ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করলে হাসিনার পথেই যেতে হবে: মা'মু'নু'ল হক


গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করলে হাসিনার পথেই যেতে হবে: মা

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মুহাম্মদ মামুনুল হক বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা কিছু প্রতারক এবং বিএনপি জুলাই সনদকে কলঙ্কিত করেছে। তিনি বলেন, গণভোট ও জুলাই সনদ নিয়ে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করা হলে, যে পথে শেখ হাসিনা গেছে, সে পথেই তারেক জিয়াকেও যেতে হবে।

শনিবার বিকেলে ময়মনসিংহ নগরীর রেলওয়ে কৃষ্ণচূড়া চত্বরে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও জনদুর্ভোগ লাঘবের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্য, ময়মনসিংহ বিভাগের উদ্যোগে বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মামুনুল হক আরও বলেন, গত ১৫ বছর বিএনপির নেতৃত্বের ব্যর্থতার ফলেই দেশের অসংখ্য যুবক প্রাণ দিয়েছে। ২০১৩ সালের শাপলা চত্বর, আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে ঘিরে আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে মানুষ রক্ত দিয়েছে। সেই রক্তের সাগর পেরিয়েই ৫ আগস্ট দেশের মানুষ নতুন স্বাধীনতার সূর্য ছিনিয়ে এনেছে।

আরও পড়ুন: জাতিসংঘে মানবাধিকারভিত্তিক অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের আহ্বান বাংলাদেশ

তিনি উল্লেখ করেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন অনুষ্ঠিত গণভোটে দেশের জনগণ জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষার পক্ষে রায় দিয়েছে এবং প্রায় ৭০ শতাংশ ভোটার ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন। সেই গণরায়ের শান্তিপূর্ণ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

খেলাফত মজলিসের আমির অভিযোগ করেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মাধ্যমে দীর্ঘ আলোচনার পর রাজনৈতিক দলগুলো যে সংস্কার প্রস্তাবে একমত হয়েছিল, বিএনপি অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু ব্যক্তির সঙ্গে সমঝোতা করে তা নষ্ট করেছে। তিনি বিএনপির উদ্দেশ্যে বলেন, জনগণের সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা উপেক্ষা করে কোনো ‘চোরাই পথ’ অবলম্বন করা হলে সেটি দলটির জন্য আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত হবে।

তিনি আরও বলেন, কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড দিয়ে দেশের ৭০ শতাংশ মানুষের ভোটের রায় নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে চাইলে শেখ হাসিনার যে পরিণতি হয়েছে, তারেক জিয়ারও ভিন্ন পরিণতি হবে না। বিএনপি যদি পাকিস্তানের স্বৈরশাসক ও শেখ হাসিনার পথ অনুসরণ করে জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে, তবে জনগণ তা মেনে নেবে না।

মামুনুল হক বলেছেন, বাংলার মানুষের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষার সংগ্রামে তারা কোনো কঠিন পথ অবলম্বন করতেও পিছপা হবেন না। এটি ব্যক্তিগত ক্ষমতা বা ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য নয়, বরং জনগণের সম্মান ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই তারা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।

আরও পড়ুন: জামায়াত নেতাদের ভারতীয় গোয়েন্দাদের সঙ্গে বৈঠকের দাবি, রাশেদকে চ্যালেঞ্জ

সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে বিএনপির কিছু গোপন উপদর্শক ইলেকশন ইঞ্জিনীয়ারিং এর মাধ্যমে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতাদের পরাজিত করেছে। তা না হলে জামায়াতে ইসলামী প্রায় ১৮০টি আসন নিয়ে সংসদে যেতে পারত।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, সংঘাত-সহিংসতা, দুর্নীতি ও বৈষম্য দূর করে নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বার্থে তারা নির্বাচনের ফল মেনে নিয়েছেন। তবে ভোট কারচুপিকে কখনোই স্বীকৃতি দেওয়া হবে না। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে রাজপথে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, রক্তাক্ত জুলাইয়ের অঙ্গীকার বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েই বিএনপি জনগণের ভোট পেয়েছে। জনগণ জুলাই সনদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার জন্য আপনাদের ভোট দেয়নি। সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের গণভোটের রায় আপনাদের মানতেই হবে।

স্বাস্থ্যখাতের সমালোচনা করে তিনি বলেন, আদ-দ্বীন হাসপাতালে কয়েকজন শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, অথচ হামে শত শত শিশুর মৃত্যু হলেও স্বাস্থ্যমন্ত্রী পদত্যাগ করেননি।

আরও পড়ুন: চাঁদা না পেয়ে ইউপি সদস্যকে মারধর করলেন বিএনপি নেতা তোতা

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করে বিএনপি সরকার পরিচালনা করছে। দেশ পরিচালনায় তারা সম্পূর্ণ ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। গণহত্যার বিচারে কার্যকর পদক্ষেপ নেই, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য, তেল ও বিদ্যুতের দাম বেড়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা আশা করেছিলাম তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফরের মাধ্যমে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলবে। কিন্তু সে বিষয়ে কোনো ঘোষণা আসেনি। চীন ও মালয়েশিয়া সফর শেষে জনগণের জন্য কী অর্জন হয়েছে, সরকার বা বিএনপি তার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেনি। এতে তাদের পররাষ্ট্রনীতিরও ব্যর্থতা প্রকাশ পেয়েছে।

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ময়মনসিংহ অঞ্চল পরিচালক অধ্যক্ষ মো. শাহাবুদ্দিনের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত আমির মাওলানা আবদুল কাইয়ুম সোবহানী, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাগপা নেতা রাশেদ প্রধানসহ ১১ দলীয় ঐক্যের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।

আরও পড়ুন: স্থানীয় নির্বাচন হবে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ: শাহে আলম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসলামী ব্যাংক নিয়ে গয়েশ্বরের সমালোচনার জবাব দিলেন পার্থ-শাহজাহান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৪৮ পি.এম


ইসলামী ব্যাংক নিয়ে গয়েশ্বরের সমালোচনার জবাব দিলেন পার্থ-শাহজাহান

সংসদে সরকার দলীয় সংসদ সদস‌্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের এমন অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন সংসদ সদস্য আন্দালিব রহমান পার্থ এবং শাহজাহান চৌধুরী।

তারা জানিয়েছেন যে, ইসলামী ব্যাংকে অন্য ধর্মাবলম্বীদের কাজ করার ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই এবং বাস্তবে তারাও কাজও করছেন।

শনিবার বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে অনির্ধারিত আলোচনায় এ বিতর্কটি উঠে আসে। এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

অধিবেশনে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে, নিজের আগের বক্তব্যের রেশ ধরে ফ্লোর চান বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য আন্দালিব রহমান পার্থ। স্পিকার তাকে দুই মিনিট সময় দিলে তিনি বলেন, "আমি জাস্ট দুই মিনিটে একটু ক্লিয়ার করে দিই।" তিনি বলেন, "ইসলামিক ব্যাংকিং পৃথিবীতে এখন নন-মুসলিমদের মধ্যে অনেক বেশি পপুলার হয়ে যাচ্ছে। সুতরাং এরকম কোনো এমবার্গো আমাদের নেই। কিন্তু কোনো ইসলামিক ব্যাংকের বোর্ড যদি ওরকম ধরে তাদের নিজস্ব পলিসি করে সেটা সম্পর্কে আমার আইডিয়া নেই, বাট আমার ধারণা যে কেউ চাকরি করতে পারে ইসলামী ব্যাংকে।"

তিনি আরও বলেন, "তবে, যেহেতু ইসলামিক ব্যাংকের কথা ইসলামের একটা অংশ এবং রিবা-কে হারাম করেছে কোরআনে, আই অ্যাম সিওর যারা বোর্ডে বসবে তারা ইসলামিক ভ্যালুটা আপহোল্ড করবে। এবং আমার ধারণা ওখানে মনে হয় না কোন নন-মুসলিমের স্থান ওখানে থাকবে, আমার ধারণা যেটা। কিন্তু চাকরি যে কেউ করতে পারে এবং ইট ইজ বিকামিং এক্সট্রিমলি পপুলার অল ওভার দা ওয়ার্ল্ড।"

পার্থর বক্তব্যের পর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের সমালোচনা করে মন্তব্য করেন, "আমি লক্ষ্য করেছি এই সংসদে অনেক অনুমান নির্ভর কথাবার্তা হয়। বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আপনাকে রেফার করার কোনো কিছুই নাই। আপনি ইসলামী ব্যাংকের কোনো কর্মকর্তা না, ইসলামী ব্যাংক সম্বন্ধে কোনো ধারণা নাই। এই ব্যাপারে ইসলামী ব্যাংকের গভর্নিং বডির কেউ যদি এখানে থাকে, উনি দাঁড়িয়ে হয়তো বলতে পারতেন, যে আর এই ব্যাংক পরিচালনা সম্পর্কে যার অভিজ্ঞতা আছে। আর যে বিষয়টাও অত্যন্ত সেনসিটিভ। এটা কমিউনাল ইস্যু এখানে রেইজ করা হয়েছে।"

এরপর পয়েন্ট অব অর্ডারে ফ্লোর নিয়ে কথা বলেন সংসদ সদস্য জামায়াতের এমপি শাহজাহান চৌধুরী। তিনি গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের দাবি খণ্ডন করে বলেন, "আমাদের হিন্দু সম্প্রদায়ের একজন হিন্দুর জন্য উনি চাকরি চেয়েছেন, চাকরি দেন নাই। এটা কখন, কোন অবস্থায় হয়েছে সেটার বর্ণনা নাই। কিন্তু আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই ইসলামী ব্যাংক জাতি, ধর্ম নির্বিশেষে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সমস্ত লোকের সংযোগ, লেনদেন এবং চাকরি ওই ব্যাংকে ছিল। আমার নিজ এলাকাতেও অনেক হিন্দু ইসলামী ব্যাংকে চাকরি করেছে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাড়ে ৫ লাখ শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৫১ পি.এম


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাড়ে ৫ লাখ শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল

রবিবার অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় “এ” প্লাস ক্যাম্পেইন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভিটামিন “এ” ক্যাপসুল খাবে ৫ লাখ ৬৩ হাজার ২৪১ জন শিশু। এর মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৬০ হাজার ৯৭১ জন শিশু নীল রঙের একটি ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৫ লাখ ২ হাজার ২৭০ জন শিশুকে খাওয়ানো হবে একটি লাল রঙের ভিটামিন “এ” ক্যাপসুল।

রবিবার সকাল সাড়ে ৯টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার সাহেরা গফুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন প্রধান অতিথি হিসেবে করবেন জেলা প্রশাসক মোঃ আবুসাঈদ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত থাকবেন পুলিশ সুপার শাহ মোঃ আব্দুর রউফ, সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ নোমান মিয়া প্রমুখ।

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ উপলক্ষে শনিবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ নোমান মিয়া এই তথ্য জানান।

জেলার ৯টি উপজেলার ৯৯টি ইউনিয়নে মোট ২ হাজার ৪৩৩টি কেন্দ্রে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত শিশুদের ভিটামিন “এ” ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ভিটামিন “এ” শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি কমায়। প্রতিটি কেন্দ্রে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুকে নীল রঙের একটি ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুকে খাওয়ানো হবে একটি লাল রঙের ভিটামিন “এ” ক্যাপসুল। এই ক্যাপসুলে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। আপনারা যেন কোনো ধরনের গুজবে কান না দেন, গুজবে বিভ্রান্ত না হন।

তিনি উল্লেখ করেন যে, ২ হাজার ৪৩৩টি কেন্দ্রে মোট ৪ হাজার ৮৬৬ জন স্বেচ্ছাসেবক, ৪০৯ জন স্বাস্থ্য সহকারী, ৯৩ জন এএইচআই, ৩০৯ জন পরিবার কল্যাণ সহকারী দায়িত্ব পালন করবেন।

সভাপতির বক্তব্যে সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ নোমান মিয়া মতবিনিময় সভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রঞ্জন চন্দ্র দে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) আবু সাঈদ মোঃ গাউছাল আজম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি জাবেদ রহিম বিজন এবং সাধারণ সম্পাদক মো. বাহারুল ইসলাম মোল্লা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. হাসিবুল হক। সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিক ও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপ উন্মাদনার মাঝেও কেন নীরব ট্রাম্প?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৫২ পি.এম


বিশ্বকাপ উন্মাদনার মাঝেও কেন নীরব ট্রাম্প?

ফুটবল বিশ্বকাপের এই মহাযজ্ঞে অনেকেই ভেবেছিলেন যে তাকে নিয়মিত মাঠে দেখা যাবে। কিন্তু টুর্নামেন্টের অর্ধেক সময় পার হয়ে গেলেও মার্কিন প্রেসিডেন্টের মাঠের দর্শক সারিতে দেখা যায়নি। অথচ ইতিমধ্যে মার্কিন ফুটবল দল গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচের মধ্যে দুটিতে জয়লাভ করে নকআউট পর্বে নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করেছে। একজন প্রেসিডেন্ট হিসেবে সাধারণত ঘরের মাঠে আয়োজিত বড় আসরের উদ্বোধনী ম্যাচ এবং গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলোতে উপস্থিত হওয়া প্রত্যাশিত ছিল। কিন্তু বাস্তব চিত্রটি সম্পূর্ণ ভিন্ন হয়ে থাকে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নীরবতা নিয়ে ক্রীড়াঙ্গন ও রাজনৈতিক মহলে বিশ্লেষণ শুরু হয়েছে। অনেকে এটিকে অবাক করা ঘটনা মনে করছেন, কিন্তু রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, ট্রাম্পের স্বভাবে এটি অসামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। অতীতে দেখা গেছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বড় ইভেন্ট বা ফাইনাল ম্যাচে উপস্থিত থাকতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, সাধারণ ম্যাচগুলোতে নয়। তার ব্যস্ত রাষ্ট্রীয় শিডিউলও একটি কারণ হতে পারে। টুর্নামেন্টের শুরুর দিকে তিনি ফ্রান্সের জি-সেভেন সামিট এবং ইরানের সাথে গুরুত্বপূর্ণ শান্তি চুক্তি নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন।

কিন্তু এর বাইরেও একটি ভিন্ন মত প্রচলিত রয়েছে। দেশের বড় শহরগুলোতে আয়োজিত ম্যাচগুলোতে জনগণের বিরূপ প্রতিক্রিয়া পাওয়ার আশঙ্কায় প্রেসিডেন্ট কিছুটা সতর্ক থাকতে পারেন। নিউইয়র্কে এনবিএ ফাইনাল ম্যাচে উপস্থিত হয়ে তিনি অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মুখে পড়েছিলেন, যা প্রেসিডেন্টের ভাবমূর্তি নিয়ে তার সহযোগীদের চিন্তিত করে তুলেছে।

যদিও ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে মাঠে উপস্থিত হননি, সরকারের পক্ষ থেকে তার প্রতিনিধি হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওসহ বেশ কয়েকজন মন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের মাঠে নিয়মিত দেখা যাচ্ছে। হোয়াইট হাউস দাবি করেছে, প্রেসিডেন্ট নিয়মিতভাবে দলের খোঁজখবর রাখছেন এবং টুর্নামেন্টের সাথে মানসিকভাবে যুক্ত আছেন। এমনকি প্রথম ম্যাচের আগের দিন তিনি মার্কিন দলের সাথে ফোনে কথা বলে তাদের উৎসাহিত করেছেন।

সবশেষে কোটি টাকার প্রশ্ন হলো, ট্রাম্প কি মাঠে ফিরবেন? ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সাথে ট্রাম্পের একটি ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে, যা ডিসেম্বরে আয়োজিত ড্র অনুষ্ঠানের সময় আরও স্পষ্ট হয়েছে। ইনফান্তিনো নিশ্চিত করেছেন যে, আগামী ১৯ জুলাই নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচে ট্রাম্পের উপস্থিত থাকার এবং বিজয়ী দলের হাতে ট্রফি তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে হোয়াইট হাউসের ওয়ার্ল্ড কাপ টাস্ক ফোর্সের প্রধান অ্যান্ড্রু জুলিয়ানি ইঙ্গিত দিয়েছেন, ট্রাম্প নাটকীয়তা পছন্দ করেন। তাই ফাইনাল ম্যাচের আগেই চমকে দিয়ে যে কোনো মুহূর্তে প্রেসিডেন্ট স্টেডিয়ামে হাজির হতে পারেন। এখন দেখা হচ্ছে, বিশ্বের ট্রফি বিতরণ মঞ্চে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রতীক্ষিত উপস্থিতি ঘটে কি না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যেতে চায় জর্ডান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৫৩ পি.এম


শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যেতে চায় জর্ডান

লিওনেল মেসি মাঠে নামবেন কি না, সে বিষয়ে কিছুটা ধোঁয়াশা থাকলেও, আর্জেন্টিনার শক্তি সম্পর্কে কোনো সন্দেহ নেই জর্ডানের কোচ জামাল সেলামির।

ডালাসে উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের ‘জে’ গ্রুপের নিজেদের শেষ ম্যাচে শিরোপাধারীদের মোকাবিলা করতে যাচ্ছে জর্ডান। বাংলাদেশ সময় রবিবার সকাল ৮টায় শুরু হতে যাওয়া এই ম্যাচটি জর্ডানের জন্য বিশ্বকাপের বিদায়ী মঞ্চ। তবে তারা মাঠ ছাড়তে চায় একটি ইতিবাচক ছাপ রেখে।

চলতি বিশ্বকাপে আলজেরিয়া ও অস্ট্রিয়াকে হারিয়ে আর্জেন্টিনা ইতোমধ্যে নকআউট পর্বের টিকিট নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে, টানা দুই হারে প্রতিযোগিতার দৌড় থেকে ছিটকে গেছে বিশ্বকাপ অভিষেকে চমক সৃষ্টি করা জর্ডান। তবে, টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিশ্চিত হলেও, ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় মঞ্চে নিজেদের সক্ষমতা প্রমাণ করতে কোনো কমতি রাখতে চায় না মধ্যপ্রাচ্যের দলটি।

ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে জর্ডান কোচ জামাল সেলামি জানান, প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনা কোন একাদশ নিয়ে মাঠে নামবে, সে সম্পর্কে তাদের কাছে স্পষ্ট ধারণা নেই। তবে তিনি মনে করেন, আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে যারাই খেলুক না কেন, তারা প্রত্যেকেই অত্যন্ত দক্ষ। প্রতিটি খেলোয়াড়ের উদ্দেশ্য হচ্ছে শিরোপা জেতার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামা। সেলামির মতে, মেসি মাঠে থাকলে দলের মাহাত্ম্য যেমন বাড়ে, তেমনি মেসি না থাকলেও আর্জেন্টিনার মতো একটি ভারসাম্যপূর্ণ দলের বিপক্ষে লড়াই করা বেশ চ্যালেঞ্জিং।

জর্ডান অধিনায়ক নুর আল-রাওয়াবদেহ দলের মনোভাব তুলে ধরে বলেন, নকআউট পর্বে যাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলেও, এই ম্যাচটি তাদের কাছে গর্বের। তাদের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে বিশ্বমঞ্চে জর্ডানের ফুটবল সংস্কৃতি ও খেলোয়াড়দের লড়াইয়ের মানসিকতা তুলে ধরা। আল-রাওয়াবদেহ বলেন, জর্ডানের মানুষ স্বপ্ন দেখতে জানে এবং তাদের অধ্যাবসায়ের গল্পটি মাঠের পারফরম্যান্সের মাধ্যমে ফুটবল বিশ্বকে জানিয়ে দিতে চান তারা।

টানা তিন জয়ের লক্ষ্য নিয়ে নকআউটে পা রাখতে মুখিয়ে থাকা শক্তিশালী আর্জেন্টিনার বিপক্ষে জর্ডান কতটা প্রতিরোধ গড়তে পারে, সেটাই এখন দেখার বিষয়। তবে পরাজয় নিশ্চিত জেনেও, শেষ ম্যাচে নিজেদের সর্বোচ্চটা উজাড় করে দিয়ে একটি সম্মানজনক বিদায় নিতে মরিয়া জর্ডান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%