বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৮:৫৮ পি.এম
বিপুল উৎসাহ এবং উদ্দীপনা আরও আনন্দ ঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রথযাত্রাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকে কয়েক হাজার ভক্ত পুণ্যার্থী শহরের মধ্যপাড়া রাধা মাধব মন্দির থেকে ইস্কনের আয়োজনে র্যালিটি বের হয়। পরে, শহরের প্রধান-প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহরের কেন্দ্রীয় মন্দির আনন্দ বিহারী বাড়িতে এসে শেষ হয়।
আগামী এক সপ্তাহ আনন্দময়ী কালীবাড়িতে অবস্থান শেষে আবারো উল্টো রথের মাধ্যমে মধ্যপাড়া ইসকন মন্দিরে গিয়ে সপ্তাহব্যাপী রথযাত্রা অনুষ্ঠানটি শেষ হবে।
এদিকে, শহরের কালভৈরব মন্দির থেকে বিকেল ৪টার দিকে অপর একটি রথযাত্রা র্যালি বের হয়। র্যালিটি শহরের প্রধান-প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবারো কালভৈরব মন্দিরে গিয়ে শেষ হয়।
শহরের দক্ষিণাকালী বাড়ি মন্দিরের প্রধান পুরোহিত শ্রী অচিন্ত্য চক্রবর্তী জানান, হিন্দু শ্রাস্ত্র ব্রহ্মাণ্ডপুরাণ অনুযায়ী, ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তাঁর প্রিয় ভক্ত রাজা ইন্দ্রদ্যন্মুর সম্মুখে আবির্ভূত হন। এসময় ভারতের পুরীর সমুদ্রতটে ভেসে আসা একটি কাষ্ঠখণ্ড দিয়ে তাঁর মূর্তি নির্মাণের আদেশ দেন। মূর্তিনির্মাণের জন্য রাজা একজন উপযুক্ত কাষ্ঠশিল্পীর সন্ধান করতে থাকেন। তখন এক রহস্যময় বৃদ্ধ ব্রাহ্মণ কাষ্ঠশিল্পী রাজার সামনে এসে উপস্থিত হন এবং মূর্তি নির্মাণের জন্য কয়েকদিন সময় চেয়ে নেন। মূর্তি নির্মাণের পূর্বে সেই কাষ্ঠশিল্পী রাজাকে জানিয়েছিলেন, ‘কেউ যেন তার কাজে বাধা না দেন।' বন্ধ দরজার আড়ালে শুরু হয় কাজ। রাজা ও রানিসহ সবাই নির্মাণকাজের ব্যাপারে অত্যন্ত আগ্রহী হয়ে ওঠেন। তারা প্রতিদিন বন্ধ দরজার কাছে যাওয়া শুরু করেন এবং শুনতে পেতেন ভেতর থেকে খোদাইয়ের আওয়াজ ভেসে আসছে। পরে ৬-৭ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর রাজা যখন বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন, এমন সময় আওয়াজ বন্ধ হয়ে যায়। অত্যুৎসাহী রানি কৌতুহল সংবরণ করতে না পেরে দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করেন। দেখেন মূর্তি তখনও অর্ধসমাপ্ত এবং কাষ্ঠশিল্পী অন্তর্ধিত। এই রহস্যময় কাষ্ঠশিল্পী ছিলেন দেবশিল্পী বিশ্বকর্মা। মূর্তির হস্তপদ নির্মিত হয়নি বলে রাজা বিমর্ষ হয়ে পড়েন। কাজে বাঁধাদানের জন্য অনুতাপ করতে থাকেন। তখন দেবর্ষি নারদ তাঁর সম্মুখে আবির্ভূত হন। নারদ রাজাকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেন, এই অর্ধসমাপ্ত মূর্তি পরমেশ্বরের এক স্বীকৃত স্বরূপ এবং এই অসম্পূর্ণ রূপেই পূজা শুরু করতে বলেন তিনি। এরপর থেকে বর্তমান যে রূপ এ রূপেই পুজিত হন জগন্নাথ দেব।
এদিকে, পুরোহিত অচিন্ত্য চক্রবর্তী আর জানান, গর্ভগৃহ মন্দির থেকে সনাতন শাস্ত্র অনুযায়ী জগন্নাথদেব বলরাম ও শুভদ্রা দেবী মাসির বাড়ি রাজা ইন্দ্রদ্যুম্নের পত্নী গুন্ডিচার বাড়ির মন্দিরে যান। সেখানে এক সপ্তাহ অবস্থান করবেন। পরে আবারো শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেব, বলরাম, শুভদ্রা দেবী নিজের গৃহ মন্দিরে ফিরে যাবেন। এর মধ্যদিয়ে ভক্তদের জন্য রেখে যাবেন আশীর্বাদ।
সনাতন হিন্দু সম্প্রদায়ের বিশ্বাস অনুযায়ী রথের দড়িতে স্পর্শ করলে জানা-অজানা পাপ -তাপ রোগ শোক থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। সেই বিশ্বাস থেকে সম্প্রদায়ের প্রতিটি ভক্ত রথের দড়ি টেনে জগন্নাথ দেব, বলরাম, শুভদ্রা দেবীকে মাসির বাড়িতে নিয়ে আসেন। পাশাপাশি উল্টো রথের মাধ্যমে আবার গৃহে নিয়ে যাবেন।
ইসকন মন্দিরের অন্যতম ভক্ত রাকেশ দাস জানান, এই রথযাত্রায় অংশ করলে, জন্ম জন্মান্তরের সকল পাপ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। প্রভু জগন্নাথ অত্যন্ত কৃপাময় দয়ালু। তিনি ভক্তের মনোবাসনা পূর্ণ করে থাকেন। উল্টো রথের মধ্য দিয়ে শেষ হবে সপ্তাহ দিনব্যাপী রথযাত্রা উৎসব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ বিকেলে ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলার কায়েতপাড়াস্থ শ্রী শ্রী যশোমাধব মন্দিরের মাধব অঙ্গনে আয়োজিত ঐতিহাসিক শ্রী শ্রী যশোমাধব রথযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম। তিনি বক্তব্য প্রদানকালে জানান, দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এ দেশের জনগণ জুলাইয়ে একটি নতুন সূর্যের উদয় প্রত্যক্ষ করেছে। চিফ হুইপ উল্লেখ করেন, "অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে ধারণ করেই জুলাই গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছিল।"
তিনি বর্তমান পরিস্থিতির পাশাপাশি বিএনপির প্রতিশ্রুতি সম্পর্কেও মন্তব্য করেন, "বিএনপি জুলাই সনদের প্রতিটি অঙ্গীকার অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবে।"
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে রথমেলার শুভ উদ্বোধন করেছেন চিফ হুইপ। চিফ হুইপ উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষণা করেছেন, "এ দেশে কোনো সংখ্যালঘু নেই।" তিনি বলেন, "বাংলাদেশের মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান- সবাই সমান অধিকারসম্পন্ন নাগরিক। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের সম্মিলিত আত্মত্যাগে মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।"
তিনি রাষ্ট্রে ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন বা বৈষম্যের স্থান নেই বলে উল্লেখ করেন।
চিফ হুইপ আরো বলেন, "কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, স্বাস্থ্য কার্ডসহ রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রদানের ক্ষেত্রে সরকার কোনো ধরনের বৈষম্য করে না।"
তিনি অতীতে সংখ্যালঘু ইস্যুকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করার একটি উদাহরণ তুলে ধরেন এবং বলেন, "দুর্গাপূজাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে প্রতিমা ভাঙচুর, মন্দিরে হামলা ও অগ্নিসংযোগের মতো ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটত, যার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা হতো।"
বর্তমানে তিনি এ ধরনের অপতৎপরতার কোনো স্থান নেই বলেও উল্লেখ করেন এবং জানান, "বিএনপিতে উগ্রবাদ বা সাম্প্রদায়িকতার কোনো সুযোগ নেই।"
চিফ হুইপ বলেন, "ধামরাইয়ের ঐতিহাসিক রথযাত্রা সামপ্রদায়িক সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সামাজিক সৌহার্দ্যের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।" তিনি এগুলোকে বাংলাদেশের বহুত্ববাদী সংস্কৃতি ও জাতীয় ঐক্যকে আরও সুদৃঢ় করার একটি বিষয় হিসেবে দেখেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন ঢাকা-২০ আসনের সংসদ সদস্য মো. তমিজ উদ্দিন এবং সংসদ সদস্য সুলতানা আহমেদ।
মেজর জেনারেল জীবন কানাই দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ঢাকা জেলা পরিষদের প্রশাসক ইয়াসীন ফেরদৌস মুরাদ এবং ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল মামুন সহ উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতৃবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুলসংখ্যক ভক্ত-অনুরাগীও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। শেষে চিফ হুইপ ঐতিহাসিক শ্রী শ্রী যশোমাধব রথযাত্রার উদ্বোধন করেন এবং উৎসবের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে ইসরাইলকে সামরিক সহায়তা বন্ধের একটি সংশোধনী প্রস্তাবে ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে নজিরবিহীন সমর্থন দেখা গেছে।
সর্বশেষ ভোটাভুটিতে গত বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) ২১২ জন ডেমোক্র্যাট সদস্যের মধ্যে ১০৩ জন এই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। যদিও সংশোধনীটি শেষ পর্যন্ত পাস হয়নি, তবুও এত বড় সংখ্যক ডেমোক্র্যাটের সমর্থনকে দলের অবস্থানের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এই সংশোধনীর লক্ষ্য ছিল গাজায় চলমান গণহত্যার প্রেক্ষাপটে ইসরাইলের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অর্থায়ন বন্ধ করা। তবে রিপাবলিকানদের বিরোধিতার কারণে এবং অধিকাংশ সদস্যের ভোটের ফলে প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যাত হয়।
ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসওম্যান ইলহান ওমর এই ভোটকে ঐতিহাসিক বলে উল্লেখ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) তিনি লেখেন, ‘রেকর্ড সংখ্যক ডেমোক্র্যাট’ এই সংশোধনীর পক্ষে ভোট দিয়েছেন।
তার ভাষায়, ‘এটা সম্ভব হয়েছে কারণ লাখো মানুষ সোচ্চার হয়েছে, সংগঠিত হয়েছে এবং নীরব থাকতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। আমাদের আন্দোলন পরিবর্তন আনছে। সংগঠিত থাকুন, শক্তি গড়ে তুলুন।’
ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসওম্যান সামার লি বলেন, এই ভোট ডেমোক্র্যাটিক পার্টির অবস্থানে একটি পরিবর্তনের সংকেত দিচ্ছে। তবে তিনি বলেন, ‘তারপরও কংগ্রেসের কোনো সদস্যের পক্ষে ইসরাইলের গণহত্যাকে জ্বালানি জোগাতে সহায়তা পাঠানোর পক্ষে অবস্থান নেওয়া বিবেকবর্জিত।’
উল্লেখ্য, ইসরাইল গাজায় গণহত্যা চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থায় বিভিন্ন আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসম্যান রো খান্না বলেন, দুই বছর আগে একই অবস্থান নেওয়ার কারণে সাবেক কংগ্রেস সদস্য জামাল বোম্যান ও কোরি বুশ রাজনৈতিক মূল্য দিয়েছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত তারা নিজেদের আসন হারান।
তিনি বলেন, ‘তাদের সাহসকে স্বীকৃতি জানানো উচিত।’ এক সহকর্মীর মন্তব্য উদ্ধৃত করে বলেন, ‘আমেরিকায় কৃষ্ণাঙ্গদের আত্মত্যাগকে স্বাভাবিক হিসেবে দেখা হয়।’
বিশ্লেষকদের মতে, যদিও সংশোধনীটি পাস হয়নি, তবুও ডেমোক্র্যাট সদস্যদের প্রায় অর্ধেকের সমর্থন যুক্তরাষ্ট্রের ইসরাইল নীতি নিয়ে দলটির ভেতরে ক্রমবর্ধমান মতপার্থক্যের ইঙ্গিত দেয়।
বিশেষ করে গাজা যুদ্ধের কারণে মানবাধিকার, বেসামরিক হতাহত এবং সামরিক সহায়তার জবাবদিহি নিয়ে ডেমোক্র্যাটদের একটি বড় অংশ আগের তুলনায় আরও কঠোর অবস্থান নিচ্ছেন।
এদিকে রিপাবলিকানদের পাশাপাশি ডেমোক্র্যাটদের একটি অংশ এখনও ইসরাইলের জন্য সামরিক সহায়তা অব্যাহত রাখার পক্ষে অবস্থান ধরে রেখেছেন। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের ইসরাইল নীতিতে তাৎক্ষণিক কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা না থাকলেও কংগ্রেসে এ নিয়ে বিতর্ক ও বিভাজন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যশোরের অভয়নগরে মাদক সেবন করে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় বিশৃঙ্খলার অভিযোগে রাসেল গোলদার (৩৮) নামের এক যুবককে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে উপজেলার গুয়াখোলা গ্রামে নওয়াপাড়া মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ সালাউদ্দীন দিপু ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে এ দণ্ডাদেশ দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত রাসেল গোলদার উপজেলা গুয়াখোলা গ্রামের প্রফেসরপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল মান্নান গোলদার ও ফাতেমা খাতুনের ছেলে।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের পেশকার সুব্রত কুমার রায় জানান, মাদক সেবন করে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় রাসেল গোলদার নামের এক যুবক নওয়াপাড়া মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছিল। সেই অভিযোগ পেয়ে তাকে আটক করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে তাকে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ সালাউদ্দীন দিপু বলেন, নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করে জনশৃঙ্খলা বিনষ্ট করায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তিকে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও জরিমানা করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ