প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মানিকগঞ্জের ১৬ বছর বয়সী অটোরিকশাচালক সাবিকুল ইসলাম হত্যার রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনার পর আসাদুজ্জামান (৩৪) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) পিবিআই মানিকগঞ্জ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানায়। সংস্থাটি জানায়, সিসিটিভি ফুটেজ, তথ্যপ্রযুক্তি এবং অন্যান্য বিভিন্ন তথ্য যাচাই-বাছাই করে হত্যাকাণ্ডে জড়িয়ে থাকার অভিযোগে আসাদুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার ঘটনা স্বীকার করেছেন।
গ্রেফতার আসাদুজ্জামান মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার গড়াই নতুনপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সাভারের হেমায়েতপুর মাদ্রাসা গেট এলাকায় বসবাস করতেন এবং একটি আবাসিক হোটেলে সহকারী ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি বিবাহিত এবং তিন সন্তানের বাবা।
পিবিআই জানায়, গত ৩০ জুন সাবিকুল ইসলাম তার বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয়ে যান। পরদিন একটি পাটক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহের সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত শেষে পরে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তদন্তকালে জানা যায়, ঘটনার দিন সাবিকুলের অটোরিকশায় ওঠেন আসাদুজজ্জামান বাড়ি যাওয়ার জন্য। পথে ভাঙা সড়কে গাড়ির ঝাঁকুনিকে কেন্দ্র করে চালকের সঙ্গে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে এবং তারা রাস্তার পাশের পাটক্ষেতে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
পিবিআইয়ের দাবি, সেখানে আসাদুজ্জামান সাবিকুলকে মারধর করেন এবং তার মুখ কাদায় চাপ দিয়ে ঘাড়ে চাপ প্রয়োগ করেন। এতে সাবিকুল শ্বাসরোধ হয়ে মারা যান। পরবর্তীতে তিনি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
গোপন অনুসন্ধান ও তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্যে বুধবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যায় সাভারের হেমায়েতপুর এলাকা থেকে আসাদুজ্জামানকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন বলে পিবিআই জানিয়েছে। এ ঘটনায় মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন