্থনীতি এবং প্রযুক্তি খাতে দুই দেশের সম্পর্ক উন্নত হওয়ার সম্ভাবনা এ সফরের মাধ্যমে তৈরি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানাচ্ছেন।

বাংলাদেশ এবং চীনের সম্পর্ক ইতোমধ্যে অবকাঠামো উন্নয়ন ও উৎপাদন খাতে গভীরভাবে সম্পৃক্ত হয়ে গেছে। পদ্মা সেতু রেল সংযোগ, বিদ্যুৎকেন্দ্র, অর্থনৈতিক অঞ্চল উন্নয়নসহ নানা বড় প্রকল্পে চীনা অংশগ্রহণ বাংলাদেশের উন্নয়ন কাঠামোতে গতি এনেছে। বর্তমানে চীন বাংলাদেশে একটি অন্যতম বড় উন্নয়ন অংশীদার এবং প্রধান আমদানিকারক দেশ হিসেবেও পরিচিত। যন্ত্রপাতি, ইলেকট্রনিকস, শিল্প কাঁচামাল এবং টেক্সটাইল ইনপুটের বড় অংশই চীন থেকে আসে।

প্রধানমন্ত্রী গতকাল (রোববার) মালয়েশিয়ায় দু'দিনের সফরে গেছেন। এটি তাঁর প্রথম দ্বিপক্ষীয় বিদেশ সফর। মালয়েশিয়া সফর শেষ করে আজ (সোমবার) রাতে কুয়ালালামপুর থেকে চীনের বন্দনগরী দালিয়ানের উদ্দেশে যাত্রা করবেন।

পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম গত শনিবার গণমাধ্যমে জানান, সফরের সময় চীনের শীর্ষ নেতৃত্বের সাথে প্রধানমন্ত্রী দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হবেন। সেই বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, উন্নয়ন সহযোগিতা, অবকাঠামো, জ্বালানি নিরাপত্তা, ডিজিটাল অর্থনীতি এবং আঞ্চলিক সংযোগ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

তিনি আরও বলেছেন, চীনা বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, চলমান প্রকল্পগুলোর দ্রুত বাস্তবায়ন এবং বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর বিষয়গুলো আলোচনায় অগ্রাধিকার পাবার বিষয়।

আসাদ আলম জানান, সফরের সময়ে বাংলাদেশ এবং চীনের মধ্যে ১৫ থেকে ১৭টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ), চুক্তি, কর্মপরিকল্পনা এবং প্রটোকল স্বাক্ষর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সফরের শুরুতে দালিয়ানে পৌঁছানোর পর প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) সামার দাভোস সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবেন। সেখানে তিনি 'ক্লাইমেট লিডারশিপ ইন শিফটিং গ্লোবাল ল্যান্ডস্কেপ' শীর্ষক অধিবেশনে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য প্রদান করবেন। পরবর্তী সময়ে তিনি ডব্লিউইএফ প্রেসিডেন্টসহ বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এরপর বেইজিংয়ে গিয়ে চীনের কমিউনিস্ট পার্টি, এক্সিম ব্যাংকসহ বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের সংস্থার সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেবেন।

আগামী ২৫ জুন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) আয়োজিত 'বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ফোরাম'-এ প্রধান অতিথি হিসেবে দেশের বিনিয়োগ সম্ভাবনা তুলে ধরবেন।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বাংলাদেশ-চীন বাণিজ্য বর্তমানে প্রায় ২২ থেকে ২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের মধ্যে ওঠানামা করছে। তবে এই বাণিজ্যের কাঠামো মূলত আমদানিনির্ভর হওয়ার কারণে বাংলাদেশের রপ্তানি অংশ তুলনামূলকভাবে কম।

তৈরি পোশাক, চামড়া, কৃষিপণ্য, হালকা প্রকৌশল এবং প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধির মাধ্যমে বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর সুযোগ রয়েছে বলে ব্যবসায়ীরা মনে করছেন।

বাংলাদেশ চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই)-এর গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। চীন বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগ (জিডিআই) কাঠামোর আওতায় বাংলাদেশসহ বিভিন্ন উন্নয়নশীল দেশের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। যদিও জিডিআই এখনো একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তিভিত্তিক কাঠামো নয়, এটা মূলত একটি বহুপাক্ষিক সহযোগিতা প্ল্যাটফর্ম হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

ব্যবসায়ীদের মতে, প্রযুক্তি স্থানান্তর, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং নতুন বিনিয়োগ বাড়ানোর ফলে বাংলাদেশের শিল্প উৎপাদন এবং রপ্তানি সক্ষমতায় যথেষ্ট পরিবর্তন আসতে পারে।

তারা দেখছেন, চীনের বিনিয়োগ যদি অবকাঠামোতে সীমাবদ্ধ না থেকে উৎপাদন শিল্প, ডিজিটাল অর্থনীতি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, লজিস্টিকস, হালকা প্রকৌশল এবং কৃষিভিত্তিক শিল্পেও সম্প্রসারিত হয়, তাহলে কর্মসংস্থান ও রপ্তানি আয় উভয়ই বৃদ্ধি পাবে।

বাংলাদেশ-চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিসিসিসিআই) সভাপতি মোহা. খোরশেদ আলম বাসসকে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে নতুন একটি মাত্রা প্রদান করতে পারে।

তাঁর মতে, চীনা বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের শিল্প, জ্বালানি, প্রযুক্তি এবং কৃষিখাতে আগ্রহ দেখালেও সেই কাক্সিক্ষত মাত্রার বিনিয়োগ এখনো আসেনি।

মোহা. খোরশেদ আলম আরও বলেন, বৈশ্বিক বিনিয়োগ প্রবণতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চীনের দীর্ঘমেয়াদি পুঁজিবাজার এবং বিনিয়োগ সক্ষমতা বাংলাদেশে কাজে লাগানো গেলে পুঁজিবাজার আরও গভীর এবং স্থিতিশীল হতে পারে। একই সাথে প্রযুক্তি স্থানান্তর ও শিল্প সহযোগিতা বাড়ালে উৎপাদন সক্ষমতা বহু গুণ বেড়ে যাবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ টানার জন্য নিশ্চিত নীতি, দ্রুত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন এবং জ্বালানি ও অবকাঠামো সরবরাহ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। যদি চীনের দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ কৌশল বিবেচনায় নিয়ে ধারাবাহিকতা বজায় না রাখা হয়, তবে বিনিয়োগ পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

তিনি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে বাংলাদেশি টাকা ও চীনা ইউয়ানের ব্যবহার বাড়ানোর উপর গুরুত্ব দেন। তাঁর মতে, এতে মার্কিন ডলার নির্ভরতা কমবে এবং লেনদেন ব্যয় হ্রাস ঘটবে।

চীনের অবকাঠামো উন্নয়ন কোম্পানি সিসিইসিসির দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের নির্বাহী পরিচালক ইউসেফ শু বাসসকে জানান, চীনা ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী। তিনি মনে করেন, এই উচ্চপর্যায়ের সফর দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।

তিনি জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরের সময়ে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) আয়োজিত 'বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ফোরাম'-এ চীনা ব্যবসায়ীরা অংশগ্রহণ করবেন এবং বাংলাদেশের বিনিয়োগ সম্ভাবনা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা নেবেন।

ব্যবসায়ীদের মতামত, আগামী দিনে বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক সম্পর্কের অগ্রগতি তিনটি মূল বিষয়ের উপর নির্ভর করবেÑবিনিয়োগ বাস্তবায়ন, রপ্তানি বৈচিত্র্য বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তি স্থানান্তর। এই তিন ক্ষেত্রে কার্যকর অগ্রগতি হলে দুই দেশের অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদক চোরাচালান রোধে সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:১৮ এম


মাদক চোরাচালান রোধে সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে টেকনাফ অঞ্চলে বিশেষ জোন স্থাপন করার পাশাপাশি সীমান্তপথে মাদকের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে মাদক পাচারের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাসহ মিয়ানমার ও ভারত সীমান্তসংলগ্ন অঞ্চলে গোয়েন্দা তৎপরতা এবং নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), কোস্ট গার্ড, পুলিশ, র‌্যাব এবং অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে সমন্বিতভাবে তথ্য আদান-প্রদান ও যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) মহাপরিচালক মো. হাসান মারুফ এ বিষয়ে বাসসকে বলেন, মাদক একটি বহুমাত্রিক সামাজিক ও জাতীয় নিরাপত্তাজনিত সমস্যা। এ সমস্যা মোকাবিলায় শুধু আইন প্রয়োগের মাধ্যমে কাজ প্রয়োজন, এই জন্য পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন, গণমাধ্যম এবং সাধারণ জনগণের সম্মিলিত অংশগ্রহণ অত্যন্ত প্রয়োজন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মাদকমুক্ত, নিরাপদ ও সুস্থ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সরকারের নীতিগত নির্দেশনা অনুযায়ী নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে।

ডিএনসি জানিয়েছে যে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মাদক অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। মাদকের ধরন ও পরিমাণভেদে কারাদণ্ড, অর্থদণ্ডসহ বিভিন্ন শাস্তির বিধান রয়েছে। মাদক কারবারি, চোরাকারবারি এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের এবং বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। মাদক অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রয়েছে।

ডিএনসি জানায় যে, মাদকের বিরুদ্ধে সারাবছরই নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। তাছাড়া গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিশেষ ও লক্ষ্যভিত্তিক অভিযান চলমান। মাদক উৎপাদন, পরিবহন, মজুদ, বিপণন ও সেবনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে অধিদপ্তর বিশেষভাবে বদ্ধপরিকর। অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরে মাদকবিরোধী কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে।

মাদক নিয়ন্ত্রণে আইন প্রয়োগ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনÑএই তিনটি ক্ষেত্রকে সমান গুরুত্বপূর্ণ মনে করে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা রয়েছে। সরকারের নীতিগত অঙ্গীকার বাস্তবায়নে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সঙ্গে মিলিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ কে সংশোধনপূর্বক যুগোপোযোগী করার প্রক্রিয়াও ইতোমধ্যে চলমান রয়েছে।

বর্তমান সরকার মাদক, সন্ত্রাস, ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করেছে। তদুপরি, পথশিশুসহ যেসব ব্যক্তি মাদকাসক্ত হয়ে দুর্বিষহ জীবনযাপন করছে তাদেরকে সরকারি ও বেসরকারি নিরাময় কেন্দ্রের মাধ্যমে চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে।

আগামী ২৬ জুন আন্তর্জাতিক দিবস-২০২৬ পালিত হবে, যা মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী দিবস। প্রতি বছর জাতিসংঘ এই দিনে বিশ্বব্যাপী মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব ও অবৈধ পাচারের বিরুদ্ধে সচেতনাতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই দিবসটি পালন করে থাকে। মাদক প্রতিরোধ ও মাদকাসক্তিমুক্ত দেশ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে জাতিসংঘ ঘোষিত এ দিবসটি পালন করবে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

ডিএনসি সূত্র আরও জানায় যে, বর্তমানে দেশে মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য ৪টি সরকারি এবং ৩৮৬টি লাইসেন্সপ্রাপ্ত বেসরকারি মাদকাসক্তি নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্র কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

এসব কেন্দ্রে ডিটক্সিফিকেশন, চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাসেবা, মনোসামাজিক কাউন্সেলিং, গ্রুপ ও ফ্যামিলি থেরাপি, পুনর্বাসন এবং পুনরায় সমাজে সম্পৃক্তকরণসহ সমন্বিত চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের সুস্থ, স্বাভাবিক ও কর্মক্ষম জীবনে ফিরিয়ে আনাই এসব কেন্দ্রের মূল লক্ষ্য।

মাদকদ্রব্য ও নেশা নিরোধ সংস্থা (মানস) এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক ড. অরূপরতন চৌধুরী বাসসকে বলেন, তরুণদের মাদকের করাল গ্রাস থেকে বাঁচাতে হলে মাদক নিয়ন্ত্রণের কোনো বিকল্প নেই। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই বিষয়টি সম্পর্কে সরকারের জিরো টলারেন্সের কথা উল্লেখ করেছেন। বিষয়টি তাদের নির্বাচনি তফসিলেও পর্যালোচিত হয়েছে।

তিনি বলেন, মাদক পাচারের আগ্রাসন রুখতে সীমান্তে কড়া নজরদারী সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ তার বক্তৃতায় আলোচনা করেছেন।

ড.অরূপরতন আরও বলেন, মাদক প্রতিরোধে বর্তমান সরকারের যথেষ্ট দৃষ্টি রয়েছে এবং তা সঠিকভাবে পালন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে বিশেষ কোনো বাহিনীকে এই দায়িত্ব দিতে পারলে ভালো হত। অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইন বাস্তবায়ন হলে মাদকের ছোবল থেকে যুব সমাজ রক্ষা পাবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সালমা আক্তার বাসসকে বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে ব্যবসায়ীদের শান্তির আওতায় আনতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের এ ব্যাপারে আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, মাদকের ছোবল থেকে সমাজকে রক্ষা করতে সর্বাত্মক সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। মাদকবিরোধী প্রচারনা চালানোর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। এ ছাড়া পারিবারিক সচেতনতা ও ধর্মীয় অনুশাসনের মাধ্যমে সন্তানদের মাদক থেকে বিরত রাখার জন্য সচেষ্ট থাকতে হবে।

অধ্যাপক সালমা আরও বলেন, সন্তানদের বিনোদনের জন্য খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চার প্রসার ঘটাতে হবে। প্রতিটি পরিবারের উচিত তাদের সন্তানদের সঠিক পথে পরিচালনা করা।

তিনি বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে মাফিয়াদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। কারণ তারা মাদক ব্যবসার জন্য দেশের যুবসমাজকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিচ্ছে।

বিশিষ্টজনদের মতে, মাদকের ভয়াবহতায় যুব সমাজ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। মাদকের ছোবলে দেশ ও জাতির অনেক বড় ক্ষতি হচ্ছে। মাদকাসক্তরা নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। সূত্রমতে, মাদকের আগ্রাসনে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদি বধের রাতে ধূলিসাৎ মেসির ১৮ বছরের অহংকার, ইয়ামালের পাশে এখন শুধুই পেলে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:২০ এম


সৌদি বধের রাতে ধূলিসাৎ মেসির ১৮ বছরের অহংকার, ইয়ামালের পাশে এখন শুধুই পেলে

লিওনেল মেসির ১৮ বছরের পুরনো ঐতিহাসিক রেকর্ড ভেঙে ফুটবল ইতিহাসের পাতায় নতুন কীর্তি গড়লেন স্পেনের বিস্ময়বালক লামিন ইয়ামাল। মাত্র ১৮ বছর ৩৪৩ দিন বয়সে ফিফা বিশ্বকাপে নিজের প্রথম গোল করার গৌরব অর্জন করেছেন বার্সেলোনার এই তরুণ ফরোয়ার্ড। এর মাধ্যমে তিনি আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি মেসির চেয়ে ঠিক ১৪ দিন কম বয়সে বিশ্বকাপে প্রথম গোলের দেখা পেয়ে ইতিহাস গড়েছেন। এর আগে ২০০৬ বিশ্বকাপে মেসি যখন প্রথম গোল করেছিলেন, তখন তাঁর বয়স ছিল ১৮ বছর ৩৫৭ দিন। একই সাথে ব্রাজিলের মহানায়ক পেলের পর ইতিহাসের দ্বিতীয় কনিষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপে দেশের হয়ে প্রথম গোল করার অনন্য রেকর্ডও ছুঁয়েছেন ইয়ামাল।

আটলান্টা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত রবিবারের এই হাইভোল্টেজ ম্যাচে ইয়ামালের রেকর্ড গড়া গোলের ওপর ভর করে সৌদি আরবকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে স্পেন। প্রথম ম্যাচে নবাগত কেপ ভার্ডের সাথে গোলশূন্য ড্র করার ধাক্কা সামলে এই জয়ে টুর্নামেন্টে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াল ইয়ামালরা। ম্যাচের ১১তম মিনিটেই স্পেনের হয়ে গোল উৎসবের সূচনা করেন ইয়ামাল।

অপটার (Opta) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই গোলের পর লামিন ইয়ামাল বিশ্বের একমাত্র ফুটবলার যিনি ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে কম বয়সে ফিফা বিশ্বকাপ এবং উয়েফা ইউরো—উভয় বড় টুর্নামেন্টেই গোল করার অনন্য নজির স্থাপন করলেন। শুধু তাই নয়, ১৯৫৮ সালের বিশ্বকাপে ওয়েলসের বিরুদ্ধে মাত্র ১৭ বছর বয়সে ব্রাজিলের কিংবদন্তি পেলে দেশের হয়ে প্রথম ওপেনিং গোল করার কীর্তি গড়েছিলেন। পেলের দীর্ঘ ৬৮ বছর পর ইয়ামালই প্রথম অনূর্ধ্ব-১৮ ফুটবলার যিনি বিশ্বকাপের ম্যাচে দেশের হয়ে প্রথম গোলটি করলেন।

স্পেন জাতীয় দলে এই কিশোর তারকার প্রভাব কতটা, তা ফুটে ওঠে আরেকটি পরিসংখ্যানে। ইয়ামাল শুরুর একাদশে থাকা ২১টি ম্যাচের একটিতেও হারেনি স্পেন; যার মধ্যে ১৫টিতেই জয় এবং ৬টি ড্র। এই ২১ ম্যাচে স্পেনের করা ৬০টি গোলের মধ্যে ১৬টি গোলেই সরাসরি অবদান রেখেছেন ইয়ামাল, যার মধ্যে রয়েছে ৫টি গোল ও ১১টি অ্যাসিস্ট।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%