মাসফিকুল হাসান,বেরোবি প্রতিনিধি
১১:১২ এম
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মুখতার ইলাহী হলে রিডিং রুম তৈরির কাজ চলমান থাকা অবস্থায় একই কক্ষে পুনরায় টেলিভিশন স্থাপন করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বর্তমানে হলের একমাত্র রিডিং রুমটি আবাসিক শিক্ষার্থীদের তুলনায় অত্যন্ত ছোট। দীর্ঘদিন ধরে তারা বড় আকারের টিভি রুমটিকে রিডিং রুমে এবং বর্তমান রিডিং রুমটিকে টিভি রুম হিসেবে ব্যবহার করার দাবি জানিয়ে আসছেন।
এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রায় দুই মাস আগে টিভি রুমকে রিডিং রুমে রূপান্তরের কাজ শুরু হলেও এখনো তা সম্পন্ন হয়নি।
আবাসিক শিক্ষার্থীরা জানান, ঈদুল আজহার ছুটির আগে কক্ষটির অধিকাংশ সংস্কারকাজ শেষ হলেও টেবিল-চেয়ার স্থাপনের কাজ বাকি ছিল। ঈদের ছুটির পর কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও হল খুলতেই সেখানে আবার টেলিভিশন স্থাপন করা হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
শিক্ষার্থীদের দাবি, বর্তমানে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আসরের খেলা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মারক মাঠে বড় এলইডি স্ক্রিনে প্রদর্শনের ব্যবস্থা রয়েছে। ফলে অধিকাংশ শিক্ষার্থী মাঠে বসেই খেলা উপভোগ করেন। এ অবস্থায় হলে আলাদা টিভি রুমের চেয়ে একটি আধুনিক ও প্রশস্ত রিডিং রুমের প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশি।
হলের আবাসিক শিক্ষার্থী রাকিবুল হাসান বলেন, “ঈদের לפני টিভি রুমকে রিডিং রুমে রূপান্তরের কাজ শুরু হয়েছিল। অধিকাংশ কাজ শেষ হলেও টেবিল-চেয়ার স্থাপন বাকি ছিল। ঈদের পর সেটি সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও অফিস খোলার দিনই সেখানে আবার টিভি বসানো হয়েছে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কোনো আলোচনার ছাড়াই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ায় আমরা হতাশ।”
আরেক শিক্ষার্থী গোলাম রহমান শওন বলেন, “বিষয়টি নিয়ে হল প্রশাসনের দায়িত্বশীল ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি জানিয়েছেন, কিছু শিক্ষার্থীর অনুরোধে আসন্ন বিশ্বকাপ উপলক্ষে সাময়িকভাবে টিভি স্থাপন করা হয়েছে। তবে রিডিং রুমের চেয়ার-টেবিলের কাজ এখনো শেষ হয়নি। প্রায় ৪০ দিনের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও কাজ শেষ না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।”
এ বিষয়ে হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান বলেন, “এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলে অফিসে এসে দেখা করতে হবে। তখন বিষয়টি নিয়ে কথা বলা যাবে।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে সোহেল মুন্সী (৩৯) নামে এক ভাঙারি ব্যবসায়ীকে দুর্বৃত্তরা নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে। হত্যার পরে তারা নিহতের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়।
এই ঘটনার সময় রাত আনুমানিক ২টার দিকে বুধবার (১৮ জুন) দিবাগত রাত উপজেলার গাঁওদিয়া ইউনিয়নের কালুরগাঁও গ্রামে ঘটে।
নিহত সোহেল মুন্সী ওই গ্রামের মৃত ইসমাইল মুন্সীর ছেলে বলে জানা যায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানানো হয়েছে, সোহেল মুন্সী তার বসতবাড়ির পূর্ব পাশের ঘরে একাই ঘুমাতে গিয়েছিলেন। তার স্ত্রী নুপুর বেগম কিছুদিন আগে সন্তান প্রসব করায়, তিনি শাশুড়ি সেফালি বেগমের সঙ্গে পাশের অন্য একটি ঘরে ঘুমাচ্ছিলেন।
রাত ২টার দিকে আকস্মিক একটি শব্দ শুনতে পেয়ে সোহেল মুন্সীর মা ও স্ত্রী ঘুম থেকে জেগে ওঠে। তারা যখন ঘর থেকে বের হয়ে আসে, তখন দেখতে পায়, উঠানের মধ্যে সোহেল মুন্সীর ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি দাউদাউ করে জ্বলছে এবং পাশে সোহেল মুন্সীর রক্তাক্ত নিথর দেহ রয়েছে। তাদের আর্তচিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। তবে দুর্বৃত্তরা এর আগেই পালিয়ে যায়।
দুষ্কৃতিকারীরা সোহেলকে ঘুম থেকে ডেকে আপনার জাতির চিত্রায় বাইরে এনে বাড়ির উঠানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপায়। নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের গভীর কাটা জখম ও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
পুলিশ নিহতের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরান হোসেন বলেন, অপরাধীদের গ্রেফতার এবং এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশের উচ্চ পর্যায়ের টিম কাজ করছে। পুলিশর কয়েকটি টিম ঘটনাস্থলে নেমেছে। এই ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের প্রেক্ষাপটে মার্কিন সেনার নিহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কিত দীর্ঘদিনের গোপনীয়তার প্রাচীর ভেঙে গেল প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক অসতর্ক মন্তব্যের মাধ্যমে। ওয়াশিংটন এতদিন ধরে নিহতদের প্রকৃত তথ্য গোপন রাখলেও, ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনের একটি সংবাদ সম্মেলনে ক্ষিপ্ত হয়ে ট্রাম্প সরাসরি স্বীকার করে নেন যে, ইরানের হামলায় ‘হাজার হাজার’ মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে। এ সময় ট্রাম্প একটি বালিকা বিদ্যালয়ে মার্কিন হামলার দায় এড়াতে গিয়ে মুখ ফসকে মার্কিন প্রশাসনের এই গোপন তথ্য ফাঁস করে দেন।
বুধবার ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বাইন্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনের সমাপনী সংবাদ সম্মেলনে নিউ ইয়র্ক টাইমসের হোয়াইট হাউস প্রতিনিধি জোলান কান্নো-ইয়ং ট্রাম্পকে প্রশ্ন করেছিলেন, যুদ্ধের প্রথম দিনেই দক্ষিণ ইরানের মিনাবের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় শতাধিক শিশু নিহতের ঘটনায় মার্কিন প্রশাসনের কাউকে জবাবদিহির আওতায় আনা হবে কিনা।
ট্রাম্প এই স্পর্শকাতর প্রশ্নে রাগান্বিত হয়ে ইরানের ওপর দায় চাপাতে গিয়ে বলেন, "কেউ ওই কাজ ইচ্ছাকৃতভাবে করেনি। কিন্তু আপনারা তাদের (ইরান) ব্যাপারে কী বলবেন? তারা যে গাড়ি বোমা মেরে আমাদের হাজার হাজার সেনাকে উড়িয়ে দিল, সেটার কী হবে? ইরান যে হাজার হাজার মানুষকে মারল, তা নিয়ে তো কথা বলছেন না!"
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই আকস্মিক ও বিস্ফোরক মন্তব্যে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক এবং সামরিক মহলে তোলপাড় শুরু হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সাথে চলমান সংঘাতে মার্কিন বাহিনীর কতজন সদস্য নিহত হয়েছেন, সে সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য সবসময়ই পেন্টাগন ও হোয়াইট হাউস ধামাচাপা দিয়ে আসছিল। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর বিভিন্ন সময়ে নামমাত্র ও সীমিত হতাহতের দাবি করলেও, প্রেসিডেন্টের মুখে ‘হাজার হাজার সেনা উধাও’ হওয়ার এই স্বীকারোক্তি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে এখন প্রধান শিরোনাম.
সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প মিনাবের স্কুলে হামলার ঘটনাকে 'যুদ্ধকালীন অনিচ্ছাকৃত ভুল' হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেন। তিনি বলেন, "যুদ্ধে ভুলত্রুটি হতেই পারে। যুদ্ধ মানেই নির্মমতা। তবে বিষয়টি এখনো তদন্তাধীন রয়েছে।" এ বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য তিনি মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের দিকে আঙুল তোলেন।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিনেই দক্ষিণ ইরানের মিনাবের ‘শাজারেহ তাইয়্যেবাহ এলিমেন্টারি স্কুল’ মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হয়। ইরানি কর্মকর্তাদের মতে, এতে ১২০ জন শিশু ও ২৬ জন শিক্ষকসহ ১৭৫ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হন। রয়টার্স ও স্কাই নিউজের ফলাফলে জানা গেছে, মার্কিন গোয়েন্দারা পুরোনো তথ্য ব্যবহার করে হামলা চালানোর ফলে এ ভয়াবহ ঘটনা ঘটে। প্রথমে এই হামলার দায় ইরানের ওপর চাপানোর চেষ্টা করা হলেও, মার্কিন সামরিক বাহিনীর প্রাথমিক অভ্যন্তরীণ তদন্তে উঠে আসে যে এই বর্বর হামলার জন্য দায়ী মার্কিন বাহিনীই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেটে বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটার রিচার্জ টোকেন নিয়ে চরম ভোগান্তি অতিবাহিত করতে হচ্ছে। রিচার্জের পর গ্রাহকদের অস্বাভাবিক পরিমাণ ডিজিট প্রদান করা হচ্ছে। ৮০ থেকে ২৪০ সংখ্যার টোকেন নাম্বার আসছে। এত বিপুল সংখ্যক নাম্বার তুলতে ভুল হচ্ছে বেশিরভাগ গ্রাহকদেরও।
নাম্বার তুলতে ভুল হওয়ায় অনেকের মিটার লক হয়ে যাচ্ছে। মিটার সচল করতেও তাদের গুণতে হচ্ছে বাড়তি টাকা। এতে বিদ্যুৎ বিভাগের অসহযোগিতার অভিযোগ উঠেছে।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের তরফে বলা হচ্ছে, ইউনিট মূল্য নতুনভাবে নির্ধারিত হওয়ার কারণে এই ভোগান্তি দেখা দিচ্ছে। তারা গ্রাহকদের সাধ্য অনুযায়ী সাহায্য করার আশ্বাস দিয়েছেন।
গ্রাহকদের অভিযোগ, দীর্ঘ এই টোকেন নম্বর মিটারে প্রবেশ করাতে গিয়ে বারবার ভুল ঘটছে। ফলে রিচার্জ সম্পন্ন হচ্ছে না, আবার অনেকের মিটার লক হয়ে যাচ্ছে। এতে ভ্যাপসা গরমের মধ্যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় কাটাতে হচ্ছে তাদের।
এদিকে, কর্তৃপক্ষের এমন দরিদ্র সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকে। ভুক্তভোগী কয়েকজন গ্রাহক জানান, রিচার্জের পর মোবাইলে প্রায় ২০০ ডিজিটের টোকেন পাঠানো হচ্ছে। দীর্ঘ নম্বর মিটারে প্রবেশ করাতে গিয়ে অনেকেই একাধিকবার ভুল করছেন এবং এতে নতুন করে দুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে।
গ্রাহকরা জানান, প্রিপেইড মিটার রিচার্জের পর উচ্চারিত লম্বা ডিজিটের টোকেন আসে মেসেজে। সংখ্যাটা ষাট থেকে দুশো চব্বিশ পর্যন্ত হয়ে থাকে। যা ইনস্টলেশনে সহপাঠ্য গ্রাহকদেরও সমস্যায় ফেলছে। আর, যারা বয়স্ক বা অনভিজ্ঞ, তাদের কথা বলারও দরকার নেই। কখনো কখনো মিটার লক হয়ে যাচ্ছে। যার জন্য, তীব্র গরমে বিদ্যুৎহীন থাকতে হচ্ছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা।
হবিনন্দী এলাকার বাসিন্দা ওয়াসিম আহমদ বলছেন, মিটারে টাকা রিচার্জের পর প্রায় ২৪০ ডিজিটের একটি টোকেন দেয়। এই নম্বরটি কয়েকবার চেষ্টা করেও তিনি মিটারে ইনস্টল করতে পারেননি। সমস্যা এত গভীর হয়ে উঠলে, বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তাদের অসহযোগিতার অভিযোগ উঠেছে।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড বলছে, বিদ্যুতের মূল্যহার পরিবর্তন হওয়ায় আবাসিক প্রিপেইড মিটারগুলোতে ৬টি ধাপে বিল হিসাব হচ্ছে এবং প্রতিটি ধাপের ইউনিট মূল্য নতুনভাবে নির্ধারিত হয়েছে। মিটারে এই আপডেট কার্যকর করতে সাধারণ রিচার্জ টোকেনের সঙ্গে অতিরিক্ত একটি টোকেন পাঠানো হচ্ছে। তারা গ্রাহকদের সাধ্য অনুযায়ী সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
সিলেট বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ -২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, বৈদ্যুতিক মিটারের ট্যারিফ পরিবর্তনের কারণে গ্রাহকদের একবার দীর্ঘ টোকেন ব্যবহার করতে হচ্ছে। একবার সতর্কতার সঙ্গে টোকনটি সঠিকভাবে রিচার্জ করার পর মিটার নতুন ট্যারিফ বুঝে যাবে। এবং পরবর্তী রিচার্জের জন্য নতুনভাবে স্বাভাবিক টোকেন পাওয়া যাবে।
তিনি বলেন, এই সমস্যা নিয়ে যারা আমাদের কাছে সাহায্যের জন্য আসছেন তাদের সাধ্যমত সহায়তা করছি। বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থা নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসির (নেসকো) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এটি কোনো ত্রুটি বা অস্বাভাবিক ঘটনা নয়। নতুন বিদ্যুৎ ট্যারিফ কার্যকর করার জন্যই দেওয়া হচ্ছে অতিরিক্ত এই টোকেন।
সংস্থাটি জানিয়েছে, আবাসিক প্রিপেইড মিটারগুলোতে ৬ ধাপে বিদ্যুৎ বিল হিসাব করা হচ্ছে। সরকারের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রায় প্রতিটি ধাপের ইউনিট মূল্য পরিবর্তিত হয়েছে। মিটারে নতুন মূল্যহার কার্যকর করতে গ্রাহকদের রিচার্জ টোকেনের সঙ্গে অতিরিক্ত টোকেন পাঠানো হচ্ছে।
নেসকো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, এই টোকেন পাওয়া মানেই মিটারে কোনো সমস্যা হয়েছে এমন সংবেদন নয়। বরং এটি নতুন ট্যারিফ হালনাগাদের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। টোকেন প্রবেশ করানোর ক্ষেত্রেও বিশেষ নিয়ম অনুসরণ করতে হবে।
কর্তৃপক্ষ আরো জানায়, এসএমএস বা সংশ্লিষ্ট পোর্টালে দেওয়া ২২০ ডিজিটের টোকেন প্রতি ২০ ডিজিট পরপর কমা (,) দিয়ে ভাগ করা থাকে। গ্রাহকদের প্রথম ২০ ডিজিট মিটারে প্রবেশ করিয়ে সবুজ বাটন বা ‘এন্টার’ চাপতে হবে। এরপর পরবর্তী ২০ ডিজিট একইভাবে প্রবেশ করাতে হবে। সবগুলো অংশ সফলভাবে প্রবেশ করানোর পর মিটারে ব্যালান্স যোগ হবে এবং নতুন বিদ্যুৎ ট্যারিফ কার্যকর হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলায় জাটকা নিধন এবং অবৈধভাবে মাছ আহরণ রোধে কঁচা নদীতে একটি মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়, যেখানে দুই জেলেকে মোট ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (১৭ জুন) জাটকা সংরক্ষণ কর্মসূচি উপলক্ষে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জানা গেছে, ভাণ্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. হাসিবুল হাসান নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছেন কঁচা ও পোনা নদীতে, যাতে জাটকা সংরক্ষণ এবং নদীর মৎস্যসম্পদ রক্ষা করা যায়।
এরই ধারাবাহিকতায়, বুধবার বিকেলে কঁচা নদীতে অভিযান চালানোর সময় রাক্ষুসে নেট (বেহুন্দী জাল) ব্যবহার করে জাটকা নিধন এবং অবৈধ মৎস্য আহরণের অভিযোগে জিয়ানগর উপজেলার পাড়েরহাট এলাকার ইউসুফ আলী বেপারীর ছেলে জসিম বেপারী এবং একই এলাকার ইউনুস আলীর ছেলে মোহর আলীকে আটক করা হয়।
অভিযানকালে একটি রাক্ষুসে নেট (বেহুন্দী জাল) এবং প্রায় ৫ কেজি গুঁড়া মাছ জব্দ করা হয়।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. হাসিবুল হাসান মৎস্য সংরক্ষণ ও সুরক্ষা আইন, ১৯৫০-এর ৩(৩)(ক)(অ) ধারা লঙ্ঘনের দায়ে এবং ৫(১) ধারার বিধান অনুযায়ী দুই জেলেকে মোট ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
অভিযানে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৈয়দ নজরুল ইসলামসহ পুলিশ সদস্য এবং মৎস্য বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।
মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, দেশের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ, জাটকা রক্ষা এবং ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সরকার ঘোষিত নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে।
জনস্বার্থে ভবিষ্যতেও এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ