শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০১:৫৩ এম
সরাইল থানার পুলিশ কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে দুর্গাপূজার সময় ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কিংবা সৌজন্যমূলক আচরণ না পাওয়ার কারণে থানার কক্ষে বসে ওসির ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগর) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে সরাইল থানার ওসির কক্ষে এই ঘটনা ঘটে। এ সময় রুমিন ফারহানা ওসির বিরুদ্ধে ঘুস, দুর্নীতি এবং আওয়ামী লীগ নেতাদের বাড়িতে গিয়ে খাওয়া-দাওয়া করার মতো অভিযোগ তোলেন।
সরাইল থানায় অবস্থানকালে, ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা এমপির পক্ষে এবং ওসির বিরুদ্ধে কয়েকশো লোক স্লোগান দিতে থাকেন। এই সময় পুরো এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
সরাইল থানার কক্ষে বসে রুমিন ফারহানাকে বলতে শোনা যায়, ‘কতবার রিকোয়েস্ট করেছি যে নিরাপত্তা দেয়া হোক। আমাকে বিজয়নগরে নিরাপত্তা দিয়েছে, আমাকে আশুগঞ্জে নিরাপত্তা দিয়েছে। আইন আছে যে নির্বাচিত এমপি নিরাপত্তা চাইলে লোকাল এরিয়াতে হবে। গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগের সময় একজন এমপি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর এবং উনি মারা যাওয়ার পর এই আইনটা হয়। উনি আমার লোকের ফোনই ধরেন না এবং বলেন, উনি নির্বাচিত এমপি, ওনার নিরাপত্তা মানুষ দেবে। তো এজন্যই মানুষ যা দেখছেন, বাইরে আরও ৫ থেকে ১০ হাজার মানুষ আছে। তো ওরা আমার নিরাপত্তা দিচ্ছে। আমার তো নিরাপত্তা লাগবে, তাই না? সো মানুষ আমার নিরাপত্তা দিচ্ছে। আর ওনার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, মাটি কাটার থেকে পয়সা নেয়া, আপনার বালু, ইটের ভাটার পয়সা নেয়া ইত্যাদি বিস্তর অভিযোগ। কোনো ঘটনা ঘটলে আপনারা জানেন যে এলাকাটা দাঙ্গাপ্রবণ। দাঙ্গা হওয়ার পরে যখন সব শান্ত হয়, তখন ওনারা ধীরে সুস্থে যান। এই বিষয়গুলো আমি আজকে জানতে এসেছিলাম। এবং উনি যে ব্যবহার আমার সঙ্গে করেছেন, সেটা একজন নির্বাচিত এমপির সঙ্গে করা যায় না।’
সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনজুর কাদের ভূঁইয়া জানান, ‘সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা এসেছিলেন। উনি এক দেড়শো লোক নিয়ে থানার মধ্যে হৈচৈ করে একটা অস্থিরতা ও মব তৈরি করেছেন। আমার অফিস কক্ষের মধ্যে কয়েকশো লোক ঢুকে এখানে একটা বিব্রতকর পরিস্থিতর সৃষ্টি করেছে। শুধু তাই নয়, উনি কিছু লোককে শিখিয়ে এনেছেন, যারা আমার বিরুদ্ধে আজেবাজে কথাবার্তা বলছেন, যা আমি প্র্যাকটিস করি না। উনি বলছেন, আমি নাকি কোনো এক আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে গিয়ে ভাত খেয়ে এসেছি। আমি কখনও কারও দাওয়াতেই যাই না। বিয়ের দাওয়াতেও যাই না। রাষ্ট্রীয় প্রোগ্রাম ছাড়া কোনো কোনো খাবার-দাবার, খানাপিনায় অ্যাটেন্ড করি না। শুধু সরকারি প্রোগ্রাম যেখানে ইউএনও মহোদয় থাকেন এবং আমি থাকি, ম্যাজিস্ট্রেট থাকেন, তখন আমি যাই। উনি আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ এনেছেন তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।’
ওসি বলেন, ‘উনি লোক সাজিয়ে নিয়ে এসেছেন। এক লোক বলেছেন, আমাকে নাকি মামলার আসামি ছাড়ার ব্যাপারে ৩০ হাজার টাকা দিয়েছেন। লোকটাকে আমি কখনও দেখেছি বলে মনে পড়ে না। আসামিরা আসে, অফিসাররা আসামি ধরে হাজতে পাঠায়, আবার কোর্টে চলে যায়। আমার সঙ্গে ইন্টারোগেশনে কোনো প্রয়োজনই হয় না। সে নাকি আমাকেই ৩০ হাজার টাকা দিয়েছে! এটা তো ওনার শেখানো বিষয়। উনি বলছেন যে, আমার বিরুদ্ধে বলেছে যে আমি ব্রিকফিল্ড থেকে টাকা নিই। ব্রিকফিল্ড এখানে হাওড় অঞ্চল, সবগুলো পানির নিচে ডুবানো আছে। উনি এই অভিযোগ কোত্থেকে আনলেন? এতে আমি খুব দুঃখ পেয়েছি।’
তিনি বলেন, ‘পূজার মধ্যে আমাদের কঠিন প্রোগ্রাম ছিল। আমরা সামগ্রিকভাবে পুরো থানা এলাকার পূজামণ্ডপকে নিরাপদে রেখেছি। উনি বলছেন, রেকর্ড আছে। তো রেকর্ড তো উনি দেখাতে পারেননি। আমি নিরাপত্তা দেই, অস্বীকার করব কেন? এই থানা এলাকার প্রত্যেকটায় আমরা সামগ্রিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছি পূজামণ্ডপে। এখন ওনার ব্যক্তিগত নিরাপত্তায় গানম্যান চাইতে হবে, সেটা আলাদা বিষয়। উনি এসপির কাছে চাইবেন, গানম্যান ইস্যু হলে, গানম্যান থাকবে। কিন্তু আমি তো একটা টিম ওনার সঙ্গে ওইভাবে এনগেজ করে রাখতে পারি না।’
তিনি আরও বলেন, ‘এর মধ্যে ওনি লোকজন নিয়ে ওনার অনুসারীদের নিয়ে আমার কক্ষে এসে অবরুদ্ধ করেছেন, মব করেছেন। থানার বাহিরে মিছিল করেছেন। আমি জানি না এখানে আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ সংগঠনের কোনো লোকজন ছিল কি না। কারণ তিনি ওদের না ধরার জন্য আমাকে সব সময় প্রেশারাইজ করেন। এই যে আজকে যারা এসেছেন, আমি চিনিও না ওদেরকে সবাইকে। হয়তো পরবর্তীকালে জানতে পারবো। ওনারা থানার মধ্যে খুব বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছেন। আমি নোট ডাউন করে রেখেছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের রিয়াদে কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১০ অক্টোবরের দুর্ঘটনার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত সৌদি এয়ারলাইনসের যাত্রীদের জন্য জরুরি বার্তা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস। যেসব যাত্রী এখনও তাদের লাগেজ গ্রহণ করতে পারেননি, তাদের অনলাইনে হারানো লাগেজের অভিযোগ দাখিল করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) প্রকাশিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে দূতাবাস এ আহ্বান জানায়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট যাত্রীরা সৌদি এয়ারলাইনসের নির্ধারিত অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করে হারানো লাগেজের অভিযোগ জমা দিতে পারবেন।
যাত্রীদের ‘লস্ট ব্যাগেজ ক্লেম’ বা হারানো লাগেজের অভিযোগ দাখিল করতে হবে। দূতাবাস আরও জানায়, দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত অন্যান্য এয়ারলাইনসের যাত্রীদের লাগেজ সম্পর্কিত তথ্য পাওয়া গেলে তা যথাসময়ে জানানো হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহে যুবলীগ নেতা সন্দেহে আটক একজনকে নিজেদের কর্মী হিসেবে দাবি করে জামায়াতের কর্মীরা থানা থেকে মুক্ত করেছেন। এই ঘটনা ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর থানায় ঘটেছে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে কোটচাঁদপুর উপজেলার কুশনা ইউনিয়নের তালসার গ্রামের মৃত দলিল উদ্দিনের ছেলে হায়দার আলীকে পুলিশ আটক করে। কুশনা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তাকে তালসার পুলিশ ক্যাম্পে আটক করা হয়। পরে তাকে কোটচাঁদপুর থানায় স্থানান্তর করা হয়। রাত ৯টার দিকে স্থানীয় জামায়াতের নেতারা এসে জানান, হায়দার ২০২২ সাল থেকে তাদের দলের সক্রিয় কর্মী। তারা তার পক্ষে ইয়ানত দেয়ার রসিদসহ সভা-সমাবেশের প্রমাণ দেখান। এরপর পুলিশ হায়দার আলীকে মুক্ত করে।
কোটচাঁদপুর থানার ওসি মেহেদী হাসান বলেন, সোর্সের তথ্যের ভিত্তিতে হায়দার আলীকে আটক করা হয়েছিল। স্থানীয় জামায়াতের নেতারা এসে তাদের কর্মী দাবি করে প্রমাণ দেখান। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে হায়দার আলীকে জামায়াতের নেতাদের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে।
কোটচাঁদপুর পৌর জামায়াতের আমির আবদুল কাইয়ুম বলেন, ‘হায়দারকে ভুল তথ্যের ভিত্তিতে আটক করা হয়েছিল। তিনি আমাদের কর্মী। তার সব কাগজপত্র দাখিল করার পর পুলিশ যাচাই-বাছাই করে আমাদের কাছে দিয়েছেন।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রাজু ভাস্কর্যের সামনে ৪৫তম বিসিএসে গেজেটবঞ্চিতদের অনশন কর্মসূচি থেকে পুলিশ আটক করেছে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের চার নেতাকর্মীকে।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে তাদের আটক করা হয় অনশনস্থল থেকে।
সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে গেজেটবঞ্চিতরা ৪৫তম বিসিএসে অনশন শুরু করেন। অভিযোগ উঠেছে যে, অনশনকারীদের মধ্যে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিমের উপস্থিতিতে শাহবাগ থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে এবং চারজনকে আটক করে।
আটক ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) আশরাফুল হক হল শাখা ছাত্রলীগের উপসাধারণ সম্পাদক মো. হাবিবুল ইসলাম, একই হল শাখায় ছাত্রলীগের শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক পদপ্রার্থী মনিরুজ্জামান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অমর একুশে হল শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি আকরাম গাজী হৃদয়। আটক অপর ব্যক্তির পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক কামাল উদ্দিন জানিয়েছেন, ঢাবির প্রক্টরিয়াল টিমের মাধ্যমে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। আটক চারজনের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের পদধারী নেতা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর তাদের শাহবাগ থানায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম জানিয়েছে, ক্যাম্পাসের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যকলাপ প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এবং তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের মিরসরাই আসনের সংসদ সদস্য নুরুল আমিন মন্তব্য করেছেন, বর্তমান অস্থির বিশ্বে বুদ্ধের মহান বাণীই শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার সারাদেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) মিরসরাইয়ে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ভিক্ষু, ধর্মীয় প্রতিনিধি ও সাধারণ জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মিরসরাই উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই মতবিনিময় সভায় এমপি নুরুল আমিন প্রতিশ্রুতি দেন যে, উপজেলার প্রতিটি বৌদ্ধ বিহারে তিন লাখ টাকা করে অনুদান প্রদান করা হবে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভিক্ষু মহাসভার সহসভাপতি প্রিয়নন্দ মহাথের।
এমপি নুরুল আমিন আরও বলেন, ৫ আগস্টের পরবর্তী অস্থির পরিস্থিতিতে মিরসরাইয়ের বিভিন্ন বৌদ্ধ গ্রামে বৌদ্ধ বিহার ও বৌদ্ধ জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের সাধারণ কর্মীরা অতন্দ্র প্রহরীর মতো দায়িত্ব পালন করেছেন।
সভায় লক্ষ্মীপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক পুষ্পেন্দু বড়ুয়া স্বাগত বক্তব্য দেন। সভাটি পরিচালনা করেন অগ্রণী ব্যাংকের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) বিজয় বড়ুয়া। এছাড়া বক্তব্য দেন অবসরপ্রাপ্ত যুগ্ম সচিব পুলক কান্তি বড়ুয়া, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নেফ্রোলজি বিভাগের কনসালট্যান্ট চিকিৎসক বিপ্লব কুমার বড়ুয়া, দমদমা নবাবপুর ধর্মকীর্তি বৌদ্ধ বিহারের আজীবন অধ্যক্ষ ড. ধর্মকীর্তি মহাথের এবং শাসনবংশ মহাথের। সভায় উপজেলার পাঁচটি বৌদ্ধ গ্রামের বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরাও বক্তব্য রাখেন।
এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মিরসরাইয়ের বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সমর্থন পেয়ে ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী হওয়ার জন্য নুরুল আমিন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি একই সঙ্গে প্রতিশ্রুতি দেন যে, উপজেলার প্রতিটি বৌদ্ধ বিহারে তিন লাখ টাকা করে অনুদান দেওয়া হবে।
মতবিনিময় সভায় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা তাদের বিভিন্ন সমস্যা, প্রত্যাশা ও উন্নয়ন সংক্রান্ত বিষয় তুলে ধরেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ