প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে। এতে যুবদল নেতাসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। গত রোববার বিকেলে ফরিদগঞ্জ উপজেলা পরিষদ গেট এলাকায় সংঘর্ষটি ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সংঘর্ষের সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ এবং লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালানোর ঘটনা ঘটে। ফলে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়ে যায়।
জানা যায়, শহীদ জিয়ার শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে উপজেলা ও পৌর বিএনপির ব্যানারে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. আবুল কালাম আজাদ এবং প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ এম. এ. হান্নান।
অনুষ্ঠানের সময় উপজেলা পরিষদ গেটের সামনে ধানের শীষের মনোনয়নপ্রত্যাশী এক পক্ষের সমর্থকদের সাথে সংসদ সদস্য এম. এ. হান্নানের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা শুরু হয়।
একপর্যায়ে এই উত্তেজনা সংঘর্ষে রূপ নেয়, এবং দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ফলে ফরিদগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়ন যুবদলের দপ্তর সম্পাদক মেহেদী হাসান রনি (২৬) আহত হন। অন্যান্য নেতাকর্মীদেরও আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা আরও জানান, সাবেক সংসদ সদস্য লায়ন হারুনুর রশীদ এর সমর্থকেরা অনুষ্ঠানের সময় উপজেলা পরিষদ গেট এলাকায় উপস্থিত ছিলেন। এ সময় কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরিত হয় এবং এরপর উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।
এ বিষয়ে সংসদ সদস্য এম. এ. হান্নান বক্তব্য রেখে অভিযোগ করেন, পুলিশের উপস্থিতিতে সন্ত্রাসীরা তাঁর নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। প্রশাসন যদি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করে, তবে ভবিষ্যতে তারা এসব ঘটনার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে বাধ্য হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেটু কুমার বড়ুয়া বলেন, উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি চলছিল। কর্মসূচির বাইরে সড়কের উপর দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন