১০:১৩ এম
শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ একটি পারিবারিক কবরস্থান থেকে এক বালতি ভর্তি ককটেল উদ্ধার করেছে। এই ঘটনার ফলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার (২০ জুন) বিকেলে জাজিরা পৌরসভার কবিরাজকান্দি এলাকায় বিকট শব্দে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের ভয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পোঁছে তদন্ত শুরু করে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আলামত সংগ্রহের সময় জাজিরা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হেমায়েত বিভিন্ন সূত্র ধরে অনুসন্ধান চালাতে থাকেন। এক পর্যায়ে তিনি বিস্ফোরণস্থল থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে স্থানীয় শাহজাহান বেপারীর পারিবারিক কবরস্থানের একটি সন্দেহজনক স্থানে নজর দেন।
আরও পড়ুন: নাব্যতা সংকটে হবিগঞ্জের সুতাং নদী মরা খালে পরিণত
পরে কবরস্থানের এক কোণে ঘন ঝোপঝাড়ের মধ্যে পরিচালিত তল্লাশি চালিয়ে একটি প্লাস্টিকের বালতি উদ্ধার করা হয়। যখন বালতিটি খুলে দেখা হয়, তখন সেখানে বিপুল পরিমাণ ককটেল পাওয়া যায়। পুলিশ জানায়, খবর জানার সঙ্গে সঙ্গে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে ককটেলগুলো জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়।
স্থানীয়দের মতামত হলো, নির্জন এবং লোকচক্ষুর আড়ালে থাকায় কবরস্থানটিকে ককটেল মজুদের নিরাপদ স্থান হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে। তবে, কাদের দ্বারা এই ককটেল সেখানে রাখা হয়েছিল এবং কী উদ্দেশ্যে মজুত করা হয়েছিল, তা সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।
পুলিশ এ বিষয়ে জানিয়েছেন, বিকেলে ঘটিত ককটেল বিস্ফোরণের সঙ্গে উদ্ধার হওয়া ককটেলগুলোর সম্পর্ক রয়েছে কি না সে বিষয়ে গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ককটেলের উৎস, মজুদের উদ্দেশ্য এবং এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে কাজ চলছে।
জাজিরা থানার ওসি মো. সালেহ্ আহাম্মদ বলেছেন, "ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনার সূত্র ধরে অভিযান চালিয়ে একটি কবরস্থান থেকে এক বালতি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত হচ্ছে। কারা এসব ককটেল সেখানে মজুত করেছিল এবং কী উদ্দেশ্যে রেখেছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।"
আরও পড়ুন: বরিশালে দুই যুবককে মারধরের অভিযোগ বিএনপি নেতা ফারুকের বিরুদ্ধে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন