জাকির হোসেন পাটোয়ারী রাজবাড়ী প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৬:১১ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সারাদেশের মতো টাঙ্গাইলের মধ্যে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) এবং সমমানের পরীক্ষা আজ শুরু হয়েছে।
এই পরীক্ষায় জেলার মোট ৬৫টি পরীক্ষা কেন্দ্রের মাধ্যমে ৩২ হাজার ৮৭০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে, যা বৃহত্তম পাবলিক পরীক্ষাগুলোর মধ্যে একটি।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় টাঙ্গাইল শহরের বিবেকানন্দ স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে জেলা প্রশাসক শরীফা হক পরিদর্শন করেছেন।
জেলা প্রশাসক শরীফা হক বাসস’কে জানিয়েছেন, টাঙ্গাইলে সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা আয়োজন করা এবং আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার জন্য কেন্দ্র সচিবদের নিদের্শনা প্রদান করা হয়েছে।
এছাড়াও, উপজেলা পর্যায়ে কর্মরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটবৃন্দ পরীক্ষাকেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করছেন, এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। জেলায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) লায়লা আঞ্জুমান বানু, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার লাবিবুজ্জামান মুস্তাবীন উপস্থিত ছিলেন।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) লায়লা আঞ্জুমান বানু বাসস’কে জানিয়েছেন, জেলার এইচএসসি ৩৪ কেন্দ্রের মোট পরীক্ষার্থী ২৫ হাজার ৫০৫ জন, আলিম বিভাগে ১১ কেন্দ্রে ১ হাজার ৬৩৯ জন, এইচএসসি (ভোকেশনাল) ৩টি কেন্দ্রে ৩৫১ জন, এবং এইচএসসি (বিএমএ) ১৭ টি কেন্দ্রে ৫ হাজার ৩৭৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জেলার ১৯টি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান এবং ৬১ জন অসহায় ও দুস্থ সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের মধ্যে প্রায় ১৮ লাখ টাকার আর্থিক অনুদানের চেক হস্তান্তর করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে উপকারভোগীদের হাতে এই অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হয়।
দলের সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে চলতি অর্থবছরে জেলার মোট ৮০টি প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিকে এই আর্থিক সহায়তা দেওয়া হলো।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন, যিনি প্রধান অতিথি ছিলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক তারিফ উল হাসান এবং জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক মনজুরুল আলম দুলাল।
এ সময় জেলার বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, অনুষ্ঠানে সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ামের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল। কিন্তু রাষ্ট্রীয় ব্যস্ততার কারণে তিনি আসতে পারেননি। তার পক্ষ থেকেই আজ জেলার সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিত্বদের মধ্যে এই আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
জেলা প্রশাসক আরও বলেন, সংস্কৃতি আমাদের ঐতিহ্য ও জাতীয় পরিচয়ের অন্যতম ভিত্তি। সাংস্কৃতিক অঙ্গনের মানুষের কল্যাণে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে ভবিষ্যতে রাজবাড়ীর সাংস্কৃতিক কর্মী ও প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে আরও বেশি সহায়তা পায়, সেই বিষয়ে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রীর সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।
অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা আনুষ্ঠানিকভাবে উপকারভোগীদের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় গাছ লাগানো যথেষ্ট নয়। তা ছাড়া, সেগুলো যথাযথভাবে পরিচর্যাও নিশ্চিত করতে হবে। এ বিষয়ে মন্তব্য করেছেন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা।
তারা আরও জানিয়েছেন, সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সফল করতে এবং পরিবেশ রক্ষা করার লক্ষ্যে শিক্ষার্থীসহ সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসা প্রয়োজন।
আজ বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের বুড়িগোয়ালিনী নীলডুমুর ঘাটে, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ফেইথ ইন অ্যাকশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত লবণসহনশীল ফলজ বৃক্ষের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।
উন্নয়ন সংস্থা ‘ফেইথ ইন অ্যাকশন’ গাবুরা ইউনিয়নের মোট ৯টি ওয়ার্ডের ১৫টি গ্রামে ২ হাজার ১৫টি পরিবারকে নিয়ে ‘জলবায়ু সহনশীল জনগোষ্ঠী তৈরি’ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পের আওতায় প্রকল্পের এক হাজার সদস্যের মাঝে তিনটি করে লবণসহনশীল ফলজ বৃক্ষের চারা বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন শ্যামনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ওয়ালিউল ইসলাম। তিনি বলেন, গাবুরা এলাকায় কদবেল, তাল ও তেঁতুল গাছের চারা রোপণ করলে মাটি ক্ষয়রোধে ইতিবাচক ভূমিকা নিশ্চিত হবে।
বিশেষত, তালগাছ বজ্রপাতের ঝুঁকি কমাতে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করতে কার্যকর। তিনি পরিবেশবান্ধব গাছ রোপণের জন্য আহ্বান জানান।
শ্যামনগর উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. জামাল হোসেন বলেন, একটি গাছ মানুষের জীবন রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই শুধু গাছ লাগানো নয়, বরং সেগুলোর নিয়মিত পরিচর্যাও নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
একটি শিশুর যত্ন নেয়ার মতো, একটি গাছকেও পরিচর্যা করার মাধ্যমে বড় হতে হবে। তিনি লবণসহনশীল ও পরিবেশবান্ধব গাছ বিতরণ করার উদ্যোগ নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তৃতা করেন ফেইথ ইন অ্যাকশনের প্রকল্প ব্যবস্থাপক মিল্টন বাড়ৈ, এমঅ্যান্ডই কর্মকর্তা প্রিন্স মার্ক বিশ্বাস এবং প্রকল্প কর্মকর্তা পরিতোষ কুমার বৈদ্য, সাথে কমিউনিটি ফ্যাসিলিটেটররা। অনুষ্ঠানে এক হাজার উপকারভোগীর মধ্যে এক হাজার তাল, এক হাজার কদবেল এবং এক হাজার তেঁতুল গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ