প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সংসদে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের এমন অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন সংসদ সদস্য আন্দালিব রহমান পার্থ এবং শাহজাহান চৌধুরী।
তারা জানিয়েছেন যে, ইসলামী ব্যাংকে অন্য ধর্মাবলম্বীদের কাজ করার ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই এবং বাস্তবে তারাও কাজও করছেন।
শনিবার বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে অনির্ধারিত আলোচনায় এ বিতর্কটি উঠে আসে। এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
অধিবেশনে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে, নিজের আগের বক্তব্যের রেশ ধরে ফ্লোর চান বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য আন্দালিব রহমান পার্থ। স্পিকার তাকে দুই মিনিট সময় দিলে তিনি বলেন, "আমি জাস্ট দুই মিনিটে একটু ক্লিয়ার করে দিই।" তিনি বলেন, "ইসলামিক ব্যাংকিং পৃথিবীতে এখন নন-মুসলিমদের মধ্যে অনেক বেশি পপুলার হয়ে যাচ্ছে। সুতরাং এরকম কোনো এমবার্গো আমাদের নেই। কিন্তু কোনো ইসলামিক ব্যাংকের বোর্ড যদি ওরকম ধরে তাদের নিজস্ব পলিসি করে সেটা সম্পর্কে আমার আইডিয়া নেই, বাট আমার ধারণা যে কেউ চাকরি করতে পারে ইসলামী ব্যাংকে।"
তিনি আরও বলেন, "তবে, যেহেতু ইসলামিক ব্যাংকের কথা ইসলামের একটা অংশ এবং রিবা-কে হারাম করেছে কোরআনে, আই অ্যাম সিওর যারা বোর্ডে বসবে তারা ইসলামিক ভ্যালুটা আপহোল্ড করবে। এবং আমার ধারণা ওখানে মনে হয় না কোন নন-মুসলিমের স্থান ওখানে থাকবে, আমার ধারণা যেটা। কিন্তু চাকরি যে কেউ করতে পারে এবং ইট ইজ বিকামিং এক্সট্রিমলি পপুলার অল ওভার দা ওয়ার্ল্ড।"
পার্থর বক্তব্যের পর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের সমালোচনা করে মন্তব্য করেন, "আমি লক্ষ্য করেছি এই সংসদে অনেক অনুমান নির্ভর কথাবার্তা হয়। বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আপনাকে রেফার করার কোনো কিছুই নাই। আপনি ইসলামী ব্যাংকের কোনো কর্মকর্তা না, ইসলামী ব্যাংক সম্বন্ধে কোনো ধারণা নাই। এই ব্যাপারে ইসলামী ব্যাংকের গভর্নিং বডির কেউ যদি এখানে থাকে, উনি দাঁড়িয়ে হয়তো বলতে পারতেন, যে আর এই ব্যাংক পরিচালনা সম্পর্কে যার অভিজ্ঞতা আছে। আর যে বিষয়টাও অত্যন্ত সেনসিটিভ। এটা কমিউনাল ইস্যু এখানে রেইজ করা হয়েছে।"
এরপর পয়েন্ট অব অর্ডারে ফ্লোর নিয়ে কথা বলেন সংসদ সদস্য জামায়াতের এমপি শাহজাহান চৌধুরী। তিনি গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের দাবি খণ্ডন করে বলেন, "আমাদের হিন্দু সম্প্রদায়ের একজন হিন্দুর জন্য উনি চাকরি চেয়েছেন, চাকরি দেন নাই। এটা কখন, কোন অবস্থায় হয়েছে সেটার বর্ণনা নাই। কিন্তু আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই ইসলামী ব্যাংক জাতি, ধর্ম নির্বিশেষে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সমস্ত লোকের সংযোগ, লেনদেন এবং চাকরি ওই ব্যাংকে ছিল। আমার নিজ এলাকাতেও অনেক হিন্দু ইসলামী ব্যাংকে চাকরি করেছে।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন