মোঃ উজ্জ্বল মিয়া ,নেত্রকোনা প্রতিনিধি
০৮:৩৬ পি.এম
নেত্রকোনার মদন উপজেলায় মগড়া নদীর ভাঙন থেকে বাগজান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রক্ষায় নেওয়া প্রতিরক্ষা প্রকল্পের কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ও ভেজা বালু ব্যবহারের অভিযোগ তুলে কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ ঘটনায় তদন্তের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন তাঁরা।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে গ্রামের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মগড়া নদীর ভাঙনে বিদ্যালয়টি হুমকির মুখে পড়ায় তা রক্ষায় প্রতিরক্ষামূলক কাজ শুরু করে কর্তৃপক্ষ। তবে কাজের শুরু থেকেই নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে। বিশেষ করে ভেজা বালু দিয়ে কাজ করায় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন তাঁরা।
মানববন্ধনে স্থানীয় বাসিন্দা আশরাফুল ইসলাম বলেন, বিদ্যালয়টি রক্ষার উদ্যোগ নেওয়ায় তাঁরা আশাবাদী হয়েছিলেন। কিন্তু যেভাবে কাজ করা হয়েছে, তাতে আগামী বর্ষায় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা টিকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। তিনি কাজের মান যাচাই করে অনিয়মের সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, বিদ্যালয় রক্ষার কাজ চললেও এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটিকে যথাযথভাবে অবহিত করা হয়নি। দৃশ্যমান তদারকির অভাবেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তাঁরা।
মানববন্ধনে সায়েম মিয়া নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, প্রকল্পের কাজ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা যথাযথভাবে তদারকি করেছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। সরকারি বরাদ্দের অর্থ সঠিকভাবে ব্যয় করা হলে নদীভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করা সম্ভব হতো।
মানববন্ধন থেকে তিন দফা দাবি জানানো হয়। দাবিগুলো হলো—প্রকল্পের কাজের মান নিরপেক্ষভাবে যাচাই, বরাদ্দ ও ব্যয়ের হিসাব প্রকাশ এবং অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ।
এ বিষয়ে নেত্রকোনা জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, অভিযোগের বিষয়টি তাঁদের নজরে এসেছে। এরই মধ্যে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মগড়া নদীর ভাঙন থেকে বিদ্যালয়টি রক্ষায় নেওয়া প্রকল্পের কাজের মান নিয়ে স্থানীয়দের অভিযোগের পর এখন তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের অপেক্ষায় রয়েছেন এলাকাবাসী। তাঁদের প্রত্যাশা, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার মাধ্যমে বিদ্যালয়টি রক্ষা করা হবে এবং শিশুদের শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার শোলাকুড়িতে জালেমন বেগম হত্যা মামলার প্রধান আসামি শাহ আলমকে (৩২) নরসিংদী থেকে গ্রেপ্তার করেছে মধুপুর থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর তাকে বিজ্ঞ আদালতে হাজির করা হলে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন বলে জানা গেছে।
গ্রেপ্তার শাহ আলম শেরপুর জেলার শ্রীবরদী থানার বানিয়াপাড়া এলাকার আঃ করিমের ছেলে। নিহত জালেমন বেগম শোলাকুড়ির বিএনপির নেতা মিঠুর মা হিসেবে পরিচিত।
জবানবন্দিতে আসামি শাহ আলম জানান, সহযোগী সজিবকে সঙ্গে নিয়ে চুরির উদ্দেশ্যে জালেমন বেগমের ঘরে প্রবেশ করেন তারা। এ সময় কুড়াল ও রড দিয়ে মাথায় আঘাত করে তাকে হত্যা করা হয়। পরে তার গলায় থাকা চেইন ও কানের দুল নিয়ে পালিয়ে যান তারা।
জবানবন্দিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এর আগেও তারা মিঠুর বাড়ি থেকে রাইস কুকার, কাঁথাসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র চুরি করেছিলেন বলে শাহ আলম জানান।
মধুপুর থানা অফিসার ইনচার্জ একে এম ফজলুল হক জানান হত্যার পর থেকেই হত্যাকারীদের সনাক্ত ও গ্রেফতারের জোরচষ্টা চালিয়ে যান থানা পুলিশ।
তারই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মধুপুর থানা পুলিশ আজ বুধবার নরসিংদী থেকে হত্যাকারীকে গ্রেফতার করে টাঙ্গাইলের বিজ্ঞ আদালতে হাজির করলে আদালত তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধায় বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালন করেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।
কর্মসূচির মধ্যে ছিল জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, পুষ্পমাল্য অর্পণ, মাছের পোনা অবমুক্তকরণ, আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা।
দুপুরে গাইবান্ধা শহরের পৌরপার্কে জেলা যুবদলের সভাপতি রাগিব হাসান চৌধুরীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক ডা. ময়নুল হাসান সাদিক। প্রধান বক্তা ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুন নবী টিটুল।
সভাটি সঞ্চালনা করেন জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক ভুট্টো।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে যুবদল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার পাশাপাশি গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তাঁরা।
আলোচনা সভা শেষে ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে ইসলামিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠে গিয়ে শেষ হয়। এতে জেলা বিএনপি ও যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।
নানা আয়োজন ও নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে গাইবান্ধায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি সম্পন্ন হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার মদনে ১২ বছর বয়সী মাদ্রাসাছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ ও গর্ভবতী করার অভিযোগে দায়ের করা আলোচিত মামলার যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে। এ মামলায় আগামী ১১ নভেম্বর রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেছেন আদালত।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) নেত্রকোনা জেলা ও দায়রা জজ এবং শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আব্দুছ সালামের আদালতে যুক্তিতর্ক শেষে এ দিন ধার্য করা হয়।
মামলার প্রধান আসামি মাদ্রাসাশিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী ওরফে সাগর বিচারকের প্রশ্নের জবাবে নিজের ১২ শতাংশ জমি থাকার কথা জানান। একই সঙ্গে নিজের সব সম্পদের বিনিময়ে মামলা থেকে অব্যাহতি পাওয়ার আকুতি জানান তিনি।
শুনানির একপর্যায়ে আসামিপক্ষের আইনজীবী আনিসুর রহমান আপসের বিষয়ে কথা বলতে চাইলে বিচারক তা নাকচ করে দেন। বিচারক জানান, তাঁরা কখনো আপসের বিষয়ে কথা বলেননি। এ সময় ঘটনাস্থলের আশপাশে সিসি ক্যামেরা ছিল কি না, তা-ও জানতে চান আদালত।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. নূরুল কবীর রুবেল আদালতে জানান, ভুক্তভোগী শিশুটিকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছিল।
মামলার গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে সিআইডির ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনে ভুক্তভোগী শিশুর জন্ম দেওয়া নবজাতকের সঙ্গে অভিযুক্ত শিক্ষক সাগরের ডিএনএর ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ মিল পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া পুলিশ আদালতে চূড়ান্ত অভিযোগপত্র দাখিল করেছে।
রাষ্ট্রপক্ষের দাবি, এসব প্রমাণের ভিত্তিতে মামলার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করা সম্ভব হয়েছে। তারা আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি প্রত্যাশা করছে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. নূরুল কবীর রুবেল বলেন, “রায়ের আগে গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াটি আজ সম্পন্ন হয়েছে। ১১ নভেম্বর মামলার রায়ের দিন ধার্য করা হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের হয়ে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেছি। আমরা মনে করি, মামলাটি প্রমাণ করতে সমর্থ হয়েছি।”
তিনি আরও বলেন, মামলার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে বলে তাঁরা মনে করছেন। এ মামলায় আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
আগামী ১১ নভেম্বর মামলার রায়ের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তার সম্পাদক আশরাফ ইকবালের সম্পাদনায় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে প্রকাশিত হচ্ছে বিশেষ ম্যাগাজিন বর্ষবার্তা। ৫৬ পৃষ্ঠার এই সংকলনে মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুরের ইতিহাস-ঐতিহ্য, সাহিত্য, ব্যক্তিত্ব, সমাজ ও সমকালীন বিষয়ে নানা লেখা স্থান পেয়েছে।
ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদ নিবন্ধ মুন্সিগঞ্জকে নতুন করে ভাবার সময় এখন। লিখেছেন মুন্সিগঞ্জ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইমরান আহম্মেদ পিপিএম। লেখায় জেলার ভৌগোলিক অবস্থান, উচ্চশিক্ষা, পর্যটন ও নগর ব্যবস্থাপনাসহ ভবিষ্যৎ উন্নয়নের নানা সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়েছে।
বিশেষ নিবন্ধ বিভাগে রয়েছে সালেহীন তুহিনের এই জনপদে, সেই সমতটে, যেখানে বিক্রমপুরের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, মনীষী ও ইতিহাস-ঐতিহ্যের কথা এসেছে।
ইতিহাস-ঐতিহ্য বিভাগে আটটি লেখা আছে। এর মধ্যে আছে আশরাফ ইকবালের বিক্রমপুরের ঐহিত্য, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জমির হোসেনের লেখা মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুতুলনাচের ইতিকথা ও বিক্রমপুরের গাওদিয়া গ্রাম, গোলাম আশরাফ খান উজ্জ্বলের মুন্সিগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী মসজিদ, যাকির সাইদের মুন্সিগঞ্জের মেয়েলী গীত, সাধন সরকারের মুন্সিগঞ্জের মাটিতে লেখা হাজার বছরের ইতিহাস, মিজান আহমেদ বিক্রমপুরীর লৌহজংয়ের বানকাইজ বারোয়ারিতলা এবং শোভন সারোয়ারের বিক্রমপুরের নবজাগরণ ও চট্টোপাধ্যায় পরিবার।
সাহিত্যপ্রেমীদের জন্য আছে সাহিত্য বার্তা বিভাগ। এতে ইমন চৌধুরী, সাইফুল ইসলাম জুয়েল, জনি হোসেন কাব্য ও মুহাম্মদ ফজলুল হকের গল্প, ছড়া, কবিতা, কার্টুন এবং সাহিত্যবার্তার লেখক ও পাঠক রিভিউ ছাপা হয়েছে।
জীবনদর্শন বিভাগে আরাফাত শাহীনের জীবনের জন্য আত্মবিশ্বাস ও ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি এবং সাইয়্যেদুল বাশারের মহৎ কাজেই আত্মতৃপ্তি, জীবনের পরিপূর্ণতা স্থান পেয়েছে।
সমাজ, স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তি বিভাগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে নজরুল ইসলামের লেখা, শীতকালীন সর্দি-কাশি ও হোমিওপ্যাথি নিয়ে ডা. মো. মোস্তফা কামালের নিবন্ধ এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মো. গোলাম মাওলা পিএফএম (এস)-এর অগ্নি-সচেতনতামূলক লেখা রয়েছে।
ব্যক্তিত্ব বিভাগে আলোচিত হয়েছেন আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু, ইব্রাহিম খলিল ও বীরশ্রীসহ বিক্রমপুরের কয়েকজন গুণী মানুষ। লিখেছেন ড. মো. সাইদুল ইসলাম খান অপু, শহীদ-ই-হাসান তুহিন, আলম শহিদ, সুমন্ত রায় ও রাসেল শেখ।
মতামত পাতায় আছে মাদকের বিরুদ্ধে গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে আবু নাসের লিমনের লেখা এবং নির্বাচনে সংবাদপত্রের দায়িত্ব নিয়ে সায়িদ আহমেদের লেখা। দেশ-বিদেশ বিভাগে আছে আতিকুর রহমান নয়নের পরিবর্তিত বাংলাদেশ: কূটনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত এবং এক বছরের আলোচিত ঘটনাপঞ্জি।
এ ছাড়া ম্যাগাজিনে বিনোদনের পাতা এবং দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তার এক বছরের আলোকচিত্র নিয়ে অ্যালবাম রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ