শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:২৭ এম
সম্প্রতি ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের মুহুর্মুহু আক্রমণে ইয়েমেনের অভ্যন্তরীণ সৌদি সমর্থিত জোট কোণঠাসা হয়ে পড়েছে, শুধু তারাই নয়, সৌদি আরব নিজেও ভয়ংকর ভাবে কোণঠাসা হয়ে পড়েছে হুতিদের হামলায়। এমন প্রেক্ষাপটে ইয়েমেনের হুতি যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে প্রচন্ড সামরিক শক্তি দিয়ে লড়াই করতে এবং হামলা করতে সৌদি আরবের সমর্থনে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ ব্রিটেন, ফ্রান্স, ইতালি, এবং গ্রিস অন্যদিকে মক্কা জোটের সমর্থনে দুই মুসলিম শক্তিধর রাষ্ট্র পাকিস্তান ও তুরস্ক এবং মিশর ও মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম নামধারী রাষ্ট্র আরব আমিরাত ছাড়াও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা ও লজিকস্টিক সাপোর্ট নিয়ে সৌদি আরবের নয়টি রাষ্ট্রের যৌথ জোটের হামলা হতে যাচ্ছে হুতিদের বিরুদ্ধে। অথচ যেখানে এর আগে ২০১৪ সালে হুতিদের বিরুদ্ধে বা ইয়েমেনিদের বিরুদ্ধে সৌদি আরব নাক গলানো শুরু করলে একক শক্তিতে হুতিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে না পারায় সৌদি আরব ৩০ টি রাষ্ট্র মিলে হুতিদের বিরুদ্ধে লড়াই করেও ব্যর্থ হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল হামলা করতে এসেও যুদ্ধ করে ব্যর্থ হয়ে ফিরে গেছে।
এখানে মনে রাখা উচিত কেন বার বার তাদের বিরুদ্ধে বড় বড় পরাশক্তি যুদ্ধ করে ব্যর্থ হচ্ছে? শুধু যুদ্ধের ড্রোন ক্ষেপণাস্ত্র কিংবা বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি সমৃদ্ধ এয়ার ডিফেন্স কিংবা সর্বাধুনিক ফাইটার জেট দিয়ে কোন একটি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কোন একটি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে জয়লাভ করা যায় না যদি যেত তাহলে ইরান এতদিনে ধ্বংস হয়ে যেত। কিন্তু হুতিদের তো ইরানের মত সামরিক শক্তি নেই তারপরও কেন তারা বারবার যুদ্ধে টিকে আছে? এখানেই আসে যুদ্ধের সামরিক হিসাব নয় হিসাবটি অন্য স্থানে আর তা হচ্ছে ধর্মতত্ত্ব বা হুতিদের বিশ্বাস এবং ইসলাম ধর্মের প্রতি এবং আল্লাহ ও রাসূলের প্রতি ভরসা করে তাদের সেই সময়ের মতো, যে সময়ে হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শেষ নবী হিসেবে প্রায় ৬৪ টি যুদ্ধ করেছিলেন যেগুলো ছিল অসম যুদ্ধ যার ২৭ টি তিনি নিজে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ওই সব অসম যুদ্ধেও অল্পসংখ্যক সাহাবী এবং অল্প সংখ্যক যুদ্ধাস্ত্র নিয়েও মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিংবা তার পাঠানো সেনাপতিরা যুদ্ধে জয় লাভ করে ফিরে আসতো, তেমন বিশ্বাস নিয়ে তারা যুদ্ধ করছে যাদের প্রতি আবার ইসলামের শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দোয়া করে গেছেন এই ইয়েমেন ও শামবাসীদের জন্য যা সহীহ বুখারী, তিরমিজি শরীফ এর কয়েকটি হাদিস বিশেষভাবে বর্ণিত হয়েছে এবং রেওয়ায়াতকারীরা অত্যন্ত শক্তিশালী যেমন হযরত ওমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) এবং আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকেই হাদিস গুলো বর্ণিত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ প্রথমবার ২০২১ সালে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নস ট্রফি হকিতে অংশগ্রহণ করেছিল। এবার তারা দ্বিতীয়বারের মতো এই টুর্নামেন্টে অংশ নিতে যাচ্ছে। পাকিস্তান দল টুর্নামেন্ট থেকে তাদের নাম প্রত্যাহার করে নেওয়ার ফলে বাংলাদেশ হকি দলের জন্য চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে খেলার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। আগামী ২৭ অক্টোবর ভারতের জলন্ধরে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আসর শুরু হবে। হকি দল আজ দুপুর ১২টায় ভারতের উদ্দেশে রওনা হবে। বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে ভালো লড়াই করার প্রত্যয়ে মাঠে নামবে।
এবারের চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে বাংলাদেশ সহ, স্বাগতিক ভারত, চীন, জাপান, মালয়েশিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া অংশগ্রহণ করবে। উদ্বোধনী দিন ২৭ অক্টোবর বাংলাদেশ স্বাগতিক ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করবে। ২৯ অক্টোবর দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ হবে জাপান। ৩০ অক্টোবর মালয়েশিয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামবে দলটি। এরপর ১ নভেম্বর দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে এবং ২ নভেম্বর চীনের বিরুদ্ধে খেলবে বাংলাদেশ। এশিয়ার শীর্ষ হকি দলগুলোর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে জিমি-আশরাফুলরা মাঠে নামবেন।
বাংলাদেশ হকি দল
আশরাফুল হক শাদ, বিপ্লব কুজুর, আমিরুল ইসলাম, রেজাউল করিম বাবু, সোহানুর রহমান সবুজ, হোজাইফা হোসেন, রোমান সরকার, তায়েব আলী, খালেদ মাহমুদ রাকিন, মো. আবদুল্লাহ, রাকিবুল হাসান (রকি), পুষ্কর খিসা মিমো, ফারহাদ আহমেদ শিতুল, মাহবুব হোসেন, ওবায়দুল হোসেন জয়, আশরাফুল ইসলাম, আবেদ উদ্দিন ও রাসেল মাহমুদ জিমি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সারাদিনের কাজের ব্যস্ততা এবং মানসিক চাপের কারণে রাতে ঘুমের সমস্যা দেখা দিতে পারে। অনেকেই ঘুমানোর আগে এক কাপ চা বা কফি পান করেন।
কিন্তু ক্যাফিনের পরিবর্তে ক্যামোমাইল চা একটি বিকল্প হতে পারে। ভেষজ ফুল থেকে তৈরি এই পানীয়টি দীর্ঘকাল ধরে আরাম এবং ঘুমের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে পরিচিত। তবে, কি ক্যামোমাইল চা সত্যিই উপকারী?
কী এই ক্যামোমাইল চা?
ক্যামোমাইল একটি বিশেষ ধরনের ফুল। এই ফুল শুকিয়ে গরম পানিতে ভিজিয়ে ক্যামোমাইল চা তৈরি করা হয়। সাধারণ চায়ের মতো এতে স্বাভাবিকভাবে ক্যাফিন থাকে না। এর মধ্যে থাকা কিছু উদ্ভিজ্জ উপাদান শরীর ও মনকে শান্ত রাখতে সাহায্য করতে পারে বলে ধারণা করা হয়। তবে, এই চা পান করলেই যে অনিদ্রার সমস্যা দূর হবে, এমন কোনও নিশ্চয়তা নেই।
এর মধ্যে উপস্থিত অ্যাপিজেনিন নামক একটি উদ্ভিজ্জ উপাদান মস্তিষ্কের নির্দিষ্ট রিসেপ্টরের সঙ্গে কাজ করতে পারে। কিছু গবেষণায় ঘুমের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য উপকারের ইঙ্গিত মিললেও, অনিদ্রার চিকিৎসা হিসেবে এর কার্যকারিতা সম্পর্কে আরও গবেষণা প্রয়োজন।
দিনের শেষে গরম এক কাপ ক্যামোমাইল চা পান করা অনেকের কাছে একটি আরামদায়ক অভ্যাস। ক্যামোমাইল পেটের অস্বস্তি এবং হজমের সমস্যায় ব্যবহার করা হয়ে থাকে। তবে, পেটের সমস্যা দীর্ঘকাল ধরে চলতে থাকলে শুধুমাত্র ভেষজ চা পান না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। রাতে সাধারণ চা বা কফি পান করলে তার ক্যাফিন ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। ক্যামোমাইল চা স্বাভাবিকভাবে ক্যাফিনমুক্ত হওয়ায় এটি একটি বিকল্প হতে পারে।
এক কাপ গরম পানিতে ক্যামোমাইল চায়ের ব্যাগ অথবা নির্দিষ্ট পরিমাণ শুকনো ক্যামোমাইল ফুল দিয়ে কয়েক মিনিট ঢেকে রাখুন। এরপর ছেঁকে পান করুন। ঘুমানোর আগে সন্ধ্যা বা রাতে পান করতে পারেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিরাজগঞ্জ বিসিক শিল্প পার্ক দ্রুত সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান করতে কাজ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সিরাজগঞ্জে বিসিক শিল্পপার্কের অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
মুখ্য সচিব বলেন, ২০১২ সালে বিসিক শিল্প পার্কের কাজ শুরু হলেও নানা কারণে সেটা বাস্তবায়ন হয়নি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের পূর্বে ঘোষণা দিয়েছেন সিরাজগঞ্জ বিসিক শিল্প পার্ক দ্রুত সময়ে দৃশ্যমান করা হবে। এরই ধারাবাহিকতায় সিরাজগঞ্জ বিসিক শিল্প পার্ক দ্রুত সময়ে দৃশ্যমান করতে কাজ করা হচ্ছে। বছর দুয়েকের মধ্যে সম্পূর্ণ কাজ শেষ হবে।
এর আগে তিনি শিল্পপার্কের সার্বিক কার্যক্রম, সুযোগ-সুবিধা ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে সিরাজগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট সাইদুর রহমান বাচ্চুসহ ব্যবসায়ীরা বক্তব্য রাখেন। পরে তিনি শিল্পপার্ক এলাকায় বৃক্ষরোপণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গ্রেপ্তারের স্থান ও সময় নিয়ে প্রশ্ন, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সংগঠনের নেতা-কর্মীরা
আদাবর থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক নয়ন হোসেনকে আদাবর এলাকা থেকে তুলে নিয়ে কারওয়ান বাজারের মাছের আড়তে চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলায় জড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। একই সঙ্গে মামলার প্রেক্ষাপট, গ্রেপ্তারের স্থান ও সময় নিয়ে প্রশ্ন তুলে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন তাঁরা।
অভিযোগ অনুযায়ী, গতকাল বিকেলে আদাবরের সুনিবিড় হাউজিং এলাকা থেকে একটি সাদা মাইক্রোবাসে করে ডিবি পুলিশ নয়ন হোসেনকে নিয়ে যায়। পরে তাঁকে ডিবি কার্যালয়ে রাখা হয়। আজ সকালে আদালতে হাজির করার পর তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
তবে মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে, কারওয়ান বাজারের মাছের আড়তে চাঁদাবাজির অভিযোগে তাঁকে ফার্মগেট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদিকে, তাঁর স্বজন ও সংশ্লিষ্টদের দাবি, তাঁকে আগের দিন বিকেলেই আদাবরের সুনিবিড় হাউজিং এলাকা থেকে নিয়ে যাওয়া হয়। ফলে গ্রেপ্তারের প্রকৃত স্থান ও সময় নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
সংগঠনের নেতা-কর্মীদের অভিযোগ, নয়ন হোসেনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা এবং মামলার প্রকৃত প্রেক্ষাপট জনসমক্ষে স্পষ্ট করা প্রয়োজন। তাঁদের দাবি, কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রমাণ করতে হবে। একই সঙ্গে গ্রেপ্তার ও মামলার ক্ষেত্রে আইনগত প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, সেটিও যাচাই করা জরুরি।
এ ঘটনায় কয়েকটি প্রশ্ন সামনে এসেছে—আদাবর থেকে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ থাকলেও মামলার নথিতে ফার্মগেট থেকে গ্রেপ্তারের কথা উল্লেখ করার কারণ কী? কারওয়ান বাজারের চাঁদাবাজির ঘটনায় নয়ন হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগের সুনির্দিষ্ট ভিত্তি কী? পুরো প্রক্রিয়ায় আইনগত বিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা হবে কি না?
এ ছাড়া ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা অন্য কোনো উদ্দেশ্য রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
তাঁরা বলেন, শুধু অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে অপরাধী হিসেবে বিবেচনা করা যায় না। অভিযোগের সত্যতা যথাযথ তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারণ করতে হবে। কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করা প্রশাসনের দায়িত্ব।
তাঁদের বক্তব্য, রাজনীতি করার অধিকার সবার রয়েছে। আইনের শাসন, ন্যায়বিচার ও নাগরিকের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তাই এ ঘটনায় অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।
সংগঠনের নেতা-কর্মীদের দাবি, প্রতিহিংসার রাজনীতি নয়—তাঁরা চান নিরপেক্ষ তদন্ত, আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ