ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
ইরানের স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে ফল ভোগ করতেই হবে


যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে ফল ভোগ করতেই হবে

ইরানের শহীদ নেতা এবং তার পরিবারের সদস্যদের ঐতিহাসিক জানাজার প্রেক্ষাপটে একটি বার্তা প্রদান করেছেন দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ।

বার্তায় তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘এ দেশের শহীদদের, বিশেষভাবে শহীদ উম্মাহর ইমামের হত্যাকারীরা তাদের কৃতকর্মের শাস্তি ভোগ করবে। চূড়ান্ত প্রতিশোধের পদক্ষেপ পবিত্র কুদস (জেরুজালেম) মুক্তির মাধ্যমে বাস্তব রূপ লাভ করবে।’

পার্সটুডে, ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার সূত্রে জানিয়েছেন, বাগের গালিবাফ তার বার্তায় বলেন, ‘আমাদের নেতাকে হারানোর বেদনা এবং দেশের রাজধানীতে তার পবিত্র, আহত দেহের শেষ উপস্থিতির দিনটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। আপনাদের নতুন জাগরণের মাধ্যমে এটি মহাকাব্য ও সচেতনতায় পরিণত হয়েছে। এটি ইসলামি ইরান এবং সম্পূর্ণ ইসলামি বিশ্বের বিজয়ের পথকে আরো ত্বরান্বিত করেছে।’

আরও পড়ুন: দেশি মাছের প্রাকৃতিক উৎপাদন বাড়াতে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে: মৎস্যমন্ত্রী

এছাড়া, বার্তায় বলা হয়েছে, যে জাতি ৪৭ বছর ধরে বিপ্লবের অগ্রসেনা হিসেবে ভূমিকা পালন করছে, তারা গত চার মাস ধরে প্রতি রাতে ‘আমেরিকার মৃত্যু হোক’ এবং ‘ইসরাইলের মৃত্যু হোক’ ধ্বনি উচ্চারণ করেছে। এর মাধ্যমে তারা শহীদ ইমামের হত্যাকারীদের প্রতি ঘৃণা ও প্রতিশোধের দাবি জানিয়েছে।

স্পিকার আরও বলেন, আল্লাহর প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন নিশ্চিত। ইরানের ভূমিতে আগ্রাসনকারী এবং শহীদদের হত্যাকারীরা তাদের কর্মের জন্য উপযুক্ত শাস্তি পাবেন। অত্যাচারী শক্তির বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিশোধ পবিত্র কুদস মুক্তির মাধ্যমে কার্যকর হবে।

তিনি আরও বলেন, এই জাগ্রত জাতি তাদের নেতাকে বিদায় জানিয়েছে। তারা গত চার মাসের মতো প্রজ্ঞাবান ধর্মীয় নেতা হযরত আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মোজতবা হুসেইনি খামেনির প্রতি আনুগত্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। এই জাতির প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা উচিত, কারণ তারা ইমাম ও শহীদদের আলোকিত পথ থেকে সামান্যতম পিছপা হয়নি। আজ বিশ্ব উপলব্ধি করছে যে ইসলামী বিপ্লব ও ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান স্থায়ী ও চিরঞ্জীব। জনগণের সমর্থন থাকলে কোনো অচলাবস্থা বা পরাজয় নেই।

বাগের গালিবাফ আরো বলেন, এই জাতি ইমাম হুসাইন (রা.)-এর শিক্ষার অনুসরণ করেছে। শহীদ বিপ্লবী নেতার ৩৭ বছরের নেতৃত্বকালে তারা শুধু জিহাদ ও সংগ্রামের চেতনা ধরে রাখেনি, বরং বিশ্বের আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে সংগঠিতভাবে দাঁড়িয়েছে।

আরও পড়ুন: শাহজালালে ১৫৩ ফ্লাইট বাতিল, আটকা ২২,৬৩৬ যাত্রী

অফিসারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জনগণের মর্যাদা বুঝতে হবে এবং অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কোনো প্রচেষ্টায় কমতি রাখা যাবে না। এটা হতে পারে ইরানকে রক্ষা করার জন্য ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে, কূটনীতি এবং আলোচনার ক্ষেত্রে, কিংবা জনগণের জীবনযাত্রা ও অর্থনৈতিক সমস্যাগুলোর সমাধানে সেবার ক্ষেত্রেই হোক। শহীদ নেতা এবং ইসলামী বিপ্লবের নেতার গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনাগুলো অনুসরণ করে জনগণের জন্য নিরলস ও কার্যকর কাজ করার ব্যাপারে কর্মকর্তাদের প্রচেষ্টা সফল হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সংখ্যালঘু পরিবারের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, টঙ্গীতে আটক ১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪০ পি.এম


সংখ্যালঘু পরিবারের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, টঙ্গীতে আটক ১

গাজীপুরের টঙ্গীর সাতাইশ এলাকায় জমি-সংক্রান্ত বিরোধ ও স্থানীয় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে একটি সংখ্যালঘু পরিবারের বাড়িতে হামলা এবং ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় একই পরিবারের চারজন আহত হয়েছে। এই ঘটনার পর পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশ এই তথ্য জানিয়েছে। পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি হলেন মো. মনোয়ার হোসেন খোকন (৪৫)। তিনি টঙ্গীর দাঁড়াইল এলাকার মৃত কুদরত আলীর ছেলে। পুলিশ জানায়, তিনি টঙ্গী পশ্চিম থানা তাঁতীদলের সাধারণ সম্পাদক।

পুলিশ আরও জানায়, সোমবার (৬ জুলাই) রাতে টঙ্গীর সাতাইশ এলাকায় শ্রী নীল মোহন (৫০) নামে একজনের বাড়িতে হামলা এবং ভাঙচুরের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ যায়। এরপর প্রধান অভিযুক্ত মনোয়ার হোসেন খোকনকে গ্রেপ্তার করা হয়। স্থানীয়দের মতে, জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ এবং স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিদ্যমান ছিল।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল নীল মোহনের বাড়িতে হামলা চালায়। হামলার সময় তাকে ঘর থেকে বের করে মারধর করা হয়। এ ঘটনায় নীল মোহনের স্ত্রী বৃষ্টি মণ্ডল (৪০), ছেলে বিজয় মণ্ডল (১৪) এবং ভাতিজি চায়না (২২) আহত হন। হামলার সময় বাড়িতে ভাঙচুরও করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তির বাড়িতে হামলা এবং ভাঙচুরের ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ঘটনার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানের ভয়ে মার্কিন ঘাঁটি ইসরাইলে সরিয়ে নিতে বললেন সাবেক সেন্টকম প্রধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪২ পি.এম


ইরানের ভয়ে মার্কিন ঘাঁটি ইসরাইলে সরিয়ে নিতে বললেন সাবেক সেন্টকম প্রধান

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সম্পদকে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা থেকে রক্ষা করার জন্য পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের মার্কিন ঘাঁটিগুলো ইসরাইল এবং তার প্রতিবেশী দেশগুলোতে স্থানান্তরিত করা প্রয়োজন বলে মত পোষণ করেছেন মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের সাবেক প্রধান জেনারেল ফ্রাঙ্ক ম্যাকেঞ্জি।

গণমাধ্যমে তার বক্তব্য প্রকাশ চলাকালে, কাতারের আল-উদেইদ সামরিক ঘাঁটির কথা উল্লেখ করতে গিয়ে তিনি বলেন, 'কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ সেন্টকমের অগ্রবর্তী সদর দফতরকে ইরান থেকে মাত্র ১০০ মাইল দূরে (কাতারে) স্থাপন করবে না। অথচ বর্তমানে সেটি সেখানেই রয়েছে।'

ম্যাকেঞ্জি ২৮ মার্চ ২০১৯ থেকে ১ এপ্রিল ২০২২ পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি জানান, ২০২২ সালে তিনি এবং অন্যান্য কর্মকর্তারা বাইডেন প্রশাসনকে সতর্ক করেছিলেন। তারা বলেছিলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতার এবং বাহরাইনে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো ইরানের হামলার মুখে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। সুতরাং, মার্কিন বাহিনীকে পশ্চিম দিকে, বিশেষ করে ইসরাইলে নিয়ে যাওয়া উচিত।

ম্যাকেঞ্জি বলেন, 'আমরা বাইডেন প্রশাসনের কাছে প্রস্তাব দিয়েছিলাম, যেন ঘাঁটিগুলো পশ্চিমে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হয়, যার মধ্যে ইসরাইল ও মিশর অন্তর্ভুক্ত, যাতে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ লাগলে আমরা দ্রুত পশ্চিমে সরে যেতে পারি।' তবে বাইডেন প্রশাসন এই প্রস্তাবটিকে নাকচ করে দিয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ঘাঁটি ব্যবস্থা অতীতের ধারাবাহিকতায় চলছে। এটি মূলত স্নায়ুযুদ্ধের সময়ের উত্তরাধিকার, যখন যুক্তরাষ্ট্র তেল-সমৃদ্ধ আরব উপসাগরীয় দেশগুলোতে সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্ভাব্য আগ্রাসন নিয়ে চিন্তিত ছিল। পরে ইরাক ও আফগানিস্তানে মার্কিন বিদ্রোহবিরোধী অভিযানের সময়ও এগুলো ব্যবহৃত হয়েছিল। ম্যাকেঞ্জির মতে, 'যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান কৌশল মাঠপর্যায়ের বাস্তবতার সাথে মিলছে না।'

ইরান কার্যত মার্কিন বাহিনীকে উপসাগরীয় উপকূল থেকে দূরে সরে যেতে বাধ্য করেছে। এর আগে 'মিডল ইস্ট আই'-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, রিয়াদের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটিতে ইরান উপর্যুপরি আঘাত হানার পর গত মার্চ মাসে যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবের তায়েফ বিমান ঘাঁটিতে প্রবেশাধিকার পায়। এছাড়াও পারস্য উপসাগরীয় উপকূলের আরও পূর্বে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোও ইরানের তীব্র হামলার শিকার হয়েছে।

ইরান বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের ঘাঁটি, কাতারে অবস্থিত সেন্টকমের সদর দফতর, কুয়েত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিমান ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানায়।

স্যাটেলাইটের ছবি দেখে ঘাঁটির ক্ষয়ক্ষতির সঠিক মূল্যায়ন করা কঠিন মন্তব্য করে ম্যাকেঞ্জি সতর্ক করেন, 'একটি ঘাঁটির হ্যাঙ্গার, রাডার বা ব্যারাক ধ্বংস হলেও এর ভূগর্ভস্থ জ্বালানি ব্যবস্থা এবং রানওয়ে অক্ষত থাকতে পারে, যা দিয়ে যুদ্ধবিমান ওঠানামা করতে পারে। পরিস্থিতি এখন এমন দাঁড়িয়েছে যে, শত্রুর কাছাকাছি থাকা ভালো, কারণ যুদ্ধে দ্রুত যোগ দেওয়া যায়; কিন্তু আবার শত্রুর কাছাকাছি থাকা খারাপও, কারণ সে আপনাকে খুব দ্রুত আঘাত করার ক্ষমতা রাখে।'

অবশ্য আরব মিত্রদের সঙ্গে সংহতি বজায় রাখতে উপসাগরীয় দেশগুলোতে মার্কিন উপস্থিতি বজায় রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন ম্যাকেঞ্জি। তবে তার প্রস্তাব, যুক্তরাষ্ট্র উপসাগরীয় ঘাঁটিগুলোকে কেবল জ্বালানি নেওয়ার কাজে ব্যবহার করতে পারে এবং এই ঘাঁটিগুলোকে দীর্ঘমেয়াদী ঘাঁটি হিসেবে ইসরাইল, মিশর ও সৌদি আরবের লোহিত সাগর উপকূলে বেছে নিতে পারে।

তিনি বলেন, 'আমাদের পশ্চিমের দিকে তাকাতে হবে, ইসরাইলে ঘাঁটি গড়ার কথা ভাবতে হবে। আমি মনে করি এটি একটি চমৎকার আইডিয়া।'

ম্যাকেঞ্জির মতে, অন্যান্য দেশের তুলনায় ইসরাইলকে বেছে নেওয়া ভালো, কারণ সেখানে প্রবেশাধিকার, ঘাঁটি স্থাপন এবং আকাশসীমা ব্যবহারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে কম বিধিনিষেধের মুখোমুখি হতে হবে। এছাড়াও উপসাগরীয় দেশগুলোর তুলনায় ইসরাইল উন্নত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পারবে।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর সফরের পর খুললো মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪২ পি.এম


প্রধানমন্ত্রীর সফরের পর খুললো মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরের পর বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার আবারও খুলে দেয়া হয়েছে। সরকার আশা করছে, আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে বিনা খরচে কর্মী পাঠানো শুরু হবে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে সিলেট সার্কিট হাউসে এ কথা জানান প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।

প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, খুব দ্রুতই মধ্যপ্রাচ্য, জাপান, মরিশাসের শ্রমবাজার নিয়ে সুখবর আসবে।

তবে এবার মালয়েশিয়া নয়, বাংলাদেশই রিক্রুটিং এজেন্সি নির্বাচন করবে। তাই সিন্ডিকেট ও দুর্নীতি এড়াতে সরকার এবং এজেন্সিগুলোর সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশ্লেষকদের সতর্কবার্তা অনুযায়ী, স্বচ্ছতা নিশ্চিত না হলে আবারও জনশক্তি রফতানিতে ধাক্কা আসতে পারে।

অনিয়ম এবং দুর্নীতির অভিযোগে ২০০৮ সালে শ্রমবাজার বন্ধ হওয়ার পর ২০১৬ সালে আবার এটি চালু হয়। পরে দুর্নীতির অভিযোগে ২০১৮ সালে বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেয়া আবারও বন্ধ করে মালয়েশিয়া।

এরপর ২০২২ সালের আগস্ট থেকে আবার কর্মী যাওয়া শুরু হয়। কিন্তু ২০২৪ সালের ১ জুন আবারও বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ হয়ে যায়। এরপর দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন শর্ত শিথিল নিয়ে আলোচনা চলতে থাকে।

এদিকে ২০২৪ সালে মালয়েশিয়ায় যেতে না পারা ৭ হাজার ৮৭৩ জন কর্মীকে পাঠানোর দায়িত্ব সরকারি সংস্থা বোয়েসেলকে দেয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত তাদের মধ্যে প্রায় ৩ হাজার কর্মী মালয়েশিয়ায় যেতে পেরেছেন। বাকি কর্মীদের বিষয়েও দ্রুত পৃথক সিদ্ধান্ত নেয়ার দাবি জানাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফরেও দেশটির শ্রমবাজারে বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। দুই দেশের সরকারের আলোচনার মাধ্যমে আইনি জটিলতা দ্রুত কাটিয়ে শ্রমবাজার আবারও চালুর ঘোষণা এলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঘর থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, সাটুরিয়ায় স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪৪ পি.এম


ঘর থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, সাটুরিয়ায় স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদ

 

মনিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায় ৪৫ বছর বয়সী এক গৃহবধূ সুফিয়া বেগমের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার স্বামী ইসমাইল হোসেনকে থানায় নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে উপজেলার হরগজ ইউনিয়নের বেপারীপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইসমাইল হোসেন একজন অটোরিকশাচালক। তিনি সকালে অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন।

কিছুক্ষণ পর বাড়িতে ফিরে স্ত্রীকে খুঁজে না পেয়ে বাড়ির একটি টিনশেড ঘরের আড়ার সঙ্গে কাপড় পেঁচানো অবস্থায় ঝুলন্ত দেখেন। এরপর স্থানীয়দের মাধ্যমে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।

খবর পেয়ে সাটুরিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহতের ছেলে ইসরাফিল দাবি করে, তার মা দীর্ঘদিন ধরে পেটের আলসারে ভুগছিলেন এবং মানসিক সমস্যাও ছিল।

এর ফলস্বরূপ তিনি মাঝে মাঝে অস্বাভাবিক আচরণ করতেন। তিনি আরও জানান, এসব বিষয় নিয়ে বাবার মাঝে মাঝে মাকে মারধর করার ঘটনাও ঘটেছে।

সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্বামীকে থানায় আনা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%