ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চট্টগ্রামে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নারী নিহত, দেড় ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ


চট্টগ্রামে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নারী নিহত, দেড় ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাস, মাইক্রোবাস, ড্রাম ট্রাক ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মধ্যে একটি চতুর্মুখী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় জারিয়া বেগম (৫৪) নামে এক নারী নিহত হন। দুর্ঘটনার ফলে অন্তত ৯ জন আহত হন। দুর্ঘটনার কারণে প্রায় দেড় ঘণ্টা মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং ফলে কয়েক কিলোমিটার জুড়ে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়।

রোববার রাত সাড়ে ৯টার সময় বাড়বকুণ্ড বাজার এলাকায় এটি ঘটে। সংঘর্ষের বিকট শব্দে স্থানীয় লোকজন এসে উদ্ধারকাজে অংশ নেন। স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, মহাসড়কের পাশের একটি মাইক্রোবাস হঠাৎ ব্রেক করলে পেছন থেকে দ্রুতগতিতে আসা চট্টগ্রামমুখী সৌদিয়া পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস সেটিকে ধাক্কা দেয়। এর ফলে বাসটির পেছনে থাকা একটি ড্রাম ট্রাকও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটিকে সজোরে আঘাত করে এবং এর ফলে বাসটি সড়কের ওপর উল্টে যায়।

একপর্যায়ে ড্রাম ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে ধাক্কা দিলে সেটি বাজারের ভেতরে একটি ফলের দোকানে ঢুকে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই জারিয়া বেগম গুরুতর আহত হন। পরে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।

আরও পড়ুন: রংপুরের কাউনিয়ায় পূজামণ্ডপে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তরুণের মৃত্যু

দুর্ঘটনার ফলে সিএনজির কয়েকজন যাত্রী, ফল ব্যবসায়ীসহ অন্তত ৯ জন আহত হন। এছাড়া উল্টে যাওয়া বাসের যাত্রীদের মধ্যে পাঁচজন গুরুতর আহত হন। আহতদের মধ্যে একজনের হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আহতদের উদ্ধার করে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনার পর বারআউলিয়া হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন। দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন মহাসড়কে পড়ে থাকায় প্রায় দেড় ঘণ্টা যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে। এই কারণে মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয় এবং হাজারো যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।

বারআউলিয়া হাইওয়ে পুলিশের এসআই মিল্টন আমার দেশকে জানান, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। আহতদের দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পরে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের যৌথ প্রচেষ্টায় দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন সরিয়ে নেওয়ার পর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

আরও পড়ুন: স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলের প্রতীক থাকবে না, প্রার্থী পক্ষে কাজ করতে হবে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জিয়াউর রহমানের শাহাদতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:০৪ এম


জিয়াউর রহমানের শাহাদতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ

জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে। এতে যুবদল নেতাসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। গত রোববার বিকেলে ফরিদগঞ্জ উপজেলা পরিষদ গেট এলাকায় সংঘর্ষটি ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সংঘর্ষের সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ এবং লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালানোর ঘটনা ঘটে। ফলে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়ে যায়।

জানা যায়, শহীদ জিয়ার শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে উপজেলা ও পৌর বিএনপির ব্যানারে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. আবুল কালাম আজাদ এবং প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ এম. এ. হান্নান।

অনুষ্ঠানের সময় উপজেলা পরিষদ গেটের সামনে ধানের শীষের মনোনয়নপ্রত্যাশী এক পক্ষের সমর্থকদের সাথে সংসদ সদস্য এম. এ. হান্নানের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা শুরু হয়।

একপর্যায়ে এই উত্তেজনা সংঘর্ষে রূপ নেয়, এবং দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ফলে ফরিদগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়ন যুবদলের দপ্তর সম্পাদক মেহেদী হাসান রনি (২৬) আহত হন। অন্যান্য নেতাকর্মীদেরও আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা আরও জানান, সাবেক সংসদ সদস্য লায়ন হারুনুর রশীদ এর সমর্থকেরা অনুষ্ঠানের সময় উপজেলা পরিষদ গেট এলাকায় উপস্থিত ছিলেন। এ সময় কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরিত হয় এবং এরপর উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।

এ বিষয়ে সংসদ সদস্য এম. এ. হান্নান বক্তব্য রেখে অভিযোগ করেন, পুলিশের উপস্থিতিতে সন্ত্রাসীরা তাঁর নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। প্রশাসন যদি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করে, তবে ভবিষ্যতে তারা এসব ঘটনার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে বাধ্য হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেটু কুমার বড়ুয়া বলেন, উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি চলছিল। কর্মসূচির বাইরে সড়কের উপর দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উপজেলা বিএনপির সম্পাদককে নিজ দলের নেতাকর্মীদের দ্বারা লাঞ্ছিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:১৪ এম


উপজেলা বিএনপির সম্পাদককে নিজ দলের নেতাকর্মীদের দ্বারা লাঞ্ছিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির পদে স্বাক্ষর না দেওয়ার অভিযোগে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল করিমকে প্রকাশ্যে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে মো. মাহবুব রহমানের বিরুদ্ধে, যিনি শিবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি পদপ্রার্থী এবং জেলা যুবদলের সদস্য।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার বিকালে শিবপুর ইউনিয়নের সাহারপাড় গ্রামের কেএম মামুনুর রশীদের দাওয়াতে গিয়ে নাজমুল করিম তার বাড়ি থেকে ফেরার সময় ঘটনাটি ঘটে। ফেরার পথে রাস্তায় বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হামলার ঘটনার সূত্রপাত হয়। ঘটনার সময় হাতাহাতি হয়েছে এবং একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক সমালোচনা সৃষ্টি হয়। গোটা নবীনগরে এর বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় ওঠে।

জানা যায়, শিবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হোসেন আহমেদ ২০২৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি ইন্তেকাল করলে পদটি শূন্য হয়ে যায়। এরপর সেই পদটি পেতে তদবির শুরু করেন জেলা যুবদলের সদস্য মাহবুব রহমান। তিনি উপজেলা বিএনপির সভাপতির অনুমোদন পেলেও সাধারণ সম্পাদকের অনুমোদন না পাওয়ার কারণে সাধারণ সম্পাদকের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে লাঞ্ছিত করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এই ঘটনার পর নাজমুল করিম রাতে আমার দেশকে জানান, সাহারপাড় গ্রামে একটি সামাজিক অনুষ্ঠান শেষে চলে আসার সময় কেএম মামুনুর রশীদের বাড়ির সামনে ঘটনার শিকার হন। সেখানে মো. মাহবুব রহমানসহ আরও কয়েকজন তার ওপর অতর্কিত আক্রমণ করে এবং জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়ার জন্য অপহরণের চেষ্টা করে। তিনি জানান, দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দকে তিনি এই বিষয়ে অবহিত করেছেন এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।

তিনি আরও জানান, মাহবুব রহমান ইউনিয়ন বিএনপির কোনো পদে নেই। সভাপতি মারা যাওয়ার পর সিনিয়র সহসভাপতি রোকন উদ্দিন দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। নাজমুল করিম বলেন, তিনি চেয়ারম্যান পদে স্বাক্ষর করতে রাজি ছিলেন, তবে মাহবুব রেজুলেশন আনতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে তিনি স্বাক্ষর করেননি। এই কারণে তার ওপর হামলা হয়।

অন্যদিকে, অভিযুক্ত মাহবুব রহমান হামলার ভিন্ন বর্ণনা দেন। তিনি বলেন, সভাপতি পদটি শূন্য হলে তিনি পদে প্রার্থী হন এবং আবেদনপত্র জমা দেন। তবে তিনি অভিযোগ করেন, নাজমুল করিম তার কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেন। তিনি টাকা না দেওয়ার পর, নাজমুল করিম তার আবেদনটি ফেরত দেন। মাহবুব রহমান বলেন, এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়েছে, তবে হামলার কোনো ঘটনা ঘটেনি।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী কেএম মামুনুর রশীদ বলেন, তিনি মনে করেন হামলার ঘটনা একটি পূর্বপরিকল্পিত ঘটনা। তিনি ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, এটি দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে।

এদিকে, নাজমুল করিমের ওপর হামলা ও লাঞ্ছিত করার ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিচ্ছেন এবং প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মরণোত্তর জাতিসংঘ পদক পাচ্ছেন ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:২২ এম


মরণোত্তর জাতিসংঘ পদক পাচ্ছেন ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী

আবেইতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় প্রাণ হারানো ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীকে মরণোত্তর ‘দাগ হ্যামারশোল্ড পদক’ দেওয়া হবে। আগামী ৫ জুন নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এই পদক প্রদান করা সম্পন্ন হবে।

জাতিসংঘের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এই পদক দান করবেন। পদকপ্রাপ্ত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী হলেন মো. জাহাঙ্গীর আলম, মো. সবুজ মিয়া, মো. মাসুদ রানা, মো. মোমিনুল ইসলাম, শামীম রেজা এবং সান্ত মণ্ডল।

২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর আবেইতে জাতিসংঘের অন্তর্বর্তী নিরাপত্তা বাহিনীতে (ইউএনআইএসএফএ) দায়িত্ব পালনকালে এক ড্রোন হামলায় তারা নিহত হন। অনুষ্ঠানে ১৯৪৮ সাল থেকে দায়িত্ব পালনকালে প্রাণ হারানো প্রায় সাড়ে চার হাজার শান্তিরক্ষীর স্মৃতির উদ্দেশ্যে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন জাতিসংঘ মহাসচিব। এছাড়া, গত বছর নিহত ৫৯ জনসহ মোট ৬৮ জন সামরিক, পুলিশ এবং বেসামরিক শান্তিরক্ষীকে মরণোত্তর ‘দাগ হ্যামারশোল্ড পদক’ দেওয়া হবে।

বর্তমানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সামরিক ও পুলিশ সদস্য প্রেরণে বাংলাদেশ বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম দেশ। আবেই, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র, সাইপ্রাস, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, লেবানন, লিবিয়া, দক্ষিণ সুদান এবং পশ্চিম সাহারায় পরিচালিত মিশনগুলোতে ২৭৭ জন নারীসহ ৪ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি সদস্য কর্মরত আছেন।

জাতিসংঘের তথ্য অনুসারে, বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সবচেয়ে জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে ৫০ হাজারেরও বেশি বেসামরিক, সামরিক এবং পুলিশ শান্তিরক্ষী কাজ করছেন। মোট ১১৮টি দেশ ১১টি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে জনবল সরবরাহ করছে।

সংস্থাটির সাধারণ পরিষদ ২০০২ সালে ‘জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস’ ঘোষণা করে। ১৯৪৮ সালে প্রথম জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন ‘ইউনাইটেড নেশনস ট্রুস সুপারভিশন অর্গানাইজেশন’ গঠনের স্মরণে ২৯ মে এই দিবসটি পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এবছরের দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল ‘শান্তিতে বিনিয়োগ’। যা শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে টেকসই রাজনৈতিক এবং আর্থিক সহায়তার গুরুত্বকে তুলে ধরেছে। বিশেষ করে বৈশ্বিক সংঘাতের বাড়ন্ত এবং সম্পদের সংকোচন এই সময়ে এই সহায়তা অত্যন্ত জরুরি।

দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে অতীত এবং বর্তমান সকল শান্তিরক্ষীকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। তিনি শান্তিরক্ষীদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিতে আরো জোরালো পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘শান্তিরক্ষা স্থিতিশীলতা এবং আশার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় পরীক্ষিত এবং সাশ্রয়ী উপায়, তবে এর জন্য ধারাবাহিক রাজনৈতিক সমর্থন এবং নির্ভরযোগ্য আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন।’

জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রম বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জ্যঁ-পিয়েরে লাক্রোয়া বলেন, বিশ্বের সবচেয়ে কঠিন পরিবেশে শান্তিরক্ষীরা বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা দিচ্ছেন এবং সহিংসতা প্রতিরোধ করছেন। এছাড়া আশার আলোও জিইয়ে রাখছেন। তিনি মন্তব্য করেন, শান্তিরক্ষায় বিনিয়োগ মানে স্থিতিশীলতা, সংঘাত প্রতিরোধ এবং শান্তির সম্ভাবনায় বিনিয়োগ করা।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অবদান রাখা শান্তিরক্ষা কর্মীদের ‘ক্যাপ্টেন এমবায়ে দিয়াগনে মেডেল ফর এক্সেপশনাল কারেজ’; ‘মিলিটারি জেন্ডার অ্যাডভোকেট অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ড’ এবং ‘ইউএন উইমেন পুলিশ অফিসার অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আস্ত মসলায় গরুর ভুনা মাংস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৩৯ এম


আস্ত মসলায় গরুর ভুনা মাংস

গরুর ভুনা মাংস আস্ত মসলা দিয়ে তৈরি করা যায়। এই মাংস রান্নার সময় গুঁড়া মসলা ব্যবহার করার পরিবর্তে আস্ত মসলা ব্যবহারে ভিন্ন স্বাদ ও ঘ্রাণ আসবে। কুরবানির ঈদে গরুর মাংসের নানান পদ ছাড়া যেন উৎসব পূর্ণতা পায় না। তবে অনেকেই সময় বাঁচাতে গুঁড়া মসলা ব্যবহার করে। আস্ত মসলা দিয়ে প্রস্তুত করা মাংসের স্বাদ বাড়ে এবং মসলার প্রাকৃতিক সুবাসও ঠিক থাকে।

উপকরণ সমূহের মধ্যে ১ কেজি গরুর মাংস, মোটা করে কাটা ১ কাপ পেঁয়াজ, ১ কাপ টুকরা করা আদা, ৮টি রসুনের কোয়া, ৭-৮টি শুকনা মরিচ, ৩ টুকরা দারুচিনি, ৪টি এলাচ, ১ টেবিল চামচ লেবুর রস, ১ চা চামচ ভাজা আস্ত জিরা, ১০টি গোলমরিচ, আধা কাপ বেরেস্তা, ৭-৮টি কাঁচামরিচ, ২ টেবিল চামচ ঘি, ২ চা চামচ টক দই এবং স্বাদমতো লবণ ও প্রয়োজনমতো তেল থাকে।

প্রস্তুত প্রণালির শুরুতে গরুর মাংস ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। পরে লবণ ও টক দই মিশিয়ে এটি প্রায় ৩০ মিনিট মেরিনেট করতে হবে। এর পর আদা, রসুন, শুকনা মরিচ, দারুচিনি, এলাচ, গোলমরিচ ও ভাজা জিরা যোগ করে আরও আধা ঘণ্টা মেরিনেট করুন।

একটি পাত্রে তেল গরম করে মেরিনেট করা মাংসটি মাঝারি আঁচে খুব ভালোভাবে কষান। কষানোর সময় লেবুর রস যোগ করবেন। মাংস থেকে তেল ছেড়ে এলে প্রয়োজনমতো গরম পানি দিয়ে ঢেকে সিদ্ধ করুন।

মাংস নরম হয়ে গেলে বেরেস্তা, ঘি এবং কাঁচামরিচ যোগ করে কম আঁচে কিছুক্ষণ দমে রাখতে হবে। মসলার ঘ্রাণ মাংসের সঙ্গে সুন্দরভাবে মিশে গেলে চুলা থেকে নামিয়ে নিন। গরম গরম পোলাও, খিচুড়ি অথবা সাদা ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন সুগন্ধি আস্ত মসলার গরুর ভুনা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%