ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ডি এ তায়েব: ‘সপ্তাহে ৪০ প্রেমের প্রস্তাব, ৪০ বছরে একটিও পাইনি’


ডি এ তায়েব: ‘সপ্তাহে ৪০ প্রেমের প্রস্তাব, ৪০ বছরে একটিও পাইনি’

অভিনেতা ডি এ তায়েব সপ্তাহে অন্তত ৪০টি প্রেমের প্রস্তাব পান। অনেকেই তাকে ছুঁয়ে দেখার আগ্রহ প্রকাশ করেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।

ডি এ তায়েবের এই বক্তব্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে। সেই প্রসঙ্গ টেনে ফেসবুকে নিজের প্রেমের অভিজ্ঞতা নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন অভিনেতা ও পরিচালক শাহরিয়ার নাজিম জয়।

জয় ডি এ তায়েবের বক্তব্যসংবলিত একটি ফটোকার্ড শেয়ার করে লিখেছেন, ‘তায়েব ভাই সপ্তাহে ৪০টি প্রেমের প্রস্তাব পান। আর আমি গত ৪০ বছরে একটি প্রেমের প্রস্তাবও পাইনি। তবে দিয়েছি অনেক।’

আরও পড়ুন: মা হারালেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা পপি

এরপর জয় নিজের ভবিষ্যৎ ভাবনা জানিয়ে লেখেন, ‘ভবিষ্যতে আর প্রস্তাব পাবো না কখনোই এটা আমি জানি। মনস্থির করেছি আর প্রস্তাব দেবোও না। অবহেলার এবং অপমানের একটা শেষ তো হওয়া উচিত। ওরা তায়েব ভাইকে নিয়ে খুশি থাকুক।’

জয়ের এই পোস্টে প্রেমের প্রস্তাব দেওয়া, প্রত্যাখ্যান এবং অবহেলার প্রসঙ্গ উঠে এসেছে। ডি এ তায়েবের সপ্তাহে ৪০টি প্রেমের প্রস্তাব পাওয়ার বক্তব্যের বিপরীতে নিজের ৪০ বছরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে রসিকতা ও অভিমানের মিশেল নিয়ে কথাগুলো লিখেছেন জয়।

জয়ের পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। তবে তার বক্তব্যের পেছনে কোনো নির্দিষ্ট ঘটনা রয়েছে কি না, তা পোস্টে স্পষ্ট করেননি জয়।

আরও পড়ুন: নেপালের নাট্যোৎসবে মঞ্চস্থ হবে বাংলাদেশের ‘এ ফাদার’স স্কাই’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কবি নজরুল কলেজে পানির ফিল্টার নষ্ট, শিক্ষার্থীরা বিপাকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৫ পি.এম


কবি নজরুল কলেজে পানির ফিল্টার নষ্ট, শিক্ষার্থীরা বিপাকে

রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী কবি নজরুল সরকারি কলেজে শিক্ষার্থীদের জন্য সুপেয় পানির সংকট সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষকদের জন্য পানির সুব্যবস্থা থাকলেও সাধারণ শিক্ষার্থীরা এ বিষয়ে অবহেলিত বলে অভিযোগ উঠেছে। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন ভবনে শিক্ষার্থীদের জন্য পানির ফিল্টার স্থাপন করা হলেও অধিকাংশ ফিল্টার কয়েক মাস ধরে অকেজো অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এর ফলে শিক্ষার্থীরা সুপেয় পানির মৌলিক চাহিদা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তবে কলেজ প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগের অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, কবি নজরুল সরকারি কলেজে প্রায় ২০ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত থাকলেও তাদের জন্য পর্যাপ্ত সুপেয় পানির ব্যবস্থা নেই। ক্যাম্পাসের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সামনে ফিল্টার স্থাপন করা থাকলেও তা কয়েক মাস ধরে অকেজো অবস্থায় রয়েছে। বি ভবনের দ্বিতীয় তলায় বাঁধন কার্যালয় ও কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে একই চিত্র দেখা গেছে। অন্যদিকে, ‘এ’ ভবনের আয়তন বড় হলেও সেখানে মাত্র একটি ফিল্টার রয়েছে। শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্থান রিডিং রুমের সামনেও ফিল্টার স্থাপন করা হয়েছে, তবে বেশির ভাগ সময় সেখানে পানি পাওয়া যায় না।

কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনের ফিল্টারটি অচল থাকায় সেখানে পড়াশোনা করতে আসা শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন। কার্যকর ফিল্টার মাত্র তিনটি—সি ভবনের চতুর্থ তলায়, বি ভবনের দ্বিতীয় তলায় এবং এ ভবনের দ্বিতীয় তলায় একটি করে রয়েছে। ফিল্টার অকেজো থাকায় সি ভবনের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলার শিক্ষার্থীদের পানি পান করতে চতুর্থ তলায় যেতে হয়। তবে সেখানেও অধিকাংশ সময় পানি পাওয়া যায় না। ফলে অতিরিক্ত টাকা খরচ করে বোতলজাত পানি কিনে পান করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।

শিক্ষার্থীদের প্রতি প্রশাসনের অবহেলার অভিযোগ তুলে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী শিবলু রিফাত বলেন, "সুস্থ থাকার জন্য নিরাপদ পানি শিক্ষার্থীদের মৌলিক অধিকার। অথচ তারা এ অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।" তিনি আরও বলেন, "বেশির ভাগ সময় পানি কিনে পান করতে হয়। শিক্ষার্থীদের এত বড় একটি সমস্যা থাকলেও কলেজ প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে। শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্রশাসনের কোনো চিন্তাই নেই।"

রসায়ন বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সিয়াম হোসেন বলেন, “আমাদের ‘এ’ ভবনের আয়তন ও শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনুযায়ী অন্তত তিনটি ফিল্টার প্রয়োজন। কিন্তু সেখানে মাত্র একটি ফিল্টার রয়েছে। আমাদের একটি পরীক্ষাগারে ব্যবহারিক পরীক্ষা করতে পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টা লাগে। এত দীর্ঘ সময় পরীক্ষার পর পানি পান করতে ভবনের অন্য পাশে যেতে হয়, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।” তিনি প্রয়োজন অনুযায়ী ফিল্টারের সংখ্যা বাড়ানোর দাবি জানান।

লাইব্রেরিতে পড়াশোনা করতে আসা পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষার্থী আহমেদ সিয়াম বলেন, "লাইব্রেরিতে পড়ার সময় পানির পিপাসা পাওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু পানি পান করতে নিচতলায় রিডিং রুমের সামনে গেলেও বেশির ভাগ সময় পানি পাওয়া যায় না।" প্রশাসনের কাছে তার দাবি, লাইব্রেরিসহ প্রয়োজনীয় স্থানগুলোতে আরও একাধিক ফিল্টার স্থাপন করা হোক।

রিডিং রুমে পড়তে আসা রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী নাইমুল হাসান বলেন, "রিডিং রুমের সামনে ফিল্টার থাকলেও বেশির ভাগ সময় পানি পাওয়া যায় না।" তিনি দ্রুত ফিল্টারটি সচল করার দাবি জানান।

ব্যবস্থাপনা বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম বলেন, "ব্যবস্থাপনা বিভাগের সামনে ফিল্টার থাকলেও তা কয়েক মাস ধরে অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে। ফলে শিক্ষকদের জন্য রাখা পানির ব্যবস্থা ব্যবহার করতে হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখে পড়ছেন।" তিনি উল্লেখ করেন, মাঠে পানির জন্য একটি ট্যাংক বসানো হয়েছে, তবে সেই পানি পান করার উপযোগী নয়। প্রশাসন শিক্ষার্থীদের অবহেলার চোখে দেখছে। তার দাবি, যত দ্রুত সম্ভব শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ পানির ব্যবস্থা করা হোক।

এ বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান বলেন, "পানির ফিল্টার তো প্রতিটি বিভাগেই রয়েছে। আমি লাইব্রেরির সামনের ফিল্টারটি মেরামত করতে বলেছিলাম, কিন্তু সেটি মেরামত করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত নই।" তিনি আরও বলেন, "রাষ্ট্রবিজ্ঞানসহ অন্যান্য বিভাগের সামনে কারা ফিল্টার স্থাপন করেছে, তা আমার জানা নেই। তারা আমাদের এ বিষয়ে জানায়নি।"

তিনি আরও জানান, "শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, রিডিং রুমের সামনের ফিল্টারটি নষ্ট হয়ে আছে। ওই ফিল্টারটি আসলেই অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আমি সেটি স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছি, তবে কাজ শেষ হয়েছে কি না, তা খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘কাজের খোঁজে গিয়ে’ মোবাইল নিয়ে উধাও, সিসিটিভি ফুটেজে যা দেখা গেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৫ পি.এম


‘কাজের খোঁজে গিয়ে’ মোবাইল নিয়ে উধাও, সিসিটিভি ফুটেজে যা দেখা গেল

রাজধানীর শান্তিনগরে গৃহকর্মী দেওয়ার উদ্দেশ্যে একটি বাসা থেকে মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) এই ঘটনার প্রেক্ষিতে পল্টন থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে, এমনটি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী আসমা আক্তার।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আসমা আক্তার সম্প্রতি কানাডা থেকে দেশে ফিরে এসেছেন। তার বাসায় নিয়মিত একজন গৃহকর্মী কাজ করেন। এছাড়াও, তার বাসার দুই নিরাপত্তাকর্মী শহীদুল ও আনোয়ার গত তিন থেকে চার বছর ধরে সেখানে কর্মরত আছেন। তবে, এই নিরাপত্তা কর্মীরাই বাসার নিরাপত্তাহীনতার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন। বারবার তাদের বলা সত্ত্বেও বাইরের লোকজন ঢুকে পড়ে এবং গেটে প্রবেশের কোনো রেকর্ড রাখে না। তাদের দাপটে মালিকদের নিরাপদে থাকতে সমস্যা হচ্ছে।

ভুক্তভোগী আসমা আক্তার জানান, গত ১৯ অক্টোবর শহীদুল তাকে জানান যে একজন বয়স্ক নারী কাজ খুঁজছেন। নিরাপত্তাকর্মী ওই নারীকে গৃহকর্মী হিসেবে রাখার বিষয়ে জানতে চান। পরবর্তীতে শহীদুল ওই নারীকে নিয়ে আসতে বলেন।

তিনি বলেন, পরদিন ২০ অক্টোবর সকালে অফিসে যাওয়ার প্রস্তুতিকালে শহীদুল ফোন করে জানান যে ওই নারী এসেছেন। এরপর দুই নারী আসমার বাসায় আসেন। তাদের নাম ও বেতনের বিষয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করার পর আসমা তাদের একজনকে বিকেলে পরিচয়পত্র ও ফোন নম্বরসহ প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে আসতে বলেন।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, ওই নারী জানান তার নিজের ফোন নেই; বরং তার স্বামীর ফোন রয়েছে এবং তিনি অটোরিকশা চালান। শহীদুল ওই নারীকে ভালোভাবে চেনেন না জানালে আসমা নিরাপত্তাকর্মীদের গেটের দিকে নজর রাখতে বলেন, যাতে ওই নারী বাসা থেকে বেরিয়ে যেতে না পারেন।

আসমার অভিযোগ, তিনি পুরো ঘটনাটি বুঝতে পারেননি যে এটি একটি পরিকল্পিত ঘটনা ছিল। তার দাবি, তিনি বাসা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর শহীদুল আবার ওই নারীকে খবর দিয়ে বাসায় আনেন, কারণ তিনি জানতেন যে এ সময় তার অসুস্থ স্বামী রয়েছে এবং বাসার সবাই ঘুমাচ্ছে, ফলে সব দরজা খোলা ছিল। এ সময় বাসায় আসা নারীদের একজনের সঙ্গে অপর একজন অপরিচিত ব্যক্তির যোগাযোগ ও দীর্ঘ সময় অবস্থানের বিষয়টি তার নজরে আসে। পরে বাসায় থাকা এক নারী মুখে মাস্ক পরে মোবাইল ফোন নিয়ে বেরিয়ে যান। আরেক নারীও বাসা থেকে বেরিয়ে যান।

তার দাবি, দ্বিতীয় নারী নিরাপত্তাকর্মী আনোয়ারের সামনে দিয়ে বেরিয়ে গেলেও তিনি বাধা দেননি। এ ঘটনায় আনোয়ারের ভূমিকা নিয়েও আসমা প্রশ্ন তুলেছেন।

আসমা আরও জানান, সিসিটিভি ফুটেজে শহীদুলের সঙ্গে কথা বলার পর এক নারীকে সিঁড়ি বেয়ে উঠতে দেখা যায়। শহীদুল ওই নারীকে সঙ্গে নিয়ে যাওয়ার কথা বললেও সে প্রায় চার মিনিট পর নিজে ওপরে উঠে। এই সময়ের মধ্যেই মোবাইল ফোন চুরির ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।

আসমা আক্তার আরও বলেন, ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ তার কাছে সংরক্ষিত রয়েছে। তিনি বিষয়টি নিয়ে পল্টন থানায় মামলা করেছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য পুলিশি তদন্ত প্রয়োজন। সিসিটিভি ফুটেজ, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং অন্যান্য প্রমাণ বিশ্লেষণ করেই এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাপ্পারাজকে নিয়ে আবেগঘন পোস্টে ওমর সানীর স্যালুট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৭ পি.এম


বাপ্পারাজকে নিয়ে আবেগঘন পোস্টে ওমর সানীর স্যালুট

ঢাকাই সিনেমার এক সময়ের জনপ্রিয় দুই অভিনেতা হলেন ওমর সানী ও বাপ্পারাজ। তারা একসঙ্গে বহু সিনেমায় কাজ করেছেন। পর্দার বাইরেও তাদের মধ্যে একটি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান।

বন্ধুত্বের স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে ওমর সানী বাপ্পারাজকে নিয়ে আবেগঘন একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন। সেখানে তিনি বন্ধুর প্রশংসা করার পাশাপাশি তার দুষ্টুমির কথাও উল্লেখ করেছেন।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক পোস্টে ওমর সানী বাপ্পারাজকে একজন ভালো মানুষ, ভালো বন্ধু এবং হাসিখুশি ও দুষ্টু স্বভাবের মানুষ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

বাপ্পারাজের সঙ্গে কাজ করার স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে ওমর সানী লেখেন, ‘একজন বাপ্পারাজ একজন ভালো মানুষ, একজন ভালো বন্ধু এবং দুষ্টু বন্ধু, হাসিখুশি বন্ধু।’

এ প্রসঙ্গে তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘অনেক ছবি করেছি একসঙ্গে। নেই কোনো অহংকার। আমি মাঝে মাঝে অবাক হতাম, উনি নায়করাজের সন্তান এবং একজন ভালো আর্টিস্ট, উনি কেন আমাদের সঙ্গে কাজ করবেন? কিন্তু দিন শেষে উনি বলতেন, কাজটাই হচ্ছে আসল।’

অভিনেতা আরও লিখেছেন, ‘আর এত দুষ্টুমি করতেন, এখনো করেন। ওই আমলে যদি এই মোবাইল থাকত, তাহলে দুষ্টুমির চরম ভাইরাল হতাম আমি।’

বন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বাপ্পারাজ ভাই, আপনাকে একটা কারণে স্যালুট, কোনো বদ অভ্যাস আপনার নাই। আপনার কাছে বরঞ্চ আমরা খারাপ।’

দুষ্টুমির প্রসঙ্গ টেনে মজার ছলে তিনি লেখেন, ‘আমার জেনারেশনে আমি বাপ্পারাজকে নিয়ে গর্ব করি। দিন শেষে বলি, আপনি অনেক দুষ্টু।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোহাম্মদপুরে ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের ৪ নেতা গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৩২ পি.এম


মোহাম্মদপুরে ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের ৪ নেতা গ্রেফতার

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে সন্ত্রাসী কার্যক্রম এবং মিছিল করার পরিকল্পনায় জড়ো হওয়া নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের চার নেতাকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে ঢাকা উদ্যান সি-ব্লক এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাজু আহাম্মেদ ও এসআই আমিরুজ্জামান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করেন।

গ্রেফতারকৃত চার নেতার মধ্যে রয়েছেন ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার ১ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য মো. জালাল উদ্দিন (৩২), হবিরবাড়ী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সভাপতি মো. নাঈম হাসান ডালিম (৩২), একই ওয়ার্ডের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মাহমুদুল হাসান মামুন (৩৪) এবং হবিরবাড়ী ৭ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সদস্য মো. আল-আমিন (৩৫)।

মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতরা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ রাখছিলেন। তাদের অবস্থান ঢাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা এবং আওয়ামী লীগের মিছিল করার উদ্দেশ্যে ছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

পুলিশের তথ্যমতে, গ্রেফতারদের মধ্যে ডালিম ও মামুনের বিরুদ্ধে আগে থেকেই একাধিক মামলা রয়েছে। নাঈম হাসান ডালিমের বিরুদ্ধে সুনামগঞ্জ ও ময়মনসিংহের বিভিন্ন থানায় মাদক, বিশেষ ক্ষমতা আইন, ভাঙচুর ও মারামারিসহ মোট ৬টি মামলা রয়েছে।

অন্যদিকে, মাহমুদুল হাসান মামুনের বিরুদ্ধে ভালুকা মডেল থানায় হত্যা, হত্যাচেষ্টা, বিস্ফোরক ও ভাঙচুরের অভিযোগে ২টি মামলা রয়েছে।

এ ঘটনায় গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%