বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৩:৩৩ পি.এম
মানিকগঞ্জের ১৬ বছর বয়সী অটোরিকশাচালক সাবিকুল ইসলাম হত্যার রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনার পর আসাদুজ্জামান (৩৪) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) পিবিআই মানিকগঞ্জ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানায়। সংস্থাটি জানায়, সিসিটিভি ফুটেজ, তথ্যপ্রযুক্তি এবং অন্যান্য বিভিন্ন তথ্য যাচাই-বাছাই করে হত্যাকাণ্ডে জড়িয়ে থাকার অভিযোগে আসাদুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার ঘটনা স্বীকার করেছেন।
গ্রেফতার আসাদুজ্জামান মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার গড়াই নতুনপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সাভারের হেমায়েতপুর মাদ্রাসা গেট এলাকায় বসবাস করতেন এবং একটি আবাসিক হোটেলে সহকারী ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি বিবাহিত এবং তিন সন্তানের বাবা।
পিবিআই জানায়, গত ৩০ জুন সাবিকুল ইসলাম তার বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয়ে যান। পরদিন একটি পাটক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহের সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত শেষে পরে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তদন্তকালে জানা যায়, ঘটনার দিন সাবিকুলের অটোরিকশায় ওঠেন আসাদুজজ্জামান বাড়ি যাওয়ার জন্য। পথে ভাঙা সড়কে গাড়ির ঝাঁকুনিকে কেন্দ্র করে চালকের সঙ্গে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে এবং তারা রাস্তার পাশের পাটক্ষেতে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
পিবিআইয়ের দাবি, সেখানে আসাদুজ্জামান সাবিকুলকে মারধর করেন এবং তার মুখ কাদায় চাপ দিয়ে ঘাড়ে চাপ প্রয়োগ করেন। এতে সাবিকুল শ্বাসরোধ হয়ে মারা যান। পরবর্তীতে তিনি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
গোপন অনুসন্ধান ও তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্যে বুধবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যায় সাভারের হেমায়েতপুর এলাকা থেকে আসাদুজ্জামানকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন বলে পিবিআই জানিয়েছে। এ ঘটনায় মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধির কাছে খবর পাওয়া গেছে যে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপিত হয়েছে নানা আয়োজনে।
শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, গাছের চারা বিতরণ ও পুরস্কার প্রদানসহ নানা কর্মসূচির আয়োজন করে জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদফতর।
‘জলবায়ু পরিবর্তন: আজকের পদক্ষেপ, আগামীর নিরাপত্তা’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি শোভাযাত্রা বের করা হয়।
এই শোভাযাত্রাটি জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামানের নেতৃত্বে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে ফের একই স্থানে এসে শেষ হয়।
এরপর, জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামান। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শোভন সরকারের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা শরীফ রফিকউজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী মোহাম্মদ হুমায়ুন রশীদ এবং পরিবেশ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক মো. মাহফুজুর রহমান।
বক্তারা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করার পাশাপাশি দূষণমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে করণীয় বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন।
আলোচনা সভার শেষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
এ কর্মসূচিতে জেলার বিভিন্ন এনজিওর প্রতিনিধি, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বদলির আদেশ জারির তিন মাস পেরিয়ে যাওয়ার পরও শরীয়তপুরের নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাহার মিয়া একই কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করছেন। এ বিষয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগও জমা পড়েছে।
শরীয়তপুরের পুলিশ সুপার রওনক জাহান বদলির আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ১৫ এপ্রিল বাংলাদেশ পুলিশের ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয় থেকে একটি প্রশাসনিক কারণে ওসি মো. বাহার মিয়াকে শরীয়তপুর থেকে কিশোরগঞ্জ জেলায় বদলি করা হয়েছে। তবে আদেশে উল্লেখ থাকলেও তিন মাস পরও তিনি নড়িয়া থানায় বহাল রয়েছেন।
এ ঘটনায় বিএনপির নড়িয়া উপজেলা সাংগঠনিক সম্পাদক ও ব্যবসায়ী মতিউর রহমান সাগর আইজিপি, সংশ্লিষ্ট ডিআইজি ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। অভিযোগে তিনি পুলিশ পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ তুলে বদলির আদেশ বাস্তবায়ন এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, ওসি বাহার মিয়াকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে হয়রানি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও আটক বাণিজ্যসহ নানা অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
ওসি মো. বাহার মিয়া জানান, তার বদলির আদেশ স্থগিত হয়েছে এবং সে কারণে তিনি এখনো নড়িয়া থানায় দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কথা বলতে রাজি হননি।
শরীয়তপুরের পুলিশ সুপার রওনক জাহান বলেন, ওসি বদলি কিংবা কর্মস্থলে বহাল থাকার বিষয়টি পুলিশ সদর দফতরের সিদ্ধান্ত এবং জেলা পুলিশের এ বিষয়ে কোনো এখতিয়ার নেই। মো. বাহার মিয়া ২০০৯ সালে বাংলাদেশ পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর হিসেবে যোগদান করেন। ২০১৭ সালে পদোন্নতি পেয়ে তিনি ইন্সপেক্টর হন এবং চাঁদপুর, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন ইউনিটে দায়িত্ব পালনের পর ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে নড়িয়া থানার ওসি হিসেবে যোগ দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান মাসুদ খান জানিয়েছেন, "ডিরেক্ট লিস্টিংয়ের মাধ্যমে দ্রুত সময়ের মধ্যে পুঁজিবাজারে নতুন কোম্পানিকে তালিকাভুক্ত করা হবে।"
তিনি বৃহস্পতিবার রাজধানীর নয়াপল্টনের আলরাজি টাওয়ারে ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্টস ফোরাম (সিএমজেএফ) আয়োজিত ‘সিএমজেএফ টক’-এ অংশগ্রহণ করে এই কথাগুলি বলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিএমজেএফ সভাপতি মনির হোসেন। এছাড়া অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব রাসেল।
বিএসইসি চেয়ারম্যান আরও বলেন, "বাজার ঘুরে দাঁড়াতে তিনটি রুলের পরিবর্তন করতে হবে।" এসব রুল হচ্ছে মিউচ্যুয়াল ফান্ড, আইপিও রুলস এবং মার্জিন রুলস।
তিনি উল্লেখ করেন, "এটা নিয়ে আমরা কাজ শুরু করেছি।" আগামী সপ্তাহে আইপিও রুলস সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বসবেন বলেও জানান তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টানা চার দিনের বৈরী আবহাওয়া, ভারী বর্ষণ এবং উত্তাল সাগরের কারণে কক্সবাজারের পর্যটন শিল্প কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। পর্যটকশূন্য সৈকতের প্রভাব পড়েছে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে হোটেল-রিসোর্ট মালিকসহ সকলের ওপরে। এই অবস্থায় পর্যটকরা বাতিল করেছেন তাদের হাজার হাজার রুম বুকিং। একই সঙ্গে বন্ধ হয়ে গেছে শত শত দোকানপাট ও পর্যটনসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, যার ফলে কয়েক দিনের মধ্যে কক্সবাজারের পর্যটন খাতে প্রায় শতকোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বুধবার (৮ জুলাই) টানা ভারী বর্ষণ এবং বৈরী আবহাওয়ার কারণে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতজুড়ে থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। লাবণী, সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্টে পর্যটকের উপস্থিতি ছিল খুবই কম। যেসব পর্যটক এসেছেন, তারাও বৃষ্টির জন্য সৈকতে বেশি সময় অবস্থান না করে দ্রুত হোটেলে ফিরে যাচ্ছেন। সৈকতের অধিকাংশ দোকানপাট বন্ধ রয়েছে, আর খোলা দোকানগুলোও ক্রেতাশূন্য। ঝালমুড়ি, চটপটি, কিটকট, বিচ বাইক ও ঘোড়ার ব্যবসাসহ প্রায় সব ধরনের পর্যটননির্ভর কর্মকাণ্ডে দেখা যাচ্ছে স্থবিরতা।
লাবণী পয়েন্টের ঝালমুড়ি বিক্রেতা মো. আল আমিন জানান, 'টানা চার দিনের ভারী বর্ষণের কারণে সমুদ্রসৈকতে এসে ব্যবসা করতে পারিনি। জীবিকার তাগিদে বুধবার দোকান নিয়ে এলেও বৃষ্টি যেন পিছু ছাড়ছে না। দুপুর পর্যন্ত মাত্র ১০০ টাকার ঝালমুড়িও বিক্রি হয়নি। অথচ স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন দেড় থেকে দুই হাজার টাকার বিক্রি হতো।'
বিচ বাইক চালক মহিউদ্দিন বলেন, 'সমুদ্রসৈকতে বিচ বাইক চালিয়ে আমার সংসার চলে। কিন্তু ভারী বৃষ্টিপাত এবং ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেতের কারণে পর্যটক না থাকায় ব্যবসা একেবারেই বন্ধ। তিন দিন পর সৈকতে এলেও কোনো আয় হয়নি।'
ঘোড়াওয়ালা মো. নিশান জানান, 'কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী, সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্টে ৪৫ জন ঘোড়াওয়ালা রয়েছেন। কিন্তু টানা ভারী বর্ষণ ও পর্যটক সংকটের কারণে সবার আয়-রোজগার কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। জীবিকার একমাত্র অবলম্বন থমকে যাওয়ায় আমরা চরম দুর্ভোগে পড়েছি।'
কিটকট ব্যবসায়ী মফিজ বলেন, 'বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও কিছু পর্যটক সৈকতে এলেও টানা বৃষ্টির কারণে তারা বেশিক্ষণ অবস্থান না করে দ্রুত হোটেলে ফিরে যাচ্ছেন। ফলে সৈকতের কিটকটগুলো সারাদিনেই প্রায় ফাঁকা পড়ে থাকে, আর ব্যবসাও একেবারে স্থবির হয়ে গেছে।'
রাসেল চটপটির স্বত্বাধিকারী মো. আরিফ জানান, 'প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে কক্সবাজারে পর্যটকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় ব্যবসায় ভয়াবহ ধস নেমেছে। আগে যেখানে প্রতিদিন চার থেকে পাঁচ হাজার টাকার বিক্রি হতো, সেখানে এখন সারাদিনেও এক হাজার টাকার ব্যবসা হচ্ছে না।'
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী, সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্টজুড়ে থাকা সহস্রাধিক বার্মিজ পণ্যের দোকানেও নেমে এসেছে চরম স্থবিরতা। টানা বৈরী আবহাওয়ার কারণে অধিকাংশ দোকানই বন্ধ রয়েছে। যেসব দোকান খোলা আছে, সেগুলোও ক্রেতাশূন্য।
লাবণী ছাতা মার্কেটের ব্যবসায়ী মোরশেদ আলম জানান, 'এই মার্কেটে প্রায় ২০০টি বার্মিজ পণ্যের দোকান রয়েছে। কিন্তু গত চার দিন ধরে কার্যত কোনো বেচাকেনাই নেই। যেখানে স্বাভাবিক সময়ে প্রতিটি দোকানে দৈনিক ৩০ হাজার থেকে ৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হতো, সেখানে এখন অনেক দোকানে সারাদিনে একটি পণ্যও বিক্রি হচ্ছে না।'
সী সেফ লাইফ গার্ড সংস্থার সিনিয়র কর্মী মো. ফারুক বলেছেন, 'স্বাভাবিক সময়ে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী, সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্টে প্রতিদিন ৫০ হাজারেরও বেশি পর্যটকের সমাগম ঘটে। তবে টানা বৈরী আবহাওয়া ও উত্তাল সাগরের কারণে গত চার দিনে সেই সংখ্যা নেমে এসেছে মাত্র ১০ থেকে ১৫ হাজারে। আগত পর্যটকরাও কিছুক্ষণ সৈকতে অবস্থান করে বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে হোটেলে ফিরে যাচ্ছেন। পর্যটকদের নিরাপত্তার স্বার্থে লাইফগার্ডরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন এবং কাউকে সমুদ্রে নেমে গোসল করতে দেয়া হচ্ছে না।'
মেরিন ড্রাইভ-কলাতলী হোটেল-রিসোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুকিম খান জানান, 'টানা বৈরী আবহাওয়ার কারণে কক্সবাজার-ঢাকা রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। পাশাপাশি মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা ও যানজটের কারণে কক্সবাজারে যাতায়াতও কঠিন হয়ে পড়েছে। গত চার দিনে কক্সবাজারের পাঁচ শতাধিক হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টে প্রায় ৬০ হাজার পর্যটকের রুম বুকিং বাতিল হয়েছে। বর্তমানে প্রায় ১০ হাজার পর্যটক অবস্থান করলেও বিরূপ আবহাওয়ার কারণে তারাও নির্ধারিত সময়ের আগেই কক্সবাজার ছেড়ে চলে যাচ্ছেন।'
কক্সবাজার চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির মুখপাত্র আবিদ আহসান সাগর বলেন, 'টানা চার দিনের বৈরী আবহাওয়ায় কক্সবাজারে পর্যটকের আগমন আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। ফলে হোটেল-রিসোর্ট, রেস্তোরাঁ, পরিবহন, সৈকতকেন্দ্রিক ক্ষুদ্র ব্যবসাসহ পুরো পর্যটন শিল্পে বড় ধরনের ধস নেমেছে। গত চার দিনেই কক্সবাজারের পর্যটন খাতে প্রায় ১০০ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ