ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইসরাইলের নির্বাচনে স্পষ্ট বার্তা দিল ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী


ইসরাইলের নির্বাচনে স্পষ্ট বার্তা দিল ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জঁ-নোয়েল বারো আজ বুধবার (২৮ অক্টোবর) স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, ইসরাইলের নির্বাচনে যে দলই জয়ী হোক না কেন, ফিলিস্তিন ও ইসরাইলকে পাশাপাশি দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে দেখার নীতি থেকে ফ্রান্স সরে আসবে।

তিনি ফরাসি চ্যানেল ‘ফ্রান্স ২’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আবার ক্ষমতায় ফিরুন কিংবা বিরোধী নেতা গাদি আইজেনকট জয়ী হন—ফ্রান্সের পররাষ্ট্রনীতি একই থাকবে। বারো জানান, ফ্রান্সের মূল লক্ষ্য দুটি। প্রথমত, ইসরাইলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। আর দ্বিতীয়ত, পারস্পরিক সম্মান ও শান্তির ভিত্তিতে স্বাধীন ফিলিস্তিন ও ইসরাইল—এই দুটি আলাদা রাষ্ট্র গড়ে তোলা।

গত বছর ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ায় ইসরাইলের সঙ্গে ফ্রান্সের সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হয়। সম্প্রতি, ফ্রান্স অধিকৃত পশ্চিম তীরের অবৈধ ইসরাইলি বসতিগুলোর তৈরি পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

আরও পড়ুন: ডিজেল রপ্তানি বাড়াতে চায় ভারত, শোধনাগারগুলো সক্ষমতা বাড়াচ্ছে

ইসরাইলের নির্বাচনে এখন পর্যন্ত মোট ভোটের অর্ধেক গণনা শেষ হয়েছে, তবে কোনো দলই স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। এ ব্যাপারে ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মন্তব্য করেন, ইসরাইলের জনগণ যে সরকারকেই বেছে নেবে, তাদের মেনে নিয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে সম্মান জানাতে হবে।

সূত্র: আল-আরাবিয়া

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামিনে মুক্ত হয়ে শ্বশুরবাড়িতে পুলিশকন্যা তাসনিয়া রানা তামান্না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩৯ পি.এম


জামিনে মুক্ত হয়ে শ্বশুরবাড়িতে পুলিশকন্যা তাসনিয়া রানা তামান্না

বগুড়ার আলোচিত ‘ভাইরাল’ পুলিশকন্যা তাসনিয়া রানা তামান্না আদালতের নির্দেশে নিজ জিম্মায় মুক্ত হওয়ার পর জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার সোনাপুর গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে গেছেন।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন।

এর আগে সোমবার (২৬ অক্টোবর) আদালত চত্বর থেকে তামান্নাকে উদ্ধার করে নিরাপত্তা হেফাজতে নেয় বগুড়া সদর থানা-পুলিশ। পরে আদালতের আদেশ অনুযায়ী তাকে নিজ জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত সোমবার বগুড়ার আদমদীঘি থানা আমলি আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবু হেনা সিদ্দিকী তামান্নাকে নিজ জিম্মায় থাকার অনুমতি দেন। আদালত প্রাঙ্গণ থেকে বের হওয়ার সময় তার বাবা-মাসহ পরিবারের সদস্যরা তাকে গাড়িতে তোলার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সময় তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ তামান্নাকে উদ্ধার করে থানায় নিরাপত্তা হেফাজতে নেয়।

বগুড়া সদর থানার ওসি মো. ইব্রাহীম আলী জানিয়েছেন, আদালত তামান্নাকে নিজ জিম্মায় থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি নিজের ইচ্ছায় চলে যেতে চাইলে সোমবার রাতে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর তিনি জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার সোনাপুর গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে যান। শ্বশুরবাড়ির আত্মীয়স্বজন তাকে সেখানে নিয়ে গেছেন।

তামান্নার বাবা পুলিশ কনস্টেবল (সাময়িক বরখাস্ত) মো. রানা মাসুদের অভিযোগ, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সকালে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার পথে তার মেয়ে নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় ওই দিনই আদমদীঘি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন তিনি। মামলায় জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার সোনাপুর গ্রামের মো. শহিদ হোসেনসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়।

মামলার পরবর্তী পর্যায়ে গত ১ মে তামান্না শহিদ হোসেনের সঙ্গে চলে যান বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার বাবা পুনরায় অপহরণের অভিযোগ করেন। পরে গোয়েন্দা পুলিশ তামান্নাকে উদ্ধার করে আদালতে হাজির করে। এরপর তাকে রাজশাহীর একটি সেফ হোমে পাঠানো হয়।

তবে তামান্না আদালতে জানান, তাকে কেউ অপহরণ করেনি। তিনি নিজের ইচ্ছায় গিয়েছিলেন। ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ায় আদালত তাকে নিজ জিম্মায় থাকার অনুমতি দেন।

ওসি মো. ইব্রাহীম আলী জানিয়েছেন, গত ২৬ অক্টোবর তামান্নার ১৮ বছর পূর্ণ হলে তাকে রাজশাহীর সেফ হোম থেকে বগুড়ার আদালতে আনা হয়। আদালতের কার্যক্রম চলাকালে তার বাবা-মা তাকে নিজেদের জিম্মায় নেওয়ার আবেদন করেন। তবে আদালত সেই আবেদন নাকচ করে প্রাপ্তবয়স্ক তামান্নাকে নিজ জিম্মায় থাকার আদেশ দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পরে এই প্রথম, এসসিও’র বৈঠকে পাকিস্তানকে আমন্ত্রণ ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩৯ পি.এম


‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পরে এই প্রথম, এসসিও’র বৈঠকে পাকিস্তানকে আমন্ত্রণ ভারত

দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক টানাপড়েন এবং সম্পর্কের বরফ গলার প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের সঙ্গে বহুপাক্ষিক যোগাযোগের পথ খুলে দিল ভারত। সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও)-এর মঞ্চে ইসলামাবাদের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে নয়াদিল্লি। ২০২৫ সালের মে মাসে পহেলগামে জঙ্গি হামলা এবং পরবর্তীতে ভারতের 'অপারেশন সিঁদুর' অভিযানের ফলে দুই দেশের সম্পর্কের মারাত্মক অবনতি ঘটেছিল। সেই সংঘাতের পর এই প্রথমবারের মতো পাকিস্তানের কোনও মন্ত্রীকে ভারতে আসার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে।

আগামী ২০ থেকে ২২ নভেম্বর দিল্লির ঐতিহাসিক পুরানা কিল্লায় এসসিও-র প্রথম 'সিভিলাইজেশনাল ডায়ালগ ফোরাম' অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। এই সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য পাকিস্তানসহ সংগঠনের ১০টি সদস্য দেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে ভারত কর্তৃক। বিশেষ করে পাকিস্তানের জাতীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিমন্ত্রী ঔরঙ্গজেব খান খিচিকে এই সম্মেলনে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে। তবে পাক মন্ত্রী এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করে দিল্লি সফর করবেন কি না, তা ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে এখনও স্পষ্ট করা হয়নি।

কূটনৈতিক মহলের বিশ্লেষণে, যদি পাক মন্ত্রী খিচি এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করে ভারতে আসেন, তবে এটি একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হবে। কারণ, ২০২৩ সালের মে মাসে গোয়ায় অনুষ্ঠিত এসসিও-র বৈঠকে তৎকালীন পাক পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিলাওয়াল ভূট্টোর যোগদানের পর থেকে আর কোনো পাকিস্তানি মন্ত্রী ভারত সফর করেননি।

২০২৫ সালে চীনের তিয়ানজিনে অনুষ্ঠিত পররাষ্ট্র-র শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই সাংস্কৃতিক সংলাপের প্রস্তাব রেখেছিলেন। প্রাচীন সভ্যতা, শিল্প, সাহিত্য, শিক্ষা ও ঐতিহ্যকে কেন্দ্র করে সদস্য দেশগুলির মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং সহযোগিতা মজবুত করাই এই ফোরামের মূল লক্ষ্য। গত ২০ অক্টোবর তাজিকিস্তানের দুশানবেতে পররাষ্ট্র-র সদস্য রাষ্ট্রগুলির বৈঠকে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং আনুষ্ঠানিকভাবে এই সম্মেলনের কথা ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে তিনি সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কঠোর ও সম্মিলিত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সতর্কতা জারি করেন।

নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে এই আমন্ত্রণ জানানো হলেও কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা এটিকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বরফগলা বা বড় কোনো রাজনৈতিক উন্নতির ইঙ্গিত হিসেবে দেখার পক্ষপাতী নন। তাদের মতে, এটি সম্পূর্ণরূপে একটি বহুপাক্ষিক আঞ্চলিক ও সাংস্কৃতিক উদ্যোগ। তবে বৈরিতা কাটিয়ে পাকিস্তান এই কূটনৈতিক মঞ্চে অংশগ্রহণ করে কি না এবং এর মাধ্যমে বরফ কিছুটা হলেও খোলে কি না, সে দিকেই নজর দিচ্ছে আন্তর্জাতিক মহল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঈশ্বরদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪০ পি.এম


ঈশ্বরদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বেলা ১২টার দিকে পাকশী ইউনিয়নের রুপপুর ফটু মার্কেট এলাকায় এ কর্মসূচিটি পালন করা হয়।

পাকশী ইউনিয়নের সচেতন নাগরিক ও সর্বস্তরের এলাকাবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত প্রায় ঘণ্টাব্যাপী এই মানববন্ধনে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার শতাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনের বক্তারা অভিযোগ করেছেন যে, রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় পদ্মা নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে বালু উত্তোলন করছে একাধিক প্রভাবশালী চক্র। বালু উত্তোলনের ফলে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এবং লালনশাহ সেতুর ঝুঁকির মুখে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বালু উত্তোলনের কারণে নদীপাড়ের ফসলি জমি বিলীন হয়ে যাচ্ছে এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বক্তারা আরও বলেন,

তারেক রহমান নামে এক যুবক বলেন, "বেশ কিছুদিন যাবৎ একটি অসাধুচক্র ফটু মার্কেট সংলগ্ন পদ্মা নদী থেকে বালু উত্তোলন করছে। বালু উত্তোলনের ফলে নদী পাড়ের ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। বালুবাহী ভারী গাড়ি চলাচলের ফলে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও বিভিন্ন সড়ক নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। প্রচণ্ড ধুলা বালুর কারণে এই অঞ্চলের মানুষের বসবাস করা খুব কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।"

রাসেল মৃধা নামে একজন বলেন, "দেশের সবচেয়ে বড় প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র এলাকায় প্রভাবশালী চক্র ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করছে। এতে নদী ভাঙনের চরম ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। এ অঞ্চলের বসতবাড়ি, ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে। বালুভর্তি গাড়ি চলাচলের কারণে শিশুরা প্রতিনিয়ত রাস্তা দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে।"

মানববন্ধনের বক্তারা জানান, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিষয়টি লিখিতভাবে প্রশাসনের কাছে জানানো হয়েছে। তারা অবিলম্বে বালু উত্তোলন বন্ধের পাশাপাশি জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লিবিয়ার বন্দিশালা থেকে দেশে ফিরছেন ১৭২ বাংলাদেশি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪০ পি.এম


লিবিয়ার বন্দিশালা থেকে দেশে ফিরছেন ১৭২ বাংলাদেশি

লিবিয়ার বিভিন্ন বন্দিশালায় আটক ১৭২ বাংলাদেশি দেশে ফিরতে চলেছেন। তাদের মধ্যে ১৮ জন অসুস্থ অবস্থায় রয়েছেন। বাংলাদেশ দূতাবাস এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এদের ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর সময় আগামীকাল বৃহস্পতিবার ভোর ৬টা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার, লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, লিবিয়ার মিসরাতা শহর থেকে বেসরকারি উড়োজাহাজ সংস্থা বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে ১৭২ বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ ও বিপদসংকুল পরিস্থিতিতে থাকা এই বাংলাদেশিরা স্বেচ্ছায় দেশে ফিরছেন।

দেশে ফেরার আগে, লিবিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল হাবীব উল্লাহ মিসরাতা শহরে প্রত্যাবাসনের অপেক্ষায় থাকা বাংলাদেশিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

রাষ্ট্রদূত দেশে ফেরার আগে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে অনিয়মিত অভিবাসনের ঝুঁকি এবং এর শারীরিক, মানসিক, আর্থিক, পারিবারিক ও সামাজিক ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে তাদের সচেতন করেন। তিনি মানবপাচারকারী ও দালাল চক্রের প্রলোভনে পা না দিতে সতর্ক করেন।

দূতাবাসের বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়েছে, লিবিয়ার বিভিন্ন বন্দিশালায় আটক বিপদগ্রস্ত বাংলাদেশিদের নিরাপদ ও মানবিক প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে দূতাবাস কাজ করে যাচ্ছে।

এই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে, বেনগাজীর গানফুদা ও ত্রিপলীর তাজুরা বন্দিশালায় আটক বাংলাদেশিসহ অন্যান্য বিপদগ্রস্ত অভিবাসীদের দ্রুত দেশে ফেরাতে আইওএমের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও সমন্বয় অব্যাহত রয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) লিবিয়ার বিভিন্ন বন্দিশালায় আটক ১৭৪ বাংলাদেশি দেশে ফেরেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%