বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৬:০৫ পি.এম
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) ভাঙচুর ও মারামারির ঘটনার প্রেক্ষিতে ৬৬ জন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি প্রদান করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন। এই ঘটনার মধ্যে ৬ জন শিক্ষার্থীকে আজীবন বহিষ্কার করা হয়েছে। বুধবার (১ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. আবু হাসান স্বাক্ষরিত একটি অফিস আদেশে এসব তথ্য জানানো হয়।
মোট ৬৬ জন শিক্ষার্থীকে চারটি ক্যাটাগরিতে শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে। অফিস আদেশ অনুযায়ী জানা যায়, উচ্ছৃঙ্খল আচরণের কারণে ৮ জন শিক্ষার্থীকে হল থেকে ছয় মাসের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে এবং প্রত্যেককে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এছাড়াও, ক্যাম্পাসে ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করার জন্য ৬ শিক্ষার্থীকে একাডেমিক কার্যক্রম এবং হল থেকে ছয় মাসের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। এই শিক্ষার্থীদের প্রত্যেকে ৫ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কাউকে ভবিষ্যতে আবাসিক হলে বরাদ্দ প্রদান করা হবে না।
অন্যদিকে অস্ত্র হাতে রাষ্ট্রীয় সম্পদ ভাঙচুরের অভিযোগে ৪৬ জন শিক্ষার্থীকে একাডেমিক কার্যক্রম ও হল থেকে এক বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। তাদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং এই শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতে আবাসিক হলে বরাদ্দ দেওয়া হবে না। একই সাথে, কর্তব্য পালনরত অবস্থায় সহকারী প্রক্টরের ওপর আক্রমণের জন্য ৬ জন শিক্ষার্থীকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে হাবিপ্রবির প্রক্টর অধ্যাপক ড. নওশের ওয়ান জানান, তদন্ত কমিটির প্রেক্ষিতে যাচাই-বাছাই করে এই বহিষ্কার কার্যক্রম করা হয়েছে। তবে অভিযুক্তদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম-৮ আসনের এমপি এবং মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ বলেন, 'ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল কোনো অবস্থাতেই গ্রহণযোগ্য নয়।' তিনি যোগ করেন, 'এরকম বিল যেন জনগণকে দিতে না হয় সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।' তিনি মন্তব্য করেন, 'এ সরকারকে জনগণ ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন।' তার মতে, 'এ সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে জনগণকে স্বস্তি দেওয়া এবং আর্থসামাজিক উন্নয়ন করা।' এরশাদ উল্লাহ বলেন, 'কোনো জিনিসপত্রের দাম বাড়েনি বরং নিত্যপণ্যের দাম কমানো হয়েছে।' তিনি জানান, 'এবারের বাজেটে ৬১টি পণ্যের কর রহিত করা হয়েছে।'
বৃহস্পতিবার বোয়ালখালী উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
এদিন উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জলাতঙ্ক রোধে অ্যান্টি র্যাবিস ভ্যাকসিন, ক্রীড়া সামগ্রী, স্যানিটারি ন্যাপকিন, ঢেউটিন, সেলাই মেশিন বিতরণ, পৌরসভার জি আর (চাল) বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন তিনি। এছাড়া মৎস্যচাষ প্রদর্শনী খামারের উপকরণ বিতরণ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে আমন বীজ-সার, সবজি বীজ, ফলদ গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন এমপি এরশাদ উল্লাহ।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেহেদী হাসান ফারুকের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রুমন তালুকদার, কৃষি কর্মকর্তা শাহনুর ইসলাম, মৎস্য কর্মকর্তা নাঈম হাসান, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল হক চেয়ারম্যান, সদস্য শওকত আলম, বিএনপি নেতা ইছহাক চৌধুরী, নুরুন্নবী চৌধুরী, হামিদুল হক মন্নান, শহীদুল্লাহ্ চৌধুরী ও মেহেদী হাসান সুজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, ভূমি মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল সেবা ও সফটওয়্যার সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তি ও বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের মেধায় তৈরি হয়েছে। এমনকি অত্যন্ত সাশ্রয়ী ব্যয়ে তৈরি একটি গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যারের উদ্ভাবকও চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) একজন শিক্ষার্থী।
চুয়েট এমন একটি প্রতিষ্ঠান, যেখানে শিক্ষার্থীরা বিশ্বব্যাপী বড় বড় প্রতিষ্ঠানে অত্যন্ত সুনাম ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। আমি আশা করি শিক্ষার্থীরা চুয়েট থেকে পাস করে বাংলাদেশ এবং বিশ্বের আলোকিত করবে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক কোর্সের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নবীন শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল বলেন, ‘চুয়েটে ভর্তি হওয়ার মধ্য দিয়ে তারা দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীদের একটি বিশেষ অংশে পরিণত হয়েছেন।
এই যাত্রাকে অর্থবহ করতে হলে কঠোর অধ্যবসায়, গবেষণার মনোভাব এবং আত্মোন্নতির ধারাবাহিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ভ্রমণের সময় বিশেষত যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, কানাডা ও ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে চুয়েটের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সাফল্যের সঙ্গে কাজ করতে দেখেছি। গুগল, অ্যামাজন, টেসলা, সিমেন্স, স্যামসাংসহ বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানে চুয়েটের শিক্ষার্থীরা দক্ষতার স্বাক্ষর রেখে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছেন। বর্তমান নবীন শিক্ষার্থীরা একদিন ঠিক এইভাবে বিশ্বমঞ্চে নিজেদের যোগ্যতার পরিচয় দেবেন।’
ভূমি মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল রূপান্তরের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে ভূমি সেবার বেশিরভাগ কার্যক্রম ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পরিচালিত হচ্ছে। ‘ভূমি অ্যাপ’ এর মাধ্যমে ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ, নামজারি, ই-পর্চাসহ বিভিন্ন সেবা ঘরে বসেই পাওয়া যাচ্ছে। পাশাপাশি ‘ভূমি দৃষ্টি’ নামে জিওফেন্সিং প্রযুক্তিনির্ভর একটি অ্যাপের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের সরকারি কর্মচারীদের উপস্থিতি ও কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।’
নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে সাফল্য-ব্যর্থতা, আনন্দ-বেদনা থাকবে; তবে কোনো অবস্থাতেই মাদকের আশ্রয় নেওয়া যাবে না। মাদক কখনো সমস্যা সমাধান নয়, বরং এটি মেধা, সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ ধ্বংস করে দেয়।’ তিনি শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাসী, দৃঢ়চেতা ও ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে প্রতিকূলতা মোকাবিলা করার আহ্বান জানান।
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র কল্যাণ অধিদপ্তরের পরিচালক ড. মো. সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে গেস্ট অব অনার ছিলেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎ ও কম্পিউটার প্রকৌশল অনুষদের ডীন ড. কাজী দেলোয়ার হোসেন, সিভিল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন ড. আসিফুল হক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডীন ড. মোহাম্মদ আবু কাউছার, মেকানিক্যাল অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন ড. মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডীন ড. মুহাম্মদ রাশিদুল হাসান, রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. শেখ মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির।
গেস্ট অব অনারের বক্তব্যে চুয়েটের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া বলেন, ‘পৃথিবী চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। ভবিষ্যতের কর্মক্ষেত্রে কেবল ভালো ফলাফল যথেষ্ট হবে না। তোমাদের দরকার হবে বিশ্লেষণী চিন্তা, সৃজনশীলতা, গবেষণার মনোভাব, যোগাযোগ দক্ষতা, দলগতভাবে কাজ করার সক্ষমতা এবং নৈতিক নেতৃত্ব। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আজ তোমাদের মধ্য থেকেই আগামী দিনের বিশ্বমানের গবেষক, সফল উদ্যোক্তা, প্রযুক্তি উদ্ভাবক, শিল্পনেতা এবং এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরি হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সারাদেশের মতো টাঙ্গাইলের মধ্যে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) এবং সমমানের পরীক্ষা আজ শুরু হয়েছে।
এই পরীক্ষায় জেলার মোট ৬৫টি পরীক্ষা কেন্দ্রের মাধ্যমে ৩২ হাজার ৮৭০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে, যা বৃহত্তম পাবলিক পরীক্ষাগুলোর মধ্যে একটি।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় টাঙ্গাইল শহরের বিবেকানন্দ স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে জেলা প্রশাসক শরীফা হক পরিদর্শন করেছেন।
জেলা প্রশাসক শরীফা হক বাসস’কে জানিয়েছেন, টাঙ্গাইলে সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা আয়োজন করা এবং আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার জন্য কেন্দ্র সচিবদের নিদের্শনা প্রদান করা হয়েছে।
এছাড়াও, উপজেলা পর্যায়ে কর্মরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটবৃন্দ পরীক্ষাকেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করছেন, এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। জেলায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) লায়লা আঞ্জুমান বানু, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার লাবিবুজ্জামান মুস্তাবীন উপস্থিত ছিলেন।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) লায়লা আঞ্জুমান বানু বাসস’কে জানিয়েছেন, জেলার এইচএসসি ৩৪ কেন্দ্রের মোট পরীক্ষার্থী ২৫ হাজার ৫০৫ জন, আলিম বিভাগে ১১ কেন্দ্রে ১ হাজার ৬৩৯ জন, এইচএসসি (ভোকেশনাল) ৩টি কেন্দ্রে ৩৫১ জন, এবং এইচএসসি (বিএমএ) ১৭ টি কেন্দ্রে ৫ হাজার ৩৭৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ