ভান্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
০৫:০৮ পি.এম
পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় মাদক সেবনের অপরাধে মো: মাসুম হাওলাদার (২৮) নামে এক যুবককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত|
শনিবার (০৬ জুন) রাত সাড়ে ১১ টায় উপজেলার দক্ষিণ ভান্ডারিয়া ৭ নং ওয়ার্ড এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়| সাজাপ্রাপ্ত মাসুম হাওলাদার ওই এলাকার হাওলাদার বাড়ির আব্দুল কুদ্দুস হাওলাদারের ছেলে|
আদালত সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দক্ষিণ ভান্ডারিয়া এলাকায় অভিযান চালায় টহল পুলিশ| এ সময় মাদক সেবনরত অবস্থায় মাসুম হাওলাদারকে হাতেনাতে আটক করা হয়| পরে সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ভান্ডারিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব উজ্জ্বল হালদার| তিনি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আটককৃত যুবককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং নগদ ৫০০ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও মেয়াদের সাজার আদেশ দেন|
ভাণ্ডারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান জানান, দণ্ডপ্রাপ্ত মাসুম হাওলাদারকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে| এলাকায় মাদকের বিস্তার রোধে আমাদের এই কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে|
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। এই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ২৮৭ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ সনাক্ত করা হয়েছে।
রোববার (৭ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হাম বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রদান করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে, হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এটি বিবেচনায় নিয়ে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৫২৯টি শিশুর। আর হাম দ্বারা আক্রান্ত হয়ে মোট ৯১টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৬২০টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৬৬টি শিশু হাম দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা বর্তমান ১ হাজার ২২১। এই সময়ে ১ হাজার ১২৯টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, এবং হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ১২০টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৯ হাজার ১২, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৯ হাজার ৬৮৬। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৬৪ হাজার ২৬৩ রোগী, যাদের মধ্যে ৬০ হাজার ৮৪ জন ইতোমধ্যে ছাড়পত্র পেয়ে বাড়ি ফিরেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জমি লিখে না দেওয়ায় স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যায় অভিযুক্ত স্বামী আনারুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। র্যাব-১ ও র্যাব-১৩ এর যৌথ অভিযানে গাজীপুর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গত ২২ মে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরের হাসানপাড়ায় ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আনারুল উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের হাসানপাড়া এলাকার মৃত নজরুল ইসলামের ছেলে।
শনিবার (৬ জুন) দিবাগত রাতে র্যাব-১৩ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হত্যার শিকার শিমুলি আক্তার শিউলি আনারুলের দ্বিতীয় স্ত্রী। বিয়ের পর থেকে সাংসারিক জীবনে তাদের মধ্যে ঝগড়া লেগেই থাকত। শিউলি ২ শতক জমি কিনে সেখানে একটি টিনশেড ঘর করে স্বামীসহ বসবাস করে আসছিলেন। ওই ২ শতক জমি আনারুল তার নামে রেজিস্ট্রি দলিল করে দেওয়ার জন্য শিউলিকে শারীরিক নির্যাতন করক। তারই ধারাবাহিকতায় গত ২২ মে বিকালে আনারুল ও তার সহযোগীরা মিলে শিউলিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় পরদিন শিউলির বড় ভাই নুরুল ইসলাম সাদুল্লাপুর থানার একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় র্যাব গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে। পরে গতকাল শনিবার দুপুরে র্যাব-১৩ ও র্যাব-১ যৌথ অভিযান পরিচালনা করে গাজীপুরের বাসন থানা এলাকা থেকে আনারুলকে গ্রেফতার করে।
পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের পদ্মা নদীর রানীনগর বালুমহাল ইজারা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন ইজারাদার অহেদুল নবী। ভ্যাট-ট্যাক্সসহ প্রায় সাড়ে ১১ কোটি টাকা পরিশোধ করেও দুই মাস ধরে এক ছটাক বালুও উত্তোলন করতে না পারায় ক্ষতিপূরণসহ পরিশোধিত অর্থ ফেরতের আবেদন করেছেন তিনি। তার অভিযোগ, সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী চক্রের দখল ও চাঁদাবাজির কারণে বালুমহাল পরিচালনা সম্ভব হচ্ছে না, অথচ প্রশাসন কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
ইজারাদার অহেদুল নবী জানান, বাংলা নববর্ষ শুরুর আগেই তিনি সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ইজারার অর্থ পরিশোধ করেন। তবে শুরু থেকেই একটি চক্র তার কাছে ৪০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা না দেওয়ায় তারা বালুমহাল দখলে নিয়ে তাকে বালু উত্তোলন করতে বাধা দিচ্ছে।
তার দাবি, গত ১৪ মে বালুমহালে গেলে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সামনেই তার শ্রমিকদের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে কয়েকজন গুরুতর আহত হন এবং বালু উত্তোলনের সরঞ্জাম ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এনে প্রশাসনের সদস্যরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
অহেদুল নবী আরও জানান, ১৫ মে ২৬ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ১৫ জনকে আসামি করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। তবে মামলার পরও কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়নি বলে তার অভিযোগ। উল্টো বালুমহালে গেলে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।
ইজারাদারের ভাষ্য, বালুমহালের আশপাশে সংঘবদ্ধ একটি চক্র অবৈধভাবে নদীর পাড় কেটে পলিমাটি উত্তোলন করছে। কিন্তু প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারছে না। গত বছরও একই কারণে রানীনগর বালুমহাল ইজারা দেওয়া সম্ভব হয়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি জানান, গত ১৪ এপ্রিল থেকে ৫ জুন পর্যন্ত প্রায় এক মাস ২০ দিনে তার আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। প্রতিদিন গড়ে ৩ থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
এদিকে, গত ২ জুন রাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) পুলিশ নিয়ে তাকে বাড়ি থেকে নিয়ে গিয়ে বালুমহাল বুঝে পাওয়ার কাগজে সই করতে চাপ দেন বলে অভিযোগ করেন ইজারাদার। তবে সই করতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে মামলার ভয় দেখানো হয় বলেও দাবি তার। পরে বিভিন্ন মহলের হস্তক্ষেপে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইকরামুল হক নাহিদ। তিনি বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী বালুমহালের সীমানা নির্ধারণ করে ইজারাদারকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাকে জোর করে বাড়ি থেকে আনা হয়নি; বরং প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে স্বাক্ষরের জন্য ডেকে পাঠানো হয়েছিল।
ইজারাদার অর্থ ফেরতের আবেদন করেছেন কি না, সে বিষয়ে তিনি অবগত নন বলেও জানান।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফিফা বিশ্বকাপ খেলতে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছেছে ইরাক। তবে দেশটিতে এসে দলের তারকা স্ট্রাইকার আয়মান হুসেন জটিল পরিস্থিতিতে পড়েন। যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোর ও'হেয়ার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে প্রায় সাত ঘণ্টা ধরে আটকে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
ইরাক ফুটবলের একজন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জানা গেছে, বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে গুরুত্বপূর্ণ গোল করার জন্য যিনি দলকে মূল পর্বে প্রবেশে বড় ভূমিকা রেখেছেন, সেই আয়মান হুসেনের ফোনও মার্কিন কর্মকর্তারা পরীক্ষা করেছেন।
এটি শুধু আয়মানের জন্যই নয়, ইরাক দলের ফটোগ্রাফার তালাল সালাহকেও ১০ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাকে পরে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে জানা গেছে।
পরবর্তীতে জানা গেছে, পুরো ঘটনা একটি ভুল বোঝাবুঝির কারণে ঘটেছে। আয়মান হুসেনের নামের সঙ্গে মিল থাকা এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে খুঁজছিল মার্কিন কর্তৃপক্ষ। নামের সমান্তরাল থাকার কারণে ভুলবশত ইরাকি স্ট্রাইকারকে আটকে ফেলা হয়। কর্মকর্তারা পরে বিষয়টি বুঝতে পারলেও আইনি প্রক্রিয়ার জন্য দ্রুত তাকে ছাড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হয়নি।
বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক আগে এমন ঘটনা ইরাক দলের প্রস্তুতিতে কিছুটা প্রভাব ফেলতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে। ৪০ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরছে ইরাক। এবার ‘আই’ গ্রুপে তাদের প্রতিপক্ষ হচ্ছে ফ্রান্স, সেনেগাল ও নরওয়ে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ