ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

চুয়েটে ‘৫৬?’ প্রশ্নযাত্রায় অধ্যাপক সায়েমের পক্ষে ১২ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের বিবৃতি


চুয়েটে ‘৫৬?’ প্রশ্নযাত্রায় অধ্যাপক সায়েমের পক্ষে ১২ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের বিবৃতি

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) সদ্য সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের জন্য শিক্ষার্থীরা ষষ্ঠ দিনের মতো আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) তারা ‘৫৬?’ প্রতীকী প্রশ্নযাত্রা, ‘৫৬ কর্নার’ ও পথনাট্য কর্মসূচি পালন করেন। একই দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা কর্মবিরতি পালন করছেন।

সকাল ১০টা থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কর্মবিরতির কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। শিক্ষার্থীরা ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন করে অবস্থান কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।

দুপুর ২টার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে ‘৫৬?’ প্রতীকী প্রশ্নযাত্রা শুরু হয়। চুয়েটের নয়টি আবাসিক হল থেকে শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নেন। অনেক শিক্ষার্থীর হাতে ছিল লাল কাগজে বড় করে লেখা ‘৫৬?’। প্রশ্নযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার থেকে শুরু হয়ে স্বাধীনতা চত্বর প্রদক্ষিণ করে পুনরায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়।

আরও পড়ুন: তালায় বসুন্ধরা শুভসংঘের কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত, প্রধান অতিথি মেধা বিকাশের গুরুত্ব তুলে ধরেন

কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা ‘দাবি মোদের একটাই, সায়েম স্যারকে ভিসি চাই’, ‘একটি নাম, একটি সুর—সায়েম স্যার, সায়েম স্যার’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। শিক্ষার্থীদের হাতে থাকা ‘৫৬?’ প্রতীকী প্রশ্নের মাধ্যমে মূলত মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় অধ্যাপক সায়েমকে উপাচার্যের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়।

প্রশ্নযাত্রা শেষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ‘৫৬ কর্নার’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে যন্ত্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মোস্তফা খালিদ বিন শামস অধ্যাপক সায়েমের ৫৬ দিনের দায়িত্বকালে চুয়েটের আধুনিকায়নে নেওয়া ১২টি উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।

এরপর দুপুর ৩টার দিকে পথনাট্য শুরু হয়। এতে অধ্যাপক সায়েমকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া, নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমের অনলাইনে যোগদান এবং গত কয়েক দিনের আন্দোলনের বিভিন্ন ঘটনাপ্রবাহ ব্যঙ্গাত্মকভাবে তুলে ধরেন শিক্ষার্থীরা। উল্লেখ্য, ২৪ সেপ্টেম্বর আন্দোলনের মধ্যেই নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম অনলাইনে যোগদান করেন।

এদিকে, অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমের কাজের প্রশংসা করে এবং তাঁর প্রতি সমর্থন জানিয়ে বিশ্বের ১২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক বিবৃতি দিয়েছেন বলে আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ওই বিবৃতিতে অধ্যাপক সায়েমের নেতৃত্ব ও কর্মকাণ্ডের প্রতি সমর্থন জানানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: মাউশি কর্মকর্তা ও ইন-সিটু হিসেবে কর্মরতদের জন্য নতুন নির্দেশনা

শিক্ষার্থীদের মতে, চুয়েটে অধ্যাপক সায়েমের স্বল্প সময়ের দায়িত্বকালেও বিভিন্ন উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এসব উদ্যোগের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক একাডেমিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে তাঁকে পুনর্বহালের দাবি জানাচ্ছেন তারা। অধ্যাপক সায়েমকে পুনর্বহাল না করা পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। একই দাবিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কর্মবিরতি চলছে। ফলে টানা কয়েক দিনের আন্দোলনে চুয়েটের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে অচলাবস্থা অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কলকাতার নিউ মার্কেটে বাংলাদেশি ক্রেতা সংকটে কোটি রুপি ক্ষতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৪৬ পি.এম


কলকাতার নিউ মার্কেটে বাংলাদেশি ক্রেতা সংকটে কোটি রুপি ক্ষতি

গত ১৯ আগস্ট কলকাতার ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের একটি বোর্ডিং হাউসে বিধ্বংসী আগুনের কারণে ৯ জনের মর্মান্তিক মৃত্যুর পর নিউ মার্কেট এবং সংলগ্ন বাণিজ্যিক অঞ্চলে এর প্রভাব পড়েছে। অগ্নিকাণ্ডের ফলে এলাকার হোটেল, লজ ও গেস্ট হাউসগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বাংলাদেশি পর্যটক ও ক্রেতাদের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। এর ফলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা চরম বিপাকে পড়েছেন।

রোববার টাইমস অব ইন্ডিয়ার একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আগস্টের প্রথমার্ধের তুলনায় বর্তমানে নিউ মার্কেট ও আশেপাশের প্রায় ৫,০০০ পোশাক, প্রসাধনসামগ্রী, লাগেজ, ড্রাই ফ্রুটস এবং চকোলেটের দোকান সম্মিলিতভাবে দৈনিক প্রায় ১ কোটি রুপি লোকসান গুণছে।

চলতি বছরের জুন মাসের শেষে ভারত সরকার বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য পুনরায় পর্যটন ভিসা চালু করার পর এই দোকানগুলোতে বিক্রির পরিমাণ কিছুটা বেড়ে গিয়েছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ড এবং তার পরপরই হোটেলগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত সেই পুনরুদ্ধারের আশা নষ্ট করে দিয়েছে।

গত দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে নিউ মার্কেট, হুমায়ুন প্লেস, বার্টরাম স্ট্রিট, লিন্ডসে স্ট্রিট এবং ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের দোকানগুলো প্রধানত বাংলাদেশি ক্রেতাদের ওপর নির্ভর করে টিকে ছিল। মোট ক্রেতার অর্ধেকেরও বেশি এবং বিক্রয়ের প্রায় ৬০ শতাংশই বাংলাদেশ থেকে আসত।

২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সাবেক স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পলায়নের আগে নিউ মার্কেটের 'বি' ব্লকে পোশাক সামগ্রী বিক্রির দোকান 'আম্রপালী'র প্রায় ৬০ শতাংশ গ্রাহক বাংলাদেশি ছিলেন।

'আম্রপালী'র স্বত্বাধিকারী মনোজ আদওয়ানি বলেন, “দীর্ঘ দুই বছর বন্ধ থাকার পর যখন পুনরায় পর্যটন ভিসা দেওয়া শুরু হলো, তখন ক্রেতারা আস্তে আস্তে ফিরতে শুরু করেছিলেন। কয়েক সপ্তাহ আগে আমাদের মোট ক্রেতার প্রায় ১৫ থেকে ২০ শতাংশ বাংলাদেশি ছিলেন। কিন্তু বাধ্য হয়ে হোটেলগুলো বন্ধ করে দেওয়ায় বাংলাদেশিরা অন্য এলাকায় চলে গেছেন, অথবা দেশে ফিরে গেছেন। এখন আমাদের দোকানে বাংলাদেশি ক্রেতার সংখ্যা ৫ শতাংশেও নিচে নেমে এসেছে।”

'মানসা শাড়ী'র তরুণ ইসরানি জানান, তার দোকানের মোট ব্যবসার প্রায় ৭০ শতাংশই বাংলাদেশি ক্রেতাদের কাছ থেকে আসত। “আমরা মূলত তাদের পছন্দের ওপর ভিত্তি করেই শাড়ির স্টক রাখতাম। বাংলাদেশে রাজনৈতিক পট পরিবর্তন ও শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর তা নেমে এসেছিল ১৫ শতাংশে। ভিসা চালু হওয়ার পর বিক্রি আবার কিছুটা বেড়ে ২৫ শতাংশে পৌঁছেছিল। কিন্তু অগ্নিকাণ্ড ও হোটেল বন্ধের পর এক সপ্তাহ আগে তা নেমে আসে ১০ শতাংশে, আর এখন তা দ্রুত শূন্যের দিকে যাচ্ছে।”

একইভাবে সালোয়ার স্যুট বিক্রেতা 'ফ্যান্সি বুটিক'-এর মালিক অমিত সাহা জানান, মন্দা শুরুর আগে তার দোকানের প্রায় ৮০ শতাংশ ক্রেতাই বাংলাদেশি ছিলেন। ধাক্কা সামলে ভিসা চালুর পর তা ১৫ শতাংশে উঠলেও এখন তা প্রায় শূন্যে এসে ঠেকেছে।

নিউ মার্কেটের ২,৭০০টি দোকানের মধ্যে প্রায় ১,৫০০টি দোকানে বাংলাদেশি গ্রাহকদের যাতায়াত সবচেয়ে বেশি—বিশেষ করে পোশাক, প্রসাধন সামগ্রী, ভ্রমণের ব্যাগ, চকোলেট, ড্রাই ফ্রুটস এবং মশলার দোকানে। এছাড়া লিন্ডসে স্ট্রিট, হুমায়ুন প্লেস, ফ্রি স্কুল স্ট্রিট এবং মারকুইস স্ট্রিটের প্রায় ৩,৫০০ থেকে ৪,০০০টি দোকানও মূলত বাংলাদেশি ক্রেতাদের ওপর নির্ভরশীল।

'এস এস হগ মার্কেট ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন'-এর সাধারণ সম্পাদক উদয় কুমার সাহু বলেন, “২০২৪ সালের জুনে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার আগে এই অঞ্চলের একটি দোকানে দৈনিক গড় বিক্রি ছিল প্রায় ১৫,০০০ রুপি। এখানকার ৫,০০০ থেকে ৫,৫০০টি দোকানে প্রতিদিন মোট ব্যবসা হতো প্রায় ৮ কোটি রুপি। এর মধ্যে ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ ব্যবসাই দিতেন বাংলাদেশিরা, যার পরিমাণ ছিল প্রতিদিন প্রায় ৪.৮ কোটি রুপি।”

বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে এখানকার গড় দৈনিক বিক্রি কমে দাঁড়ায় প্রায় ৬,০০০ রুপি। ফলে গোটা এলাকার দৈনিক লেনদেন ৮ কোটি রুপি থেকে কমে মাত্র ৩ কোটি রুপিতে নেমে আসে। জুন মাসের শেষে ভারতীয় ভিসা দেওয়া শুরু হলে দৈনিক গড় বিক্রি বেড়ে ৮,০০০ রুপি দাঁড়ায় এবং প্রতিদিনের ১ কোটি রুপি আয়ের প্রায় ২০ শতাংশই আসছিল বাংলাদেশিদের কাছ থেকে।

ব্যবসায়ীরা জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিক্রি আবার আগের মতো দৈনিক ৬,০০০ রুপি নেমে এসেছে এবং বাংলাদেশি ক্রেতাদের পক্ষ থেকে সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না বললেই চলে।

উদয় কুমার সাহু আরও জানান, “যারা কেনাকাটা করতে এসেছিলেন তারা সবাই দেশে ফিরে গেছেন। আর যারা চিকিৎসার কাজে এসেছিলেন এবং হাসপাতালে যাওয়ার ফাঁকে ফাঁকে কেনাকাটা করতেন, তারা মুকুন্দপুর ও সল্টলেকের দিকে চলে গেছেন। কেনাকাটা করার জন্য অত দূর থেকে কষ্ট করে তারা আর এই অঞ্চলে আসবেন না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাপানের ১১ বছর বয়সী কিশোর ইউকি কুরিহারার ইতিহাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৪৬ পি.এম


জাপানের ১১ বছর বয়সী কিশোর ইউকি কুরিহারার ইতিহাস

জাপানের ১১ বছর বয়সী ই-স্পোর্টস প্রতিভা ইউকি কুরিহারার ছবি রোববার জাপানের বিভিন্ন সংবাদপত্রের প্রথম পাতায় প্রকাশিত হয়েছে। এশিয়ান গেমসে ঐতিহাসিক স্বর্ণপদক জয়ের পর তাকে ‘দেবতুল্য’ নতুন ক্রীড়া নায়ক হিসেবে উদযাপন করছে জাপান।

নাগোয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই শিক্ষার্থী প্রতিপক্ষদের গুঁড়িয়ে দিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বীদের বয়স ছিল তার চেয়ে প্রায় তিন গুণ বেশি।

পুয়ো পুয়ো চ্যাম্পিয়নস গেমের ফাইনালে তিনি ১০-২ ব্যবধানে জয়লাভ করেন। এটি একটি পাজল গেম, যেখানে খেলোয়াড়দের একই রঙের ব্লবগুলো পাশাপাশি সাজিয়ে স্ক্রিন থেকে সরিয়ে ফেলতে হয়।

এই জয়ের মাধ্যমে ইউকি কুরিহারা এশিয়ান গেমসের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী স্বর্ণপদকজয়ী ক্রীড়াবিদ হিসেবে একটি নতুন রেকর্ড গড়েছেন।

জাপানের স্পোর্টস হোচি পত্রিকার শিরোনাম ছিল, “১১ বছর বয়সে স্বর্ণ!” আরেকটি শিরোনাম ছিল, “ফাইনালে অবিশ্বাস্য ১৫-চেইন কম্বো!”

কুরিহারার ১২ বছর পূর্ণ হবে আগামী বছরের জুনে। তিনিই এশিয়ান গেমসের ইতিহাসে জাপানের সবচেয়ে কম বয়সী ক্রীড়াবিদ।

উচ্ছ্বসিত কুরিহারা জানিয়েছেন, প্রতিযোগিতার আগে তার ঈল মাছ খেতে ভালো লাগে এবং তার স্বপ্ন ভবিষ্যতে ট্রেন চালক হওয়া।

শনিবার স্বর্ণপদক জয়ের পর তিনি কিছুটা বিব্রত হয়েছিলেন বলে জানান। তবে তিনি বলেন, তার পদকটি “সত্যিই সুন্দর, ঝকঝকে এবং ভারী।”

প্রতিযোগিতার সময় তাকে খুব বেশি আবেগ প্রকাশ করতে দেখা যায়নি। নির্বিকার মুখে মনোযোগ ধরে রেখে জয় নিশ্চিত করার মুহূর্তেও তিনি শান্ত ছিলেন।

স্পোর্টস নিপ্পন পত্রিকা লিখেছে, “অপরাজেয় পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রটি এশিয়ার শীর্ষে পৌঁছে গেছে। এমনকি ম্যাচ শুরুর আগেও সে হাই তুলেছিল।”

১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ার পর দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ফাইনাল জেতায় কুরিহারার খেলার প্রশংসা করেছে পত্রিকাটি।

কুরিহারার দাপুটে জয় ই-স্পোর্টসে জাপানের প্রথম এশিয়ান গেমস স্বর্ণপদক এনে দিয়েছে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণীতে পড়ার সময় তিনি পুয়ো পুয়ো খেলা শুরু করেন। এরপর দ্রুতই বিভিন্ন টুর্নামেন্টে অংশ নিয়ে জয় পেতে শুরু করেন।

চলতি বছরের এপ্রিলে তিনি পেশাদার লাইসেন্স পান এবং নিয়মিতভাবে প্রাপ্তবয়স্ক খেলোয়াড়দের হারিয়ে আসছেন।

এশিয়ান গেমসের পুরস্কারের অর্থ কীভাবে ব্যয় করবেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমার ঝকঝকে জিনিস পছন্দ। তাই কিছু রত্নপাথর কিনতে চাই। আমার নীল রঙেরগুলো পছন্দ।”

সূত্র: বাসস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টাঙ্গাইলে আইনজীবীদের সাথে বিচারপতি জে. বি. এম. হাসানের মতবিনিময়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৪৬ পি.এম


টাঙ্গাইলে আইনজীবীদের সাথে বিচারপতি জে. বি. এম. হাসানের মতবিনিময়

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের মাননীয় বিচারপতি জে. বি. এম. হাসান টাঙ্গাইলের আইনজীবীদের সাথে মতবিনিময় করেছেন। এটি মনিটরিং কমিটি ফর সাবর্ডিনেট কোর্টস ঢাকা-১ এর আওতাধীন।

মতবিনিময় সভাটি রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সোহেল-জগন্নাথ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। এ সভার সভাপতিত্ব করেন বার সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোনায়েম হোসেন খান আলম।

সভায় বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইলের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো: হাফিজুর রহমান, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো: কামরুজ্জামান, টাঙ্গাইলের প্রধান সরকারি আইন কর্মকর্তা (জিপি) অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল, পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম রিপন, বার সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মঈদুল ইসলাম শিশির এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ. কে. এম. মনসুর আহমেদ খান বিপন। সভাটি পরিচালনা করেন বার সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সাইদুর রহমান স্বপন।

আইনজীবীগণ এই মতবিনিময় সভায় আদালতের বিচারক সংকট ও অবকাঠামোগত সমস্যাসহ বিভিন্ন চলমান সমস্যার কথা তুলে ধরেন। বিচারপতি জে. বি. এম. হাসান পর্যায়ক্রমে এসব সমস্যার সমাধানের আশ্বাস প্রদান করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এশিয়ান গেমসে দলগত ইভেন্টে বাংলাদেশি আরচারদের হতাশা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৪৭ পি.এম


এশিয়ান গেমসে দলগত ইভেন্টে বাংলাদেশি আরচারদের হতাশা

এশিয়ান গেমসে আরচারি ইভেন্টের দলগত প্রতিযোগিতায় রোববার বাংলাদেশ দলের জন্য ছিল এক হতাশাজনক দিন। রিকার্ভ ও কম্পাউন্ডের নারী, পুরুষ এবং মিশ্র দলগত ছয়টি ইভেন্টের সবগুলোতেই বাদ পড়েছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

ওকাজাকি চুয়ো সোগো পার্কে ইরানের বিরুদ্ধে ছেলেদের দলগত কম্পাউন্ড ইভেন্টে বাংলাদেশ দলের শুরুটা ছিল দারুণ। প্রথম সেটে তারা জয়লাভ করে ৫৯-৫৭ পয়েন্টের ব্যবধানে। পরবর্তী সেটটি ছিল হাড্ডাহাড্ডি, যেখানে স্কোর ৫৮-৫৮ পয়েন্টে ড্র হয়। তৃতীয় সেটে বাংলাদেশ ৫৬-৫৯ পয়েন্টে পরাজিত হয়। শেষ সেটে লাল-সবুজরা ৫৯-৫৮ পয়েন্টে জয়লাভ করলেও চূড়ান্ত স্কোর ছিল ২৩২-২৩২ পয়েন্ট।

ভাগ্য নির্ধারক শুট-অফে দুই দলের স্কোর সমান ছিল ৩০-৩০। তবে ইরানের তিনটি এক্স শট ছিল, যেখানে বাংলাদেশের দুটি ছিল। ফলে সুক্ষ্ম ব্যবধানে পরবর্তী রাউন্ডের টিকিট অর্জন করে ইরান।

মেয়েদের কম্পাউন্ড দলের প্রতিপক্ষ ছিল কাজাখস্তান। প্রথম সেটটি ৫৫-৫৫ পয়েন্টে ড্র হয়। দ্বিতীয় সেটে বাংলাদেশ ৫৬-৫৭ পয়েন্টে পরাজিত হয়, তৃতীয় সেটে তারা ৫৭-৫৯ পয়েন্টে জয়লাভ করে। কিন্তু চতুর্থ সেটে ৫৮-৬০ পয়েন্টের ব্যবধানে হারিয়ে লাল-সবুজরা ম্যাচ থেকে বাদ পড়ে। চূড়ান্ত স্কোর ছিল ২২৯-২২৮।

কম্পাউন্ড নারী ও পুরুষ দুই দলেরই প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে গিয়ে ম্যাচ হারার ঘটনা ঘটে। রিকার্ভ মিশ্র দলগত ইভেন্টে আব্দুর রহমান আলিফ ও মনিরা আক্তার জুটি থাইল্যান্ডকে ৬-০ ব্যবধানে পরাজিত করে প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে প্রবেশ করে। সেখানে তারা স্বাগতিক জাপানের কাছে ১-৫ ব্যবধানে পরাজিত হয়ে লাল-সবুজদের অভিযান শেষ হয়।

কম্পাউন্ড মিশ্র দলগত ইভেন্টের প্রি-কোয়ার্টারে বাংলাদেশ ইরানের বিরুদ্ধে লড়াই করে, কিন্তু তারা ১৫৮-১৫৪ পয়েন্টের ব্যবধানে পরাজিত হয়। রিকার্ভ ছেলেদের দলগত লড়াইয়ে ইরানের কাছে বাংলাদেশ ৫-৪ পয়েন্টে হারিয়ে বিদায় নেয়। মেয়েদের রিকার্ভ দলগত ইভেন্টে বাংলাদেশ জাপানকে ৫-৪ ব্যবধানে পরাজিত করে কোয়ার্টার ফাইনালে প্রবেশ করে। কিন্তু সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ইন্দোনেশিয়ার কাছে ৫-৩ ব্যবধানে পরাজিত হয়।

গেমসে সোমবার বাংলাদেশ দলের হিমু বাছাড় ছেলেদের কম্পাউন্ড ব্যক্তিগত লড়াইয়ে অংশগ্রহণ করবেন, যেখানে তার প্রতিপক্ষ কাজাখস্তানের আন্দ্রেই তাইয়ুতাইয়ুন। একই ইভেন্টে নেওয়াজ আহমেদ রাকিব ইরানের মিলাদ রশিদিদির বিরুদ্ধে লড়বেন। মেয়েদের কম্পাউন্ড ব্যক্তিগত লড়াইয়ে কুলসুম আক্তার মনির প্রতিপক্ষ ইন্দোনেশিয়ার নিনো বনিতা প্যারেইরা। বাংলাদেশের আরেক তীরন্দাজ বন্যা আক্তারের সামনে রয়েছে ইরানি বাধা, যেখানে তার প্রতিপক্ষ গিসা বাইবরদি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%