ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

টাঙ্গাইলে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ৩২ হাজার ৮৭০ পরীক্ষার্থী


টাঙ্গাইলে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ৩২ হাজার ৮৭০ পরীক্ষার্থী

সারাদেশের মতো টাঙ্গাইলের মধ্যে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) এবং সমমানের পরীক্ষা আজ শুরু হয়েছে।

এই পরীক্ষায় জেলার মোট ৬৫টি পরীক্ষা কেন্দ্রের মাধ্যমে ৩২ হাজার ৮৭০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে, যা বৃহত্তম পাবলিক পরীক্ষাগুলোর মধ্যে একটি।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় টাঙ্গাইল শহরের বিবেকানন্দ স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে জেলা প্রশাসক শরীফা হক পরিদর্শন করেছেন।

আরও পড়ুন: নেছারাবাদে শীতলা মন্দিরের জমি নিয়ে পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

জেলা প্রশাসক শরীফা হক বাসস’কে জানিয়েছেন, টাঙ্গাইলে সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা আয়োজন করা এবং আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার জন্য কেন্দ্র সচিবদের নিদের্শনা প্রদান করা হয়েছে।

এছাড়াও, উপজেলা পর্যায়ে কর্মরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটবৃন্দ পরীক্ষাকেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করছেন, এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। জেলায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) লায়লা আঞ্জুমান বানু, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার লাবিবুজ্জামান মুস্তাবীন উপস্থিত ছিলেন।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) লায়লা আঞ্জুমান বানু বাসস’কে জানিয়েছেন, জেলার এইচএসসি ৩৪ কেন্দ্রের মোট পরীক্ষার্থী ২৫ হাজার ৫০৫ জন, আলিম বিভাগে ১১ কেন্দ্রে ১ হাজার ৬৩৯ জন, এইচএসসি (ভোকেশনাল) ৩টি কেন্দ্রে ৩৫১ জন, এবং এইচএসসি (বিএমএ) ১৭ টি কেন্দ্রে ৫ হাজার ৩৭৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে।

আরও পড়ুন: ২৮ অক্টোবরের শহীদদের স্মরণে সন্দ্বীপে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজবাড়ীতে দিনে-দুপুরে বাড়িতে দুধর্ষ চুরি নগদ টাকাসহ মালামাল লুট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জাকির হোসেন পাটোয়ারী রাজবাড়ী প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৩ পি.এম


রাজবাড়ীতে দিনে-দুপুরে বাড়িতে দুধর্ষ চুরি নগদ টাকাসহ মালামাল লুট
 

 

 

 

রাজবাড়ী সদর উপজেলার বরাট ইউনিয়নের পূর্ব ভবদিয়া গ্রামে এক দম্পতির বসতবাড়িতে দিনে-দুপুরে পর পর দুটি চুরির ঘটনা ঘটেছে। অজ্ঞাতনামা চোরচক্র দিনের আলোয় ঘরের গ্রিল কেটে ও দরজা ভেঙে ১২ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, নগদ টাকা এবং মূল্যবান ঘড়ি চুরি করে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনাগুলোতে রাজবাড়ী সদর থানায় পৃথক দুটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার। আতঙ্কে দিন পার করছেন পরিবারের দু’টি শিশু সন্তানসহ গৃহকর্তা। 
প্রথম গত ১৭ জুলাই পরিবারের বসতঘরে বড় ধরনের চুরির ঘটনা ঘটে। সুমন সরদারের স্ত্রী লামিয়া আক্তার (২৮) থানায় দায়ের করেন। অভিযোগে  বলেন, ওই দিন সকাল উনি সোয়া নয় টায় তিনি সন্তানদের স্কুলে নিয়ে যান এবং স্কুল শেষে পূর্ব ভবদিয়া গ্রামের এক বান্ধবীর বাড়িতে একটি দাওয়াতে অংশ নেন। বিকেল সাড়ে চার টায় বাড়ি ফিরে তিনি দেখতে পান, অজ্ঞাতনামা চোরেরা বসতঘরের উত্তর পাশের জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করেছে। চোরচক্র ঘরের আলমারির তালা ভেঙে ড্রয়ারে থাকা ১২ ভরি ওজনের স্বর্ণের গহনা চুরি করে নিয়ে চম্পট দেয়। যার বাজারমূল্য প্রায় ১৯ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা। গত ২৯ জুন  দ্বিতীয় দফায় চুরির ঘটনাটি ঘটে। গৃহকর্তা মোঃ সুমন সরদার (৩৭) থানায় দায়ের করা অভিযোগে  উল্লেখ করেন, ওই দিন সকাল সাড়ে দশটায়  তার স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে স্কুলে যান। বিকেল সাড়ে তিনটায় বাড়ি ফিরে দেখেন ঘরের বারান্দার গ্রিল কাটা এবং ভেতরের দরজা ভাঙা। অজ্ঞাত চোরেরা ঘরে ঢুকে আসবাবপত্র এলোমেলো করে একটি মাটির ব্যাংকে রাখা নগদ ১২ হাজার টাকা এবং ১০ হাজার টাকা মূল্যের একটি বিদেশি হাতঘড়ি চুরি করে নিয়ে যায়।
পর পর দুটি চুরির ঘটনায় চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এ দম্পতি। ঘটনার পর পরই স্থানীয়দের সহযোগিতায় আশেপাশের বিভিন্ন জায়গায় খোঁজখবর নিয়েও চোর বা চুরি যাওয়া মালামালের কোনো সন্ধান মেলেনি। আত্মীয়-স্বজনদের সাথে আলোচনা করে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবারটি রাজবাড়ী সদর থানা পুলিশের নিকট এ চুরির ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের গ্রেপ্তারসহ চুরি যাওয়া স্বর্ণালঙ্কার ও মালামাল উদ্ধারের জোর দাবি জানিয়েছেন। 
রাজবাড়ী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) উত্তম কুমার ঘোষ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনার সাথে জড়িতদের ধরতে পুলিশী কার্যক্রম চলমান রয়েছে।  

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজবাড়ীতে ৮০ প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিকে আর্থিক সহায়তা প্রদান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৪ পি.এম


রাজবাড়ীতে ৮০ প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিকে আর্থিক সহায়তা প্রদান

 জেলার ১৯টি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান এবং ৬১ জন অসহায় ও দুস্থ সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের মধ্যে প্রায় ১৮ লাখ টাকার আর্থিক অনুদানের চেক হস্তান্তর করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে উপকারভোগীদের হাতে এই অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হয়।

দলের সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে চলতি অর্থবছরে জেলার মোট ৮০টি প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিকে এই আর্থিক সহায়তা দেওয়া হলো।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন, যিনি প্রধান অতিথি ছিলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক তারিফ উল হাসান এবং জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক মনজুরুল আলম দুলাল।

এ সময় জেলার বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, অনুষ্ঠানে সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ামের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল। কিন্তু রাষ্ট্রীয় ব্যস্ততার কারণে তিনি আসতে পারেননি। তার পক্ষ থেকেই আজ জেলার সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিত্বদের মধ্যে এই আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক আরও বলেন, সংস্কৃতি আমাদের ঐতিহ্য ও জাতীয় পরিচয়ের অন্যতম ভিত্তি। সাংস্কৃতিক অঙ্গনের মানুষের কল্যাণে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে ভবিষ্যতে রাজবাড়ীর সাংস্কৃতিক কর্মী ও প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে আরও বেশি সহায়তা পায়, সেই বিষয়ে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রীর সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা আনুষ্ঠানিকভাবে উপকারভোগীদের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাছ লাগানোর পাশাপাশি পরিচর্যার আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৫ পি.এম


গাছ লাগানোর পাশাপাশি পরিচর্যার আহ্বান

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় গাছ লাগানো যথেষ্ট নয়। তা ছাড়া, সেগুলো যথাযথভাবে পরিচর্যাও নিশ্চিত করতে হবে। এ বিষয়ে মন্তব্য করেছেন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা।

তারা আরও জানিয়েছেন, সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সফল করতে এবং পরিবেশ রক্ষা করার লক্ষ্যে শিক্ষার্থীসহ সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসা প্রয়োজন।

আজ বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের বুড়িগোয়ালিনী নীলডুমুর ঘাটে, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ফেইথ ইন অ্যাকশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত লবণসহনশীল ফলজ বৃক্ষের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।

উন্নয়ন সংস্থা ‘ফেইথ ইন অ্যাকশন’ গাবুরা ইউনিয়নের মোট ৯টি ওয়ার্ডের ১৫টি গ্রামে ২ হাজার ১৫টি পরিবারকে নিয়ে ‘জলবায়ু সহনশীল জনগোষ্ঠী তৈরি’ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পের আওতায় প্রকল্পের এক হাজার সদস্যের মাঝে তিনটি করে লবণসহনশীল ফলজ বৃক্ষের চারা বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন শ্যামনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ওয়ালিউল ইসলাম। তিনি বলেন, গাবুরা এলাকায় কদবেল, তাল ও তেঁতুল গাছের চারা রোপণ করলে মাটি ক্ষয়রোধে ইতিবাচক ভূমিকা নিশ্চিত হবে।

বিশেষত, তালগাছ বজ্রপাতের ঝুঁকি কমাতে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করতে কার্যকর। তিনি পরিবেশবান্ধব গাছ রোপণের জন্য আহ্বান জানান।

শ্যামনগর উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. জামাল হোসেন বলেন, একটি গাছ মানুষের জীবন রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই শুধু গাছ লাগানো নয়, বরং সেগুলোর নিয়মিত পরিচর্যাও নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

একটি শিশুর যত্ন নেয়ার মতো, একটি গাছকেও পরিচর্যা করার মাধ্যমে বড় হতে হবে। তিনি লবণসহনশীল ও পরিবেশবান্ধব গাছ বিতরণ করার উদ্যোগ নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানান।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তৃতা করেন ফেইথ ইন অ্যাকশনের প্রকল্প ব্যবস্থাপক মিল্টন বাড়ৈ, এমঅ্যান্ডই কর্মকর্তা প্রিন্স মার্ক বিশ্বাস এবং প্রকল্প কর্মকর্তা পরিতোষ কুমার বৈদ্য, সাথে কমিউনিটি ফ্যাসিলিটেটররা। অনুষ্ঠানে এক হাজার উপকারভোগীর মধ্যে এক হাজার তাল, এক হাজার কদবেল এবং এক হাজার তেঁতুল গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেত্রকোনা পর্যন্ত কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস সম্প্রসারণের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৬ পি.এম


নেত্রকোনা পর্যন্ত কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস সম্প্রসারণের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

কিশোরগঞ্জ-ঢাকা রুটে চলাচলকারী আন্তঃনগর কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের নেত্রকোনার জারিয়া পর্যন্ত সম্প্রসারণের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ হিসেবে কিশোরগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে এলাকাবাসী।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেল ৩টা থেকে রেলওয়ে স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে 'আমরা কিশোরগঞ্জবাসী' ব্যানারে এই মানববন্ধন কর্মসূচিটি অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধন চলাকালে, যখন কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জ স্টেশনে পৌঁছায়, তখন ট্রেনের ইঞ্জিনের সামনে রেললাইনে অবস্থান নিয়ে আন্দোলনকারীরা ঐতিহাসিকভাবে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। তবে, এতে ট্রেন চলাচলে কোন সমস্যা সৃষ্টি হয়নি।

এসময় বক্তারা বলেন, কিশোরগঞ্জ থেকে মাত্র ২টি ট্রেন ঢাকা রুটে চলাচল করে, যা জনগণের ভোগান্তি শেষ করে না। যদি কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেন নেত্রকোনা পর্যন্ত সম্প্রসারিত হয়, তবে কিশোরগঞ্জবাসীর বিড়ম্বনা আরও বাড়বে। তারা অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত বাতিল না হলে কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি গড়ে তোলার হুমকি দেন।

জেলার বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক আহ্বায়ক ইকরাম হোসেন, পৌর মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক আলহাজ্ব ফরিদ আহাম্মদ, সাবেক কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম, সমাজসেবক মুরাদ ভূঁইয়া সহ অন্যান্যরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ কিশোরগঞ্জ-ঢাকা রুটে চলাচলকারী আন্তঃনগর কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের নেত্রকোনার জারিয়া পর্যন্ত সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%