০৫:৫৬ পি.এম
ইউরোপীয় কমিশনের আন্তর্জাতিক বিষয়ক, প্রত্যাবর্তন ও ভিসা বিভাগের পরিচালক মি. হেনরিক নিয়েলসেন সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে। এই সময় বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারও উপস্থিত ছিলেন।
বুধবার (১০ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাক্ষাতের সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবারও বাংলাদেশের সঙ্গে ইইউ’র বহুমাত্রিক অংশীদারিত্ব জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন এবং বাংলাদেশের উন্নয়নযাত্রায় ইইউ’র অব্যাহত সম্পৃক্ততা বিশেষ প্রশংসা করেছেন।
তিনি বাংলাদেশ ও ইইউ’র মধ্যে সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগের উল্লেখ করে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্রমবর্ধমান গতিশীলতায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।
আরও পড়ুন: বাঁশপাতার চায়ের উদ্ভাবনী ধারণায় দেশসেরা বেরোবির মাহিদ-আজিজ, পাচ্ছেন লাখ টাকার ফান্ড
আলোচনায় অভিবাসন ও জনশক্তি চলাচল সহযোগিতাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের মানবপাচার ও সব ধরনের অনিয়মিত অভিবাসনের বিরুদ্ধে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। সম্পাদকীয়ভাবে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতিশ্রুতির কথাও তুলে ধরেন।
তিনি ইইউ’র ‘ট্যালেন্ট পার্টনারশিপ’ উদ্যোগের প্রশংসা করে সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে নতুন বৈধ অভিবাসন পথ উন্মুক্ত করা এবং বাংলাদেশি দক্ষ কর্মী ও পেশাজীবীদের জন্য আরও কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণের আহ্বান জানান।
উভয় পক্ষ ইইউ’র আসন্ন আশ্রয় ও প্রত্যাবর্তন-সংক্রান্ত সীমান্ত প্রক্রিয়া (Asylum and Return Border Procedure) নিয়ে মতবিনিময় করেন এবং অভিবাসন ও প্রত্যাবর্তন বিষয়ে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়, নিয়মিত সংলাপ ও যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণের গুরুত্বের ওপর জোর দেন। এছাড়াও অনিয়মিত অভিবাসনের ঝুঁকি ও পরিণতি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির চলমান প্রচেষ্টাকে আলোচনায় গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বৈঠকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দক্ষতা উন্নয়ন, বাংলাদেশ-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ), স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ, শিক্ষা, ক্রীড়া এবং আঞ্চলিক ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
আরও পড়ুন: এমপি আব্দুল আজিজের আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, ক্ষোভ বৃদ্ধি
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী ও আশ্রয়দাতা সম্প্রদায়ের প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়নের অব্যাহত সহায়তার জন্য ধন্যবাদ জানান।
তিনি রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে নিরাপদ, স্বেচ্ছাপ্রণোদিত, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মনোযোগ অব্যাহত রাখার গুরুত্বও তুলে ধরেন।
বৈঠক শেষে উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ-ইইউ সম্পর্ক আরও গভীর করা এবং সহযোগিতামূলক প্রচেষ্টা জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢামেকে আনা হলো আনিসুল, পলক ও মামুন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন